‘সম্পদের তথ্য প্রকাশে মতানৈক্য’

Published

‘সম্পদের তথ্য প্রকাশে মতানৈক্য’- এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

খবরে বলা হয়েছে, সম্পদের হিসাব প্রকাশ্যে আনা নিয়ে সচিবদের মতভেদ দেখা দিয়েছে।

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা-১৯৭৯ এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেওয়ার কথা।

কিন্তু কয়েকজন সচিব বলেছেন, আয়কর আইন-২০২৩ অনুযায়ী এসব তথ্য গোপন থাকবে। আর তিনজন সচিব বলেছেন, স্ত্রীদের সম্পদের হিসাবও জমা দিতে হবে।

তবে প্রত্যেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাব বিবরণী জমা দেবেন এবং এ তথ্য কর্তৃপক্ষকে গোপন রাখতে হবে। জনগণের কাছে প্রকাশ করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সচিব সভায় এসব কথা বলেন সচিবরা। এসময় সম্পদের হিসাব জমা দেওয়া না-দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সচিবদের মধ্যে লম্বা সময় বিতর্ক হয়েছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়াও শুক্রবার প্রকাশিত প্রায় সব জাতীয় পত্রিকার প্রধান শিরোনাম হয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলন ও বাধ্যতামূলক পেনশন বাতিলের দাবিতে শিক্ষকদের কর্মবিরতির খবর।

‘শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ, বাড়ছে বিক্ষোভ’ – আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা অবরোধ শেষে শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং রোববার সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে ছাত্র ধর্মঘটের ঘোষণা দেন আন্দোলনকারীরা।

এর আগে সরকারি চাকরিতে ছয় বছর আগে বাতিল করা কোটা গত মাসে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত দেন আদালত। এর প্রতিবাদে ও কোটা বাতিল চেয়ে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা।

তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ‘আন্দোলন হচ্ছে হোক। রাজপথে আন্দোলন করে কি হাইকোর্টের রায় পরিবর্তন করবেন?’ - আদালতের এ মন্তব্যের পর শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

এসময় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে আশপাশের সড়ক-মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ করে।

আন্দোলনের নেতারা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি হিসেবে আগামী শনি ও রোববার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ ও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

‘More students join in to boycott classes, exams’ অর্থাৎ ‘আরও শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জনে অংশে নিয়েছে’- ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম।

খবরে বলা হয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণার রায় স্থগিত না হওয়ায় ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

ছয় ঘণ্টার অবরোধের কর্মসূচির পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি নাহিদ ইসলাম পত্রিকাটিকে জানান, চার দফা দাবির ভিত্তিতে শুক্রবার সারাদেশে অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালানো হবে।

শনিবার বিকেল ৩টায় বিক্ষোভ মিছিল এবং পরদিন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করবে বলেও জানা তিনি।

‘সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়নি, শিক্ষক আন্দোলন চলবে’- প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার খবর এটি।

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অচলাবস্থা নিয়ে বৃহস্পতিবার বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে শিক্ষক প্রতিনিধিদের নির্ধারিত বৈঠক হয়নি।

বৈঠক স্থগিত করার কারণ হিসেবে মন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যস্ততার কথা বলা হয়েছে। এরপর কবে এই বৈঠক হতে পারে, সে বিষয়েও কোনো কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ কর্মসূচির প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একযোগে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৩৫টি পাবলিক ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।

‘হেফাজতের অফিস নিয়ে টানাটানি’- কালবেলার প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যালয় নিয়ে হেফাজত নেতাদের মধ্যে মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে।

২০১০ সালে যাত্রা করা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সব কার্যক্রম শুরু থেকেই চট্টগ্রামের হাটহাজারী মাদ্রাসা নামে পরিচিত জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলামকে ঘিরে পরিচালিত হচ্ছে ।

কাগজপত্রে এই মাদ্রাসাকেই অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয় উল্লেখ করা হচ্ছে।

তবে সারা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের সুবিধা বিবেচনায় রাজধানী কেন্দ্র করে সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার পক্ষে ঢাকা ও আশপাশের জেলাকেন্দ্রিক শীর্ষ নেতারা।

তবে কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থানান্তরের এই প্রস্তাব মানতে রাজি নন চট্টগ্রাম বিভাগের নেতারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের জায়গা চূড়ান্ত করতে মাসখানেক আগে হেফাজতের কয়েকজন নেতা মগবাজার এবং পুরানা পল্টন এলাকায় একাধিক ভবন পরিদর্শন করেছেন। আগস্টের মধ্যেই ঢাকায় কেন্দ্রীয় কার্যালয় স্থাপন করতে চান তারা।

‘বান্ধবী আরজিনাও অঢেল সম্পদের মালিক’- যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর।

এতে বলা হয়েছে, ছাগলকাণ্ডে বহুল আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও তারই অধস্তন নারী কর্মকর্তা আরজিনা খাতুনের মধ্যে মোবাইল ফোনে আলাপচারিতার এক স্পর্শকাতর অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর তোলপাড় শুরু হয়েছে।

খোদ এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিযোগ-শুধু মতিউর রহমানের বান্ধবী হিসাবে বহু অনৈতিক সুবিধা হাসিল করেছেন আরজিনা। অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থে বনেছেন অঢেল সম্পত্তির মালিক।

ঢাকায় অভিজাত অ্যাপার্টমেন্ট, গ্রামে বিলাসবহুল বাড়ি, ৫০০ ভরি স্বর্ণালংকারসহ নামে-বেনামে গড়েছেন বিপুল সম্পদ। আরজিনার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অভিযোগ গড়িয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পর্যন্ত।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ১০ জুন আরজিনার দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের খতিয়ান তুলে ধরে দুদকে অভিযোগ জমা দেন এক ব্যক্তি।

তাতে বলা হয়, মিথ্যা তথ্য দিয়ে পণ্য আমদানি, মানি লন্ডারিং, স্বর্ণ চোরাচালান চক্রের সঙ্গে যোগসাজশ আর আলোচিত এনবিআরের সদ্য সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের সংস্পর্শে এসে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন আরজিনা।

কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনার মোহাম্মদ এনামুল হকের সম্পদ জব্দের আবেদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

তবে ক্রোক করার আদেশ দেয়া সম্পদের মধ্যে দুটি ফ্ল্যাট আগেই বিক্রি করে দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। পত্রিকাটির অনুসন্ধানে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এগুলোকে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অর্জিত সম্পদ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রায় এক বছর আগে দুদক মামলা করলেও বর্তমানে সিলেটে কর্মরত এনামুল হক মামলার এজাহারভুক্ত সম্পদ কীভাবে বিক্রি করছেন তার কিছুই জানে না সংস্থাটি।

এনামুলের মামলার তদন্ত করা দুদকের উপপরিচালক ফারজানা ইয়াসমিন এ বিষয়ে তথ্য দিতে রাজি না হলেও সংশ্লিষ্ট আরেক কর্মকর্তা বলেন, তদন্ত পর্যায়ে আসামির সম্পত্তি ক্রোক করা হবে কি হবে না, তা তদন্ত কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিষয়। এ ক্ষেত্রে আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

গত বছরের জুলাইয়ে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মামলার এজাহারেই উল্লেখ করেছেন, জিজ্ঞাসাবাদে সম্পদের উৎস বিষয়ে এনামুল হক জানান, ফ্ল্যাট বিক্রি করে ১ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং জমি বিক্রির বায়না হিসেবে ২০ লাখ টাকা পেয়েছেন।

আসামির কাছ থেকে এক বছর আগেই সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টার কথা জানার পরও তদন্ত কর্মকর্তা সম্পত্তিগুলো জব্দ (ক্রোক) করার উদ্যোগ নেননি। এ ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চাপ থাকতে পারে বলে ধারণা দেন দুদকের এক কর্মকর্তা।

‘নতুন অর্থবছরের শুরুতে সরকারি ব্যয়ে লাগাম’- নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর।

খবরে বলা হয়েছে, পরিস্থিতিতে সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের লক্ষ্যে পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এতে বিদেশভ্রমণ থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ করা অর্থের ব্যয় সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে নতুন যানবাহন ক্রয় করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও সরকারি খরচ সব ধরনের বিদেশী ভ্রমণ, ওয়ার্কশপ ও সেমিনারে অংশ নেয়া বন্ধ থাকার কথা বলা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

এছাড়াও সব ধরনের থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ, পেট্রল, অয়েল ও লুব্রিকেন্ট এবং গ্যাস ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ ব্যয় করা যাবে।

পরিচালন বাজেটের আওতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ছাড়া নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্যান্য ভবন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ থাকবে।

খবরে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে স্পষ্ট নন অনেক শিক্ষক। বিভ্রান্তিতে আছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও।

দেশে ২০২৩ সাল থেকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে এবং ২০২৪ সাল থেকে অষ্টম ও নবম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের শুরুতেই বলা হয়েছিল, নতুন শিক্ষাক্রমে প্রচলিত গ্রেডিং সিস্টেম ও নম্বরের ব্যবস্থা থাকবে না।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও এনসিটিবি-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এতে লিখিত অংশের জন্য ৬৫ শতাংশ নম্বর এবং কার্যক্রমভিত্তিক অংশে ৩৫ শতাংশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরই মধ্যে এ মূল্যায়ন পদ্ধতিতে দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় পরীক্ষা গ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার থেকে তা সারা দেশে একযোগে কার্যকর হয়েছে।

তবে এর নম্বর বণ্টনসহ আনুষঙ্গিক অনেক বিষয় নিয়ে এখনো স্পষ্ট ধারণা নেই শিক্ষকদের। তারা বলছেন, স্তর ও নম্বরভিত্তিক এ মূল্যায়ন পদ্ধতি তারা এখনো বুঝে উঠতে পারেননি। আবার এ বিষয়ে তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণেরও অভাব রয়েছে।

‘ভারতকে সন্তুষ্ট রেখে চীনের সঙ্গে প্রকল্প আলোচনা’- দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

খবরটিতে বলা হয়েছে, ভারত ও চীন ইস্যুতে কৌশলী নীতি অনুসরণ করতে চান প্রধানমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

সে কারণে প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র ভারতকে সন্তুষ্ট রেখে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে চীনের সঙ্গে আলোচনা করতে চান তিনি।

আওয়ামী লীগের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল এবং অভিজ্ঞ কেন্দ্রীয় নেতাদের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন বেইজিং সফরে বাংলাদেশের স্বার্থে ভারতের প্রয়োজনীয়তার কথা চীনকে বোঝানো হবে।

ভারত-চীন সম্পর্ক ধরে রাখতে এ কৌশল মাথায় রেখেই ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে ভারত সফর শেষ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৮ জুলাই বেইজিং যাচ্ছেন তিনি।