রাশিয়ার বিজয় দিবসে আবারও দেখা হতে পারে পুতিন-মোদীর

ছবির উৎস, Getty Images
- Author, রূপসা সেনগুপ্ত
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
- পড়ার সময়: ৭ মিনিট
রাশিয়ার বিজয় দিবস উদযাপনে অংশ নিতে ভারতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নরেন্দ্র মোদী নিজে অংশ নেবেন কি না, এ ব্যাপারে ভারত এখনো কিছু বলেনি। তবে রাশিয়ার আমন্ত্রণকে ভারত গুরুত্ব দিচ্ছে বলে সাবেক কূটনীতিকেরা মনে করছেন।
আগামী নয়ই মে ৮০তম বিজয় দিবস উদযাপন করতে যাচ্ছে রাশিয়া।
ভারতকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি প্রথমে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। এখন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তা নিশ্চিত করেছে।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, যথা সময়ে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দেওয়া হবে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভারতের সঙ্গে বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে অংশ নিতে দিল্লী সফরে আসতে পারেন, এ নিয়েও চলছে আলোচনা।
এখন দুই দেশই যে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে চায়, সেই বিষয়টি ইতিমধ্যে স্পষ্ট।
অন্যদিকে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ নিয়ে বিশ্বরাজনীতিতে নানা মেরুকরণ হয়েছে। তবে 'ভারসাম্যের' নীতির কথা বলে এসেছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের চাপের মুখেও ভারত ও রাশিয়ার সম্পর্কে কোনো ছেদ পড়েনি বলে সাবেক কূটনীতিকেরা মনে করেন।
তারা বলছেন, যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রও এখন তৎপর হয়েছে। আরএমন পটভূমিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্পর্কের সমীকরণও অনেকটা বদলেছে।
যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা নিয়ে ভারতের উপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে চাপ তৈরি হয়েছিল, তা এখন কিছু হলেও কমেছে।
এখনকার পরিস্থিতির বিবেচনায় দুই দেশের (ভারত-রাশিয়া) মধ্যে সম্পর্ক এবং শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সম্ভাব্য সাক্ষাৎ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সাবেক কূটনীতিক রাজীব ডোগরা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, "ভারতের সঙ্গে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং বর্তমান রাশিয়ার সম্পর্ক আজকের নয়, দীর্ঘদিনের। ঐতিহাসিকভাবে দুই দেশ একে অপরের পাশে থেকেছে। আমাদের সম্পর্ক নিবিড়, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগতদিক থেকে মজবুত।"
রাজীব ডোগরা মনে করেন, "শুধুমাত্র ভারত ও রাশিয়ার স্বার্থের জন্যই নয়, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।"

ছবির উৎস, Getty Images
আমন্ত্রণের খবর প্রথম প্রকাশ করে রাশিয়া
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে জার্মানির নাৎসি বাহিনী আত্মসমর্পন করেছিল। সেই বিজয়কে স্মরণ করে নয়ই মে উদযাপন করে আসছে রাশিয়া। দিবসটি উদযাপনের প্রধান আকর্ষণ বা অনুষ্ঠান মস্কোর রেড স্কোয়্যারে গ্র্যান্ড মিলিটারি প্যারেড।
দিল্লিতে কর্মকর্তারা বলছেন, এই অনুষ্ঠানে রাশিয়া যে 'বন্ধু' রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে, সেকথা আগেই অনুমান করা হয়েছিল। চলতি মাসের প্রথম দিকেই সেই খবর নিশ্চিত করে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রাশিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা 'টিএএসএস' স্পম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছিল, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন। প্রতিবেদনের স্বপক্ষে ভারত সরকারের একটি সূত্রকে উদ্ধৃতও করা হয়।
এই আমন্ত্রণের বিষয়ে সেই সময় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কিছু বলা না হলেও, বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ছবির উৎস, ANI
ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন কে, এখনো অস্পষ্ট
সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, "আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে রাশিয়ার বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যথা সময়ে বিজয় দিবস অনুষ্ঠানে আমাদের অংশগ্রহণের বিষয়ে ঘোষণা করা হবে।"
তবে প্রধানমন্ত্রী নিজে যাবেন না কি অন্য কেউ এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন, সে বিষয়ে জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে মস্কো এবং দিল্লি দুই দেশের ঐতিহ্যগত সম্পর্কের বিষয়ে উল্লেখ করে পারস্পরিক সহযোগিতার বাড়ানোর কথা বারবার বলেছে। সেই আবহে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সম্ভাব্য ভারত সফর এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীকে বিজয় দিবসে আমন্ত্রণ জানানো যে বিশেষভাবে তাৎপর্য্যপূর্ণ, সেটা স্পষ্ট।

ছবির উৎস, Getty Images
'নেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ দুই দেশের জন্যই ইতিবাচক'
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী, প্রয়াত ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে ২০০৫ সালে বিজয় দিবস উপলক্ষে রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন মি. ডোগরা। সেই সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কর্তব্যরত ছিলেন তিনি।
অভিজ্ঞতার কথা বিবিসি বাংলার সঙ্গে ভাগ করে নিয়ে তিনি বলেছেন, "ভিক্ট্রি প্যারেড কিন্তু রাশিয়ার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান এবং তা গর্বের সঙ্গে উদযাপন করা হয়।"
"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সামরিক ও বেসামরিক নাগরিক মিলিয়ে যে পরিমাণ প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে, সেই কথা স্মরণে রেখেই দিনটিকে উদযাপন করা হয়।"
মি. ডোগরা বলেছেন, "বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির কথা মাথায় রেখেই রাশিয়ায় ভিক্ট্রি প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও তাৎপর্যের কারণেই সেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং।"
"এমন একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া একদিকে যেমন বিশেষভাবে অর্থবহ, তেমনই (দুই দেশের) রাষ্ট্রনেতাদের মধ্যে সাক্ষাৎ দুই দেশের পক্ষেই ইতিবাচক। পাশাপাশি, এর মাধ্যমে আম জনতার কাছে এই বার্তা যায় যে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রয়েছে" বলেন মি. ডোগরা।

ছবির উৎস, Getty Images
ভারত- রাশিয়া সম্পর্ক কোন পথে
দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ৭৮ বছর পূর্ণ করেছে। এই সম্পর্ক স্থাপিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৩ই এপ্রিল। এ উপলক্ষে দিল্লির প্রতি বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছিল রাশিয়া।
তাতে বলা হয়েছিল, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিক বিকাশ এবং দিল্লির তরফে বহুমুখী সহযোগিতা যে ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, এমনটিই আশা করছে রাশিয়া।
এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাক্ষাৎ হয়েছে। গতবছর জুলাইয়ে রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। তারপর গত অক্টোবর মাসে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া যান তিনি।
প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ভারত সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মি. মোদী। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন।
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ সম্প্রতি জানিয়েছেন, দুই দেশের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য পুতিন ভারতে আসছেন এবং ওই সফরের প্রস্তুতি চলছে।
গত বছর ওই একই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মস্কো গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে মি. লাভরভ বলেছেন, "আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। দুই দেশ একাধিকবার সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণও হয়েছে। পাস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অন্যের স্বার্থের কথা বিবেচনার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।"
ভারত-রাশিয়ার কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্কও দীর্ঘ দিনের। মস্কোয় ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ সালে রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ডলার (৬,৫০০ কোটি ডলার)। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ১০০ বিলিয়ন ডলার (১০,০০০ কোটি ডলার) করতে চায় দুই দেশই।
বাণিজ্যের মধ্যে একটি বড় অংশ হলো রাশিয়া থেকে ভারতে আমদানি হওয়া অপরিশোধিত তেল। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার পক্ষে থেকেছে পশ্চিমা দেশগুলি। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেও ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক অব্যাহত ছিল।
তেলের পাশাপাশি, দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, প্রযুক্তি ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রেও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের তামিলনাডুতে কুদানকুলাম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে রাশিয়ার সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে।
প্রসঙ্গত, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার সম্পর্কের সমীকরণ বদলেছে। এর ফলে ভারত উপকৃত হতে পারে বলেও আশা করা হচ্ছে।
সাবেক কূটনীতিক অশোক সজ্জনহার বিবিসিকে বলেছেন, "ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলি ক্রমাগত রাশিয়ার নিন্দা করার জন্য ভারতকে চাপ দিচ্ছিল। এখন সেই চাপ কমবে।"

ছবির উৎস, Getty Images
End of বিবিসি বাংলায় অন্যান্য খবর
বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
মি. ডোগরার মতে, ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক দুই দেশের জন্যই সমান গুরুত্ব রাখে।
তার কথায়, "ভারত এবং রাশিয়া প্রয়োজনের সময় একে অন্যের পাশে থেকেছে। ১৯৪৭ থেকে ষাটের দশকের শেষের দিক পর্যন্ত কাশ্মীর ইস্যুতে তারা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাবের সময় প্রয়োজনে ভেটো প্রয়োগ করেছে।"
"গোয়া থেকে পর্তুগিজদের সরানোর ক্ষেত্রেও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভারতের পক্ষে থেকেছে।"
তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, একইভাবে রাশিয়ার পাশে থেকেছে ভারত।
মি. ডোগরা বলেছেন, "সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধের আবহে ভারত কিন্তু রাশিয়া থেকে তেলের আমদানি অব্যাহত রেখেছে। সেই সময়ে রাশিয়ার অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতার প্রয়োজন ছিল, এবং ভারত যথাসাধ্য করেছে।"
"শুধু তাই নয়, ভারতে পরিশোধিত হওয়া তেল আবার ইউরোপ কিনেছে। কাজেই শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থে যে এই দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব রয়েছে এমন নয়, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও এর গুরুত্ব আছে।"
এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট পুতিন ও প্রধানমন্ত্রী মোদীর সাক্ষাৎ গুরুত্ব রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ উপমন্যু বসু বলেছেন, "দুই দেশের মধ্যে উচ্চস্তরের বৈঠক বরাবরই উল্লেখযোগ্য, বিশেষত কৌশলগত দিক থেকে। কিন্তু বর্তমান সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের শুল্কনীতি বিষয়ক পদক্ষেপ, ব্রিকস নিয়ে তার মন্তব্য এবং সর্বোপরি চীনের কথা মাথায় রাখলে, ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যে কোনও বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এটি দুই দেশের মধ্যে যে দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যগত সম্পর্ক রয়েছে, সেটিকে উদ্দীপ্ত করে।"
মানব রচনা ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড স্টাডিজের সহকারী অধ্যাপক উপমন্যু বসু মনে করেন, "চীনকে মোকাবিলা করতে হলে, ভারতের রাশিয়াকে প্রয়োজন। রাশিয়ার মতো একটি দেশকে কখনোই সাইডলাইন করা যাবে না।"
এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের জন্য রাশিয়ার উপর ভারতের নির্ভরতা বেড়েছে।
মি. বসু বলেছেন, "গত কয়েক বছরে তেলের জন্য রাশিয়ার উপর ভারতের নির্ভরতা বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্কও মজবুত হয়েছে। ভারত কিন্তু রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ট্রেড পার্টনারে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ, দুই দেশের জন্যই এই সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ।"








