'ভারতীয় ঋণের শর্তে পরিবর্তন চায় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানই'

'১২ জেলায় হাই-টেক পার্ক নির্মাণ, ভারতীয় ঋণের শর্তে পরিবর্তন চায় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানই' বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, ভারতীয় লাইন অব ক্রেডিটের (এলওসি) আওতায় নেয়া ঋণে দেশের ১২ জেলায় হাই-টেক পার্ক নির্মাণ করছে সরকার।
এলওসি ঋণের শর্তে প্রকল্পে ঠিকাদার-পরামর্শক হিসেবে কোনো ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেয়ার কথা বলা রয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে এতে ব্যবহৃত মালামালের ৭৫ শতাংশ আনতে হবে ভারত থেকে।
তবে ভারতীয় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট নানা পক্ষের আপত্তির পরিপ্রেক্ষিতে হাই-টেক পার্ক নির্মাণ প্রকল্পের জন্য এ শর্ত কিছুটা শিথিল করে ৬৫ শতাংশে নামাতে সম্মত হয়েছে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পটিতে ঠিকাদার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)।
প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ না করে এসব মালামাল ভারত থেকে আনতে গেলে খরচ ও সময়—দুটোই ব্যাপক মাত্রায় বেড়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় ঋণের শর্ত পরিবর্তন বা আরো শিথিল করে বাংলাদেশ থেকেই অধিকাংশ মালামাল সংগ্রহ করতে দেয়া প্রয়োজন।
মানবজমিন পত্রিকার শিরোনাম পাকিস্তানে ভোটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, ইমরানের নাটকীয় ফেরা। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের ১৬তম সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলে চমক দেখিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সমর্থিত প্রার্থীরা। সকল পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করে প্রধান দুই দল পিএমএল-এন ও পিপিপি’র থেকে এগিয়ে আছেন তারা।
রাজনীতিতে ইমরান খানের এই ফিরে আসা নিয়ে মার্কিন ম্যাগাজিন টাইমস্ লিখেছে, তাকে গুলি করা হয়েছে, জেলে পাঠানো হয়েছে, তার রাজনৈতিক দলকে কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং মূলধারার মিডিয়া থেকে তার নাম মুছে ফেলা হয়েছে, কিন্তু তারপরও তাকে দমিয়ে রাখা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষিত হয়নি। এই রিপোর্ট লেখার সময় ভোট গণনা অব্যাহত রয়েছে। তাতে পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখা গেছে।
'বছরে কৃষক কমেছে ১৬ লাখ' এটি দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম। এই খবরে বলা হয়েছে, শিল্প ও সেবা খাত এগিয়ে গেলেও এখনো কৃষি খাতের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরশীলতা সবচেয়ে বেশি। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কল্যাণে প্রতিবছর বাড়ছে উৎপাদন, যা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তায় নিয়ামক ভূমিকা পালন করছে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
কিন্তু স্বল্প আয়তনের এবং বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে উৎপাদন বাড়লেও আমদানিনির্ভরতা কমেনি। কৃষিপণ্যের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও কৃষকদের জন্য এখনো সৃজনশীল কর্মসংস্থানের খাত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি কৃষি খাত। ফলে নিজস্ব এবং পৈতৃক পেশা ছাড়ছেন অনেক কৃষক।
গত এক বছরে প্রায় ১৬ লাখ কৃষক তাদের পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এ তথ্য জানিয়েছে।
কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যান্ত্রিকীকরণ এবং কাজের অনিশ্চয়তা কৃষিপেশাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন ৫০ জনের কাজ একজনে করতে পারেন।
অন্য পেশায় সারা বছর কাজের নিশ্চয়তা থাকলেও কৃষিতে এ সুযোগ সীমিত। ফলে বেঁচে থাকার তাগিদে কৃষি ছেড়ে শিল্প ও সেবায় ঝুঁকছেন তারা।
'দেশে অতিধনী, অতিদরিদ্র পরিবারের সংখ্যা বেড়েছে,' সমকালের শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, দারিদ্র্য বিমোচনে নানামুখী উদ্যোগ আছে সরকারের। কয়েক বছর ধরে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে। নতুন নতুন কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থ বরাদ্দও দেওয়া হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। তারপরও দেশে অতিদরিদ্র পরিবারের হার বাড়ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে অতিধনী পরিবারের সংখ্যাও।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএসের) স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিকস জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসে এসেছে।
এতে দেখা যায়, ২০২২ সালে দেশের ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ পরিবার ছিল অতিধনী। আগের বছর এটা ছিল ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
অন্যদিকে গ্রাম এবং সিটি করপোরেশন এলাকায় অতিদরিদ্র পরিবারের সংখ্যা বেড়েছে। অবশ্য, দেশের সামগ্রিকভাবে অতিদরিদ্র পরিবারের হার জানায়নি বিবিএস।

দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম 'গাজীপুর-বিমানবন্দর বিআরটি প্রকল্পে পদে পদে ত্রুটি। সময় ও ব্যয়ে বিশ্ব রেকর্ড'। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, গাজীপুর-বিমানবন্দর ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বাস্তবায়িত এ ধরনের প্রকল্পের চেয়ে ৬ গুণ বেশি সময় চলে গেলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি।
শুধু তাই নয়, ব্যয়ের ক্ষেত্রেও শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে প্রকল্পটি। এমন দৈর্ঘ্যের বিশ্বের অন্য বিআরটির প্রকল্পের চেয়ে ৪ গুণের বেশি ব্যয় হয়েছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে সময় ও ব্যয়ের দিক থেকে ইতোমধ্যেই প্রকল্পটি এক রকম 'বিশ্ব রেকর্ড' করেছে-এমন মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া পদ্ধতিগতভাবে বিআরটির সারিতে শুধু বিশেষ বাস চলাচল করে। বাংলাদেশের প্রথম বিআরটি প্রকল্পে বিশেষায়িত বাসের পাশাপাশি সাধারণ বাস চলাচলের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এতে প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে-এমন আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, গাজীপুর-বিমানবন্দর করিডরে দেশের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বিআরটির ত্রুটিপূর্ণ বাস্তবায়ন বা পরিচালনার কারণে যানজট বাড়বে শিল্প অঞ্চলটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিশ্বের প্রায় ২০০টি শহরে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এটা খুব সহজ ও কম খরচের প্রকল্প। বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বাস্তবায়িত এসব প্রকল্প সমতল সড়কে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। গাজীপুর-বিমানবন্দর সড়কে অপ্রয়োজনীয় ফ্লাইওভার নির্মাণ করে প্রকল্পের খরচ বাড়ানো হয়েছে।
ইত্তেফাকের শিরোনাম 'অনাস্থায় হাজার হাজার রোগী যাচ্ছে দেশের বাইরে'। এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবায় নেই মানবিকতা । সেই স্থান দখল করে নিয়েছে বাণিজ্য। এ কারণে সরকারি নানা সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা। অনাস্থায় হাজার হাজার রোগী যাচ্ছে দেশের বাইরে।
যাদের টাকা আছে, তারা দেশের বাইরে যাওয়ার রাজধানীর নামিদামি বেসরকারি হাসপাতালে নিতে পারছেন। তবে সেখানেও আছে গলাকাটা বাণিজ্য। আর যাদের টাকা নেই, তারা মানহীন ভুল চিকিৎসায় অঙ্গহানি- প্রাণহানির শিকার হচ্ছেন।
৮০ ভাগ রোগীই সরকারি হাসপাতালের বঞ্চিত হচ্ছেন। ডাক্তার নেই, চিকিৎসক নেই, প্যাথলজি নানা অজুহাত দেখিয়ে রোগীদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে হাসপাতাল, ক্লিনিক ও সেন্টারে। জনবল আছে, কিন্তু বাস্তবে সরকারি জনবল নেই।
সঠিক অভাব তো আছেই। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী কোনো চিকিৎসাসেবা না পেয়ে হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা চলে এলেও যেন দেখার কেউ নেই।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Panic returs in Ghumdhum'. খবরে বলা হচ্ছে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বান্দরবানের ঘুমধুম গ্রামের মানুষ কয়েক দিন আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার পর গত বৃহস্পতিবার তাদের বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলেন।
কিন্তু এক দিন পরে গতকাল শুক্রবার সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে থেমে থেমে গোলাগুলি ও রকেট হামলার আওয়াজ পেয়েছেন গ্রামবাসী। শিশুরা খেলতে গিয়ে অবিস্ফোরিত গ্রেনেড পায়। এ অবস্থায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী মানুষের মধ্যে আবারও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
'ফেরার আশা দেখছে না রোহিঙ্গারা' আজকের পত্রিকার শিরোনাম এটি। এই খবরে বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি বড় অংশের দখল নিয়েছে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী। তবে এরপরও কোনো আশা দেখছে না বাংলাদেশের আশ্রয়শিবিরে থাকা রোহিঙ্গারা। তারা মনে করছে, মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের সংঘাতের জেরে সেখানে বসবাসরত আরও সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হবে।
এদিকে গত কয়েক দিনে মিয়ানমারের রাখাইনে সংঘাতের তীব্রতা কমে এলেও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় এখনো স্বাভাবিক হচ্ছে না জনজীবন। এরই মধ্যে সীমান্তবর্তী একটি বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় চলছে।
এক সপ্তাহের বেশি সময় মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াই চলছে। সূত্র বলছে, রাখাইন রাজ্যের অন্তত ৩৫ শতাংশ এলাকা দখল করেছে আরাকান আর্মি।
আরাকান আর্মিকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা ‘মগি’ বলে ডাকে। মূলত রাখাইনের মগ সম্প্রদায়ের একটি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী; যারা রাখাইনের স্বায়ত্তশাসিত রাজ্যের দাবিতে যুদ্ধ করছে। রোহিঙ্গাদের অভিযোগ, এই মগ সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের ওপর নির্যাতন করেছে।

'দুই বছরে ১৫০০ নারী পাচার' কালের কণ্ঠের শিরোনাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দুই বছরে (২০২২ ও ২০২৩ সাল) দেশ থেকে প্রায় দেড় হাজার নারী ও শিশু পাচার হয়েছে। তাদের বেশির ভাগ এখনো উদ্ধার হয়নি। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য দিয়েছে।
সর্বশেষ রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে নিখোঁজ দুই কিশোরী ভারতে পাচার হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার তদন্তে নেমে কবির হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদে নারী ও শিশু পাচারকারী একটি চক্রের সন্ধান পায় তারা। কবিরের তথ্য অনুযায়ী, চক্রটি ফেসবুকে বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের পাচার করে আসছিল।
'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজে পরীক্ষা দেন ২৬ জন, পাস করেন ২৭ জন' প্রথম আলোর শিরোনাম। এই খবরটিতে বলা হচ্ছে, আসন ৪০টি। ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ২৬ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু রেজিস্ট্রার ভবনে ফলাফলের যে তালিকা পাঠানো হয়, তাতে দেখা যায় পাস করেছেন ২৭ জন।
বিস্ময়কর এই ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের অনিয়মিত স্নাতকোত্তর কোর্স 'প্রফেশনাল মাস্টার্স ইন জাপানিজ স্টাডিজে (পিএমজেএস)।'
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা ই-মেইলে ভর্তি পরীক্ষার্থী হিসেবে ২৬ জনের নাম পেয়েছেন। কিন্তু রেজিস্ট্রার ভবনে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফলাফলে ওই ২৬ জনের বাইরে মিঠু চন্দ্র শীল নামে আরও একজনের নাম রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পিএমজেএসের এই ভর্তি পরীক্ষা হয় গত ২২ ডিসেম্বর সকাল ১০টায়। সেদিন বেলা আড়াইটায় লিখিত পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর মৌখিক পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে লিখিত পরীক্ষার ঘণ্টাখানেক পরেই মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।
পরে চূড়ান্ত ফলাফলে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ওই ২৬ জনের সঙ্গে অতিরিক্ত একজনের নাম প্রকাশিত হয়। ওই ২৭ জনকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বলা হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত ভর্তি হন ২১ জন।








