পত্রিকা: '১১ খলিফার নিয়ন্ত্রণে মির্জা কাদেরের রাজত্ব'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

এতে বলা হয়েছে, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই মির্জা কাদেরের গড়ে তোলা সাম্রাজ্য গত বছরের পাঁচ অগাস্টে অরক্ষিত হয়ে পড়ে।

তবে খুব বেশি সময় লাগেনি, বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা এই স্থান দখল করে নিয়েছেন। আর এবার একক কোনও ব্যক্তি নয়, ১১ জন এসব অপকর্ম নিয়ন্ত্রণ করছেন।

এলাকাবাসী তাদের নাম দিয়েছে ১১ খলিফা।

বিএনপি নেতাকর্মীদের দখল, নৈরাজ্য, লুটপাটের খবর চলে যায় কেন্দ্রে। এরপর এসব অপকর্ম না করতে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। কিন্তু তা তেমন কাজে আসেনি।

উল্টো এতদিন আওয়ামী লীগের দখলে থাকা বাসস্ট্যান্ড, সিএনজিস্ট্যান্ড, বাস মালিক সমিতি, খাস জায়গা, বাজার, ঘাট, বালু উত্তোলনসহ অন্যান্য স্থাপনা একে একে চলে গেছে বিএনপির কব্জায়।

এ ধরনের নানা অভিযোগ ওঠায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি ঘোষণা স্থগিত করে দেয়া হয়।

আজকের পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে গ্যাসের সরবরাহ সংকট মেটাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ১১৫টি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো আমদানির পরিকল্পনা করেছে পেট্রোবাংলা। তাতে ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে প্রায় ৫৮ হাজার কোটি টাকা।

পেট্রোবাংলা বলছে, এতসংখ্যক কার্গো আমদানি করা গেলে এই অর্থবছরে প্রতি মাসে সর্বনিম্ন ৮০০ মিলিয়ন থেকে সর্বোচ্চ ৯৭০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।

অন্যদিকে, স্থানীয় গ্যাস অনুসন্ধান জরিপ এবং কূপ খননে চলতি ও নতুন প্রকল্পে এডিপিতে মোট বরাদ্দ রয়েছে ১ হাজার ১২৯ কোটি টাকা।

এ হিসাবে চলতি অর্থবছরে এলএনজি আমদানিতে ব্যয় স্থানীয় গ্যাস অনুসন্ধান জরিপ ও কূপ খননে বরাদ্দের ৫১ গুণ।

যদিও জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দেশে গভীর কূপ খনন ও দ্বীপ জেলা ভোলায় গ্যাস কূপ খননে আরও ভিন্ন দুটি প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। যেখানে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৫০ কোটি টাকা।

সংশোধিত এডিপিতে এসব হিসাব অন্তর্ভুক্ত হলে অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ আরও বেড়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পেট্রোবাংলা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এলএনজি আমদানি ব্যয় ছিল ৪০ হাজার কোটি টাকার ওপরে। এই সময়ে এলএনজিতে সরকার ভর্তুকি দিয়েছে ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা।

বণিক বার্তা

নির্বাচন না হলে ঝুঁকিতে পড়বে জাতীয় নিরাপত্তা— এটি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজের বক্তব্য। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে প্রথম আলো। সাক্ষাৎকারটিকে প্রধান খবর হিসেবে ছেপেছে দৈনিকটি।

আলী রীয়াজ জুলাই সনদ ও এর সম্ভাব্য বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে।

তার কাছে প্রথম আলো জানতে চেয়েছিল, ১৫ অক্টোবরের মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ প্রণয়ন করতে পারবে কি না? এ নিয়ে আশাবাদী আলী রীয়াজ।

রাজপথের আন্দোলন বা কর্মসূচির কোনও প্রভাব এখন পর্যন্ত ঐকমত্য কমিশনে পড়েনি বলে দাবি আলী রীয়াজের। বাকি যে সময়টা আছে, সেটাতেও পড়বে না বলে আশাবাদী তিনি।

আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও অনিশ্চয়তা দেখেছেন না আলী রীয়াজ।

তিনি মনে করেন, ফেব্রুয়ারিতে অবশ্যই নির্বাচন হওয়া দরকার। নির্বাচন না হলে দেশে যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা অভ্যন্তরীণভাবে তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আছে, সে রকম পরিস্থিতিতে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এটা একধরনের হুমকি তৈরি করতে পারে। একধরনের বিপদ তৈরি করতে পারে।

এটা রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে। সবাইকেই একসঙ্গে আসতে হবে। সরকারকে কঠোর অবস্থান নিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্র করে, সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনটা যেন অবশ্যই অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম আলো

নয়া বাঁকে বিদেশ সম্পর্ক— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, আগামীতে ভোটের মাধ্যমে নতুন যে সরকার আসার সম্ভাবনা আছে, তার বিদেশনীতির অগ্রাধিকারগুলো কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে জানার আগ্রহ দেশের কূটনীতিকদের পাশাপাশি বিদেশি কূটনীতিকদেরও।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, চীন ও পাকিস্তানের কয়েকজন কূটনীতিক দেশ রূপান্তরকে গত সপ্তাহে বলেছেন, ১৬ বছর বাংলাদেশ অনেকটা একপেশে বৈদেশিক সম্পর্ক চালিয়ে গেছে। ভোটের পরবর্তী নতুন সরকারের পাশাপাশি সামরিক ও বেসরকারি প্রভাবশালী মহলগুলোর বৈদেশিক সম্পর্কের অগ্রাধিকারে কী পরিবর্তন হতে পারে, তা বুঝতে তারা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলছেন।

আনুষ্ঠানিক আলাপ ছাড়াও প্রায় প্রতিদিন হঠাৎ ডাকা অনেক বৈঠক হচ্ছে।

কূটনীতিকদের অনেকে মনে করেন, ভোটে জিতে যে দলই নতুন সরকারে আসুক, বৈদেশিক সম্পর্কে ১৬ বছর যে প্রবণতা ছিল, তাতে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে।

স্থানীয় কূটনীতিকরা অবশ্য বলছেন, দলগুলো আগামী নির্বাচন সামনে রেখে যে ইশতেহার দেবে, তা থেকে হয়তো কিছু ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

আর নির্বাচনের পর নতুন সরকারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়, পরর্রাষ্ট্র সচিবসহ বিদেশে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মিশনগুলোয় রাষ্ট্রদূত পদে কী পরিবর্তন আনা হয়, তা থেকেও ইঙ্গিত মিলবে বৈদেশিক সম্পর্ক কোন পথে চলবে।

সরকারে যেই আসুক, ভূরাজনৈতিক ও বাস্তব কারণে বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক ধরনের ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় কূটনীতিকদের বড় একটি অংশ।

দেশ রূপান্তর

আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— গাজায় অন্তর্বর্তী সরকার টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বে!

এই খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি হলে গাজার নিয়ন্ত্রণ প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির (পিএ) হাতে থাকবে না। সেক্ষেত্রে কারা এই অঞ্চলের শাসনভার পেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এতে নাম উঠে এসেছে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের।

বলা হচ্ছে , এমন পরিকল্পনায় সম্মতি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রেরও। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেনও, তিনি অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করতে দেবেন না ।

এদিকে, এমন সময়ে এই খবর আসছে , যখন ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধে ইউরোপের চাপের মুখে রয়েছে ইসরায়েল ও তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র ।

নতুন এই অন্তর্বর্তী সরকারের নাম হবে গাজা ইন্টারন্যাশনাল ট্রানজিশনাল অথরিটি (গিটা)। পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমতায় থাকবে তারা । এর আগে পূর্ব তিমুর ও কসোভোর ক্ষেত্রে এমন সরকার দেখা গেছে ।

প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির হাতে পরে এই শাসনভার তুলে দেয়া হবে।

এই সরকার গঠনের বিষয়ে সব পক্ষ সম্মত হলে টনি ব্লেয়ার ২৫ জনের মন্ত্রিসভা গঠন করবেন । এরপর সাত সদস্যের আরেকটি বোর্ড গঠন করবেন তিনি । ব্লেয়ারসহ এই বোর্ড পুরো গাজা উপত্যকা শাসন করবে ।

তবে টনি ব্লেয়ারের যেকোনো ভূমিকা অনিবার্যভাবে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিতে পারে এমনটা বলা হচ্ছে।

আজকের পত্রিকা

ধানমন্ডিতে গোপন বৈঠকে রাষ্ট্রবিরোধী পরিকল্পনা— নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকার ধানমন্ডিতে মদিন গ্রুপের করপোরেট কার্যালয়ে ব্যবসা পরিচালনার আড়ালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের অনেক বৈঠক হচ্ছে, যেখানে রাষ্ট্রবিরোধী নানা ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা করা হয়।

সাবেক সংসদ সদস্য ও মদিনা গ্রুপের মালিক হাজী সেলিমের পুত্র এরফান সেলিম এই অফিসটি চালাচ্ছেন। যিনি একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

গণঅভ্যুত্থানে পর ভারতে পালিয়ে গেছেন এরফান সেলিম। আর সেখান থেকেই তিনি রাষ্ট্রবিরোধী ভয়ঙ্কর পরিকল্পনায় লিপ্ত হন।

সম্প্রতি রাজধানীর ধানমন্ডি, কলাবাগান, মোহাম্মদপুর, ফার্মগেট ও শ্যামলীসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণের যে ঘটনা ঘটেছে তার সব পরিকল্পনা হচ্ছে ধানমন্ডিতে এরফান সেলিমের পরিচালিত মদিনা গ্রুপের অফিস থেকে।

প্রতি সপ্তাহে দু-একটি মিটিংয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় ওই অফিসে বসেই। এরফান সেলিম ভার্চুয়ালি এসব বৈঠকে যুক্ত হন।

এরফানের নির্দেশে হুন্ডির মাধ্যমে এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি টাকা অর্থায়ন করা হয়েছে ঝটিকা মিছিল ও দেশবিরোধী কার্যক্রমে।

নয়া দিগন্ত

সমকালের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— আ.লীগ, জাপার ৫৭ আসনে বিএনপির বিশেষ নজর

এতে বলা হয়েছে, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে ৫৭ আসন চিহ্নিত করেছে বিএনপি। যেগুলোতে চার নির্বাচনে একবারও জয় পায়নি দলটি।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছে ১৩টি আসন। চট্টগ্রাম বিভাগে দুই, রাজশাহী বিভাগে এক, খুলনা বিভাগে পাঁচ, বরিশাল বিভাগে চার ও রংপুর বিভাগে সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে।

এছাড়া সিলেট বিভাগে ৯ আসন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে তিনটি আসনের বেশির ভাগে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করেছিল। এর বাইরে জাতীয় পার্টিরও কয়েকটি আসন আছে।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এসব আসনের ভোটের চিত্র কী হতে পারে, তা বিশ্লেষণ করছে দলটি।

এ আসনগুলোয় দলের প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূল নেতাদের মতামতকে অগ্রাধিকার দেয়ারও নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিএনপির দলীয় সূত্র জানিয়েছে, পাঁচ দফা মাঠ জরিপ, নেতাকর্মীদের মতামত এবং শীর্ষ নেতৃত্বের বিচার-বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রায় ২০০ আসনের প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজ শেষ পর্যায়ে আছে।

আর দলীয় বিরোধ ও একাধিক শক্ত প্রার্থী থাকা আসনগুলোর নেতাদের মতামত নিচ্ছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা।

আবার ৫০টির মতো আসন ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের জন্য রাখার তথ্যও জানা যাচ্ছে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে।

সমকাল

পর্যটক খরায় অস্তিত্ব সংকটে পর্যটন— কালের কণ্ঠের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

'টেকসই রূপান্তরের জন্য পর্যটন' স্লোগানে আজ শনিবার দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। এই খাতের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, প্রচারণার অভাব এবং সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার ত্রিমুখী চাপে দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত এখন অস্তিত্ব সংকটে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে যাতায়াতের জন্য ভালো রাস্তাঘাট, মানসম্মত হোটেল-মোটেল এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অভাব প্রকট। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার জন্য যে ধরনের পরিকল্পিত প্রচারণা দরকার, তা অনুপস্থিত।

পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরিতেও রয়েছে ঘাটতি। প্রায়ই পর্যটকদের হয়রানির শিকার হওয়ার খবর পাওয়া যায়, যা দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে।

ট্যুর অপারেটররা জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর বিদেশি পর্যটকদের বুকিং ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কমেছে।

বিদেশি অতিথির অভাবে বিবর্ণ হচ্ছে সব আয়োজন।

কালের কণ্ঠ

জাতিসংঘে পুরনো হুমকি নেতানিয়াহুর, অধিকাংশের ওয়াকআউট— সংবাদের প্রধান সংবাদ এটি।

এতে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের শুরুতেই প্রতিবাদ জানিয়ে কয়েক ডজন দেশের প্রতিনিধি অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।

পরিস্থিতি সামলাতে সভার সভাপতি সবাইকে সভাস্থলে শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

ভাষণ চলাকালে হাতে গোনা মাত্র কয়েকজন নেতানিয়াহুর বক্তব্যে হাততালি দেন। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরাই হাততালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানায়।

এদিকে, বক্তৃতায় গতবারের মতোই একই কথা বলেন নেতানিয়াহু; 'ইরান, হামাস ও হুতিদের সন্ত্রাসের অক্ষ' হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।

তার মতে, এই অক্ষ বিশ্বের অশান্তি, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও ইসরায়েলির অস্তিত্ব সংকটের কারণ।

এ সময় তিনি দম্ভভরে বলতে থাকেন, তিনি এই তিনটি শক্তিকেই আঘাত করতে সক্ষম হয়েছেন। হুথিদের হাতুড়িপেটা করেছেন, হামাসের সন্ত্রাসী কাঠামোর একটি বিরাট অংশ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। হিজবুল্লাহকে খোড়া করে দিয়েছেন।

সবচেয়ে বড় কথা ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ভেঙেচুড়ে দিয়েছেন।

সংবাদ

Return stolen assets to the rightful owners— দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম এটি।

বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে দিতে দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে তিনি এই আহ্বান জানান।

'দেশের পাচার হওয়া অবৈধ সম্পদ পুনরুদ্ধার করা বর্তমানে আমাদের অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার' উল্লেখ করে ড. ইউনূস বলেন, 'গত ১৫ বছরে দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি ডলার অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আমরা নিরলসভাবে এই সম্পদ ফেরত আনার চেষ্টা করছি।'

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, 'বিশ্বের বিদ্যমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা উন্নয়নশীল দেশ থেকে সম্পদের এই অবৈধ পাচার কার্যকরীভাবে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিধি বিধানগুলো বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ট্যাক্স হেভেনে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ স্থানান্তরে উৎসাহিত করছে।'

'তাই, যেসব দেশ ও প্রতিষ্ঠান এ পাচার সম্পদ গচ্ছিত রাখবার সুযোগ দিচ্ছে, তাদের আমি আহ্বান জানাচ্ছি, তারা যেন এই অপরাধের শরিক না হয়। এ সম্পদ তার প্রকৃত মালিককে অর্থাৎ কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ করদাতাদের নিকট ফিরিয়ে দিন', বলেন তিনি।

দ্য ডেইলি স্টার