পত্রিকা: 'বাণিজ্যের বাইরের শর্ত নিয়েই মূল দরকষাকষি'

আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

বাণিজ্যের বাইরের শর্ত নিয়েই মূল দরকষাকষি— সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ৩৫ শতাংশ শুল্ক কমানোর আলোচনায় বাণিজ্যের বাইরেও অন্যান্য বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাণিজ্যের বাইরের বিভিন্ন শর্ত নিয়েই মূল দরকষাকষি হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) কার্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিতীয় দফার বৈঠকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ওই বৈঠক হয়।

এদিকে, ওয়াশিংটন থেকে ফিরে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন গতকাল সোমবার ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাণিজ্যের বাইরে বিভিন্ন শর্তের বিষয়টি উল্লেখ করলেও বাণিজ্য উপদেষ্টা বিস্তারিত কিছু বলেননি। কেননা ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্ভাব্য শুল্ক চুক্তির বিষয়ে আগে থেকে প্রকাশ না করার বিষয়ে সরকারের চুক্তি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা অনেক প্রশ্নের জবাব দেননি। না দেওয়ার কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট (গোপনীয়তার চুক্তি) রয়েছে। এর ফলে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

এদিকে গতকালের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তৃতীয় পর্যায়ের আলোচনা হবে। এ জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সময় চাওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় পাওয়া যাবে। আশা করা যাচ্ছে, বাংলাদেশ তার সক্ষমতা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবে।

সমকাল
ছবির ক্যাপশান, সমকাল

ছয় মাসে খুন বেড়েছে— প্রথম আলো পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত দেশে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে খুনের ঘটনা। জানুয়ারিতে সারা দেশে খুনের মামলা হয় ২৯৪টি, জুনে হয়েছে ৩৪৪টি।

গত ছয় মাসে ডাকাতি, দস্যুতা, ধর্ষণ ও পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার মতো ঘটনায় মামলা কখনো বেড়েছে, কখনো কমেছে।

গতকাল সোমবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেওয়া পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রেস উইং ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত অপরাধের পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে।

প্রেস উইং বলেছে, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে চলতি বছরে অপরাধ বেড়েছে, যা নাগরিকদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। চলতি বছর অপরাধ খুব বাড়ছে—এই দাবি পরিসংখ্যান পুরোপুরি সমর্থন করে না। বরং, গত ১০ মাসে বড় অপরাধগুলোর ঘটনা একই ধরনের রয়েছে।

প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে বোঝা যায়, বর্তমানে দেশে কোনও বড় ধরনের অপরাধের ঢেউ বয়ে যাচ্ছে না। বরং সবচেয়ে গুরুতর কিছু অপরাধের হার কমেছে কিংবা আগের মতোই রয়েছে। মাত্র কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান, প্রথম আলো

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে, ব্যতিক্রম চলবে না— দৈনিক আজকের পত্রিকা'র প্রধান শিরোনাম। বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বরাতে এতে বলা হয়েছে, "আমাদের লক্ষ্য এখন একটাই — ছাব্বিশের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হতে হবে।"

"সেটা আমাদের তারেক রহমান সাহেব প্ৰধান উপদেষ্টার সঙ্গে লন্ডনে আলাপ করে ঠিক করেছেন। এর কোনও ব্যতিক্রম হবে না ," জানান তিনি।

ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গতকাল সোমবার বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা বলেন দলের মহাসচিব।

তার মতে, "নির্বাচন ঠিক হওয়ার পর থেকে ওদের মাথা বিগড়ে গেছে। যখন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমান সাহেব নিশ্চিত করে ফেলেছেন যে এবার নির্বাচন হবে, তখন থেকেই ওদের মাথা বিগড়ে গেছে।"

"আমরা নির্বাচন চাই, যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেই সময়টাতে আমরা নির্বাচন চাই। আমরা ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চাই , আমরা জনগণের খাওয়া-পরার ব্যবস্থা করতে চাই। চাকরির সংস্থান করতে চাই। নতুন এক বাংলাদেশ আমরা নির্মাণ করতে চাই আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে," আরও যোগ করেন বিএনপি মহাসচিব।

আজকের পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজকের পত্রিকা

অবসরের বয়স বাড়ে ইচ্ছেমতো— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, চাকরি থেকে অবসরের বয়স না বাড়ানোর বিষয়ে সরকার যখন কঠোর, তখন একশ্রেণির সরকারি কোম্পানি বা করপোরেশন তাদের মতো করে অবসরের বয়স বাড়িয়ে নিচ্ছে। এতে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে।

উদাহরণস্বরূপ, সরকারি চাকরিজীবীদের বড় অংশ যখন অবসর নিচ্ছেন ৫৯ বছরে, তখন বিমানের পাইলট ও ইঞ্জিনিয়াররা অবসর নিচ্ছেন ৬২ বছর বয়সে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর একই অবস্থা।

ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো), পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর। এসব কোম্পানির পরিচালকদের অবসরের বয়স ৬২ বছর। আর তারা অবসরে যান ৬৫ বছরে।

বিলম্বে চাকরির শুরুর যৌক্তিক কারণে আগে থেকেই বেশি বয়সে অবসরে যাচ্ছেন বিচারপতিরা। তারা চাকরি থেকে অবসরে যান ৬৭ বছরে। আগে এটা ছিল ৬৫ বছর।

আবার, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অবসরে যান ৬৫ বছরে। তবে সরকারের প্রায় ১৪ লাখ কর্মচারীকে ৫৯ বছরেই অবসরে যেতে হয়।

দেশ রূপান্তর
ছবির ক্যাপশান, দেশ রূপান্তর

ICT charges ex-DMP chief, 7 others বা সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন— ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম এটি।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকায় ছয়জন বিক্ষোভকারীকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গতকাল সোমবার এ অভিযোগ গঠন করেন।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এ মামলার সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ১০ই অগাস্ট দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন মামলার মূল বিষয়বস্তু তুলে ধরা হবে। এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে ১১ই অগাস্ট।

নিউ এজ
ছবির ক্যাপশান, নিউ এজ

Govt at it again, plans to promote retirees বা সরকার আবারও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিতে যাচ্ছে — দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর।

এতে বলা হয়েছে, সরকার আবারও ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির পথে হাঁটছে। এবার প্রশাসন ক্যাডারের বাইরের শত শত অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে জনগণের করের টাকায় তাদের অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে, যদিও তারা একদিনও সেই পদে দায়িত্ব পালন করেননি।

গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৬৪ জন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হয়। এদের মাঝে ছিলেন ১১৯ জন সচিব।

ওইসময় সরকারের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিলো। তারপরও সরকার ফের একই ধরনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে অন্য ক্যাডারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য।

এই উদ্যোগ বাস্তবায় সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার
ছবির ক্যাপশান, দ্য ডেইলি স্টার

নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি দলগুলো— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, যাতে বলা হয়েছে, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের বিষয়ে অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একমত। সংরক্ষিত নারী আসন ৫০ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করার সুপারিশেও তারা একমত।

কিন্তু মতভেদ দেখা দিয়েছে নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন সংসদের উভয় কক্ষে ভোটের আনুপাতিক (পিআর) হারে নির্বাচন চায়।

বিশেষ করে উচ্চ কক্ষে এই দল দু'টির সাথে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এবি পার্টি, খেলাফত মজলিসসহ অধিকাংশ দল পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়।

এমনকি ভোটের হারে (পিআর) সংসদে সংরক্ষিত ১০০ আসন নির্ণয়ের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন।

কিন্তু গতকাল সোমবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভায় বিএনপি জানিয়েছে, তারা আগের রীতিতেই নিম্নকক্ষের ৩০০ আসনে নির্বাচন চায়। আর উচ্চকক্ষের ১০০ আসন ও ১০০ নারী এমপি নিম্নকক্ষের আসন অনুযায়ী বণ্টন চায়।

এই অবস্থায় গতকাল ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় দফার ১৩তম দিনের আলোচনা সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।

নয়া দিগন্ত
ছবির ক্যাপশান, নয়া দিগন্ত

এতে বলা হয়েছে, দেশে ফ্যাসিবাদী কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল জনপ্রশাসন ও পুলিশের। জনগণের সেবক না হয়ে শাসক হয়ে উঠেছিল সরকারের এ দু'টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।

সরকারি চাকরির শর্ত ভঙ্গ করে অনেক আমলা ও পুলিশ বাহিনীর সদস্য আবির্ভূত হয়েছিলেন রাজনৈতিক কর্মীর ভূমিকায়। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা ছিল সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি প্রতিষ্ঠানে আমূল সংস্কার হবে।

কিন্তু অভ্যুত্থানের এক বছর হতে চললেও গণমানুষের সে প্রত্যাশা অর্জিত হয়নি। উল্টো গত এক বছরে সচিবালয়কেন্দ্রিক ক্ষমতার বলয় আরো শক্তিশালী হয়েছে। আমলাতন্ত্রের ঘেরাটোপে আটকে পড়েছে জনপ্রশাসন সংস্কার কার্যক্রমের উদ্যোগও। পুলিশের পরিস্থিতিও একই।

জনপ্রশাসন ও পুলিশ বাহিনী সংস্কারে গঠিত কমিটির কোনো মৌলিক সুপারিশ এখনও বাস্তবায়ন হয়নি। বরং নির্বাচন ও সংস্কারের নানা ডামাডোলে এ দুটি প্রতিষ্ঠান সংস্কারের মৌলিক দাবি চাপা পড়ে গেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

তারা বলছেন, সংস্কার কার্যক্রম যত বিলম্বিত হবে, জনপ্রশাসন ও পুলিশের ঘুরে দাঁড়ানো বা জনবান্ধব হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াও ততটা পিছিয়ে পড়বে।

বণিক বার্তা
ছবির ক্যাপশান, বণিক বার্তা

'সম্ভাব্য এমপি প্রার্থীদের তথ্য সংগ্রহে মাঠে পুলিশ'— এটি দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম। এখানে বলা হয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যাপারে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।

জানা গেছে, গত সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়েছে এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম। শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সহিংসতামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

দেশের প্রতিটি থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন এমন প্রত্যেক প্রার্থীর ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে।

এই কাজ 'অত্যন্ত জরুরি' উল্লেখ করে পুলিশ সদর দপ্তর সব থানাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনায় যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে প্রার্থীর পেশাগত পরিচয়, রাজনৈতিক ইতিহাস ও ভূমিকা, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রভাব, কোনো উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে থাকার রেকর্ড, বিচারাধীন মামলা বা আগের সাজা, ব্যবসা-বাণিজ্যের ধরন ও আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে যাতায়াত ও সম্পদের বিবরণ।

ইত্তেফাক
ছবির ক্যাপশান, ইত্তেফাক