'কেন বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকবেন সাংবাদিকরা?'

পত্রিকা
Published

কেন বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকবেন সাংবাদিকরা – আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করেছে দেশ রুপান্তর। পৃথিবীর কোন দেশে সেন্ট্রাল (কেন্দ্রীয়) ব্যাংকে ঢুকতে পারছে অবাধে, এমন প্রশ্ন করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ভারতের ফেডারেল ব্যাংকে কি অবাধে ঢুকতে পারছে কেউ? কেন ঢুকবে? সব ওয়েবসাইটে আছে। আপনার জানবার বিষয়, আপনি ভেতরে ঢুকবেন কেন?’

সাংবাদিকদের বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করতে না দেওয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের পাল্টা এমন প্রশ্ন করেন।

গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক।

অন্যদিকে একই প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করে দৈনিক আজকের পত্রিকা। তারা লিখেছে – বাংলাদেশ ব্যাংক কি তাহলে নিষিদ্ধ পল্লি

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

শনিবার বিকালে রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জিয়া মঞ্চের ঢাকা বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রয়োজনে আমরাও তাদের জন্য রাজপথে নামব। কারণ সাংবাদিক কোনো দলের জন্য নয়।

সব সূচকেই সতর্কবার্তা – দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কালবেলার প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয় ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার আগে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ছিল ৯১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। এরপর টানা ৯ বছর প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬ শতাংশের বেশি।

রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের ঊর্ধ্বগতির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছিল। দুই অঙ্কে শুরু হওয়া মূল্যস্ফীতি এক পর্যায়ে সাড়ে ৫ শতাংশের নিচে নেমেছিল।

একমাত্র বিনিয়োগ পরিস্থিতি ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকই ইতিবাচক অবস্থানে ছিল। অর্থনীতির সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে একের পর এক বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু করে সরকার। এতে বাজেটের আকার ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজস্ব আয় বাড়ানো যায়নি।

ফলে প্রতি বছরই ঘাটতি বেড়েছে। আর সেই ঘাটতি মেটাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে।

প্রতি বছর বাজেটের আকার যে হারে বাড়ছে, সে অনুযায়ী রাজস্ব আদায় বাড়ানো যাচ্ছে না। চূড়ান্ত হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ হারে। মহামারির সময় বাদ দিলে প্রবৃদ্ধির এই হার গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

সংবাদপত্র
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে হিমশিম – কালের কন্ঠের খবর। আর্থিক সংকটে ভুগছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না ব্যাংকটির মৌলভীবাজার শাখা।

আরো একাধিক ব্যাংক রয়েছে, যারা পাঁচ লাখ টাকার বেশি তুলতে চাইলে দিতে পারছে না। গত সপ্তাহে গ্রাহকের চাপে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের মৌলভীবাজার শাখা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ব্যাংকে আসা গ্রাহকরা টাকা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে দুশ্চিন্তায় হতাশা বাড়ছে প্রবাসী ও পর্যটন অধ্যুষিত এই জেলার গ্রাহকদের।

ব্যাংক থেকে আমানত ফেরত না পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ছোট অঙ্কের আমানত ফেরত দিলেও বড় অঙ্কের আমানত এখনো ফেরত দিতে পারছে না কয়েকটি ব্যাংক। এদিকে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ফেরত দিতে পারছে না বেসিক ব্যাংক।

এসব প্রতিষ্ঠানকে আমানত ফেরত না নেওয়ার জন্য অনুরোধও করেছেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সঙ্গে মার্জারের খবরে আমানত হারাতে শুরু করেছে উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

মূল্যস্ফীতি হ্রাসে ব্যাংক থেকে ঋণ কমাতে চায় সরকার – নয়া দিগন্তের শিরোনাম। বলা হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকিংখাত থেকে ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা কমাচ্ছে সরকার। বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য প্রতি বছর সরকারকে দেশের ব্যাংকিংখাত থেকে বিশাল অঙ্কের ঋণ নিতে হয়। ফলে একদিকে যেমন মূল্যস্ফীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, অন্যদিকে বেসরকারিখাতও ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।

এই বাস্তবতায় আগামী ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে সরকার ব্যাংক ঋণ নেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে এক লাখ ২৯ হাজার কোটি টাকা। যা কি না, চলতি অর্থবছরের (২০২৩-২০২৪) চেয়ে তিন হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা কম।

অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে চিন্তা করা হয়েছিল আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হবে আট লাখ পাঁচ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা কিছুটা খারাপ থাকায় বাধ্য হয়েই বাজেটের আকার ছোট করা হচ্ছে। যেহেতু বাজেটের আকার ছোট হচ্ছে তাই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার পরিমাণও কমে যাচ্ছে।

সংবাদপত্র

দুই বছরে বিপুল আমদানি ব্যয় কমেও রিজার্ভের ক্ষয় থামছে না – বণিক বার্তার খবর। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থায়ন পেতে আলোচনা করছিল দেশের বিদ্যুৎ খাতের একটি বড় কোম্পানি। অর্থায়ন প্রক্রিয়া যখন প্রায় চূড়ান্ত তখনই প্রকাশ হয় বাংলাদেশের ব্যবহারযোগ্য নিট রিজার্ভ নেমে এসেছে ১৩ বিলিয়ন ডলারেরও নিচে।

এ খবরে বিদেশি প্রতিষ্ঠানটি অর্থায়ন থেকে সরে দাঁড়ায়। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ‘বাংলাদেশের রিজার্ভ এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এ কারণে তারা বাংলাদেশি কোনো কোম্পানিকে অর্থায়নের ঝুঁকি নিতে চায় না।’

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যাতে ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় না আসে, সেজন্য দুই বছর ধরেই নানা পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে প্রথম হাত দেয়া হয় দেশের আমদানি নিয়ন্ত্রণে। ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে দেশের আমদানি কমেছে প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলার।

আমদানি নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও গত তিন বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার প্রায় ৩৮ শতাংশ অবমূল্যায়ন ঘটানো হয়েছে। প্রতিটি উদ্যোগ নেয়ার সময় বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দাবি করা হয়েছিল এবার ক্ষয় বন্ধ হয়ে রিজার্ভ বাড়তে শুরু করবে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি দায় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকতে হয়।

এখন প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলারের আমদানি দায় পরিশোধ করতে হচ্ছে। সে হিসাবে দেশের নিট রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি দায়ও পরিশোধ সম্ভব হবে না। এ পরিস্থিতিকে যেকোনো দেশের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মনে করা হয়।

Faster than global average – ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি। খবরটি বাংলাদেশের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা নিয়ে, এতে বলা হয় বৈশ্বিক গড়ের চেয়েও দ্রুতগতিতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে বাংলাদেশে।

এক্ষেত্রে বৈশ্বিক গড় হল ৩.৪২ মিলিমিটার, কিন্তু সরকারি এক গবেষণায় উঠে এসেছে বাংলাদেশে বছরে তার চেয়েও বেশি বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা, যা খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

১২টি উপকূলীয় জেলা, যেখানে প্রভাবটা মারাত্মক হবে বলে মনে করা হচ্ছে, এসব অঞ্চলে জলাবদ্ধতা, পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়া, শস্যের ক্ষতি, উচ্চ তাপমাত্রা ও অতিবৃষ্টি দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংবাদপত্র

ব্যাপক প্রতিক্রিয়া বিকল্প চিন্তা – দৈনিক মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।

বিস্তারিত হল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি বিজ্ঞপ্তিতে তোলপাড় চলছে শিক্ষা খাতে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে সব মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া ভর্তি ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশনাসহ তথ্য চাওয়া হয়।

জেলা শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে ৪ কার্যদিবসের মধ্যে টাকা জমা দেয়ার তথ্য ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাঠাতে বলা হয়। হঠাৎ এমন নির্দেশনায় বিপাকে পড়েছে বেসরকারি স্কুলগুলো।

বেসরকারি স্কুল এই ভর্তির টাকা দিয়েই সারা বছর স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। শিক্ষা বর্ষের প্রায় ৫ মাস পার হওয়ায় ভর্তির টাকার অর্ধেকই খরচ হয়ে গেছে এসব প্রতিষ্ঠানে।

এমন অবস্থায় সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেয়ার নির্দেশনা পেয়ে স্কুল সংশ্লিষ্টরা হতবাক হয়েছেন। তারা বলছেন, এই চিঠি নজিরবিহীন। অতীতে কখনো এমন নির্দেশনা দেয়া হয়নি। চিঠিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার কথা বলা হলেও তার স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা নেই।

সমালোচনার মুখে মাউশিও চিঠির বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারছে না। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী চিঠিটি প্রত্যাহার এবং নতুন নির্দেশনা দেয়ার চিন্তা করছে মাউশি।

সংবাদপত্র

বিদেশে থেকেই ঢাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তাঁরা – এমন শিরোনাম করেছে দৈনিক প্রথম আলো। নাম শুনলেই গা শিউরে ওঠার মতো আড়াই ডজনের বেশি শীর্ষ সন্ত্রাসীর নিয়ন্ত্রণে ছিল রাজধানী ঢাকার অপরাধজগৎ। ‘ক্রসফায়ারে’ পিচ্চি হান্নানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া অভিযানের একপর্যায়ে তাঁদের প্রকাশ্য তৎপরতা কমে আসে।

অনেকে গ্রেপ্তার হন। বেশির ভাগই বিদেশে পালিয়ে যান। তবে তাঁদের নির্দেশে ঢাকায় মানুষ খুন হয়, চাঁদা ওঠে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, শীর্ষ সন্ত্রাসীরা বিদেশে বসে ‘বোতাম টেপেন’, আর ঘটনা ঘটে ঢাকায়।

অপরাধজগৎ ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই শীর্ষ সন্ত্রাসীরা কোথাও মিলেমিশে, কোথাও মুখোমুখি অবস্থানে থেকে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

বজ্রপাত ভয়ংকর – ইত্তেফাকের প্রধান খবরে বলা হচ্ছে গতকালও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এতে।

প্রতি বছরই দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে বজ্রপাত। ঋতু ভিত্তিক ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের রূপ পরিগ্রহ করেছে এই প্রাণঘাতী বজ্র-পতন।

মার্চ মাস থেকে টানা চার মাস আতঙ্কজনক পরিস্থিতির আবর্ত তৈরি হয় হাওড়-বাওড়,ক্ষেত-খামার-উন্মুক্ত মাঠ-ঘাটে। গত এক দশকের হিসাবে দেখা গেছে প্রতি বছরই বাড়ছে বজ্রপাতের ভয়াবহতা ও বিস্তৃতি। এক দশকে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৪ জনের।

চলতি বছর আরও বেড়েছে আতংক। প্রতিদিনই বজ্রাঘাতে প্রাণহানি ঘটছে। গত আড়াই মাসে মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের। এদের অধিকাংশই কৃষক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে বজ্রপাতের মতো ঘটনা বাড়ছে।