'হাফিজের বাসায় গিয়ে ‘কিংস পার্টি’তে যোগ দিয়েছিলেন সাকিব'

Published

হাফিজের বাসায় গিয়ে ‘কিংস পার্টি’তে যোগ দিয়েছিলেন সাকিব – ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানের ছবিসহ এরকম একটি খবর ছেপেছে দৈনিক সমকাল।

এতে বলা হয়েছে, কিংস পার্টি হিসেবে পরিচিত বিএনএমে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ না দিলেও এই দল গঠনের নেপথ্যের কারিগর ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম। বহুল আলোচিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন- বিএনএমের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করিয়েছেন তিনি।

এমনকি দলের নামটি তারই দেয়া বলে দাবি করেছেন এর নেতারা। বিএনপির সংক্ষুব্ধ এই নেতার বাসায় বিএনএমের সদস্য ফরম পূরণ করে সাকিবের যোগ দেয়ার প্রস্তুতি পর্বের ছবি পেয়েছে সমকাল। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই ঘটনা ঘটেছে।

তবে পরবর্তী সময়ে নতুন দলে না গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে যোগদান করেন সাকিব আল হাসান।

আমদানি রফতানির আড়ালে মুদ্রা পাচার – নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।

এখানে বলা হয় পণ্য রফতানির জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানির দায়ও পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু পণ্য রফতানি করে আয় দেশে আনছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ কোটি ডলার সমপরিমাণ রফতানি আয় সময়মতো দেশে আসেনি। আর এর ফলেই ডলার সঙ্কট প্রকট হচ্ছে।

ডলার সঙ্কটের কারণে ব্যাঙ্কগুলো বাড়তি দামে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে ডলারের দাম। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমদানিকৃত পণ্যের দামও বেড়ে যাচ্ছে। যা ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতিকে আরো উসকে দিচ্ছে।

একইভাবে কখনো পণ্য মূল্য বেশি দেখিয়ে ওভার ইনভয়েজিং বা কখনো বা পণ্যমূল্য অস্বাভাবিক কম দেখিয়ে আন্ডার ইনভয়েজিংয়ের মাধ্যমে অর্থ পাচার হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে বাজারে ডলার সঙ্কট কাটাতে ও মুদ্রাপাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক বিভাগ থেকে ব্যাঙ্কগুলোতে তদারকিতে নেমেছে। ব্যাঙ্কগুলোর আমদানি-রফতানির তথ্য যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।

সরকারের টানাপোড়েন সংসার – যুগান্তর প্রধান শিরোনাম করেছে এমনটি। বলা হচ্ছে সরকারের কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আয় বাড়ছে না। যতটুকু হচ্ছে এর মধ্যেই বড় অংশ চলে যাচ্ছে দেশি-বিদেশি ঋণের সুদ পরিশোধে। বাকিটা দিয়ে চাকরিজীবীদের বেতন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে।

আয়ের সঙ্গে ব্যয় সামাল দিতে ঋণের দিকে ঝুঁকছে। কিন্তু নানা কারণে খুব বেশি সাড়া মিলছে না। গেল ছয় মাসে প্রতিশ্রুতির মাত্র ১০ শতাংশ পাওয়া গেছে বিদেশি ঋণ। আবার যেটুকু মিলছে তার বড় একটি অংশ চলে গেছে বকেয়া পরিশোধে।

সঞ্চয়পত্র থেকে দ্বিতীয় প্রান্তিক (জুলাই-ডিসেম্বর) পর্যন্ত এক টাকাও ঋণ আসেনি। ফলে অভ্যন্তরীণ ঋণের জন্য নজর দেওয়া হয়েছে বন্ড ও ট্রেজারি বিলের দিকে। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার সবচেয়ে বেশি ঋণ করছে বন্ড ও ট্রেজারি বিল থেকে।

সব মিলে এক ধরনের টানাপোড়েন সংসার চলছে সরকারের। অর্থ বিভাগের বিভিন্ন প্রতিবেদন বিশ্লেষণ এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে এসব তথ্য।

বেঁধে দেয়া দামে পাওয়া যাচ্ছে না নিত্যপণ্য – দৈনিক সংবাদের শিরোনাম এটি। দ্রব্যমূল্য লাগামহীন বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৫ মার্চ সরকার ২৯টি পণ্যের দাম বেঁধে দেয়। রোববার (১৭ মার্চ) বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সেই দামে পণ্য তো বিক্রি হচ্ছেই না। উল্টো বিক্রেতাদের অনেকেই দাবি করলেন, তারা এ সম্পর্কে কিছু জানেনই না। এমনকি ক্রেতাদেরও অনেকে তা জানেন না। ফলে সরকারের বেঁধে দেয়া দামে পণ্য পাওয়া যাচ্ছে না বাজারে। তাই বাড়তি দামেই পণ্য কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

রোববার বাজার যাচাই করে দেখা যায়, অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে খেসারির ডালের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৮০ থেকে ৯০ টাকা বেড়ে খোলা বাজারে পণ্যটি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এক সপ্তাহ আগেও খেসারির ডাল বিক্রি হয়েছে মাত্র ৭০ থেকে ৮০ টাকায়।

এদিকে, দাম বেঁধে দিলেই সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়িত হয় না – বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম দৈনিক ইত্তেফাকের।

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে চলে আসবে জানিয়ে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, দাম নির্ধারণের সঙ্গে সঙ্গে এটির বাস্তবায়ন হুট করে হয় না। আগে দামটা নির্ধারণ করা জরুরি ছিল।

এখন কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ভোক্তা অধিদপ্তর, ইউএনও, ডিসি সবাই মিলে সমন্বয় করবে, আশা করি নিত্যপণ্যের দামটা যৌক্তিক পর্যায়ে চলে আসবে। রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সহনীয় রাখতে সরকার গরুর মাংস, ব্রয়লার মুরগীসহ ২৯টি পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে।

হঠাৎ কেন চালের দাম বাড়ছে? দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয় বাজারে হঠাৎ বেড়েছে চালের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে মানভেদে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে দুই থেকে চার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

চালের দাম বৃদ্ধির কারণ নিয়ে পাইকারি ব্যবসায়ী, চালকল মালিক, বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা বিপরীতমুখী ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের মত, দেশে চালের সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। অন্যান্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

চাল ব্যবসায়ীরা সেই উৎসবে শামিল হয়েছে। আর সরকারি নীতি নির্ধারকরা বলছেন, দেশে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত চাল মজুত রয়েছে। দাম বাড়ার কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘিরে নানান খবরাখবর ছেপেছে বিভিন্ন পত্রিকা। ‘অবন্তিকা’ আরও আছেন – আজকের পত্রিকা করেছে এমন শিরোনাম।

তাদের খবরের বিস্তারিত হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যৌন নিপীড়নের আরও অভিযোগ প্রকাশ পাচ্ছে। গত কয়েক বছরে সেখানে একাধিক শিক্ষার্থী ও নারী কর্মকর্তা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তারা অভিযোগও করেছিলেন, কিন্তু বিচার পাননি। এমনকি যথাযথ তদন্তও হয় নি।

PM asks guardians, teachers not to pressurise students – অর্থাৎ শিশুদের পড়াশোনার জন্য চাপ না দিতে অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানালেন প্রধানমন্ত্রী, নিউ এজের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি বলেন, শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে খেলাধূলা ও নানান সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে তাদের শেখার সুযোগ করে দিতে।

“শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শিক্ষার নামে তাদের উপর চাপ দেবেন না। আমরা এখন চাই তারা খেলাধূলা ও নানান সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে শিখুক, যাতে তারা নিজেদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়,” জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসের বক্তৃতায় এসব বলেন শেখ হাসিনা।

খবরটিতে বলা হয় দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ২০২৩ সাল শেষে গৃহিণীদের নামে জমা ছিল ২ লাখ ১ হাজার ৮৪২ কোটি টাকার আমানত। পরিমাণের দিক থেকে তা দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের আমানতের চেয়েও বেশি। ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের ব্যাংক হিসাবে মোট আমানতের পরিমাণ ২ লাখ ৬৩৯ কোটি টাকা।

আবার আমানতে প্রবৃদ্ধির দিক থেকেও দেশের ব্যবসায়ী, প্রবাসী, শিল্পপতি, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবীদের চেয়ে গৃহিণীরা এগিয়ে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ২০১৯ সালেও গৃহিণীদের ব্যাংক হিসাবে আমানতের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। সে অনুযায়ী ওই সময় থেকে এ পর্যন্ত তাদের আমানতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৬৯ শতাংশ।

যদিও বিভিন্ন সংস্থার গবেষণা ও জরিপ বলছে, দেশের প্রায় ৭৪ শতাংশ নারীর কাছে এখনো ব্যাংক সেবা পৌঁছেনি। গৃহিণীদের ব্যাংক হিসাবে থাকা আমানতের পরিমাণ অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

ত্রুটিপূর্ণ নাট-বল্টু ও স্লিপার দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ – কুমিল্লার ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে প্রথম আলোর শিরোনাম।

এখানে বলা হয়েছে, কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় চট্টগ্রাম থেকে আসা জামালপুরগামী ‘বিজয় এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে যাত্রীসহ অন্তত ১৫জন আহত হয়। এ ঘটনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ থাকে।

রোববার বেলা ১টা ৪৩ মিনিটে নাঙ্গলকোট উপজেলার হাসানপুর রেলওয়ে স্টেশনের অদূরে তেজেরবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ট্রেন দুর্ঘটনার পরপর স্টেশনমাস্টার বলেছিলেন, গরমে রেললাইন বেঁকে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এ বক্তব্যের সত্যতা পাননি রেলের কর্মকর্তা ও প্রকৌশলীরা। তাঁদের ধারণা, ২০৮ নম্বর রেলওয়ে সেতুর নড়বড়ে কাঠের স্লিপার ও ত্রুটিপূর্ণ নাট-বল্টু দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

এক বিসিএসে ৫১ মাস – দেশ রুপান্তরের শিরোনাম এটি। খবরে বলা হয় দীর্ঘ সময়ে ধাপে ধাপে তীব্র প্রতিযোগিতার ধকল আর নিতে পারছেন না ২ হাজার ৫০০ চাকরিপ্রার্থী। সব ধাপেই বাদ পড়ার চরম আশঙ্কা, যা এখনো শেষ হয়নি।

পাবলিক সার্ভিস কমিশনে (পিএসসি) ৫১ মাস আগে চাকরির আবেদন করেছেন তারা। পিএসসি চূড়ান্ত সুপারিশ করলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এখনো চূড়ান্ত নিয়োগ দিতে পারেনি। কবে ৪১তম বিসিএসের চূড়ান্ত নিয়োগ হতে পারে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শিগগির, যেকোনো দিনে নিয়োগ হয়ে যাবে।’

কিন্তু এই ‘যেকোনো দিনের’ অনিশ্চয়তার ভার বইতে পারছেন না ৪১তম বিসিএসের এ চাকরিপ্রার্থীরা। আর কোনো বিসিএস প্রার্থীকে এত দীর্ঘ সময় অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয়নি। যেকোনো দিন নিয়োগ হয়ে গেলে শুরু হবে রাজনৈতিক হয়রানির মাতম।

কারণ পিএসসি সুপারিশ করার পরই শুরু হয়েছে কোন কোন পরিবারে প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি সমর্থক নেতা বা কর্মী রয়েছেন, তার তালাশ। পুলিশ ভেরিফিকেশনে তাদের খুঁজে খুঁজে বের করা হয়। ৪০তম বিসিএসেও ৩৪ জন প্রার্থীকে রাজনৈতিক বিবেচনায় পিএসসির সুপারিশের পরও নিয়োগ না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল।

আতঙ্কের নাম কিশোর গ্যাং – কালের কণ্ঠের একটি বিশেষ প্রতিবেদন এটি। বলা হচ্ছে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে ঢাকায় ১৫ বছলে ৮৬ খুন, যার মধ্যে ২০২৩ সালেই ঘটেছে ২৫টি হত্যাকাণ্ড।

আট থেকে দশজনের একটি দল। সবাই কিশোর। শরীরে কালো পোশাক, মুখে মাস্ক, হাতে ধারালো চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র। সড়কের পাশে আড্ডারত চারজন ব্যক্তির ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় দলটি। দুজন দৌড়ে পালিয়ে বাঁচলেও বাকি দুজনকে কোপানো হয় চাপাতি দিয়ে। এরপর অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের মোবাইল ফোন ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

এভাবে রাজধানীসহ সারা দেশে নিত্যনতুন কায়দায় অপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছে। এর সঙ্গে উঠে আসছে কিশোর গ্যাংয়ের নাম। মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মারধর থেকে শুরু করে খুনের মতো বড় ধরনের অপরাধমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে কিশোর গ্যাং সদস্যরা।