'প্রশ্নফাঁসে সম্পদের পাহাড় আবেদ আলী চক্রের'

পত্রিকা
Published

প্রশ্নফাঁসে সম্পদের পাহাড় আবেদ আলী চক্রের— প্রশ্নফাঁস নিয়ে মানবজমিন পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষাসহ (বিসিএস) বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের চক্রের প্রধান ভূমিকায় ছিলেন আবেদ আলী, যিনি পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) একজন গাড়িচালক ছিলেন।

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার আবেদ আলী জীবনের শুরুতে মাটিকাটা শ্রমিকের কাজ থেকে শুরু করে রিকশা চালানো, বিভিন্ন ধরনের কাজ করতেন। একসময় তিনি গাড়ি চালানো শিখলে চাকরি হয় তার এবং এরপর তাকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি।

কারণ পিএসসি’র সাবেক এক চেয়ারম্যানের গাড়ি চালানোর দায়িত্ব পাওয়ার পর ভাগ্যের চাকা রাতারাতি ঘুরতে থাকে। কর্মকর্তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে সিন্ডিকেট গড়ে তুলেন। সেই চক্রটি পিএসসি’র ৩৩ থেকে ৪৫তম বিসিএসের প্রশ্নফাঁস করে। এছাড়াও তারা নন-ক্যাডার পদের পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস করে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস করে তারা কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চাকরিপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে। আবেদ আলী নিজেই এখন এককভাবে শতকোটি টাকার মালিক। অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ দিয়ে তিনি বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, হোটেল, খামার, বাগানবাড়ি, বিদেশে অর্থ পাচার, বাড়ি নির্মাণসহ অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। গাড়িচালক হিসেবে কাজ করা আবেদ আলীর নিজেরই এখন কয়েকজন গাড়িচালক রয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানে দান-খয়রাত করে নিজেকে দানবীর হিসেবে প্রমাণ করতেন আবেদ আলী। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে দুর্দিনের কষ্ট, অভাব অনটনের আবেগঘন বক্তব্য দিয়ে মানুষের নজর কাড়তেন।

তার অবৈধ টাকার গরমে বড় ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম বেপরোয়া জীবনযাপন করতেন। টাকা খরচ করে বাগিয়ে নিয়েছেন একই সময়ে ছাত্রলীগের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদবি।

মানবজমিন

প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সবাই কোটিপতি— এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এখানে বলা হয়েছে, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের সাথে যারা জড়িত, তাদের বেশিরভাগই কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি টাকার মালিক হয়েছেন গাড়িচালক আবেদ আলী, যার এখন অন্তত ৫০ কোটি টাকা সম্পদ রয়েছে।

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে পিএসসি’র ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাসহ ১৭ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এদের মধ্যে পিএসসির চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীও রয়েছেন।

বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক হিসাব জব্দ সংক্রান্ত চিঠি বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ব্যাংক হিসাব জব্দ থাকবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ রযেছে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকা

চাকরির প্রশ্নপত্র ফাঁসে তাঁরা জড়িত, জানত পিএসসি— এটি দৈনিক প্রথম আলো’র প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, রেলওয়ের একটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গত সোমবার যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো, তাদের মাঝে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তা-কর্মচারী ছয়জন।

সেই ছয়জনের মাঝে পাঁচজন এখনও কর্মরত। আরেকজনকে ১০ বছর আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় চাকরিচ্যুত করা হয়েছিলো। যারা কর্মরত রয়েছেন, তাদের সবার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল।

এর মধ্যে তিনজনের ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতাও পেয়েছিলো পিএসসি। যে কারণে একজনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। একজনকে ঢাকা থেকে সিলেটে বদলি করা হয়। আরেকজনকে বরখাস্ত করা হলেও আইনি প্রক্রিয়ায় তিনি দায়িত্ব ফিরে পান।

দৈনিক প্রথম আলো

At least 30 leaks in 12 years বা ১২ বছরে অন্তত ৩০টি প্রশ্নপত্র ফাঁস— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি চক্র গত ১২ বছরে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস পরীক্ষাসহ (বিসিএস) অন্তত সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার ৩০টি প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছে।

তদন্তকারীদের ধারণা, প্রায় দুই দশক ধরে এই চক্রটি সক্রিয়। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মাঝে একজন হলেন পিএসসি’র সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী, যিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৪ সালে চাকরি হারিয়েছিলেন।

কিন্তু পিএসসি থেকে চাকরিচ্যুত হওয়ার পরও তিনি চক্রের কার্যক্রম চালিয়ে যান এবং তিনি তার ছেলেকেও এই প্রশ্নফাঁস চক্রের সাথে যুক্ত করেন।

দ্য ডেইলি স্টার

চক্রের ‘গুরু’ আবেদকে প্রশ্ন দিতেন সাজেদুল— সমকাল পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত চক্রের ‘গুরু’ চাকরিচ্যুত গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীকে যারা প্রশ্ন দিতেন, তাদের মধ্যে অন্যতম পিএসসি’র অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলাম।

ডেসপাস রাইডার খলিলুর রহমানকে নিয়ে প্রশ্নপত্র সংগ্রহের পর তিনি দিতেন আবেদ আলীকে। সর্বশেষ রেলের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সরবরাহের জন্য এক কোটি টাকা পাওয়ার কথা ছিল তার। তবে আবেদ আলী তাকে ৭৫ লাখ টাকা দেন। এরপর চক্রের অন্য সদস্যদের মাধ্যমে সেই প্রশ্ন কিছু পরীক্ষার্থীর হাতে যায়।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এক যুগ ধরে চক্রটি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করে আসছে। এর সঙ্গে বিজি প্রেসকেন্দ্রিক একটি দল জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সমকাল পত্রিকা

আজ সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’— এটি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এই প্রদিবেদনে জানানো হয়েছে, সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আজ বুধবার সকাল-সন্ধ্যা ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের’ ব্যানারে সারা দেশে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আজ সকাল ১০টা থেকে বাংলা ব্লকেড কর্মসূচি শুরু হয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলবে। এসময় সারা দেশের সব মহাসড়ক ও রেলপথ এ ব্লকেডের আওতাভুক্ত থাকবে।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সে সময় কোটা পদ্ধতি বাতিল করে সরকার। পরে ২০২১ সালে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করলে চলতি বছরের পাঁচই জুন এক রায়ের মাধ্যমে আবার ফিরে আসে কোটা ব্যবস্থা। সেই ধারাবাহিকতায় রায়ের পরের দিন থেকেই ফের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

নিউ এজ পত্রিকা

Farmers in north undone by chain of disasters—এটি নিউ এজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, দেশের উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক বন্যাসহ গত মার্চ থেকে চলমান একটানা দুর্যোগের কারণে পরপর তিন দফায় ফসল হারিয়েছেন।

এই দুর্যোগগুলো ওই অঞ্চলের কোনও কোনও স্থানে তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে স্থায়ী হওয়ায় ফসল বিপর্যয় হয়েছে। গত দুইদিন ধরে ওইসব অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও চতুর্থ ফসল আমন ধানের ফলন নিয়েও ঝুঁকিতে আছেন অনেক কৃষক।

উত্তরের কৃষকরা বারবার তাদের বিনিয়োগ হারিয়ে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে যাচ্ছেন।

নয়া দিগন্ত পত্রিকা

তথ্যভান্ডারে মার্চের চাপ— এটি আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, জাতীয় তথ্য ভান্ডার থেকে সরকারি সংস্থাগুলোর তথ্য যাচাই অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। সাধারণত গড়ে প্রতি মাসে ৪৫ হাজার মানুষের তথ্য যাচাই করলেও শুধু চলতি বছরের মার্চ মাসেই এসব সংস্থা প্রায় সাড়ে চার লাখ লোকের তথ্য যাচাই করেছে।

এ সংখ্যাকে ‘অত্যধিক ও অস্বাভাবিক’ বলছে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ। তারা বলছে, সংস্থাগুলোর অতিরিক্ত তথ্য যাচাইয়ের চাপ পড়ছে বায়োমেট্রিক আইডেনটিফিকেশন সার্ভারে। এতে করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে যে হারে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে, তা কমাতে কমিশন ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারকে (এনটিএমসি) চিঠিও দিয়েছে।

দেশের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র এবং টেলিফোনে যোগাযোগের যাবতীয় তথ্যের ভান্ডার হলো এনটিএমসি। দেশের সব আইন প্রয়োগকারী, তদন্ত ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এনটিএমসি থেকে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য নিয়ে থাকে।

আজকের পত্রিকা

দেড় লাখের প্রিন্টার ১৫ লাখ— এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, কাগজপত্র প্রিন্ট করার জন্য একেকটি লেজার প্রিন্টার ১৫ লাখ ৫৯ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি)। অথচ বাজারে একই মানের প্রিন্টারের দাম সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা।

একইভাবে রাউটার, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, স্লিপ প্রিন্টার, এসিসহ বিভিন্ন পণ্য বাজার দরের চেয়ে কেনা হয়েছে অনেক বেশি দামে। এসব মালপত্র বিভিন্ন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে সরবরাহ ও স্থাপন করেছে বিদ্যুৎ বিতরণকারী রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি।

দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্য আরইবি বিভিন্ন সময়ে যেসব মালপত্র কিনে থাকে, সেগুলোর সব তথ্য যাচাই করলে বিপুল পরিমাণ অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র উঠে আসবে বলে অভিযোগ করেছেন আরইবি’র অন্তত তিনজন কর্মকর্তা।

দেশ রূপান্তর পত্রিকা

বাংলাদেশে বিনিয়োগের এখন উপযুক্ত সময়— যুগান্তর পত্রিকার এই শিরোনামে বলা হয়েছে যে বেইজিংয়ে ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা এবং বিনিয়োগের সুযোগ’ শীর্ষক এক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনা ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগের সময় এবং আমি আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে আমরা দুর্দান্ত কিছু অর্জন করতে পারি।”

চীনে চার দিনের দ্বিপাক্ষিক সফরে বাংলাদেশ ও চীনের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৬টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বিনিময় হয়েছে।

যুগান্তর পত্রিকা

শিল্প খাতে সংকট গভীর হচ্ছে— দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এখানে বলা হয়েছে, দেশের শিল্প খাতের সংকট গভীর হচ্ছে। একদিকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি মিলছে না, অন্যদিকে ডলারের দাম দফায় দফায় বৃদ্ধি পাওয়ায় খরচের হিসাব মিলছে না। প্রতিনিয়ত খরচ বেড়ে যাওয়ায় কারখানা সচল রাখা নিয়ে হিসাব করতে হচ্ছে। এই সংকট অর্থনীতিতে পড়ার কারণে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি কমে গেছে।

বেসরকারি বিনিয়োগেও স্থবিরতা লক্ষ করা গেছে। ডলারের দাম বাড়ছে অস্বাভাবিক হারে বাড়ায় আগের হিসাবে বিনিয়োগ করে এখন ক্ষতির হিসাব গুনছেন উদ্যোক্তারা। ব্যাংকঋণের সুদহার বেড়ে ১৪ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এর ফলে ভালো উদ্যোক্তারাও এখন খেলাপি হয়ে পড়ছেন।

উদ্যোক্তারা বলছেন, আমদানি কমিয়ে ডলার-বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা অর্থনীতির জন্য হিতে বিপরীত হয়েছে। এতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমছে, সরকার রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি ব্যাংকের আয়ও কমে যাচ্ছে। অনেক বড় কোম্পানি মুনাফা বা বিনিয়োগের অর্থ ফেরত নিতে পারছে না। এসব কারণে নতুন শিল্প গড়ে উঠছে কম।

দৈনিক ইত্তেফাক

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নামেই, বাস্তবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে— এটি বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, শুরু থেকেই স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত দেশের আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

যদিও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন নামেই, বাস্তবে এটি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।’

এ বিষয়ে আইএমএফের বক্তব্য হলো বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ-১৯৭২-এর ১০, ১৫ ও ৭৭ ধারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্য অর্জনে যেকোনও পদক্ষেপ গ্রহণের সক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বিশেষ করে মধ্যমেয়াদে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পথে এটি অন্তরায় হয়ে দেখা দিয়েছে।

এছাড়া, আদেশটির ৮২ নম্বর ধারাও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সরকারের নিয়ন্ত্রণের অধীন করে তুলেছে।

বণিক বার্তা পত্রিকা