বিদেশিদের তৎপরতা বাড়ছে

বিদেশিদের তৎপরতা বাড়ছে— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের মতামত দিতে শুরু করেছে।
এর আগে ভারত ছাড়া কেউ দ্রুত নির্বাচনের কথা না বললেও এখন প্রায় সব পক্ষই চায় দ্রুত নির্বাচন। বিদেশিরা গত তিনটি সংসদ নির্বাচনের মতো ভোট দেখতে চায় না।
এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক শুরু করেছে। সেসব বৈঠকে তারা এক ধরনের মধ্যস্থতা করছে।
কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এরই মধ্যে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের সমালোচনা শুরু হয়েছে। দিন যত যাবে, নির্বাচনের চাপ তত বাড়তে থাকবে। এটা শুধু রাজনৈতিক দল থেকেই নয়, বিশ্ব সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকেও আসতে থাকবে।
সব পক্ষই মনে করে, সংস্কার ইস্যুতে নির্বাচনে বিলম্ব করার সুযোগ নেই। সংস্কার ও নির্বাচনের প্রস্তুতি একসঙ্গেই এ সরকারকে করতে হবে।
এদিকে, বেলজিয়ামভিত্তিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) অন্তর্বর্তী সরকারের গত পাঁচ মাসের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছে গত বৃহস্পতিবার। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন সরকারের মধুচন্দ্রিমা শেষ। এখন চাপ বাড়ছে অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর।
আইসিজির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখন অন্যতম বড় ইস্যু হলো জাতীয় নির্বাচনের তফসিল।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
রাজনীতি তপ্ত হচ্ছে এ মাসেই— আজ কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম এটি। খবরে বলা হচ্ছে, বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দল গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে রাজনীতির মাঠ বেশ উত্তপ্ত থাকতে পারে।
ছয় মাস আগে ক্ষমতা হারানো আওয়ামী লীগ আজ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ ও নির্বাচনের দাবিতে মধ্য ফেব্রুয়ারিতে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের আরেক বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি।
ঘোষণা না দিলেও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঠেকাতে মাঠে থাকবে জামায়াত।
বিএনপির দিক থেকে আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচি পালনের পক্ষে নয় তারা।
দলটির মনে করেন, দেশের রাজনীতিতে এই মুহূর্তে আওয়ামী লীগের কোনো গুরুত্ব নেই। তাদের ঠেকাতে কর্মসূচি দিয়ে গুরুত্ব বাড়ানোর কোনো মানে হয় না।
দেশের প্রধান তিন রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি গত জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রদের নয়া রাজনৈতিক দল গঠন হওয়ারও কথা রয়েছে এই মাসে।
আওয়ামী লীগের কর্মসূচির বিষয়ে সরকারের বক্তব্যে ওঠে এসেছে, এ নিয়ে সরকার কঠোর থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সে রকম দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
রাজনীতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, চলতি মাসে নতুন দল গঠন করা হলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ হবে। আর আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘিরে বিপক্ষের শক্তিগুলো সক্রিয় হলে রাজপথে উত্তেজনা ছড়াতে পারে।
এছাড়া, বৈষম্যবিরোধীদের রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে তো এরইমধ্যে একধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে।

লকারে চোখ দুদকের— মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের এটি।
এতে বলা হয়েছে, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা কর্মচারীর ব্যাংক হিসাবের তথ্য অনুসন্ধানের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লকারে জমা রাখা অর্থ-সম্পদের ওপর জোর দিচ্ছেন দুদক কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরীর নামে থাকা তিনটি লকার খোলা হয়েছে। যেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সাবেক প্রধান মাসুদ বিশ্বাসের নামে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে থাকা লকার খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে দুদক।
অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলেও লকার খোলার ব্যাপারে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে কাজগুলো সময়সাপেক্ষেরও হয়।
দুদকের একটি সূত্র জানিয়েছে, সিআইডি থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে একটি তদন্ত করা হচ্ছে। দুদক মনে করছে, এসব ব্যক্তিদের লকারও তল্লাশি করলে বিপুল অঙ্কের অর্থসম্পদ বেরিয়ে আসবে।

বিএনপির জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত: আওয়ামী লীগ আমলের অপরাধের বিচার ও দ্রুত নির্বাচনে গুরুত্ব— আজকের পত্রিকার দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করেছে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি। এতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম-খুন, হত্যা, গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধসহ সব ধরনের নির্যাতন-নিপীড়ন এবং লুণ্ঠনের অপরাধের দ্রুত বিচার করার বিষয়ে চাওয়া থাকছে।
ঘোষণাপত্রে দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের ভূমিকার কথাও স্বীকার করা হয়েছে।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এই ঘোষণাপত্র নিয়ে ৩১ দফার মতো শরিক ও সমমনা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নেবে বিএনপি।
বিএনপির তৈরি করা ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃতির পাশাপাশি সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছে জনগণ।

স্বৈরাচারের ৫৭২ দোসর জামিনে মুক্ত— যুগান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ফ্যাসিবাদের দোসরদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে ২২৫টিকে বিশেষ মামলা হিসাবে বিবেচনায় নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
এসব মামলায় অভিযুক্ত অনেকেই গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু আদালত থেকে জামিন পেয়ে যাচ্ছেন তারা। বিশেষ মামলাগুলোর মধ্য থেকে গত ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ৫৭২ জন।
এসব মামলাসংক্রান্ত এক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে; প্রতিবেদনটি পাঠানো হয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায়ে।
পুলিশের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে একপর্যায়ে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাও জামিন পেয়ে যাবেন।
এ নিয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক ফারুকী বলেন, প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমরা প্রতিটি মামলার আসামিদের জামিনের শতভাগ বিরোধিতা করছি। তবে বিষয়টি নির্ভর করে বিচারকের ওপর।
বিভিন্ন জায়গা থেকে তদবিরের কারণেও আসামিরা জামিন পাচ্ছেন বলে জানান সরকারি এ কৌঁসুলি।

আমাদের বাধ্য করা হয়েছে এই জায়গায় আসতে— এটি দুইবার সাফজয়ী নারী ফুটবলার সাবিনা খাতুনের মন্তব্য। দেশের নারী ফুটবলের সংসারে এখন অশান্তির আগুনের খবরে প্রথম আলো তার সাক্ষাৎকার নিয়েছে।
ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলারের অধীনে খেলবেন না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা। ১৮ ফুটবলার ঘোষণা দিয়েছেন, এই কোচ থাকলে থাকলে তারা অবসরে যাবেন। কেন তাদের এমন অবস্থান, এ নিয়েই সংবাদমাধ্যমটির সাথে কথা বলেছেন সাবিনা খাতুন।
সাবিনা খাতুন বলেন, এটা অনেক দিনের ক্ষোভের বিস্ফোরণ। আমরা চেষ্টা করেছি ঘরের মধ্যে সমস্যা সমাধানের। কিন্তু তা হয়নি। এ কারণে মিডিয়ার সামনে সব বলতে হলো। এই জায়গায় আসতে আমাদের বাধ্য করা হয়েছে।
কখন থেকে এই ক্ষোভের শুরু? প্রশ্নের জবাবে সাবিনা খাতুন বলেন, পিটার বাটলার দায়িত্ব নেয়ার পর (গত জুনে) ঢাকায় চায়নিজ তাইপের বিপক্ষে ম্যাচ থেকেই। তারপর ধাপে ধাপে সাফেও। আমরা চার-পাঁচবার ফেডারেশনকে এসব জানাই। কর্মকর্তারা বলেছিলেন, সাফের সময় কোচকে সরালে লোকে তোমাদের গালাগাল দেবে। আমাদের বলা হয়েছিল, কোচ যে যে কাজগুলো করেন, সেটা আর করবেন না। কিন্তু কিছুই বদলায়নি।
কিন্তু কোচ কী এমন করেছেন যে নারী ফুটবলাররা এমন চরম অবস্থানে চলে গেলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে সাবিনার উত্তর— অনেক কিছু। ভাবুন, একটা টিমের কোচকে খেলোয়াড়দের কনভিন্স করতে হচ্ছে... এই টিমটা নামান। এই টিমটা বেটার করবে।
তাদের কঠোর অবস্থানের পর বাফুফে এখন পর্যন্ত কিছু বলেনি বলে জানান এই নারী ফুটবলার।

Air pollution intensifies, অর্থাৎ বায়ুদূষণ তীব্র হচ্ছে— ইংরেজি দৈনিক নিউ এজের প্রধান শিরোনাম এটি।
এতে বলা হচ্ছে, বায়ুদূষণের উৎস নিয়ন্ত্রণে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের অভাবের কারণে ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ আরও তীব্র হয়ে উঠছে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে।
বাতাসের গুণগত মানের পাওয়া তথ্য অনুসারে, ২০১৬ সাল থেকেই (কোভিড-১৯ মহামারিকাল ছাড়া) রাজধানী ঢাকার বায়ু ক্রমাগত খারাপ হয়েছে। কোভিডের সময় চলাচল নিয়ন্ত্রণ করায় বায়ুদূষণ কমেছিল।
বিদায়ী বছরের ঢাকার বাতাসের মান পর্যবেক্ষণের তথ্যে দেখা যায়, এই শহরের বাসিন্দারা ৩৬৬ দিনের মধ্যে ২১৬ দিন অস্বাস্থ্যকর বায়ু অনুভব করেছেন, যা ২০১৬ সালে ছিল ৯২ দিন।
সেন্টার ফর অ্যাটমোসফেরিক পলিউশন স্টাডিজ গত নয় বছরের বায়ুদূষণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে, ২০২৪ সালে ঢাকার বায়ুর মান সূচকে গড় স্কোর ছিল ১৭১; ২০১৬ সালে যা ছিল ১৫০। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা হয় এই স্কোর।
এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে থাকার অর্থ হচ্ছে বাতাস 'অস্বাস্থ্যকর'।

পেশাদার নেতৃত্ব, ঘুষ রোধ ও কার্যকর সংস্কারে জোর— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঘুষ-দুর্নীতি প্রতিরোধে 'গুন্ডা প্রতিরোধ বাহিনী বা অ্যান্টিগুন স্কোয়াড' গঠনের সুপারিশ করেছে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ টাস্কফোর্স।
গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে টাস্কফোর্সের ৫৫০ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তুলে দেয়া হয়।
টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুন্দর আগামী বিনির্মাণে সরকারি কর্মকর্তা ও নাগরিকের মধ্যে অংশীদারিত্বমূলক দায়িত্ব পালনের বন্দোবস্ত দরকার। শক্তিশালী নেতৃত্ব, সঠিক কৌশল ও পরিকল্পনা নেয়া গেলে চ্যালেঞ্জগুলোকে সুযোগে রূপান্তর সম্ভব হবে।
রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের হাত ধরে যে সংস্কার শুরু হয়েছে, তা কার্যকর ও টেকসই করতে তরুণ সমাজকে কাজে লাগানোরও সুপারিশ রয়েছে প্রতিবেদনে। সরকারি প্রতিষ্ঠান কার্যকর করতে দক্ষ ও যোগ্য টেকনোক্র্যাট নিয়োগের মাধ্যমে পেশাদার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার কথাও বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে পরীক্ষামূলকভাবে সরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানে খাতভিত্তিক পৃথক পাঁচটি সংস্কারে উদ্যোগ নিতে বলেছে টাস্কফোর্স। যার মধ্যে রয়েছে পরীক্ষামূলকভাবে একটি মন্ত্রণালয়, হাসপাতাল, গ্রামীণ বিদ্যালয় ও ক্লিনিক বেছে নিয়ে সংস্কার। বিআরটিএ সংস্কারের পাশাপাশি বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুজ্জীবনের মতো উদ্যোগও রয়েছে এ তালিকায়।








