‘অস্থিরতা কমাতে চায় ঢাকা’

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, ‘অস্থিরতা কমাতে চায় ঢাকা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার পতনের পর থেকে ‘অস্বাভাবিক অবস্থার’ ভেতর দিয়ে যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক।

বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনা ইস্যু আর ভারত থেকে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে চলছে টানাটানি। এসব ঘটনায় নানামুখী প্রতিক্রিয়া ও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে বিভিন্ন মহল।

এমন অবস্থায় সরকার পতনের পর প্রথমবারের মতো দুই দেশের সরকারের উচ্চ পর্যায়ের মধ্যে একটি বৈঠক হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগামী ১০ই ডিসেম্বর ঢাকায় পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এ বিষয়ে দিল্লিকে জানানো হয়েছে।

সরকার ও সরকারের বাইরের কূটনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, সংখ্যালঘু ইস্যুসহ খুব স্পর্শকাতর বিভিন্ন বিষয় চলে আসায় এখন অস্বাভাবিক অবস্থার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক।

অন্যদিকে দুই দেশের মানুষের এমন অনেক ইস্যু আছে, যেগুলো ফেলে রাখার সুযোগ নেই। এমন অবস্থায় ভালো প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করার সুযোগ আছে।

পত্রিকা

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘মাঠ গোছাচ্ছে দুই দল

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা দল গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নেতারা জনসংযোগের পাশাপাশি যোগ দিচ্ছেন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোয়। ঐক্য ও শান্তির বার্তা দেওয়ার সঙ্গে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও।

ন্যূনতম সংস্কার শেষে দ্রুত নির্বাচন চায় দেশের অন্যতম বড় এই দুই রাজনৈতিক দল।

বিএনপির একাধিক নীতিনির্ধারক জানান, সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে নির্বাচনি প্রচারণার কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, নির্বাচনের ব্যাপারে জামায়াতের দুই ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। প্রথমত, জামায়াত নিজেরাই ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচনের সময় যখন আসবে, তখন যে পরিস্থিতি বিরাজ করবে, তার আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কাজেই এই দুই দল আলাদাভাবে নাকি জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে, তা এখনই বলার সুযোগ নেই।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, ‘Fiscal pressure to persist despite foreign loans’ অর্থাৎ, ‘বিদেশি ঋণের পরেও আর্থিক চাপ কমবে না’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঋণদাতাদের কাছ থেকে আরা বেশি বিদেশি ঋণ সংগ্রহ করেছে।

তবে দেশের প্রত্যাশিত রাজস্ব আয়ে ঘাটতির কারণে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় চাপ কমবে না বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী মাসে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক থেকে প্রায় আড়াই বিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণ ছাড় হতে পারে।

এই ঋণ ডলার সংকট মোকাবিলায় সরকারকে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে, রাজস্ব আদায়ের হার কম থাকায় বিদেশি ঋণ প্রবাহ বাড়লেও আর্থিক ব্যবস্থাপনার ওপর চাপ কমবে না।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে দেশের রাজস্ব আদায় এক শতাংশ নেতিবাচক ছিল। এই সময়ে দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য।

এদিকে বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা পেতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নীতিনির্ধারণী বিভাগকে কার্যনির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করার ঘোষণা দিতে যাচ্ছে।

২০০৩ সাল থেকে এই বিষয়টি নিয়ে বিশ্বব্যাংক ও সরকারের মধ্যে আলোচনা চলছিল। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এই আলাদা করার সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হলেও আজও তা বাস্তবায়ন হয়নি।

পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, ‘এই নভেম্বরে রোগী আড়াই গুণ বেশি’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবার নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে বছরের প্রায় ৩২ শতাংশ রোগী। আগের বছর এই সময় আক্রান্ত হয়েছিল ১২ দশমিকের কিছু বেশি। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় এই বছর রোগী বেড়েছে আড়াই গুণ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক বছর ধরে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর মৌসুম দীর্ঘ হচ্ছে। ২০১৬ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে সারা বছর রোগী পাওয়া যাচ্ছে।

এবারে অক্টোবর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর সংক্রমণ চূড়ায় উঠে গিয়েছে। অথচ গত বছর জুলাই থেকে অক্টোবরে ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল সবচেয়ে বেশি।

আগে মে থেকে সেপ্টেম্বর মাসকে ডেঙ্গুর প্রকোপের মৌসুম ধরা হলেও ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা ও ভাইরাস এখন সারা বছর থাকছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবার ডিসেম্বরে শীতের মধ্যেও ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকবে। তবে জানুয়ারির মাঝামাঝি সংক্রমণ কমে আসার পাশাপাশি মৃত্যুও কমে আসবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা তার প্রজনন এবং বসবাসের জন্য নতুন নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জীবন রক্ষাকারী অর্ধশতাধিক ওষুধের দাম আবারও বেড়েছে। গত তিন মাসে কোনো কোনো ওষুধের দাম ১১০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো দাম বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিয়মের তোয়াক্কা করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিত্যপণ্য কিনতে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষ এ ধাক্কা সামলাতে খাদ্যপণ্যে কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানি তেল ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কিছু ওষুধের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

জানা যায়, অত্যাবশ্যকীয় ১১৭টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে সরকার। এর বাইরে যত ওষুধ বাজারে রয়েছে, বেশির ভাগ উৎপাদক কোম্পানির ঠিক করা দামে বিক্রি হয়।

তবে এর জন্যও কিছু প্রক্রিয়া মানতে হয় কোম্পানিগুলোকে। নতুন দরের জন্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে আবেদন করতে হয়।

তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাজারে দাম কার্যকর করে তা অনুমোদনের জন্য আবেদন করে কোম্পানিগুলো।

পত্রিকা

ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম, ‘সংকটে কারিগরি শিক্ষা’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের বিপুল জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে কারিগরি শিক্ষায় জোর দেয়া হলেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন হয়নি।

এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, শিক্ষক সংকট, উপকরণের অভাব, অনুন্নত কারিকুলামসহ নানা সমস্যার কথা।

২০১২ সালে সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, ২০২০ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষার্থী হবে ২০ শতাংশ। ২০২৪ সালে বলা হচ্ছে শিক্ষার্থীর হার এর চাইতে অনেকটাই কম।

বিভিন্ন পলিটেকনিক, মনোটেকনিক এবং কারিগরি স্কুল ও কলেজে শিক্ষক পদের ৭০ শতাংশই শূন্য আছে। এছাড়া জনশক্তি ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান ব্যুরোর অধীন কারিগরি প্রতিষ্ঠানেও প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষক পদ শূন্য।

শিক্ষায় অনুন্নত কারিকুলাম ও পুরোনো কোর্স থাকায় পড়ালেখা সম্পন্ন করেও চাকরির বাজারে বঞ্চিত হচ্ছেন অনেকে।

কারিগরি বিভিন্ন বিষয়ে বিদেশে চাহিদা থাকলেও শিক্ষার মান উন্নয়নে আশাতীত কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্লিষ্টদের।

এ অবস্থায় বেকারত্ব দূরীকরণে উন্নত দেশের আদলে দেশের কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।

পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, ‘High-risk job, low pay’ অর্থাৎ, ‘উচ্চ ঝুঁকির কাজ, কম বেতন’।

প্রতিবেদনে মূলত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কথা তুলে ধরা হয়েছে।

বলা হচ্ছে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন কাজ করেও ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অন্যান্য বিভাগের কর্মচারীদের মতো বেতন পান না।

কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, গত ৪০ বছর ধরে তাদের বিভাগীয় কাঠামোতে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসে ১৪, হাজার ৫১৫ জন কর্মী রয়েছেন, কিন্তু প্রথম শ্রেণির পদ মাত্র ৪৮টি। অর্থাৎ, প্রতি ৩০০ কর্মীর জন্য একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা।

ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের মতে, প্রথম শ্রেণির পদ সংখ্যা কম হওয়ায় এই শ্রেণিতে পদোন্নতি পাওয়া খুবই বিরল, এমনকি ২৫ বছরের সেবার পরেও।

সর্বশেষ ১৯৮৩ সালে একটি কমিশনের সুপারিশে ফায়ার সার্ভিসের কাঠামো আপডেট করা হয়েছিল, যা তখনকার শিল্পায়নের চাহিদা মেটানোর জন্য করা হয়।

পুলিশে নিয়মিত পদোন্নতি হয়ে থাকে অথচ ফায়ার সার্ভিসের কাজ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও এখানকার কর্মকর্তারা এমন কোনো আপগ্রেডেশন পান না।

পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, ‘ঢাকায় বায়ুদূষণ বাড়ছেই’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বছর বছর বায়ুর মানের অবনতি হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার বায়ুমান খুবই অস্বাস্থ্যকর।

বায়ু মান বা আইকিউএয়ারের হিসাবে, ২০১৬ সালে ঢাকার বায়ুমান সূচক ছিল ১৫০, যা ২০২৩ সালে ১৭১-এ উঠে যায়। মানে হলো বায়ুদূষণ বেড়েছে।

অথচ কিছু চিঠি–চালাচালি, কয়েকটি গাড়ি দিয়ে পানি ছিটানো এবং নির্মল বায়ু প্রকল্পের নামে নানা অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়া তেমন কিছু করতে দেখা যায়নি।

আবার এই বায়ুদূষণের কারণে শ্বাসতন্ত্রের নানা রোগ নিয়ে হাসপাতালে রোগীর ভীড় বাড়তে শুরু করেছে।

ঢাকার আগারগাঁওয়ের ২৫০ শয্যার টিবি (যক্ষ্মা) হাসপাতালে কেউ এসেছেন যক্ষ্মা নিয়ে, কেউ হাঁপানি বা অ্যাজমা নিয়ে, কেউ শ্বাসকষ্ট নিয়ে।

বিশেষজ্ঞরা ঢাকার বাতাসে অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে চারটি উপাদানের আশঙ্কাজনক উপস্থিতি রয়েছে—নাইট্রোজেন ডাই–অক্সাইড, অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা, সালফার ডাই–অক্সাইড ও ব্ল্যাক কার্বন।

ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতিতে সরকার কী করছে, জানতে চাইলে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, ২০২৫ সালের মধ্যে সরকারি স্থাপনা নির্মাণে পোড়া ইটের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।

এর মধ্যে নতুন বাস নামাতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পরিবহনমালিকদের বলা হয়েছে। ঢাকার ধুলাবালু কমাতে রাস্তায় পানি দিতে বলেছেন তিনি।

পত্রিকা

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘কলমের খোঁচায় নাই ২৭৪ নদী’।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় নদীরক্ষা কমিশন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসন বা বিভাগীয় কমিশনারদের তালিকায় অনেক নদীর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

যেমন: কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী থেকে নেওয়াশী ইউনিয়নে যাওয়ার রাস্তার পাশে ‘চামটা’ নদী, খাগড়াছড়ির ‘ঠেগা’ নদী।

এভাবে একটি বা দুটি বা পাঁচটি নয়, অন্তত ২৭৪টি নদীর নাম বাদ দিয়ে নতুন তালিকা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, অবৈধ দখল পাকাপোক্ত করতেই যাচাই-বাছাই ছাড়াই নদীর নাম চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার।

এসব নদীর নাম বাদ দিয়ে তালিকা চূড়ান্ত করলে দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যাচাই ছাড়া কোনো নদীর নাম বাদ না দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। একটি নদীর নাম বাদ দিতে হলেও গণশুনানি আবশ্যক বলে মনে করেন তারা।

‘বাংলাদেশের নদনদী’ বইয়ের (জনান্তিক/২০২০) তথ্যমতে, দেশে নদী ১ হাজার ১৮০টি।

গত বছর নদীরক্ষা কমিশনের প্রকাশ করা বাংলাদেশের নদনদীর খসড়া তালিকায় নদীর সংখ্যা ১০০৮। তাদের হিসাবে অন্তত ৩২৩টি নদী তালিকা থেকে বাদ পড়ছে।

তালিকা থেকে বাদপড়া নদীগুলোর বেশিরভাগই প্রভাবশালীরা দখল করে নিয়েছে। তাদের নদীর জায়গা স্থায়ীভাবে ‘উপহার’ দেওয়ার জন্যই এ আয়োজন করা হচ্ছে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।