পত্রিকা: 'গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

'গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, বহুল আলোচিত গোপন আয়নাঘর (আটককেন্দ্র) স্থাপন ও ব্যবহারকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ ঘোষণা করে 'গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ - ২০২৫' এর খসড়া চূড়ান্ত করেছে সরকার।

খসড়া প্রস্তাবে কোনো সরকারি কর্মচারী বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কোনো সদস্য তার নিজ পরিচয়ে কাউকে বা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী বা সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষের সম্মতিতে গুম করলে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড রাখা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে গুমে জড়িত অপরাধী ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ সরকারি - বেসরকারি, সামরিক - বেসামরিক যেই হোক, শাস্তি থেকে রেহাই পাবেন না।

রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা, জরুরি অবস্থা বা অন্য কোনো অজুহাতে কাউকে গুম করা যাবে না।

আর গুমের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নয়, তদন্ত করবে মানবাধিকার কমিশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে বলে খবরে বলা হয়েছে।

খসড়া প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য শিগগিরই উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশে এরই মধ্যে যারা গুম হয়েছেন বা হতে পারেন, এমন ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে সুরক্ষা দিতেই নতুন এই অধ্যাদেশ করা হচ্ছে।

এ খবরে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের ২০৮ সুপারিশের মধ্যে মাত্র ১৮টি বাস্তবায়নের উদ্যােগ নিয়েছে সরকার।

আশু বাস্তবায়নযোগ্য হিসেবে হাতে নেওয়া ১৮টি সুপারিশের মধ্যে কম গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রস্তাবও রয়েছে।

যেমন - মহাসড়কের ফিলিং স্টেশনে স্বাস্থ্যসম্মত শৌচাগার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়টি সংস্কার কমিশন সুপারিশের একেবারে শেষের দিকে রাখলেও এখন এটি এক নম্বর অগ্রাধিকারে চলে এসেছে।

এছাড়া এমন কিছু সুপারিশ সামনে আনা হয়েছে, যা জনপ্রশাসনেরই কাজ নয়। এসব কারণে সুপারিশ বাস্তবায়নে দেখা দিয়েছে নানা জটিলতা।

অথচ ২৬ ক্যাডার ও নন - ক্যাডার কর্মকর্তা - কর্মচারীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা, সরকারি দপ্তরে অনিয়ম - দুর্নীতি রোধ, প্রশাসনিক কাঠামো এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দ্রুত সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই।

প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের 'লংমার্চ টু ঢাকা' কর্মসূচি নিয়ে যুগান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম 'শাহবাগ থেকে যমুনা রণক্ষেত্র '।

তিন দফা দাবি আদায়ে আন্দোলনরত প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে।

গতকাল বুধবার ছাত্ররা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুশিল বাধা দেয়। এরপর শুরু হয় সংঘর্ষ।

রাজধানীর শাহবাগ থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, যমুনার সামনে গোল আইল্যান্ড এবং পরিবাগ মোড় পর্যন্ত দুপক্ষের সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।

পুলিশ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে তাদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। এ সময় দফায় দফায় টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। ব্যবহার হয় জলকামান।

এতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা একপর্যায়ে পুলিশের ওপর চড়াও হন। তারা পুলিশের প্রতি ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। এতে অর্ধতাধিক শিক্ষার্থীসহ বেশকিছু পুলিশ সদস্যও আহত হন।

আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আন্দোলনকারীদের দাবির যৌক্তিকতা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সরকার আট সদস্যের কমিটি গঠন করে।

কিন্তু এতে শিক্ষক ও ছাত্রদের কোনো প্রতিনিধি না থাকায় কমিটি প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনকারীরা।

তারা বিকালে তিন দফার পরিবর্তে পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে অবস্থানের ঘোষণা দেন।

তবে দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার থেকে 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে রাতে শাহবাগ ত্যাগ করেন শিক্ষার্থীরা।

আজকের মধ্যে দাবি আদায় না হলে আরও নতুন কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে তারা জানান।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদন শুনানি শেষে এ বিষয়ে আগামী ২১শে অক্টোবর নতুন আপিল শুনানির দিন ধার্য করেছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

গতকাল প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বিভাগ শুনানির এই দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে দিয়ে সাময়িক সমাধান দিতে চায় না বলে মন্তব্য করেন আপিল বিভাগ।

বরং নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে কার্যকর সমাধান চায়। যাতে এটি বারবার বিঘ্নিত না হয়। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে এটি যাতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব রাখে।

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা আবেদনের দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

'আবু সাঈদ হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু' প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২ এ গতকাল বুধবার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

এ সময় তিনি আবু সাঈদকে জুলাই আন্দোলনের 'ফিনিক্স পাখি' এবং জুলাই শহীদদের 'অগ্রসেনানী' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

আজ বৃহস্পতিবার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মো. হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনকে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

সাবেক উপাচার্যসহ ২৪ জন আসামি পলাতক। অন্য ছয় আসামি কারাগারে আছেন।

তারা হলেন রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার রাফিউল হাসান, রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক সাবেক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজ, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক আমির হোসেন, সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ।

গতকাল তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

'সঙ্কটে ব্যাংক খাত' নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, দেশের ১০টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলম নামে পরিচিত সাইফুল আলম মাসুদের প্রায় দুই লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা লোপাটে দেশের ব্যাংক চরম সঙ্কটে পড়েছে।

এই পরিমাণ অর্থ দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষের বার্ষিক বাজেটের এক- চতুর্থাংশের সমান। বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ইতিহাসে এটিকে সবচেয়ে বড় অর্থকেলেঙ্কারি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এস আলমের এই ব্যাংক লুটের কারণে বর্তমানে ব্যাংকগুলো তীব্র অর্থসঙ্কটে পড়েছে।

গ্রাহকের অর্থ ফেরত দিতে না পারার কারণে কিছু ব্যাংক এখন অস্তিত্বসঙ্কটে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতোমধ্যেই পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এস আলম গ্রুপের নামে নেয়া ঋণ রয়েছে ৯২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা।

বেনামী প্রতিষ্ঠানের নামে তার নেয়া ঋণের অঙ্ক হলো ৯৭ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা। তার ভুয়া প্রতিষ্ঠান ও পরোক্ষ সুবিধা নেবার পরিমাণ হলো ৩৪ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।

প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে এই বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

জানা গেছে, অধিকাংশ ঋণ কোনো যথাযথ জামানতের ভিত্তিতে নেওয়া হয়নি। প্রভাব খাটিয়ে এবং ব্যাংকিং নিয়মনীতি উপেক্ষা করে এসব ঋণ অনুমোদিত হয়েছে।

'সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে শাটডাউন ঘোষণা' দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

আজ বৃহস্পতিবার সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করেছেন প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনের সংগঠন জুবায়ের আহমেদ।

কর্মসূচি ঘোষণার পর আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন। এরপর শাহবাগে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি শাহবাগে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেন।

পরে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে সাংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সেখানে শুরুতে প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের এম ওয়ালীউল্লাহ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিন দফা দাবি নিয়ে একটি আলোচনা সভা আয়োজন করা হবে। জনদুর্ভোগ চিন্তা করে আমরা মাঠের কর্মসূচিতে যাচ্ছি না।

এরপর জুবায়ের আহমেদ পুনরায় আরেকটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে। আগামীকাল সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয় কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করা হলো। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা হবে না।

'নির্বাচন জড়িয়ে যাচ্ছে অনৈক্যের জালে' আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

সংবিধান সংস্কার , জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া ও সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দূরত্ব কমছে না বলে খবরে বলা হয়েছে।

প্রধান এই তিন ইস্যুতে বিএনপির বিপরীত অবস্থান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির। কোনো পক্ষই ছাড় দিতে রাজি নয়।

দলগুলোর এই অনড় অবস্থানে অনৈক্যের জালে জড়িয়ে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, সভা, সমাবেশ, আলোচনায় এই তিন ইস্যুতে দূরত্ব অনৈক্য বোঝা গেলেও ভেতরে ভেতরে রয়েছে অন্য হিসাব নিকাশ।

জামায়াত ও এনসিপির একাংশ মনে করছে, আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে বিএনপি পুরো ফায়দা পাবে।

বর্তমানে প্রশাসনসহ বড় সব জায়গায় জামায়াত ও এনসিপির মতাদর্শীরা।

রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমাতে সচেষ্ট জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। দলগুলোকে এক থাকার আহ্বান আলী রীয়াজের।

কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় এলে সবকিছু বদলে দেবে এই আশঙ্কা থেকে দল দুটি সংস্কার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও পিআর পদ্ধতি নিশ্চিত করতে চাইছে।

এতে নির্বাচন বিলম্বিত হলেও সমস্যা নেই। কিন্তু মাঠের পরিস্থিতি বুঝে বিএনপি যে কোনোভাবে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন চায়। বিলম্বের আশঙ্কাকে তারা ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে।

'Students' unions: Legal bars, admin delays stall polls in many universities' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার এ শিরোনামের অর্থ 'অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন আইনি বাধা ও প্রশাসনের কারণে বিলম্বিত হচ্ছে'।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী মাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি বাধা অথবা প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছে কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা এটা প্রকৃত পদক্ষেপের বদলে সময়ক্ষেপণের কৌশল হতে পারে।

সারা দেশের ৫৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র সাতটিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের আইনি বিধান আছে।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনি বিধান নেই সেগুলোর মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রতি এক ধাপ এগিয়েছে কারণ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত গঠনতন্ত্র অনুমোদন করেছে।

'ESSENTIAL COMMODITY, No respite from high prices despite fall on global market'- নিউ এজ পত্রিকার এ শিরোনামের অর্থ 'বিশ্ববাজারে দাম পতনের পরও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না'।

খবরে বলা হয়েছে–– ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম সম্পষ্টভাবে হ্রাস পেলেও, বাংলাদেশের ভোক্তারা এখনো পণ্যের উচ্চ মূল্যের চাপ বহন করছেন। কারণ দেশীয় বাজার বিশ্বব্যাপী মূল্য হ্রাসের প্রতি উদাসীন।

২০২২ সালের গোড়ার দিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে ধাক্কা দেয়, যার ফলে চাল, সয়াবিন তেল, চিনি এবং গমের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তার প্রয়োজনীয় পণ্যের সিংহভাগ সংগ্রহ করার কারেণ বাংলাদেশও সেই মূল্যের ওঠানামার দ্বারাও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছিল।

তবে সংঘাতের প্রথম মাসগুলোয় ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হলেও, ২০২৩ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম কমতে শুরু করে। তবে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়েনি।