পত্রিকা: 'ভোটে আটকানোর জোট আসছে'

ভোটে আটকানোর জোট আসছে— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনীতি ও ভোটের মাঠের বড় শক্তি বিএনপিকে মোকাবেলায় বড় জোট গঠনে তৎপর জামায়াতে ইসলামী। বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই চলছে এই জোট গঠনের প্রক্রিয়া।
অন্তত ২০টি দলের সমন্বয়ে জোটটি গড়ার জন্য দলগুলোর সঙ্গে কথা হচ্ছে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা।
এদিকে, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে (পিআর) নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি দেয়া— দাবি দুইটি জামায়াত ও এনসিপিকে কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।
ফলে দুই দলেই রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে এখন একসঙ্গে পথ চলার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার বিষয়টিতে জোর দিচ্ছে।
জানা গেছে, জামায়াতের নেতৃত্বে মাঠে আসতে যাওয়া এ জোট বিএনপির ভোটের দাবি মোকাবেলা করে রাজনীতি করবে।
জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত ও এনসিপি সুবিধাজনক ফল প্রত্যাশা করছে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এজন্য অন্তত এক বছর সময় দরকার তাদের। ফলে বিভিন্ন ইস্যু দিয়ে নির্বাচনের জন্য আরও এক বছর সময় পেতে চায় দল দুইটি।
এছাড়া, ভোটবিরোধী জোটে সব ধর্মভিত্তিক দল, নাগরিক ঐক্য, এবি পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদসহ আরও বেশ কয়েকটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন হতে পারে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে জোট গঠনের আলাপ-আলোচনায়। তাই ডিসেম্বরের শুরুতে ভোটের তফসিল দিলে তার আগেই জোটের আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সংস্কার বাস্তবায়নে এল গতি— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষিত তারিখ ঘনিয়ে আসায় অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত ৩৬৭টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে দৈনন্দিন কাজের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কোনগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবে, সেই তালিকা জানাতে তাদের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
সংবিধান সংস্কার কমিশন বাদে অন্য ১০টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ থেকে প্রথম ধাপে আশু সংস্কারের জন্য ১২১টি সুপারিশ চিহ্নিত করে সরকার। দ্বিতীয় ধাপে বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে ২৪৬টি সংস্কার প্রস্তাব।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, ৩৬৭ টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে যেগুলো আইন, বিধি, নীতিমালা সংশোধন না করেই মন্ত্রণালয় ও বিভাগ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব, সেগুলো শিগগিরই বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে ।
এখন থেকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সংস্কারের অগ্রগতি প্রতিবেদন নিয়মিত উপস্থাপন করা হবে।
এছাড়া, পত্রিকাটির প্রথম পাতার আরেকটি খবরে বলা হয়েছে— জুলাই জাতীয় সনদের সাংবিধানিক বিষয়গুলো অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বিশেষ সাংবিধানিক আদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাকি বিষয়গুলো নির্বাহী আদেশ ও অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নের পরামর্শ দিয়েছেন তারা। যা আমলে নিয়েছে ঐকমত্য কমিশন।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পারেনি বিবিএস।
এতে বলা হয়েছে, গতকাল রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, অগাস্টে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে।
অথচ গত অগাস্টে সব ধরনের চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল। খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যস্ফীতি হিটম্যাপ অনুযায়ী, খাদ্য মূল্যস্ফীতি হিসাবের ক্ষেত্রে চালের ভর ধরা হয় ১০ দশমিক ৮ শতাংশ।
অথচ গত বছরের অগাস্টের তুলনায় এ বছরে অগাস্টে মোটা ও সরু চালের দাম বেশি থাকলেও বিবিএসের হিসাবে এ সময়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
শুধু মূল্যস্ফীতি নয়, বিবিএস কর্তৃক প্রকাশিত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি), মাথাপিছু আয়সহ বিভিন্ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত তথ্য নিয়েও আস্থার ঘাটতি রয়েছে।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে অতিরঞ্জিত পরিসংখ্যানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানো হয়েছিল।
বিবিএসের তথ্য নিয়ে জনগণের মধ্যে যে বিভ্রান্তি ছিল সেটি দূর করতে না পারা অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ড. মোস্তফা কে মুজেরী।
খোদ বিবিএস পরিচালিত এক জরিপে উঠে আসে, সংস্থাটির তথ্যকে নির্ভরযোগ্য মনে করেন না এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি ব্যবহারকারী।
মূলত পরিসংখ্যান তৈরির আগের কাঠামো বহাল থাকার পাশাপাশি অতীতের অতিরঞ্জিত সব পরিসংখ্যান সংশোধনে সার্বিক উদ্যোগের ঘাটতি থাকায় সরকার এখনও আগের অতিরঞ্জিত অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান থেকে বের হতে পারছে না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের— প্রথম আলোর দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের কথা বলা হয়েছে। যা আগামীকাল মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ চলবে সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এ সংক্রান্ত সংবাদ আজ পত্রিকাগুলো গুরুত্ব দিয়ে প্রথম পাতায় প্রকাশ করেছে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ডাকসুতে এবার প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বড় কোনও অভিযোগ ওঠেনি। নির্বাচনী ইশতেহারে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রার্থীরা। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার কথাও বলেছেন তারা।
এই নির্বাচনকে ঘিরে সৌহার্দ্য–সম্প্রীতির এমন পরিবেশ ভোট গ্রহণ থেকে ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত বজায় থাকুক, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, এবারের ডাকসু নির্বাচন ঘিরে সাইবার বুলিংয়ের অভিযোগ সবচেয়ে বেশি উঠেছে। এসব ঘটনায় বিটিআরসিসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সহযোগিতা নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
ভোট ঘিরে কোনও ধরনের গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ডাকসু নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

সমকালের প্রধান শিরোনাম— দুর্বল পাঁচ ব্যাংক রাষ্ট্রীয় মালিকানায় যাচ্ছে।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুর্বল পাঁচ ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক মিলে প্রতিষ্ঠা করা হবে রাষ্ট্র মালিকানার একটি ইসলামি ব্যাংক।
এজন্য প্রাথমিকভাবে ব্যয় হবে ৩৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে মূলধন হিসেবে সরকার দেবে ২০ হাজার ২০০ কোটি টাকা। বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা আসবে আমানত, বীমা, তহবিল এবং এসব ব্যাংকে প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকে শেয়ারে রূপান্তরের মাধ্যমে।
এই একীভূতকরণ কার্যক্রমটি আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে শেষ করতে চায় সরকার।
এজন্য সময়ভিত্তিক কর্মকৌশল চূড়ান্ত করতে একটি ওয়ার্কিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একীভূত হতে যাওয়া ব্যাংকগুলো হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক।

Govt in confusion over actual literacy rate, অর্থাৎ সাক্ষরতার প্রকৃত হার নিয়ে বিভ্রান্তিতে সরকার। ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান সংবাদ এটি।
এতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা ও গবেষকদের মতে, বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
কারণ, আগের সরকারের আমলে অন্যান্য খাতের মতো সাক্ষরতার হারের পরিসংখ্যানও বেশি করে হার দেখানো হয়েছে। যা যুক্ত ছিল অর্থনীতি সংক্রান্ত বিষয়ের সঙ্গেও।
চব্বিশের ৫ অগাস্ট যখন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়, তখন দেশে সাত বছরের বেশি বয়সীর মধ্যে সাক্ষরতার হার দেখানো হয় প্রায় ৮০ শতাংশ। দলটি ২০০৯ সালে এই হার ছিল ৬০ শতাংশের নিচে।
দলটি ক্ষমতা থাকা অবস্থায় ১৫ বছরে সরকারি পরীক্ষায় অত্যধিক পাশের হার থাকলেও কমেছে শিক্ষার মান।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার নিউ এজকে বলেছেন যে ধারণা, দেশে প্রকৃত সাক্ষরতার হার ৫০ শতাংশের নিচে।
শিক্ষার মান বিবেচনায় নিয়ে তিনি এই অনুমানটি করেছেন বলেও উল্লেখ করেন।

আ'লীগের ভয়ঙ্কর ছক— নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদেরকে ব্যপক ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, স্থানীয় সূত্র ও আ. লীগ নেতাকর্মীদের সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মিশন বাস্তবায়নে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ভয়ঙ্কর নাশকতার ছক তৈরি করেছে আওয়ামী লীগ।
শুরুতে রাজধানীর বিভিন্নস্থানে ব্যপকহারে ঝটিকা মিছিল, এরপর নাশকতা তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে নিতে চায়।
এই মিশন বাস্তবায়নে বিদেশে বসে ঢাকায় অর্থায়ন করছেন আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও শিল্পপতিরা।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর পলাতক পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও নিয়মিত যোগাযোগ করছেন কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সাথে। অর্ন্তবর্তী সরকারকে যেন কোনোভাবে সহযোগিতা না করা হয় সে বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
শুধু তাই নয়, পুলিশের মধ্যে বিভাজন তৈরি এবং ঊর্ধ্বতনদের অসহযোগিতার জন্যও পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে বলে গোয়েন্দা সূত্র জানায়।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দফতরকেও সতর্ক থাকার জন্য গোয়েন্দারা পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

মামলার ভয়ে দেশে ফিরল ১১০০ কোটি টাকা— যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, মামলার ভয়ে ২১টি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক পাচার করা টাকা দেশে ফেরত এনেছেন। এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার বা ১১শ কোটি টাকার বেশি। যা রপ্তানির আড়ালে পাচার করা হয়েছিল।
এ নিয়ে সিআইডি তদন্ত শুরু করার পর ঘটলো এমন ঘটনা। ঘোষিত রপ্তানি মূল্য হিসাবে যা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে আনার কথা ছিল। কিন্তু অনেকে কিছু অর্থ দেশে এনে বাকি টাকা বিদেশে রেখে দেয়।
এ তালিকায় থাকা পাচারের আরও অর্থ এখনও দেশে ফেরত আসেনি।
এখনও প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালাচ্ছে সিআইডি।
এছাড়া, এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে তদন্ত করে ৩ হাজার ১১১ কোটি টাকার সমপরিমাণ সম্পদ ফ্রিজ, ক্রোক ও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, চব্বিশে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর বিদেশে অর্থপাচারের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হতে থাকলে তা ফেরাতে উদ্যোগ নেয় সিআইডি।

সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আসন্ন দুর্গাপূজায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে নানারকম ষড়যন্ত্রমূলক চেষ্টা হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। গতকাল রোববার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা এ নির্দেশ দেন।
বৈঠকে মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গত বছর দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভালো অভিজ্ঞতা ছিল, গত বছরের অভিজ্ঞতা যেন এ বছরও কাজে লাগানো যায়। এবার সব ধরনের নিরাপত্তা যেন আগে থেকেই নেয়া হয়।
এদিকে, আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডাকসু নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে যাতে হয়, সে জন্যও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এছাড়া, যে ঘটনাগুলো ঘটছে স্থানীয় প্রশাসনকে সেগুলো শক্তভাবে মোকাবেলা করতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা।









