'সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যর্থ হলে মাসুল দিতে হবে'

Published

নির্বাচন কমিশনের কর্মশালা নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম “সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যর্থ হলে মাসুল দিতে হবে”। বুধবার নির্বাচন ভবনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক কর্মশালায় (আলোচনা ও পর্যালোচনা) দেশের নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা কথা বলেন।

সেখানে বিশেষজ্ঞদের একটি মন্তব্যকে ঘিরে এই শিরোনাম করেছে কালের কন্ঠ।

বিশিষ্টজনদের দাবি ‘পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র আমাদের নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে যদি আমরা ব্যর্থ হই, তাহলে আমাদের এর মাসুল দিতে হবে।’

তাদের মতে, একটা বড় দল যদি নির্বাচনে না আসে, অন্য ৩০০ দলও যদি আসে তবু নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য করা যাবে না। জামালপুরের ডিসিদের মতো রিটার্নিং অফিসার দিয়ে বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হবে না।

সমালোচনা করা হচ্ছে যে নির্বাচন কমিশনার নিজেই নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছে। বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, এই নির্বাচন কমিশনার আগে থেকেই মাথা নত করে সরকারের সঙ্গে আপস করে ফেলেছে একটি দলকে জিতিয়ে দেওয়ার জন্য।

এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, অতটা নৈতিকতা বিবর্জিত হইনি এখনো। যদি অনুকূল পরিবেশ রাজনীতিবিদরা তৈরি না করে দেন, তাহলে আমাদের পক্ষে নির্বাচন অনুষ্ঠান কষ্টসাধ্য হবে।

একই কর্মশালাকে ঘিরে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, “যার জন্য বাতিল হবে তিনি নির্বাচন করতে পারবেন না”। প্রতিবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে উদ্ধৃত করে বলা হচ্ছে, আমরা কাপুরুষ নই যে সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে মাস্তান ও পেশি শক্তি আছে। ফলে প্রিজাইডিং অফিসার অসহায় হয়ে পড়েন। আমরা নির্বাচন বাতিল করতে পারবো। তবে যার জন্য বাতিল হবে তিনি আর নির্বাচন করতে পারবেন না।

আর নাগরিক সমাজের সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, জামালপুরের মতো ডিসিদের দিয়ে ক্রেডিবল (বিশ্বাসযোগ্য) নির্বাচন হবে না। নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক দলীয়করণ হয়েছে। তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা অনুপস্থিত। রাজনৈতিক দলগুলোর কোনো সদিচ্ছা নেই।

তারা বলেন, আমরা মুখে শুধু বলি নির্বাচন কমিশন ক্ষমতাবান, কিন্তু বাস্তবে কিছুই নাই। সঙ্কট এতই কঠিন, যে সব দায় কমিশনের ওপর দিয়েও লাভ নাই।

একই ইস্যুতে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর, “Resolve political crisis over polls immediately” অর্থাৎ “নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক সংকট অবিলম্বে সমাধান করুন”।

নির্বাচন কমিশন [ইসি] কার্যালয়ে "দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা" শীর্ষক কর্মশালায় বিশিষ্ট জনের নানা বক্তব্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বিশিষ্ট নাগরিকদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। বলা হচ্ছে, আগামী সাধারণ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং একই সাথে অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করে তুলতে হবে যাতে অন্য দেশ ও মানুষের কাছে এই নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

এছাড়া আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমান রাজনৈতিক সংকট অবিলম্বে সমাধান করতে হবে বলে তারা জানান।

কোনো বড় রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ না করলে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে জানিয়েছেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি আরও বলেন, ভোটের সময় অভিযোগের সুরাহা করার জন্য ইসির একটি শক্তিশালী ব্যবস্থা থাকা উচিত।

জামালপুরের জেলা প্রশাসকের কথা উল্লেখ করে যিনি সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন, এ ধরণের ঘটনার বিরুদ্ধে ইসির কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত বলে জানানো হয়।

আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রস্তুতি নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, “অক্টোবরের প্রস্তুতি সেপ্টেম্বরেই সেরে নিতে চায় বিএনপি”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে চলতি মাসে ঢাকাসহ দেশের বৃহত্তর ১৯ জেলায় সমাবেশ অথবা রোডমার্চের কথা ভাবছে বিএনপি।

মঙ্গলবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেতারা এই কর্মসূচির ব্যাপারে মতামত দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে কর্মসূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

আন্দোলনের প্রস্তাবিত এই কর্মসূচি দলের হাইকমান্ডের কাছে পাঠানো হয়েছে। জানা গেছে, এই কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সরকারবিরোধী চূড়ান্ত ধাপের আন্দোলনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সারতে চায় বিএনপি।

১০ দফার ভিত্তিতে গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে সরকারবিরোধী যুগপৎ আন্দোলন শুরু করে বিএনপি। এরপর ১২ জুলাই থেকে এক দফার আন্দোলন নামে দলটি।

রাজপথের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চূড়ান্তভাবে দাবি আদায়ে অক্টোবর মাসকে টার্গেট করছে দলটি। নভেম্বরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের তফশিলের আগেই চলমান আন্দোলনকে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে চায় বিএনপি।

নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, “নির্বাচনের আগে আর কমিটি নয়”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

দলটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা হওয়া সত্ত্বেও এখনো এ শাখাগুলোর কমিটি গঠন হয়নি। দলের একটি অংশ মনে করছে, কৌশলগত কারণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আর কমিটি ঘোষণা করা হবে না।

তবে দলের আরেকটি অংশ নির্বাচনের আগে কমিটি ঘোষণার বিষয়ে এখনো আশাবাদী। বিতর্কিতদের কমিটিতে রাখা, পদ বাণিজ্য, মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্বে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে।

দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দলীয় কোন্দল বাড়াতে চান না আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা। এ কারণে কয়েক মাস আগেই সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের সম্মেলন না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা।

এই একই কারণে ঢাকা মহানগরের থানা ও ওয়ার্ডগুলোর কমিটি ঘোষণা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

জন প্রশাসন নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম “মাঠ প্রশাসন কর্তাদের ‘কথা বড়’ শাস্তি ছোট”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মাঠ প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার আচরণ ও কথাবার্তা নিয়ে প্রায়ই নানা বিতর্ক উঠলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোন কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

দু-একটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও শেষমেশ নানা ধরনের রাজনৈতিক তদবির ও লবিংয়ে পার পেয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার কোনো কোনো কর্মকর্তার ক্ষেত্রে নামমাত্র লঘুদণ্ড দিয়েই অভিযোগের ফাইল নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

এতে বারবার প্রকাশ পাচ্ছে মাঠ প্রশাসন পরিচালনার দুর্বলতা। তদারকির অভাবে এই ঘাটতি বলে মনে করছেন প্রশাসন-সংশ্লিষ্টরা।

মাঠ প্রশাসন কর্মকর্তার ‘বেফাঁস’ মন্তব্যের সবশেষ উদাহরণ হিসেবে টানা হয়েছে জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ইমরান আহমেদকে। তিনি মঙ্গলবার স্থানীয় এক অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারকে পুনরায় নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন।

২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জামালপুরের ডিসিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা বিল নিয়ে সংবাদের প্রধান শিরোনাম, “বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার রেখেই সাইবার নিরাপত্তা বিল পাস”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিনা পরোয়ানায় তল্লাশি ও গ্রেপ্তারে পুলিশের পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) পদমর্যাদার কর্মকর্তার হাতে ক্ষমতা রেখেই পাস হলো বহুল আলোচিত ‘সাইবার নিরাপত্তা বিল-২০২৩’।

বিলটি আইনে পরিণত হলে ৪টি ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিন পাবেন না। এছাড়া বিলের ৪২ ধারা অনুযায়ী সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা পাবে পুলিশ।

পাশাপাশি, কেউ মিথ্যা মামলা দায়ের করলে সেটাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে বাদীকে শাস্তি পেতে হবে।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) একদাশ জাতীয় সংসদের ২৪তম অধিবেশনের অষ্টম কার্যদিবেস বৈঠকে বিলটি পাসের জন্য উত্থাপন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটির প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় পার্টি, গণফোরাম ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা আইনের অপপ্রয়োগের আশঙ্কা করেন। তারা বলেন, এই বিলের বিভিন্ন ধারায় সংবিধান স্বীকৃত এসব অধিকার খর্ব করার ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হয়েছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, “Inequality puts poor in tougher spot than rich” অর্থাৎ “বৈষম্য ধনীদের চেয়ে দরিদ্রকে কঠিন অবস্থায় ফেলেছে”।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে এ যাবতকালের সবচেয়ে ভয়াবহ ডেঙ্গু প্রাদুর্ভাবে ধনীদের তুলনায় দরিদ্ররা অনেক বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সরকারি হিসাবগুলো সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

কেননা এই ভাইরাল রোগে ধনীদের তুলনায় দরিদ্রদের মধ্যে প্রাণহানির হার অনেক বেশি।

ডেঙ্গু হাসপাতালগুলোয় ভর্তির ক্ষেত্রে দরিদ্রদের সংখ্যা ধনীদের ছাড়িয়ে গেছে, যদিও, স্বাস্থ্য গবেষণা অনুসারে, ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতির মধ্যে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম ছিল।

দেরীতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াও ধনীদের তুলনায় দরিদ্রদের মধ্যে বেশি মৃত্যুর একটি বড় কারণ বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

সরকারি হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসা সুবিধা অপ্রতুল থাকায় ধনী এবং সচ্ছল পরিবারগুলো তা এড়িয়ে চলে। এছাড়া দরিদ্ররা যে পরিবেশে থাকে সেখানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর, “বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থের সংস্থান হবে তো?”।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জ্বালানি খাতে ৬ বিলিয়ন (৫৯২ কোটি) ডলারের কাছাকাছি অর্থ প্রয়োজন হবে বলে জ্বালানি বিভাগসংশ্লিষ্ট এক সূত্রের তথ্যে উঠে এসেছে। এর মধ্যে বকেয়ার অর্থ পরিশোধ না হলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বড় ধরনের বিপত্তির আশঙ্কা রয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান বকেয়া পরিশোধে প্রতি মাসে ৯৬০ কোটি ডলার ছাড় করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত জুলাইয়ে ওই ‍নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রতি সপ্তাহে বিদ্যুৎ খাতের জন্য প্রতি সপ্তাহে ১৬ কোটি ডলার এবং জ্বালানি খাতের জন্য সপ্তাহে ৮ কোটি ডলার ছাড়ের নির্দেশনা দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখনো বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

বরং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কাছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাওনা আরো বেড়েছে। বছর শেষে বকেয়ার পরিমাণ আরো বেড়ে গেলে দেশে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানিতে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা দেখছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

অন্যান্য খবর

প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, “এপিএস আজিজুলের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা চান পুলিশ কর্মকর্তারা”। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় পুলিশের এডিসি হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে।

সেখানে তিনি দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় মামলা হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তাঁকে চাকরিচ্যুতও করা হতে পারে।

অথচ বারডেমে হারুন অর রশিদের ওপর ‘হামলাকারী’ রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হকের বিরুদ্ধে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পুলিশের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

রুন ছাত্রলীগ নেতাদের থানায় এনে মারধর করে যেমন শাস্তি পাচ্ছেন, তেমনি জনপ্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা আজিজুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে তারা মনে করেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ গত মঙ্গলবার বলেছেন, এই ঘটনার সূত্রপাত করেছেন রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক। তিনি এডিসি হারুনের ওপর হামলাটি করেছেন। এটার তদন্ত হওয়া উচিত।

এদিকে ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, “আগেও চারবার বিমানবন্দরে গিয়ে প্লেনে ওঠার চেষ্টা করে সে”।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাসপোর্ট-বোর্ডিং পাস না নিয়েই কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে উঠে সিটে বসেছিল ১০ বছরের একটি শিশু। প্লেনটি উড্ডয়নের প্রস্তুতি নেওয়ার আগ মুহূর্তে বিষয়টি ধরা পড়ে।

সোমবার মধ্যরাতে এ ঘটনা নিয়ে বিমানবন্দর জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। পাসপোর্ট-বোর্ডিং পাস ছাড়া একজন শিশু কীভাবে প্লেনে উঠে গেল—এ ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

এদিকে এ ঘটনায় ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় অধিকতর তদন্ত করতে কাজ করছে তদন্ত কমিটি।

এরিমধ্যে, প্রত্যাহার করা হয়েছে বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন পুলিশ, এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক), কুয়েত এয়ারওয়েজ ও গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং (বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স) প্রতিষ্ঠানের ১০ কর্মকর্তাকে।

মানবন্দরে ঢুকে ইমিগ্রেশনসহ প্রায় ৮-১০টি ধাপ পেরিয়ে প্লেনে চড়তে হয়। কোনো ধাপেও শিশুটিকে না আটকানোর বিষয়টি নিরাপত্তাহীনতা বলে মন্তব্য করেছেন অনেক যাত্রী।

যুগান্তরের খবর, “ভোট না দিতে পারলে তরুণরা রাজনীতিবিমুখ হয়: পিটার হাস”। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে সব মানুষের অংশগ্রহণ ও ভূমিকা নিশ্চিত করা গেলে নির্বাচন সার্থক ও কার্যকর হয়।

দুর্নীতি, বাক-স্বাধীনতা না থাকা, আস্থার সংকট ও ভোট দিতে না পারার সংস্কৃতির কারণে তরুণরা রাজনীতিবিমুখ হয়।

বুধবার বিকালে জাতীয় যুব সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন পিটার হাস।

মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি অনলাইন গুজবের বিষয়ে সতর্ক করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

দেশের রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে শুনতে হবে তরুণদের কথা। আর তাই নাগরিকদের প্রত্যাশার গুরুত্ব দিতে ‘ইফ আই উইন, ইউ উইন’ শিরোনামে বছরব্যাপী প্রচারণা ক্যাম্পেইন করবে ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল।