আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়দের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ আওয়ামী লীগের’
মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়দের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ আওয়ামী লীগের – দৈনিক সংবাদের প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন চার ধাপের উপজেলা নির্বাচন থেকে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপিদের আত্মীয়দের সরে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্দেশনা না মানলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বারবার সতর্ক করার পর এবার চিঠি দিয়ে এবং সাংগঠনিকভাবে এই নির্দেশনা দেয়া হলো।
জানা গেছে গতকাল দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার এ নির্দেশনা দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকদের জানিয়ে দিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
একই বিষয়ে প্রধান শিরোনাম করেছে যুগান্তরও। তাদের প্রথম পাতার আরেকটি খবর- দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় হার্ডলাইনে বিএনপি । এতে বলা হচ্ছে উপজেলায় মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে হার্ডলাইনে আছে বিএনপি। উপজেলা পরিষদের প্রথম দফার নির্বাচনে যারা দলীয় পদে থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাদেরকে তা প্রত্যাহারের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে ভোটে অংশ নিলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও প্রার্থীদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। জানানো হয়, ভোটে গেলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আজীবন বহিষ্কার করা হবে।
No institution functional in country – নিউ এজের খবর। বৃহস্পতিবার অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদরা এক অনুষ্ঠানে বলেন রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই ঠিকভাবে কাজ করছে না ফলে সংবিধানে যে সবাইকে সমান সুবিধার কথা বলা আছে সেটাও বাস্তবায়ন হয়নি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ-সিপিডির অফিসে “ফিফটি ইয়ার্স অফ বাংলাদেশ: ইকোনমি, পলিটিক্স, সোসাইটি অ্যান্ড কালচার” এই শিরোনামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এমন মতামত দেন অতিথিরা। তারা বলেন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দারিদ্যের হার কমলেও অসম আয় বেড়েছে। গত ৫০ বছলে অর্থনীতির পরিবর্তনের সাথে সাথে গণতন্ত্রের অবনমন হয়েছে বলে মত দেন তারা।
একই অনুষ্ঠান নিয়ে সমকালের শিরোনাম দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই বড় চ্যালেঞ্জ। এতে আলোচকদের বরাতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বাংলাদেশে কোনো জাতীয় প্রতিষ্ঠান ঠিকভাবে গড়ে ওঠেনি।
তাদের উদ্ধৃত করে আরো বলা হয়েছে, আদালতে গিয়ে সবাই সমান বিচার বা পুলিশের কাছে গিয়ে সবাই সমান সেবা পান কি না– তা নিয়ে সন্দেহ আছে। একাত্তরে স্বাধীনতা লাভের পর যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়টি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হওয়ার কথা ছিল, সেখানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে দক্ষিণ এশিয়ার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেও বাংলাদেশ তা ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশে রাজনৈতিক ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা আজ দৃশ্যমান নয়।
নিডো, সেরেলাকে চিনি ঝুঁকিতে শিশুর স্বাস্থ্য – আজকের পত্রিকার খবর। শিশুখাদ্য তৈরি নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠলো খ্যাতনামা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান নেসলের বিরুদ্ধে।
খবরে বলা হয়েছে, এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দরিদ্র দেশগুলোয় নেসলে যেসব শিশুখাদ্য বিক্রি করে তাতে চিনি ও মধু মেশানো হচ্ছে, যা স্থুলতা এবং দীর্ঘমেয়াদী রোগবালাই ঠেকানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সাংঘর্ষিক।
এই প্রতিবেদন সামনে আসার পর নেসলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ভারত। খবরটি প্রকাশের পর দেশটির শেয়ারবাজারে নেসলের দরপতনও হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক নেসলের যে শিশুখাদ্যগুলোয় চিনি পাওয়া গেছে সেগুলো বাংলাদেশে বিক্রি করা হয়। যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাবলিক আই এ নিয়ে গবেষণা করেছে।
এ প্রসঙ্গে ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের শিরোনাম Added sugar row: Govt body to test Nestle baby food, assess health impact এই খবরে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ, নেসলে শিশু খাদ্য পণ্যগুলোতে কী পরিমাণ চিনি মেশানো হচ্ছে এবং তা শিশুর জন্য কতোটা ক্ষতিকর বিষয়টি পরীক্ষা করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে নেসলে বাংলাদেশ জানিয়েছে তারা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী তাদের পণ্য তৈরি করে।
ঈদের পর ফের বাড়তে শুরু করেছে ভোগ্যপণ্যের বাজারদর – বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে গত এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ, আটা, ময়দা, রসুন ও বিভিন্ন মসলাপণ্যের। এর মধ্যেই আবার ঘোষণা এসেছে বোতলজাত ভোজ্যতেলের (সয়াবিন তেল) দাম বাড়ানোর।
যদিও কয়েক দিন আগে থেকেই ভোজ্যতেলের বাজারে দেখা যাচ্ছে অস্থিতিশীলতা। প্রতি বছর ঈদের পর চাহিদা কমে ভোগ্যপণ্যের বাজারদর কিছুটা নিম্নমুখী হতে দেখা গেলেও এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত।
নিয়ন্ত্রণহীন সড়ক-মহাসড়ক মানবজমিনের শিরোনাম। সড়কে ব্যয় হচ্ছে হাজার হাজার কোটি টাকা। বাস্তবায়ন হচ্ছে একের পর এক বড় প্রকল্প। তারপরও কমছে না সড়ক দুর্ঘটনা।
বরং আগের চেয়ে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি বাড়ছে। পঙ্গুত্ববরণ করেও পরিবারের বোঝা হয়ে বেঁচে থাকছেন অনেকে।
সম্প্রতি পরপর দু’দিন দুটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ফের আলোচনায় নিরাপদ সড়ক। মঙ্গলবার ফরিদপুরে বাস ও পিকআপের সংঘর্ষে ১৫ জনের প্রাণহানি ঘটে।
পরদিন বুধবার ঝালকাঠিতে অটোরিকশা, প্রাইভেটকারকে পিষে দেয় অতিরিক্ত লোডের ট্রাক। এতেও ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটে। পৃথক দু’টি দুর্ঘটনার পরেই সামনে আসে যানবাহন ও চালকের নানা ত্রুটি।
Lowest outcome from highest committee সড়কে নিরাপত্তা বিষয়ে এমন শিরোনাম ডেইলি স্টারের।
খবরে বলা হয় সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের তিনটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি রয়েছে। কমিটিগুলো নিয়মিত বৈঠক করে, এবং বৈঠক থেকে তারা অনেকটা একইরকম সব সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন দেখা যায় সামান্যই।
অর্থাৎ এই কমিটিগুলো সড়কে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা আনতে সামান্যই ভূমিকা রাখছে। ফলে দুর্ঘটনা ঘটছে নিয়মিতই এবং প্রতি মাসেই হতাহতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে।
তীব্র তাপপ্রবাহে বাড়ছে ডায়রিয়া হিটস্ট্রোক – নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হচ্ছে তীব্র তাপপ্রবাহে অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ, আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়া, সর্দি-কাশি, জ্বর এবং হিটস্ট্রোকে।
এই গরমে বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুরা বেশি ভুগছে। কয়েক দিন ধরে চলমান তাপপ্রবাহে বেড়েছে চরম অস্বস্তি। বাতাসে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় প্রচুর ঘাম হচ্ছে এবং এতে শরীরে দেখা দিচ্ছে পানিশূন্যতা।
ডায়রিয়ার চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত আইসিডিডিআরবির সব হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়েছে। এই হাসপাতালের একটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক রোগীই শিশু, যারা ডায়রিয়া নিয়ে ভর্তি হচ্ছে।
এদিকে অব্যাহত তাপদাহের মধ্যে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। এর মধ্যে টানা তিন দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়। জেলায় হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে ভোটের লড়াই শুরু আজ – প্রথম আলোর শিরোনাম। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশ ভারতে আজ শুক্রবার সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভার ভোট গ্রহণ পর্ব শুরু হচ্ছে। মোট সাত দফায় হবে এই ভোট।
আজ প্রথম দফায় ১৭ রাজ্য ও ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ১০২টি আসনে ভোট হবে। ২০১৯ সালের ভোটে এসব আসনের মধ্যে ৪৫টিতে জয়ী হয়েছিল বিজেপি ও তাদের জোটসঙ্গীরা। আজ ভোট হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি আসনে। এই তিনটি লোকসভা আসনেই গত নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল। সেবার পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল ১৮টি। এবার তাদের লক্ষ্য অন্তত ২৫ আসন। লোকসভার পাশাপাশি অরুণাচল প্রদেশ ও সিকিমের সব বিধানসভা আসনের ভোট হবে।
সাত দিনের ডিজি হয়ে হাতিয়ে নেন সাড়ে ৭ কোটি – পাসপোর্ট অধিদপ্তর নিয়ে এমন শিরোনাম দৈনিক কালবেলার।
বলা হচ্ছে অসুস্থতার কারণে গত বছরের ২২ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ছুটিতে ছিলেন ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি)। সেই ৯ দিন অধিদপ্তরের শীর্ষপদের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সেলিনা বানু। এর মধ্যে অবশ্য দুদিন ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে সেলিনা বানু ভারপ্রাপ্ত ডিজির দায়িত্ব পালন করেন সাত দিন। আর এটুকু সময়েই ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ বনে গেছেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বকালে এক দিনেই ছাড় করেন মাল্টিপল পাসপোর্টের ৫০০ ফাইল। নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রতিটি ফাইল অনুমোদনের জন্য নিয়েছেন দেড় লাখ টাকা করে। সব মিলিয়ে এই কর্মকর্তা হাতিয়ে নিয়েছেন কমপক্ষে সাড়ে ৭ কোটি টাকা। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের এনফোর্সমেন্ট টিম সেলিনা বানুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বলে জানা গেছে।
জাতীয় স্বার্থে কীভাবে যুদ্ধ এড়ানো যায় সেটাও আমরা জানি: সেনাপ্রধানের এ বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করেছে দৈনিক ইত্তেফাক।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সামরিক ব্যক্তিরা শুধু যুদ্ধে কীভাবে লড়াই করতে হয় সেটিই জানে না, জাতীয় স্বার্থে কীভাবে যুদ্ধ ঠেকানো বা এড়ানো যায় সেটিও জানে। এজন্য তাদের কূটনৈতিক সক্ষমতাও বাড়ানো হয়। তিনি বলেন আজ যে বন্ধু কাল সে বন্ধু না-ও থাকতে পারে। তাই জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ আয়োজিত “ডিফেন্স ডিপ্লোমেসি: স্ট্রাটেজি ফর বাংলাদেশ” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্য বানাতে আজ জাতিসংঘে ভোট – বণিক বার্তার শিরোনাম এটি। জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যরাষ্ট্র হওয়ার জন্য ফিলিস্তিনিদের আবেদনের ওপর আজ নিরাপত্তা পরিষদে ভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
২০১১ সালে প্রথম এ আবেদন করা হয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ভেটো দিয়ে বারবারই এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আসছে। গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের মধ্যে এপ্রিলের শুরুতে ফিলিস্তিনিরা সদস্যপদ পাওয়ার আবেদনটি পুনরুজ্জীবিত করে। ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ লাভের জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা চালিয়ে আসছে। তবে তাদের এ আর্জি প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন পেতে হবে এবং তারপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে এর পক্ষে অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন লাগবে। পূর্ণ সদস্য না হলেও ফিলিস্তিন ২০১২ সালে জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পেয়েছে।