‘বদলাচ্ছে ধর্ষণের সংজ্ঞা, প্রস্তাবে যুক্ত তৃতীয় লিঙ্গ’

নারী নির্যাতন দমন আইন প্রসঙ্গে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘বদলাচ্ছে ধর্ষণের সংজ্ঞা প্রস্তাবে যুক্ত তৃতীয় লিঙ্গ’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বিদ্যমান নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তৃতীয় লিঙ্গের পরিচয়ের ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলা নেই।
তাই তৃতীয় লিঙ্গের কেউ ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার হলে মামলার ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দেয়।
পুলিশের প্রস্তাবে নতুন আইনের খসড়ায় তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) নাগরিকের বিচার পাওয়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট একটি ধারা যুক্ত করার সুপারিশ করা হয়।
নতুন আইনের খসড়ায় ‘শিশু’ শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ধর্ষণের সংজ্ঞায়ও আসবে পরিবর্তন।
বিশ্বের অনেক দেশের সমসাময়িক বাস্তবতায় যৌন নিপীড়ন ও বিকৃত যৌনাচারকে ধর্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এর আলোকে খসড়ায় ধর্ষণের সংজ্ঞা সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে।
আইনটির ব্যাপারে এরই মধ্যে চাওয়া হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ বিভিন্ন অংশীজনের মত।
এই পরিবর্তনকে বিশেষ করে নতুন আইনে তৃতীয় লিঙ্গের বিষয়টি যুক্ত করার প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

ভারতীয় পত্রিকায় বাংলাদেশের খবর নিয়ে নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, ‘ভারতীয় পত্রিকায় রিজার্ভ চুরির খবর’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আবারো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভ চুরি হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করেছে ভারতের একটি পত্রিকা।
এবার ভারতীয় হ্যাকাররা ডিজিটাল উপায়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কয়েক বিলিয়ন ডলার চুরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
গত এক সপ্তাহ আগে রিজার্ভ চুরির এ ঘটনা ঘটেছে বলে ভারতের ‘নর্থইস্ট নিউজ’ নামের এক পোর্টালে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
এরপর অনেকে এ তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করেন।
তবে ভারতীয় পোর্টালের সেই খবর নাকচ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারা বলছে, নতুন করে কোনো রিজার্ভ চুরি হয়নি। ওই খবরটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া (ফেইক)।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ‘চলতি মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোটি কোটি ডলার চুরির পেছনে কী ভারতীয় হ্যাকাররা জড়িত?’ শীর্ষক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘নর্থইস্ট নিউজ’।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
ডলার সংকট নিয়ে প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘ঠেকানো যাচ্ছে না রিজার্ভের পতন’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দুই বছর আগে দেশে শুরু হওয়া ডলারের সংকট কাটছে না। ডলারের সংকট না কাটায় রিজার্ভের পতন ঠেকানো যাচ্ছে না; বরং প্রায় প্রতিনিয়তই কমছে রিজার্ভ।
বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বাড়াতে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো রিজার্ভ বাড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের দায় মেটানোর পর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ কমে ২৩ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।
আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ছয় অনুযায়ী রিজার্ভ এখন ১৮ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা এক হাজার ৮৩২ কোটি ডলার।
তবে প্রকৃত বা দায়হীন রিজার্ভ এখন ১৩ বিলিয়ন বা এক হাজার ৩০০ কোটি ডলারের কিছুটা কম বলে জানা গেছে।
প্রকৃত রিজার্ভ সেটাই, যার বিপরীতে কোনো দায় নেই এবং যেকোনো সময় তা ব্যবহার করা যায়।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এখন আমদানি নিয়ন্ত্রণের পরও প্রতি মাসে আমদানি দায় মেটানোর জন্য গড়ে প্রায় ৫০০ কোটি ডলার প্রয়োজন হচ্ছে।
ফলে প্রকৃত রিজার্ভের অর্থ দিয়ে তিন মাসেরও আমদানি খরচ মেটানো যাবে না।

রফতানি পরিস্থিতি নিয়ে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘রফতানির ফোলানো-ফাঁপানো তথ্য, না অর্থ পাচার?’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বিশ্ববাজারে দুই হাজার ৭৫৪ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি করেছেন বাংলাদেশের রফতানিকারকরা।
পণ্য রফতানি বাবদ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে অর্থপ্রাপ্তি হয়েছে এক হাজার ৮৯৬ কোটি ডলার।
এ হিসাবে ঘোষিত রফতানি ও অর্থপ্রাপ্তির পার্থক্য প্রায় ৮৫৮ কোটি ডলার বা ৩১ শতাংশের কিছু বেশি।
রফতানিকারকরা বলছেন, সরকারি সংস্থাগুলোর তথ্য সংকলন ব্যবস্থার ত্রুটিতে ফোলানো-ফাঁপানো রফতানি পরিসংখ্যান প্রকাশ হচ্ছে।
এতে রফতানি ও এর বিপরীতে অর্থপ্রাপ্তির তথ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা দিচ্ছে।
রফতানিকারকদের দাবি, হিসাব সংকলন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে অর্থ পাচারের সন্দেহ ও অভিযোগের শিকার হচ্ছেন তারা।
এছাড়া এ ত্রুটি জাতীয় আর্থিক হিসাবের তথ্য নিয়েও বিভ্রান্তি তৈরি করছে।
দেশের ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টে গত অর্থবছরে (২০২২-২৩) বড় অংকের ঘাটতি দেখা গেছে। এ ঘাটতি চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) আরো স্ফীত হয়েছে। এতে বড় ভূমিকা রাখছে ট্রেড ক্রেডিটের নিট ঘাটতি।

এমভি আবদুল্লাহর নাবিকদের ফিরে আসা নিয়ে যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘আনন্দের ঢেউ কর্ণফুলীতে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হয়ে ফিরে আসা ২৩ নাবিক অবশেষে বাংলাদেশে তাদের স্বজনদের কাছে ফিরে এসেছেন।
দীর্ঘ ৩৩ দিনের ভয়ংকর বন্দিদশা থেকে মুক্ত হওয়া এবং এক মাসের ফেরার অপেক্ষার প্রহর শেষ হওয়ার সেই আনন্দের ঢেউ যেন আছড়ে পড়েছিল কর্ণফুলী নদীতে।
নাবিকদের ফেরা উপলক্ষে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) এক নম্বর জেটিতে সকাল থেকেই ভিড় করেন স্বজনরা।
এখানেই নাবিকদের বরণের আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং জাহাজের মালিক প্রতিষ্ঠান এসআর শিপিং।
জেটিতে ভেড়ার পর জাহাজ থেকে নেমে দেশের মাটিতে পা রাখতেই নাবিকরা ছুটে যান তাদের প্রিয়জনদের কাছে।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় এক মাসের দীর্ঘ যাত্রা শেষে এমভি আবদুল্লাহ কুতুবদিয়ায় নোঙর করে। ওইদিনই এসআর শিপিংয়ের নাবিকদের নতুন একটি টিম চট্টগ্রাম থেকে রওয়ানা দিয়ে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজে পৌঁছে।
নতুন ক্যাপ্টেনের হাতে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন ক্যাপ্টেন। মঙ্গলবার বেলা পৌনে বারোটার দিকে হ্যান্ডশেক করে বিদায় নিয়ে কুতুবদিয়া থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওয়ানা দেন ক্যাপ্টেন আবদুর রশিদের নেতৃত্বাধীন এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের নাবিকরা।
অনিশ্চিত জীবন থেকে ফিরে আসা ২৩ নাবিকের মধ্যে ১০ জনের বাড়ি চট্টগ্রামে। ১৩ জনের বাড়ি চট্টগ্রামের বাইরে।
চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের কেএসআরএম-এর নিজস্ব গাড়িতে করে নিজ নিজ গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেওয়া হয়।

আবার গরম আবহাওয়া নিয়ে নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Heatwave returns to grip most parts of Bangladesh’ অর্থাৎ, ‘তাপপ্রবাহ বাংলাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে ফিরে এসেছে’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমবার থেকে শুরু হওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ মঙ্গলবার বিকেল নাগাদ বাংলাদেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
রাজশাহী, রংপুর, সিলেট ও খুলনা এই চারটি বিভাগ তাপপ্রবাহের কবলে পড়েছে। অন্যদিকে বাকি চারটি বিভাগের ১২টি জেলা তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
দিনের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে বা এর বেশি হলে তাকে তাপপ্রবাহ বলা হয়।
মঙ্গলবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সৈয়দপুরে ৩৮ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঢাকাতেও দিনের তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে।
তাপপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য জেলা হলো- টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, রাঙামাটি, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী, কক্সবাজার, ভোলা ও পটুয়াখালী।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ‘আগামী সপ্তাহে বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত দিনের পরিবেশ আরও বেশি গরম হবে।
এমন অবস্থায়, দুপুর ১২টা থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়া এড়াতে এবং প্রতিদিন কমপক্ষে দুই লিটার পানি পান করে আর্দ্র থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চিকিত্সকরাও মাথা না ঢেকে সূর্যের নিচে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের।

খাদ্যে ভেজাল নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘খাদ্যে ভেজাল ঠেকানোর উদ্যোগ নেই’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশে বিভিন্ন ধরনের বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্যে ভেজাল পাওয়া গেছে।
বিএফএসএ ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজার থেকে ৪৭ ধরনের খাদ্যপণ্য সংগ্রহ করে সরকার অনুমোদিত বিভিন্ন পরীক্ষাগারে (ল্যাব) পরীক্ষা করে।
এসব খাদ্যপণ্য ৬১টি মানদণ্ডে পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে ২৭টিতে বিরূপ ফল পাওয়া যায়। অর্থাৎ ২৭টি খাদ্যপণ্য সঠিক মানের ছিল না।
অন্যদিকে ১৫ ধরনের খাদ্যপণ্যে ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এসবের মধ্যে রয়েছে পাউরুটি, গুড়, সস, মাংস, শুঁটকি মাছ, গুঁড়া দুধ, পাস্তুরিত তরল দুধ, মিষ্টিজাতীয় পণ্য, কোমল পানীয়, আচার, মোরব্বা, জিলাপি, পানি, ফলের রস ও মধু।
ভেজাল খাদ্য তৈরিতে রাসায়নিক থেকে শুরু করে ভারী ধাতব পদার্থের মতো উপাদান মেশানো হচ্ছে, যা মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
সরকারি তিনটি প্রতিষ্ঠানের অভিযান-পরবর্তী খাদ্যমান ও বিশুদ্ধতা যাচাই পরীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মাঠ পর্যায়ে সঠিক ও নিয়মিত তদারকির অভাবে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাত করা পর্যন্ত ক্ষতিকর উপাদান মিশিয়ে ভেজাল খাদ্য তৈরি করছে, যার একমাত্র লক্ষ্য অতিমুনাফা।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল খাদ্যে থাকা রাসায়নিক ও ধাতব পদার্থের প্রভাবে কিডনি-লিভারসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দেখা দিচ্ছে ক্যান্সারের মতো জটিল রোগ।
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে বলা হচ্ছে, খাদ্যে ভেজাল মেশানো ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তারা বিচার ও শাস্তির ঊর্ধ্বে থেকে যাচ্ছে বলে ভেজাল রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

উন্নয়ন প্রকল্পের সংকট নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘Crucial projects held back by land issues’ অর্থাৎ, ‘জমি সংক্রান্ত সমস্যার কারণে আটকে আছে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’।
প্রতিবেদনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরা হয়েছে।
বলা হচ্ছে, ওই মহাসড়কের ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি লাইন সরাতে দীর্ঘ বিলম্বের কারণে সার্বিক প্রকল্পের কাজ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সিলেট-তামাবিল সম্প্রসারণ প্রকল্পেরও একই পরিস্থিতি। যার কারণে প্রকল্পের সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করছে।
ঢাকা-সিলেট-তামাবিল সড়ক করিডোর এশিয়ান হাইওয়ে এর একটি অংশ, যা ভারতের মেঘালয় এবং পশ্চিমবঙ্গকে তামাবিল-সিলেট-কাঁচপুর-ঢাকা-যশোর-বেনাপোল দিয়ে বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রকল্প দুটিতে প্রায় ২০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ১৩টি প্যাকেজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ করেছে কিন্তু জমি হস্তান্তর করতে পারেনি, যার ফলে ঠিকাদাররা ক্ষতিপূরণ এবং সময় বাড়ানোর দাবি করছে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্র জানায়, জমি অধিগ্রহণ একটি জটিল ও সংবেদনশীল প্রক্রিয়া ছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের একাংশের মধ্যে আন্তরিকতার অভাব বিলম্বের জন্য দায়ী।

দখলদারিত্ব নিয়ে মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, ‘প্লট দখলের নয়া তরিকা’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে ব্যক্তি মালিকানাধীন সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি দেখিয়ে চারটি বেসরকারি সংগঠনকে লিজ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
সাড়ে তিন কাঠা করে যে পাঁচটি প্লট লিজ দেয়া হয়েছে সেগুলো ইস্টার্ন হাউজিংয়ের আফতাব নগর হাউজিং প্রকল্পের।
লিজ দেয়া প্রত্যেকটি প্লটই অনেক আগে ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিদের কাছে বিক্রি করে দেয় হাউজিং কর্তৃপক্ষ।
তবে হঠাৎ করেই জেলা প্রশাসন চারটি সংগঠনকে প্লটগুলো লিজ দিয়েছে।
আর সংগঠনগুলো প্লট দখলে নিতে রাতের অন্ধকারে ইট-বালু, সিমেন্ট দিয়ে সীমানা প্রাচীর দিয়েছে।
এখন তারা প্লটগুলো নিজস্ব লোকবল দিয়ে নজরদারি করাচ্ছেন। যাতে করে আর কেউ এসব প্লটে হস্তক্ষেপ করতে না পারে।
আইন অনুযায়ী জমির মালিক হাউজিং কর্তৃপক্ষ। পরে সরকার পক্ষ এ নিয়ে আপিল করে।
প্রশ্ন উঠেছে, আইন অনুযায়ী হাউজিং কর্তৃপক্ষ মালিক হওয়া সত্ত্বেও এবং আপিলের রায়ের আগেই জেলা প্রশাসন এই জমিটি কীভাবে লিজ দেয়।












