'৫৫ হাজার রোহিঙ্গাকে এনআইডি, দুদকের জালে হেলালুদ্দীন'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

'৫৫ হাজার রোহিঙ্গাকে এনআইডি, দুদকের জালে হেলালুদ্দীন' মানবজমিনের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, সাবেক সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করতে ব্যাপক তৎপর ছিলেন তিনি।

দায়িত্ব পালন করেন নির্বাচন কমিশন সচিব হিসেবে। পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব থাকা অবস্থায় ২০২২ সালে অবসরে যান। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের অক্টোবরে গ্রেপ্তার হন হেলালুদ্দীন।

এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ৫৫ হাজার ৩১০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার। অভিযোগটি অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

চলতি মাসের শুরুর দিকে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত দিয়েছে ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন কমিশন। গত সপ্তাহেই অনুসন্ধানের জন্য একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র মানবজমিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানিয়েছে, হেলালুদ্দীন আহমদের অনিয়ম খুঁজতে দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলমকে অনুসন্ধানী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কমিশনের তরফ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সাবেক নির্বাচন কমিশনের এই সচিবের সব দুর্নীতির প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সেই হিসেবে গত সপ্তাহেই হেলালুদ্দীন আহমদ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য দিতে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই চিঠি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়েও পাঠিয়েছে দুদক।

'ঈদ যাত্রায় দুর্ভোগের শঙ্কা' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।

এই খবরে বলা হচ্ছে, ঈদের আনন্দ উদযাপনে রাজধানীবাসী দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রিয়জনের কাছে ছুটে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, এবার পবিত্র ঈদুল ফিতরে এক কোটি ২০ লাখের মতো মানুষ রাজধানী ছেড়ে প্রিয়জনের কাছে যেতে পারে।

তবে এবারের ঈদ যাত্রায়ও সড়কে ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার একদিকে রয়েছে যানজটের ভোগান্তি, অন্যদিকে নিরাপত্তাঝুঁকি তো আছেই।

বিশেষ করে ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-সিলেটসহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের ১৫৯টি স্পটে যানজটের আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর বাইপাইল ও চন্দ্রা মোড়ে যানবাহনের প্রচণ্ড চাপে রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার পথে তীব্র যানজটে ঈদ যাত্রার ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

তবে যানজট নিরসনে জননিরাপত্তা বিভাগ ঈদের আগে ও পরে চিহ্নিত স্পটগুলোয় বিশেষ নজরদারি রাখতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়কে কিছু পরামর্শ দিয়েছে।

এছাড়া জাতীয় মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ করিডরগুলোর সড়ক ঈদের সাত দিন আগেই মেরামত কিংবা সংস্কার করতে বলা হয়েছে।

যুগান্তরের শিরোনাম 'রাজনৈতিক ব্যাংক ভেঙে পড়ছে'। খবরে বলা হচ্ছে, তাসের ঘরের মতো একের পর এক ভেঙে পড়ছে রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স পাওয়া ব্যাংকগুলো।

অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ইতিমধ্যে ৯টির মধ্যে ৬টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এখন এসব ব্যাংকের কোনোটির খেলাপি ঋণ ৮৬ থেকে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ব্যাংক অনুমোদনের আগেই বিরোধিতা করেন ব্যাংক খাতের বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সরকার তখন তা আমলে নেয়নি।

প্রসঙ্গত, নতুন ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও ২০১৩ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয় স্বৈরাচার হিসাবে চিহ্নিত শেখ হাসিনা সরকার।

ব্যাংকগুলো হলো-পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক), গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক (সাবেক এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক), এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মধুমতি ব্যাংক, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক (এসবিএসি ব্যাংক) ও মিডল্যান্ড ব্যাংক।

৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এখন এসব ব্যাংকে লুটপাটের প্রকৃত চিত্র ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে।

ওই সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় লাইসেন্স দেওয়া এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রথমে লুটপাট শুরু হয় ফারমার্স ব্যাংক দিয়ে (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক)।

আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীরের নেতৃত্বে এই লুটপাট সংঘটিত হয়। এই ব্যাংকটি লাইসেন্স পেয়েছিল ফারমার্স ব্যাংক নামে।

সমকালের শিরোনাম 'বনের জমি বনে ফিরছে'। খবরে বলা হচ্ছে, বনের ৮৭৫ একর জমির বরাদ্দ বাতিল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। আরও ১৩ হাজার ৫৬৭ একরের বরাদ্দ শিগগির বাতিল হচ্ছে। গত তিন দশকে সারাদেশে সরকারি ৪৫টি সংস্থাকে ১ লাখ ৬১ হাজার একর জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল।

এসব জমির বড় অংশে এরই মধ্যে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে আজ শুক্রবার সরকারি-বেসরকারিভাবে বিশ্ব বন দিবস পালন করা হবে। এবারের প্রতিপাদ্য- 'বন-বনানী সংরক্ষণ, খাদ্যের জন্য প্রয়োজন'।

পরিবেশবিদরা বলছেন, স্থাপনাকে উন্নয়নের 'হাতিয়ার' দেখাতে সরকারই বনভূমি দখলে মদদ দিয়েছে। এতে কমছে বনভূমি; ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রাণবৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র। বনের জমি দখলমুক্ত করতে সরকারের শক্ত পদক্ষেপ চান তারা।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজারে হাজার হাজার একর বনভূমি সরকারি সংস্থার কবজায় রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের অধীনে সারাদেশে রয়েছে ৫৩ হাজার ৫৭৯ একর ভূমি।

প্রতিষ্ঠানটি শুধু কক্সবাজারেই দখলে নিয়েছে ৪৩ হাজার ৯৫ একর। জেলাটিতে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী এবং র‍্যাব ও বিজিবির অধীনে রয়েছে ৯৩ হাজার ৯২৩ একর।

'ঐকমত্য গঠনে সংলাপ শুরু' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপ শুরু করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন । গতকাল বৃহস্পতিবার লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে এই সংলাপ শুরু হলো ।

কমিশন সূত্র বলেছে, তাদের আহ্বানে সাড়া দেওয়া সব দলের সঙ্গে এক বা একাধিকবার সংলাপ করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ঐকমত্য হওয়া বিষয়গুলো নিয়ে জুলাই সনদ ঘোষণা করবে সরকার। এর ওপর ভিত্তি করে অনুষ্ঠিত হবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ।

আগে সংস্কার না নির্বাচন — এ নিয়ে কমিশন কোনো চাপে নেই । ঐকমত্য কমিশনের প্রধান হলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড . মুহাম্মদ ইউনূস ।

ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন , ' সংলাপ শুরু করলাম । ঈদের আগে আরও দু- একটি দলের সঙ্গে বসার ইচ্ছা আছে । ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করব । সেখানে প্রতিদিন অন্তত দুটি দলের সঙ্গে বৈঠক করব । '

এদিকে রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে ঐকমত্য কমিশনে গতকাল মতামত দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী । দলটি সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে । কমিশন সূত্র জানায় , শুরুতে ছোট দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করা হবে ।

ঐকমত্য গঠনে সংলাপ শুরু শেষের দিকে বিএনপি , জামায়াত , এনসিপিসহ বড় দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক হবে ।

'বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা সর্বোচ্চ ৭ বছর' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ধর্ষণের সংজ্ঞা সংশোধন এবং বিয়ের প্রলোভন বা প্রতারণার মধ্যমে অবৈধ যৌনকর্মের সর্বোচ্চ সাজা সাত বছর রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

এ ছাড়া শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠনেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগির এ আইনের অধ্যাদেশ জারি হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদ এ অনুমোদন দেয়।

পরে দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ের পাশাপাশি উপদেষ্টা পরিষদের অন্যান্য সিদ্ধান্তগুলোও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'BNP infighting claims 43 lives in 7 months' অর্থাৎ '৭ মাসে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষে ৪৩ জন নিহত'।

খবরে বলা হচ্ছে, গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে বিএনপির উপদলের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৪৩ জন নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন।

দলটি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে শীর্ষ নেতাদের বারবার সতর্ক করা এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান সত্ত্বেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ২৭শে ফেব্রুয়ারি এক ভার্চ্যুয়াল সভায় তৃণমূল নেতাদের এক সভায় ভাষণ দিয়ে তাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

তবে এরপর থেকে রাজশাহী, নারায়ণগঞ্জ, ভোলা, সিরাজগঞ্জ ও চুয়াডাঙ্গায় সংঘর্ষে বিএনপির পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ১৯ মার্চ। ওইদিন নারায়ণগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ ও ভোলায় দুজন ছাত্রদল নেতা ও এক যুবদল সমর্থক নিহত হন।

'গাজায় নির্বিচার শিশু হত্যা' প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, কয়েক দিন পরেই প্রথম জন্মদিন ছিল ফুটফুটে শিশু বানান আল-সালোউতের। আরেক শিশু হুর আল- সালোউতের বয়স এক বছর হয়েছে। কবে সে গুটি গুটি পায়ে হাঁটা শুরু করবে, সে অপেক্ষায় ছিলেন মা-বাবা। আর ঈদ কবে আসবে, কী কেনাকাটা করবে-তা নিয়ে ছোট্ট সালমাহ এসলিয়েহ যেন আরও চঞ্চল হয়ে উঠেছিল।

সালমাহের ঈদ আর আসবে না। হুর আল- সালোউতের প্রথম হাঁটা, আধো আধো বুলিতে কথা শোনার অপেক্ষা শেষ হবে না কোনো দিন। ইসরায়েলের নির্মম হামলা মা-বাবার কোল থেকে কেড়ে নিয়েছে ফিলিস্তিনের গাজার এই শিশুদের। শুধু এই তিনজন নয়, ১৭ মাস ধরে চলা ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ফিলিস্তিনের উপত্যকাটিতে প্রাণ হারিয়েছে প্রায় ১৮ হাজার শিশু।

গাজায় গত ১৯ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল যুদ্ধবিরতি। এরপর সেখানকার শিশুদের দুর্দশা কিছুটা কমেছিল। তবে গত মঙ্গলবার ভোররাতে (সাহরির আগে) গাজায় আবার নৃশংস হামলা শুরু করে ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, এই হামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত ৫৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শিশু ২০০। যদিও বার্তা সংস্থা এএফপি প্রথম দুই দিনে ৯৭০ জনের নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল।

নতুন করে হামলা শুরু করার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার বলেছিলেন, গাজায় নৃশংসতা 'কেবল শুরু' হয়েছে। বাস্তবেও তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। বিগত তিন দিনে নিহতের পাশাপাশি আহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২ জন।

ইত্তেফাকের শিরোনাম 'গ্যাস-সংকটে শিল্পে উৎপাদন অর্ধেকে'। খবরে বলা হচ্ছে, দেশে জ্বালানি গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর ফলে ইতিমধ্যে অনেক শিল্পকারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে বা স্থগিত রয়েছে।

চালু থাকা কারখানাগুলোও চাহিদামতো চাপে গ্যাস না পেয়ে বহুমাত্রিক সমস্যায় ভুগছে। গত দুই বছরের মধ্যে বর্তমানে আমদানিকৃত এলএনজি সরবরাহ তুলনামূলক বেশি হলেও স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন ক্রমে কমে যাওয়ায় শিল্পে জ্বালানি সংকট দূর হচ্ছে না।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং পেট্রোবাংলার সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে দৈনিক ৪১০ থেকে ৪২০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। চাহিদা মোতাবেক গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না এক দশকের বেশি সময় ধরে। তবে ৩৫০-৩৬০ কোটি গ্যাস সরবরাহ করা গেলে পরিস্থিতি মোটামুটি সামলে নেওয়া যায়। কিন্তু বর্তমানে দৈনিক কমবেশি ২৭০ কোটি ঘনফুট বিতরণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ গত বুধবার ২৮২ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এ দিন প্রায় সাড়ে ৯৮ কোটি ঘনফুট পরিমাণ গ্যাস এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়।

পেট্রোবাংলার এবং তিতাস গ্যাস কোম্পানির একাধিক কর্মকর্তা জানান, আর্থিক ও প্রকৌশলগত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিলে দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক ২০০ কোটি ঘনফুটের বেশি গ্যাস উৎপাদন সম্ভব নয়। কক্সবাজারে থাকা ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকেও দৈনিক ১০৮ কোটি ঘনফুটের বেশি এলএনজি সরবরাহ করা প্রায় অসম্ভব। অর্থসংস্থান কম থাকায় এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের বিল বকেয়া থাকায় সক্ষমতার এই ৩০৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

'এডিস মশা প্রতিরোধে কার্যকর প্রস্তুতি নেই সরকারের' বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, প্রতি বছর ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তিনটি জরিপ চালানো হয়। এর মধ্যে প্রাক-বর্ষা জরিপটি বছরের এ সময়ের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা।

কিন্তু এবার সরকার এখনো ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রাক-বর্ষা জরিপ শুরুই করেনি। আবার ২০২৪ সালের বর্ষা-পরবর্তী জরিপের প্রতিবেদন তৈরির কাজও এখনো শেষ হয়নি।

বাংলাদেশে প্রতি বছরই বর্ষার আগে থেকে বাড়তে শুরু করে ডেঙ্গু সংক্রমণ। বৃষ্টিপাত শুরুর পাশাপাশি ভ্যাপসা গরম ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূলে হওয়ায় সাধারণত এপ্রিল থেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।

সে হিসাবে এবারো আসন্ন এপ্রিলে ডেঙ্গুর বিস্তৃতি বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তেমন কোনো প্রস্তুতি দেখা যাচ্ছে না এখনো।

গত বছরের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর দেশে সাময়িক সময়ের জন্য স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম থমকে যায়। একই সঙ্গে স্থবিরতা নেমে আসে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমেও।

এর মধ্যে শীত মৌসুম চলে আসায় এডিসের বিস্তার প্রতিরোধে নেয়া কার্যক্রম আরো ধীর হয়ে আসে। বর্তমানে শীত শেষে মার্চের মাঝামাঝি থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির দেখা মিলেছে।

এ অবস্থায় পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিল থেকেই ডেঙ্গুর সংক্রমণ ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে।