আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'উদ্বেগ জানালেও সরকারের সঙ্গে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র'
উদ্বেগ জানালেও সরকারের সঙ্গে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র – দেশ রুপান্তরের খবর। এতে বলা হয় বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের মানে এটা নয় যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার দায়িত্ব নেই - গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মুখপাত্র ম্যাথু মিলার এ কথা বলেন।
ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক জানতে চান, সন্ত্রাস দমন, সীমান্ত নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত না জানিয়ে বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে বড় পরিসরে কীভাবে কাজ করা সম্ভব? জবাবে ম্যাথু মিলার বলেন, সারা বিশ্বেই যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের সম্পর্ক আছে।
ভারতের সাথে কোন টানাপড়েন নেই – ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য দিয়ে এমন শিরোনাম দৈনিক নয়া দিগন্তের।
বিস্তারিত বলা হয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্কে কোনো ধরনের টানাপড়েন নেই। গতকাল শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ‘বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাবের কারণে দুই দেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কি না’ সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপির ধীরে চলো নীতি - দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হচ্ছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে টানা দুই মাস আন্দোলন করেছে বিএনপি। তার আগে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ, মানববন্ধন, বিভাগীয় সমাবেশ, রোডমার্চ করে আসছিল তারা। কিন্তু নির্বাচনের পরে নতুন করে আর বড় কোনো আন্দোলন কর্মসূচি নেই।
এরপর ৩০ জানুয়ারি সংসদ অধিবেশন শুরুর দিনে কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি দিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু রাজধানীতে অনুমতি না থাকায় পুলিশের বাধায় পণ্ড হয়ে যায়। এরপর নতুন করে কোনো কর্মসূচি দেয়নি দলটি। দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, নির্বাচনের পর শরিক ও সমমনা রাজনৈতিক জোটের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপি। আন্দোলনের ব্যর্থতা ও নির্বাচনের পর সরকার গঠন হওয়া নিয়ে নানা ধরনের মূল্যায়নও করেছেন বিএনপি ও সমমনা দলের নেতারা। তারা আপাতত ধীরে চলো নীতিতে চলার পক্ষে মতামত তুলে ধরেছেন। কঠোর কোনো কর্মসূচিতে না যেয়ে ‘পরিস্থিতি’ বুঝে সামনে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:
পাঠ্যবইয়ে এবারও ভুলের ছড়াছড়ি – কালবেলার প্রধান শিরোনাম। বলা হচ্ছে ‘পাঠ্যবইয়ে ভুল’ যেন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারও পাঠ্যবইয়ে শতাধিক ভুল পেয়েছেন তারা। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে যোগ হয়েছে বিভিন্ন সাইট বা ব্লগ থেকে কপি করার প্রবণতা।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) মার্চ মাসে ভুল যাচাই করে সংশোধন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, বইয়ে ভুলের বিষয়ে লেখক ও সম্পাদককে দায় নিতে হবে। পাশাপাশি বই লেখা ও সম্পাদনায় আরও সতর্ক থাকতে হবে।
যেসব ভুল পাওয়া গেছে: বানানের ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির বাংলা বানান রীতি অনুসরণের কথা বলা হলেও অনেক বানানেই সেই নীতি অনুসরণ করা হয়নি। অনেক ক্ষেত্রেই ণত্ববিধান ও ষত্ববিধানের নিয়ম মানা হয়নি। মাধ্যমিক স্তরের বাংলা বইয়ে লেখক ও কবি পরিচিতি দেওয়া হয়েছে একেবারে সংক্ষিপ্ত আকারে। এ ছাড়া মলাটে এক শ্রেণি এবং ভেতরে অন্য শ্রেণির বই লেখা হয়েছে বলেও অভিযোগ এসেছে।
দেড় ঘন্টায় জাপার কেন্দ্রীয় কার্যালয় দখল-পাল্টা দখল – কালের কন্ঠের প্রথম পাতার খবরে বলা হচ্ছে জাতীয় পার্টির (জাপা) কাকরাইলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘণ্টা দেড়েকের জন্য দখলে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের অনুসারীরা।
গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান তাঁরা। তাঁরা চলে যাওয়ার পর দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের অনুসারীরা এসে কার্যালয় দখলে নেন। দলের নেতাকর্মীরা জানান, রওশনপন্থীরা দলের প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
সকাল ১০টার দিকে তাঁরা কার্যালয় ছেড়ে যান। এরপর জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের অনুসারীরা কার্যালয় দখলে নেন। সম্প্রতি জাপার নেতৃত্ব নিয়ে জি এম কাদের ও রওশন এরশাদের বিরোধের জেরে কার্যালয় দখল-পাল্টাদখলের এই ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অর্থ নেই, পাইপলাইন নেই, বাড়তি এলএনজি কেনাবেচার চুক্তি হয়ে যাচ্ছে - বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম এটি।
বলা হয় জাতীয় গ্রিডে এলএনজির সরবরাহ বাড়াতে ২৯৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পাইপলাইন (মহেশখালী/মাতারবাড়ী-বাখরাবাদ) নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। এ প্রকল্প এখন পরিকল্পনা কমিশনে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৪০ কোটি ডলার। এ অর্থের উৎস নিয়ে এখনো নিশ্চিত নয় সরকার। যদি চলতি বছরও কাজ শুরু হয়, পাইপলাইন নির্মাণ শেষ হতে সময় লেগে যাবে অন্তত ২০২৯ সাল।
পাইপলাইন বা অর্থের জোগান নিয়ে নিশ্চিত না হলেও এরই মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি তিনটি এলএনজি সরবরাহ চুক্তি সই করেছে পেট্রোবাংলা। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, এলএনজি আমদানি ও পাইপলাইনের কাজে সমন্বয় না থাকলে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে পেট্রোবাংলাকে।
Govt seeks $8.9b NDB loans for 5 key connectivity projects – দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনামে বলা হচ্ছে সরকার চীন ও রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক যা আগে ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ছিল – সেই এনডিবি থেকে ৫টি সেতু নির্মাণের জন্য প্রায় ৮.৮৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের আবেদন করেছে। সেতু বিভাগের এই আবেদন ছাড়াও বেশ কিছু মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বিভিন্ন প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য আরও ২৩ বিলিয়ন ঋণ চেয়েছে।
‘বাবুগিরি’ চিন্তায় ক্ষতি ৫২৪ কোটি টাকা -যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম। অল্প সময়ে দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে সাধারণত ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কে এক্সপ্রেসওয়ে করা হয়। অথচ পূর্বাচল সড়কে এক্সপ্রেসওয়ে করা হয়েছে মাত্র ১২ কিলোমিটার সড়কে, যার দুই প্রান্তে রয়েছে সরু সড়ক।
মাঝখানে চার লেনের এই এক্সপ্রেসওয়ে নিছক ‘বাবুগিরি’ চিন্তা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা। তাদের হিসাবে অদূরদর্শী এমন পরিকল্পনায় সরকারের ক্ষতি হয়েছে অন্তত ৫২৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ ৭৬৪ কোটি টাকায় তৈরি ওই সড়কে রাজধানীর সড়কের আদলে নির্মাণ করলে খরচ হতো সর্বোচ্চ ২৪০ কোটি টাকা।
পানির তীব্র সংকটে ভোগান্তি মুসল্লিদের – ইজতেমা নিয়ে সমকালের শিরোনাম। খবরটিতে বলা হয় গতকাল শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ইজতেমার প্রথম পর্ব। প্রায় দুই বর্গকিলোমিটার আয়তনের মূল শামিয়ানার নিচে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। বৃহস্পতিবার রাতেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় পুরো ময়দান। জুমার নামাজ আদায়ের জন্য বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের স্রোত নেমে আসে ইজতেমা ময়দানে। আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকায় মানুষের ঢল নামে।
টঙ্গীর তুরাগ তীরের ইজতেমা মাঠে বানানো হয়েছে বেশ কিছু চৌবাচ্চা। এখানকার পানি দিয়ে অজু, গোসল এবং রান্নাবান্না সারেন মুসল্লিরা। তার সঙ্গেই রয়েছে খাবার পানির পাইপ। তবে ইজতেমার প্রথম দিন উভয়টিতেই ছিল তীব্র পানির সংকট। পাইপে খাবার পানি না পেয়ে নোংরা চৌবাচ্চার তলানিতে জমে থাকা পানি খেতে হয়েছে অনেক মুসল্লিকে। এতে তাদের ডায়রিয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
শেষবারের মতো বাড়লো হজ নিবন্ধনের সময় – নয়া দিগন্তের খবর। এতে বলা হচ্ছে হজযাত্রীর নির্ধারিত কোটা পূরণ না হওয়ায় আবারো নিবন্ধনের সময় বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজের নিবন্ধন করা যাবে। গতকাল ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এটিই শেষবারের মতো সময় বৃদ্ধি বলে জানানো হয়েছে। এর আগে তিন দফা সময় বাড়ানো হলেও হজযাত্রী কোটা পূরণ হয়নি। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ছিল শেষ সময়। কিন্তু প্রায় ৪৭ হাজার কোটা খালি থাকায় বেসরকারি এজেন্সি মালিকদের পক্ষ থেকে আবারো সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়।
বন ডুবিয়ে প্রভাবশালীদের হ্রদ - প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে চট্টগ্রামে একটি বনের প্রায় আড়াই হাজার একর বনভূমি ডুবিয়ে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করেছেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। সেই হ্রদে করা হচ্ছে মাছ চাষ।
বনটি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার বড়হাতিয়া এবং সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায়। এটি বড়হাতিয়া বন নামে পরিচিত। এই বনের একটি অংশ সংরক্ষিত, আরেকাংশ রক্ষিত।
সংরক্ষিত বনে হ্রদ তৈরি তো দূরের কথা, সেখানে প্রবেশই নিষিদ্ধ। আর রক্ষিত বনে অনুমতি সাপেক্ষে প্রবেশ করা যায়। বড়হাতিয়া বনের যে জায়গায় হ্রদ তৈরি করা হয়েছে, তা সংরক্ষিত ও রক্ষিত দুই অংশের মধ্যেই পড়েছে।
বন বিভাগ বলছে, হ্রদ তৈরির কারণে গামারি, সেগুন, চিকরাশি, অর্জুনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় প্রায় পাঁচ লাখ গাছ মারা গেছে। ডুবে যাওয়া জায়গার মধ্যে বন্য হাতির চলাচলের পথ ছিল। খ্যাঁকশিয়াল, শজারু, বন্য শূকর, বনমোরগ, ময়ূর, গুইসাপ, অজগরসহ বিভিন্ন বন্য প্রাণী এবং নানা প্রজাতির প্রাণী বাস করত সেখানে।
দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে ক্রেতাদের – দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ে এভাবেই প্রধান শিরোনাম করেছে দৈনিক মানবজমিন। পত্রিকাটি লিখেছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ভোক্তাদের জীবন ওষ্ঠাগত।
বাজারে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, সিলিন্ডার গ্যাস, পিয়াজ, শাক-সবজি থেকে শুরু করে এমন কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নেই, যার দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে না। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ কষ্টে দিনাতিপাত করছে। ধারদেনায়ও সংসার চালাতে পারছে না। দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণহীন ও লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে।
যা আয় করছে তার পুরোটাই জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। কোনো ভাবে আয় ও ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করতে পারছেন না তারা। স্বাস্থ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ইত্যাদির জন্য ব্যয় করার মতো অর্থ তাদের হাতে থাকছে না।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
অন্যান্য খবর
মার্চে ঢাকায় মশার উপদ্রব চরমে পৌঁছার শঙ্কা – কালের কন্ঠের অন্যতম প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হয় রাজধানীতে গত চার মাসে কিউলেক্স মশার ঘনত্ব বেড়েছে। জানুয়ারিতে প্রতিদিন গড়ে তিন শর বেশি পূর্ণবয়স্ক মশা ফাঁদে ধরা পড়েছে। এর আগে গত অক্টোবর ও নভেম্বরে এ সংখ্যা ছিল দুই শর কম। এ ধারা চলতে থাকলে আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত তা বেড়ে চরমে পৌঁছতে পারে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। ফাঁদে যত মশা ধরা পড়ে তার সংখ্যা দিয়ে মশার ঘনত্ব নির্ণয় এবং তুলনামূলক চিত্র জানতে এই গবেষণা পরিচালনা করেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক ড. কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, এতে ৯৯ শতাংশ কিউলেক্স মশা ধরা পড়ছে।
Family preparing for qulkhwani now, not wedding – একটি সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে ডেইলি স্টারের শিরোনাম।
খবরে বলা হয় রাজবাড়িতে একটি পরিবারের দুই ভাইয়ের একসাথে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা আয়োজনের কথা ছিল। কিন্তু তাদের এখন কুলখানির আয়োজন করতে হচ্ছে। সাইফুল ইসলাম, ২৭ ও মনিরুল ইসলাম, ৩২, এই দুই ভাইয়ের বিয়ের কথা থাকলেও বৃহস্পতিবার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে তাদের মটরসাইকেলকে ট্রাক ধাক্কা দিলে দুজন মারা যান। গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের পর ছোটভাই সাইফুল, বড় ভাই মনিরুলকে আনতে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে গিয়েছিলেন।
সরকারের সঙ্গে বাবার আবার কাজের সুযোগ হলে তা হবে দারুণ – সিএনএনে দেয়া মনিকা ইউনূসের সাক্ষাৎকার নিয়ে এমন শিরোনাম করেছে প্রথম আলো। পত্রিকাটি লিখেছে শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে আবার কাজ করার সুযোগ পেলে তা দারুণ একটি বিষয় হবে বলে মন্তব্য করেছেন তার মেয়ে মনিকা ইউনূস। তিনি বলেছেন, ড. ইউনূস ও তার সহকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা। মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমে সিএনএনে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।