পত্রিকা: 'সাত রুটে অস্ত্র ঢুকছে দেশে'

সাত রুটে অস্ত্র ঢুকছে দেশে— কালের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ২৭১ কিলোমিটারের সাতটি পথে পাচারকারীরা অস্ত্র আনছে, তা বলা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
এসব পথের পয়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে— নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি, ঘুমধুম পয়েন্টের বালুখালী কাস্টমস ঘাট ও উখিয়ার পালংখালী এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের নলবনিয়া।
এই অস্ত্রের কারবারে জড়িত রয়েছে কমপক্ষে পাঁচটি চক্র। এর মধ্যে আছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সশস্ত্র চারটি দল।
এছাড়াও রয়েছে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের অরণ্যে থাকা সন্ত্রাসীদের বড় চক্র।
এসব অস্ত্রের চালানের প্রধান গন্তব্য কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও তিন পার্বত্য জেলার সন্ত্রাসীদের আস্তানা।
এই সীমান্তসহ বাংলাদেশ সীমান্তের অন্তত ১৭টি পথে দেশে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র প্রবেশ করার কথা ওঠে এসেছে অবৈধ অস্ত্রে বাড়ছে অস্থিরতা, ৯ মাসে গুলিবিদ্ধ ১৭০ শিরোনামে দৈনিকটির আরেক প্রতিবেদনে।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশে অবৈধ অস্ত্র ঢুকায় অস্তিরতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে এতে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
১২ হাজার সদস্য নিয়েও কার্যত নিষ্ক্রিয় র্যাব— বণিক বার্তার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশে গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) কার্যক্রমে কার্যত নিষ্ক্রিয় ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এমন পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র্যাবকে কীভাবে কাজে লাগানো হবে সে বিষয়েও প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের শেষ কয়েক বছরে শীর্ষ সন্ত্রাসী দমন, অবৈধ অস্ত্র-মাদক উদ্ধারে তাদের ভূমিকা যথেষ্ট দৃশ্যমান হয়নি।
এরপর গত বছরের পাঁচ অগাস্টের পর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে তা নিয়ন্ত্রণে র্যাবের নিষ্ক্রিয়তা দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।
ঢাকাসহ সারাদেশে একের পর এক মব, হত্যা, চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটলেও তা দমনে মাঠে র্যাবকে কার্যকর ভূমিকায় দেখা যায়নি বলেই মনে করছেন অনেকে।
এদিকে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে র্যাবের বিরুদ্ধে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুমের মতো ঘটনার অভিযোগ আনে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে র্যাব এবং এর সাত কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কয়েক বছরের মাথায় জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।
র্যাবকে শুধু পুলিশের বিশেষ ইউনিট হিসেবেই কার্যকর রাখা উচিত বলে মনে করেন গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সদস্য ও মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হকের মতে, র্যাবকে পেশাদার একটি বাহিনী হিসেবে সংস্কার করে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজে লাগানোর বড় সুযোগ রয়েছে।

প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— বিধ্বস্ত ঘরবাড়িতে ফিরছেন ফিলিস্তিনিরা।
এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির খবরে বিধ্বস্ত বাড়িঘরে ফিরতে শুরু করেছেন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা।
গতকাল শুক্রবার মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থীশিবির থেকে ফিলিস্তিনিরা গাজা নগরীর দিকে ফিরছিলেন। ধ্বংসস্তূপের ভেতর দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে তাদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে দেখা যায়।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় টানা নৃশংসতা চালায় ইসরায়েল। এর মধ্যে মাত্র দুই মাসের কিছুটা বেশি সময় যুদ্ধবিরতি ছিল।
বাকি সময়ে উপত্যকাটিতে নির্বিচার হামলা চালিয়ে ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। আহত প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ।
একে জাতিগত নিধন বলে গত মাসে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
গাজা কর্তৃপক্ষ ও বিভিন্ন সংস্থার তথ্যমতে, দুই বছরে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় গাজায় ৪ লাখ ৩৬ হাজারের বেশি বা ৯২ শতাংশ ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। স্কুল ধ্বংস হয়েছে ৫১৮টি। ফলে শিক্ষাবঞ্চিত হচ্ছে প্রায় ৭ লাখ ৪৫ হাজার শিক্ষার্থী। ৬৫৪টি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আর ইসরায়েলের হামলার কারণে গাজার মাত্র দেড় শতাংশ কৃষিজমি চাষাবাদের যোগ্য রয়েছে।
এদিকে, চুক্তি অনুযায়ী, উপত্যকাটির নির্দিষ্ট এলাকা থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।
তবে গতকালও গাজার আকাশে দেখা গেছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার। কোথাও কোথাও ট্যাংক, কামান ও গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে।
এতে অনেক ফিলিস্তিনিই নিজেদের ঘরবাড়িতে ফিরে যেতে ভয় পাচ্ছিলেন।

পাঠ্যবইয়ে এবারও অনিশ্চয়তা— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষেও সব শিক্ষার্থীর হাতে বছরের শুরুতে নতুন বই তুলে দেয়া নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
কারণ, মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবই ছাপার দরপত্র প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি।
তবে প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যবই ছাপার কাজ চলছে পুরোদমে।
অবশ্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কর্তৃপক্ষ জানুয়ারির মধ্যে বই পৌঁছে দিতে আশাবাদী।
এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি নতুন শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ের দরপত্র অনুমোদন দেয়নি। তাই নতুন করে আবার এই তিন শ্রেণির দরপত্রপ্রক্রিয়া শুরু করেছে এনসিটিবি।
আর নবম-দশম শ্রেণির দরপত্র মূল্যায়নের কাগজপত্র এখনও অনুমোদন হয়নি।
চলতি বছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দিতে প্রায় তিন মাস দেরি হয়েছিল।
এনসিটিবির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত নতুন করে দরপত্র আহ্বান করে এই তিন শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপাতে পাঁচ মাস সময়ের প্রয়োজন।
যদিও গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা বলছে, কোনও কোনও বছর এর চেয়ে সময় লেগেছে।
আবার বিলম্বে কার্যাদেশ ও চুক্তি হলে শেষ সময়ে নিম্নমানের কাগজে বই দেয়ার শঙ্কাও রয়েছে।

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম— সন্ধানে মন নেই কিনতে পটু।
এতে বলা হয়েছে, গ্যাসের উৎপাদন কমার আভাস পাওয়ার পরও নতুন গ্যাস অনুসন্ধানে জোর না দিয়ে উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানিতে ব্যাপক আগ্রহ ছিল ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের।
আমদানিনির্ভর হওয়ায় এখন বাধ্য হয়ে অন্তত ২০ গুণ বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। যার পরিমাণ সরবরাহকৃত মোট গ্যাসের প্রায় ৪০ শতাংশ।
এছাড়া, এলএনএনজি আমদানিতে বিপুল ব্যয় হওয়ায় রিজার্ভে চাপ সৃষ্টির পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চাপ সামলাতে বিগত সরকার চার বছরে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে পাঁচবার। বেশি দাম দিয়েও আবার চাহিদামতো গ্যাস মিলছে না।
এদিকে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে অর্থনীতির জন্য পাঁচটি ঝুঁকির মধ্যে জ্বালানি স্বল্পতাকে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. বদরূল ইমাম বলেছেন, 'পটপরিবর্তন হলেও গত এক বছরে গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন হয়নি। দেশের এই বড় সংকটে আমাদের মূল কাজ হলো গ্যাসের অনুসন্ধান কাজটা হাতে নেয়া। কিন্তু সবাই এটি এড়িয়ে যায় নানান অজুহাতে। বর্তমান সরকারের সময়ে এ ব্যাপারে তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই।'

রাজধানীতে বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়েছে— আজ সমকালের প্রধান প্রতিবেদন এটি। এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীতে গত ৯ মাসে ৪৯২টি বেওয়ারিশ লাশ পাওয়া গেছে। ২০২৩ সালের এই সময়ে এ সংখ্যা ছিল ৩৭৮।
এছাড়া, ঢাকার মেডিকেল কলেজগুলোর মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য যাওয়া লাশের সংখ্যাও বাড়ছে।
বেওয়ারিশ লাশ বেড়ে যাওয়াকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অন্যতম সূচক হিসেবে দেখা হয় অপরাধ বিজ্ঞানে।
এর অর্থ, অপরাধীরা খুন করে চলে যাচ্ছে। হত্যার শিকার মানুষের পরিচয়ও জানা যাচ্ছে না।
এসব ক্ষেত্রে পুলিশের দিক থেকেও চাপ কম থাকে। ফলে অপরাধীরা সাময়িক সময়ের জন্য হলেও পার পেয়ে যায়।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. উমর ফারুক সমকালকে বলেন, বেওয়ারিশ লাশ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে আইনশৃঙ্খলার অবনতি। লাশ বেওয়ারিশ থাকলে পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে পুলিশ কম পরিমাণ চাপ অনুভব করে। অপরাধীরা একে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থান মনে করে।

যুগান্তরের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— ভোক্তার জীবনমান উন্নয়নে সরকারি ব্যয় সর্বনিম্ন।
এতে বলা হয়েছে, ভোক্তার জীবনমান উন্নয়নে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় সরকারি খাতের ব্যয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। সরকার জিডিপির মাত্র ১৩ শতাংশ অর্থ ব্যয় করছে।
অথচ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এ ব্যয় ২০ থেকে সাড়ে ২৮ শতাংশ।
আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোক্তার জীবনমান উন্নয়নে সরকারি খাতের ব্যয় না বাড়ায় অবকাঠামোগতভাবে দুর্বলতা থেকে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণযোগাযোগ, মানবসম্পদেও উন্নয়ন হচ্ছে ধীরগতিতে।
গত ৪ দশক ধরেই স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকারি খাতের ব্যয় কমছে।

মানবজমিনের শেষ পাতার খবর— বিএনপির ধানের শীষ নিয়ে টানাটানি কেন প্রশ্ন ফখরুলের।
এতে বলা হয়েছে, বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে অযথা কেন টানাটানি হচ্ছে, এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, সংবাদপত্রে দেখলাম, কিছু কিছু ব্যক্তি বা দল ধমক দিচ্ছেন, হুমকি দিচ্ছেন যে অমুক মার্কা না দিলে আমরা নির্বাচনে যাবো না বা অমুকের মার্কা থাকতে পারবে না। ভাই, আমরা তো তোমাদের মার্কাতে বাধা দেইনি। কোন মার্কা তোমাদের দেবে, সেটা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।
গতকাল রাজধানীতে এক স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেছেন।
আমলাতন্ত্রকে একটি নির্দিষ্ট দলের পকেটে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল।
যা কোনও মতেই বিএনপি বরদাশত করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি।

Tarique Rahman set to return home mid-November, ending 17 years in exile; অর্থাৎ ১৭ বছর পর আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝিতে দেশে ফিরছেন তারেক রহমান। ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হচ্ছে, ১৭ বছরের নির্বাচিত জীবন শেষে আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এই বিএনপি নেতার একাধিক উপদেষ্টা এবং ঢাকায় অবস্থানরত কূটনীতিকরা তার দেশে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তারেক রহমানের ঘনিষ্ট এক উপদেষ্টা সংবাদপত্রটিকে বলেছেন, অনেক যদি-কিন্তুর পর এখন স্পষ্ট যে তিনি দেশে ফিরতে মুখিয়ে আছেন। নভেম্বরের ১০ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে তিনি ঢাকায় ফিরতে পারেন।









