'অসন্তুষ্টির বার্তা যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতেও'

Published

অসন্তুষ্টির বার্তা যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতেও- এমন শিরোনাম করেছে কালের কণ্ঠ। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের নির্বাচনসহ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘অতি উৎসাহ’ দেখানো পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের তলব করে কূটনৈতিক শিষ্টাচার মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রদূতদের আচরণে সরকার যে অসন্তুষ্ট হয়েছে তা লিখিতভাবে তাঁদের নিজ দেশের সরকারকেও জানানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, ডেনমার্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতকে গতকাল বুধবার বিকেলে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তলব করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচন নিয়ে এই রাষ্ট্রদূতরা একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। তাকে কূটনৈতিক রীতিনীতির পরিপন্থী ও দেশের অভ্যন্তরীণ হিসেবে হস্তক্ষেপ বলে মনে করছে সরকার।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলমসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা মিশনপ্রধানদের সামনে সরকারের বক্তব্য তুলে ধরেন।

এনিয়ে সমকাল পত্রিকার শিরোনাম, ‘পক্ষপাতপূর্ণ’ কার্যক্রম আস্থার সংকট তৈরি করবে- । এতে বলা হয়েছে, ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলমের উপর হামলার ঘটনায় ১২টি বিদেশি মিশন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত, অসংগতিপূর্ণ এবং অপরিণত বলে অভিহিত করেছে সরকার।

নির্বাচন সামনে রেখে নানা ধরণের অপপ্রচার ঘটে, এই বিবৃতিও তেমন কিছু হতে পারে বলে দাবি করেছে সরকার।

কোনো কোনো কূটনীতিক অতি উৎসাহী হয়ে এই বিবৃতি দিতে পারেন বলে মন্তব্য করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, সরকারকে পাশ কাটিয়ে এমন ‘পক্ষপাতপূর্ণ’ কার্যক্রম পারস্পরিক আস্থার সংকট তৈরি করবে।

এনিয়ে প্রথম আলোর শিরোনাম, অসন্তোষ জানাল সরকার, অবস্থান ব্যাখ্যা রাষ্ট্রদূতদের। এতে বলা হয়েছে, ১৩ রাষ্ট্রদূতকে ‘অকূটনৈতিক’ আচরণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রদূতেরা বললেন, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্ভাচনের বিষয়ে তাদের অবস্থান অটুট থাকবে।

নিউএইজ পত্রিকার শিরোনাম, ‘No place of violence in democratic process: US’ অর্থাৎ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতার কোন স্থান নেই। এতে বলা হয়েছে, ঢাকায় থাকা মার্কিন দূতাবাস বলেছে যে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিসংসতার কোন স্থান নেই।

ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনের সময় প্রার্থী আশরাফুল হোসেন আলম যিনি হিরো আলম নামে বেশি পরিচিত তার উপর হামলার পর অন্য দেশগুলোর বিদেশি মিশনের সাথে মিলে ওই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেয়ার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে আমেরিকান দূতাবাসের মুখপাত্র ব্রায়ান শিলার।

বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমরা এর আগেও বহুবার বলেছি, অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের লক্ষ্যকে সমর্থন করি। সেক্ষেত্রে আমরা অন্য দেশগুলোর মিশনদের সাথে একাত্ম হয়ে হিরো আলমের উপর সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছি এবং এ বিষয়ে পূর্ণ তদন্তের পর জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছি।”

আবারও একইদিনে কর্মসূচি দুই দলের সমাবেশ ঘিরে নাটকীয়তা- যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশের অনুমতি নিয়ে বুধবার দিনভর চলে নাটকীয়তা। শেষ পর্যন্ত রাতে দুদল সমাবেশ একদিন পেছানোর ঘোষণা দিলে নাটকীয়তার আপাতত অবসান ঘটে।

সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা নয়াপল্টন কোথাও মহাসমাবেশের অনুমতি দেয়নি পুলিশ।

অনুমতি না দেওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়ার পর করণীয় চূড়ান্তে দফায় দফায় বৈঠক করে বিএনপি। একদিন পিছিয়ে শুক্রবার মহাসমাবেশের ঘোষণা দেয় বিএনপি।

একইভাবে আওয়ামী লীগের তিন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে তাদের কাঙ্ক্ষিত স্থানে সমাবেশ করার অনুমতিও দেয়নি পুলিশ। পরে শেরেবাংলা নগর পুরাতন বাণিজ্যমেলা মাঠে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেয় শাসক দলের সহযোগী সংগঠনগুলো।

কিন্তু মাঠ উপযুক্ত না থাকায় তারা সমাবেশ একদিন পিছিয়ে দেয়। নানা নাটকীয়তা ও উত্তেজনার পর কাল শুক্রবার আবার রাজপথে নামছে দুদল।

এনিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার শিরোনাম, আজ নয় কাল সমাবেশ করবে বিএনপি, পেছাল আওয়ামী লীগও। এতে বলা হয়েছে, পুলিশের পরামর্শে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর গোলাপবাগ মাঠে মহাসমাবেশ করবে না বিএনপি।

এক দিন পিছিয়ে আগামীকাল শুক্রবার জুমা শেষে দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।

বিএনপির মহাসমাবেশ এক দিনে পেছানোর ঘোষণার পরপরই ক্ষমতাসী আওয়ামী লীগও তাদের আজকের সমাবেশ পিছিয়ে দিয়েছে।তাদের তারুণ্যের জয়যাত্রা সমাবেশ আগামীকাল রাধানীর আগারগাঁওয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার পুরনো মাছে অনুষ্ঠিত হবে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম, নির্বাচন নয় বিএনপি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি চায়। এতে বলা হয়েছে, অশুভ শক্তির হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, বিএনপি নির্বাচন চায় না, বরং দেশে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি করতে চায়।ইতালির রোমে গত মঙ্গলবার প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা (বিএনপি) বাংলাদেশকে আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে চায়।তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশে টেলিনরের ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ- এমন শিরোনাম করেছে বণিক বার্তা পত্রিকা। এতে বলা হয়েছে, এশিয়ায় নিজেদের ব্যবসা ঢেলে সাজাচ্ছে টেলিনর গ্রুপ।

সম্প্রতি মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে একীভূতকরণের মধ্য দিয়ে গেছে গ্রুপটি। ভারত ও মিয়ানমার থেকে আরো আগেই ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে তারা।

আলোচনা চলছে পাকিস্তান থেকে ব্যবসা প্রত্যাহারেরও। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি প্রতিকূলে গেলে বাংলাদেশ থেকেও ব্যবসা গুটিয়ে নেয়ার কথা বিবেচনায় নিতে পারে টেলিকম খাতের নরওয়েভিত্তিক অপারেটর জায়ান্ট টেলিনর।

সেক্ষেত্রে বিষয়টিতে মূল নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিয়ন্ত্রক কাঠামো ও কর ব্যবস্থার মতো বিষয়গুলো।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে যুগান্তরের শিরোনাম, পরিস্থিতি সামাল দিতে পারছে না হাসপাতাল। এতে বলা হয়েছে, যেন কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল।

গাণিতিক হারে বেড়ে চলা রোগটির ঊর্ধ্বমুখী ধারায় সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় আরও ২,৬৫৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একদিনের ব্যবধানে এবার ডেঙ্গু কেড়ে নিল রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আরও এক ছাত্রীসহ ১৪ জনের জীবন।

এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হতে গিয়ে হয়রানিতে পড়ছেন। শয্যা সংকটে রোগীর ঠাঁই মিলছে না অনেক হাসপাতালে।

ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুসন্তানকে ভর্তি করাতে গিয়ে বাবা গ্রেফতার- নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, রাজধানীর মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুসন্তানকে ভর্তি করতে গিয়ে চিকিৎসকদের সাথে হাতাহাতির ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছেন এক বাবা।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি করছেন ওই রোগীর বাবা ডিউটিরত ডাক্তারকে মারধর করলে তারা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

রোগীর স্বজনরা দাবি করছেন, চিকিৎসক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মিলে ওই রোগীর বাবাকে রুমে আটকে বেধড়ক মারধর করেছে। এর পর পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।

গতকাল বুধবার দুপুরের দিকে মুগদা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

অন্যান্য

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার শিরোনাম, বিধি মেনে পাঁচ শিক্ষার্থীর পুনরায় শাস্তি আরোপের নির্দেশ হাইকোর্টের। এতে বলা হয়েছে, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুনের নির্যাতনে ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থীর বহিষ্কার আদেশ বাতিল করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নতুন করে শাস্তি আরোপের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এক বছরের জন্য বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের শাস্তি বিধি মোতাবেক না হওয়ায় গতকাল বুধবার এই আদেশ দেন বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের দ্বৈত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার শিরোনাম, শ্রম অধিকারের খোঁজ নিলেন ইইউয়ের বিশেষ প্রতিনিধি। এতে বলা হয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানবাধিকারবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ইমোন গিলমোর গতকাল বুধবার ঢাকায় শ্রম অধিকার পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছেন। তিনি শ্রমিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধি ও শ্রম অধিকার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ইইউয়ের বিশেষ প্রতিনিধি ইইউয়ের বাণিজ্য অগ্রাধিকারের পরিপ্রেক্ষিতে মজুরি, কাজের অবস্থা এবং ট্রেড ইউনিয়নের স্বীকৃতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সম্মিলিত গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, শ্রমিক, শ্রমিক আন্দোলন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, সাপ্লাই চেইন, শ্রমিকদের অধিকার কিভাবে সুরক্ষিত হয়, আরো ভালো করে কিভাবে কাজ করা যায়—এসব বিষয় নিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শিরোনাম,‘BB orders bringing down number to 3.’ এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় বাংক গতকাল ব্যাংকগুলোকে দেয়া এক নির্দেশনায় বলেছে যে, ২০২৩ সালে পাস হওয়া কোম্পানি আইন অনুযায়ী, যত দ্রুত সম্ভব একই পরিবার থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত পরিচালক পদে সদস্যের সংখ্যা তিন জনে নামিয়ে আনতে হবে।

এরআগে ব্যাংকের পরিচালক পদে একই পরিবারের সর্বোচ্চ চারজন সদস্য থাকার নিয়ম ছিল। কিন্তু সেটি পরিবর্তন করে নতুন আইন এ বছরের জুনে সংসদে পাস করা হয়। সেখানে বলা হয়, পরিচালক পদে একই পরিবারের তিন জনের বেশি সদস্য থাকতে পারবেন না।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, সেক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কাউকে পদত্যাগ করতে হলে তা কথা বলে ঠিক করে নিতে হবে। নাহলে বোর্ড মিটিংয়ে লটারির মাধ্যমে পরিচালক ঠিক করা হবে।