'নাহিদ-আসিফরা পদত্যাগ করলেও সরকারে থাকতে পারেন'

সংবাদপত্র
ছবির ক্যাপশান, আজ প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

এ খবরে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের পর থেকে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের বিষয়টি সামনে এসেছে। ছাত্র আন্দোলনের নেতারা নতুন দল গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছেন।

জাতীয় নাগরিক কমিটির ব্যানারে শিক্ষার্থীরা সংগঠিত হলেও রাজনৈতিক দল হবে ভিন্ন। যেখানে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা নেতৃত্বে থাকবেন।

এ ছাড়া সরকারে থাকা ছাত্রদের প্রতিনিধিরাও থাকতে পারেন। দলের নেতৃত্বে আসার আগেই সরকার থেকে পদত্যাগ করবেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।

তাদের একজন ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসতে পারেন। বর্তমানে সরকারে রয়েছেন ছাত্রদের তিন উপদেষ্টা।

তারা হলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং আইসিটি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

এ তিন জন ধাপে ধাপে সরকার থেকে পদত্যাগ করে দলে যোগ দিলে সরকারে ছাত্রদের অংশীদারত্ব কীভাবে থাকবে সে বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।

ছাত্ররাও বিষয়টি নিয়ে ভাবছেন। এক্ষেত্রে তিন উপদেষ্টা পদত্যাগ করলেও সরকারে ছাত্রদের প্রতিনিধি নিশ্চিত করতে চান তারা।

মানবজমিন
ছবির ক্যাপশান, মানবজমিন
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

'এজেন্সির লোভে টিকিট দুর্মূল্য' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। এ খবরে বিমানের ভাড়া নিয়ে যে নৈরাজ্য হয় তা তুলে ধরা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, অতি মুনাফালোভী কিছু ট্রাভেল এজেন্টের লোভের মাশুল গুনছে প্রবাসীসহ সাধারণ বিমান যাত্রীরা।

এই চক্রের সিন্ডিকেটের কবজায় বিমানের টিকেট বাণিজ্য। তারা এয়ারলাইনসগুলোর টিকেট আগাম ব্লক করে নিজেদের জিম্মায় রেখে পরে ইচ্ছামতো দাম বাড়াচ্ছে। ফলে বিদেশগামী বিমানের যাত্রীদের স্বাভাবিক ভাড়ার তিন গুণ পর্যন্ত বেশি টাকা দিয়ে টিকেট কিনতে হচ্ছে।

যাত্রী, কর্মী ও ট্রাভেল এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সংবাদটিতে।

জানা যায়, ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার টিকেট তাদের সিন্ডিকেটের কারণে কিনতে হচ্ছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

মধ্যপ্রাচ্যের এয়ারলাইনস ব্যবসায়ী ও দেশীয় কিছু ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে প্রভাবশালী এক সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে।

তারা বিভিন্ন এজেন্সির চাহিদা না থাকা সত্ত্বেও যাত্রীদের কোনো প্রকার পাসপোর্ট, ভিসা ও ভ্রমণ নথিপত্র ছাড়াই শুধু ই-মেইলের মাধ্যমে কিছু এয়ারলাইনসের বিভিন্ন রুটের গ্রুপ সিট বুকিং করে থাকে।

কালের কণ্ঠ
ছবির ক্যাপশান, কালের কণ্ঠ

'এলএনজিতেই ভর্তুকি ১৬ হাজার কোটি টাকা' নয়াদিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকে শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদনের মাধ্যমে লাখ লাখ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

কিন্তু চাহিদার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বিলাসী বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোর জন্য যে জ্বালানির প্রয়োজন হবে তা নিশ্চিত করা হয়নি।

এ কারণে উচ্চ দরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করতে হচ্ছে। এ দিকে গ্যাসের মজুদ ফুরিয়ে আসছে।

বর্তমানে চাহিদার ২৫ শতাংশ এলএনজি আমদানি করতেই ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। বছরে ভর্তুকি দিতে হবে ১৬ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

চাহিদার অর্ধেক এলএনজি আমদানি করতে দেশে বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনি পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সরকার জ্বালানি নিয়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় এলএনজি মজুদের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। দাম কম থাকার সময় বিপুল পরিমাণ এলএনজি আমদানি করে মজুদ করা হবে।

প্রাথমিক জ্বালানি নিশ্চিত করতে ১০০ গ্যাস কূপ খনন করা হবে। পাশাপাশি সাগরে গ্যাস ব্লকগুলোতে গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা হবে। সরকারের এমন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

নয়াদিগন্ত
ছবির ক্যাপশান, নয়াদিগন্ত

এ খবরে বলা হয়েছে, গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৮ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

এই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। তবে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা গেছে ৩৪ জনকে।

গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যা ও গণহত্যা এবং আওয়ামী লীগের বিগত সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে গুম-খুনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে এ পর্যন্ত ৩০০টির মতো অভিযোগ এসেছে।

এসব অভিযোগ যাচাই–বাছাই করে ট্রাইব্যুনালে ১৬টি মামলা হয়েছে। এই মামলাগুলোতে আসামির সংখ্যা ১০৮।

তবে একটি মামলারও তদন্ত প্রতিবেদন এখনও ট্রাইব্যুনালে জমা হয়নি। এই ১৬ মামলা এখন প্রাক-বিচার পর্যায়ে রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করলে এসব মামলায় আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হবে।

গণ-অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের প্রায় আড়াই মাস পর ১৪ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

গণ-অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত গুম, খুন, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে এই ট্রাইব্যুনালে।

যদিও এই ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য।

প্রথম আলো
ছবির ক্যাপশান, প্রথম আলো

দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে নিম্ন আয়ের মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দিতে ভর্তুকি মূল্যে খাদ্য বিতরণ বাড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও অর্থের অভাবে তা সম্ভব হচ্ছে না।

এর কারণ সরকারের রাজস্ব আয় কমে গেছে। সামগ্রিক আয় ও ব্যয়ের মধ্যে বড় ঘাটতি রয়েছে। ঋণ পরিশোধে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা বাড়ানো প্রয়োজন।

এ জন্যই খাদ্য মন্ত্রণালয় এ খাতে ভর্তুকি বাবদ বাড়তি অর্থ বরাদ্দ চেয়েছে।

কিন্তু বর্তমানে সরকারের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি অন্য যে কোনো বছরের তুলনায় বেশি। এসব ক্ষেত্রে বাড়তি অর্থের তেমন সংস্থান করা যাচ্ছে না।

খাদ্য সহায়তার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেয়ার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় রেখেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এ কারণে বেশ কিছুদিন বন্ধ বা আংশিক চালু থাকার পর সামাজিক সুরক্ষার আওতায় কয়েকটি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীর তালিকা হালনাগাদ করে ফের চালু করা হচ্ছে।

সমকাল
ছবির ক্যাপশান, সমকাল

'বাজার থেকে আবার উধাও সয়াবিন তেল' দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার শিরোনাম।

খবরটিতে বলা হয়েছে, বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্য তেল সয়াবিন, পাম অয়েলের বাজার স্থিতিশীল।

দেশেও যে পরিমাণে সয়াবিন, পাম অয়েল আমদানির পাশাপাশি পাইপ লাইনে রয়েছে তাতে আসন্ন রমজানে সংকট হওয়ার কথা নয়।

কিন্তু রমজানের এক মাস আগেই ব্যবসায়ীরা সয়াবিন তেলের দাম বাড়ানের সেই পুরোনো পথে হাঁটছেন।

সরকারের বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের তথ্য বলছে, গত এক সপ্তাহে বাজারে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। শুধু তাই নয় খুচরা বাজারে চাহিদামতো বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

বিশেষ করে এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের ক্ষেত্রে এই অবস্থা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, তারা চাহিদামতো বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ পাচ্ছেন না। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

দৈনিক ইত্তেফাক
ছবির ক্যাপশান, দৈনিক ইত্তেফাক

দুটি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমনের উৎপাদন। বোরোয় এ ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার প্রত্যাশা করছিলেন সংশ্লিষ্টরা।

এজন্য কৃষি খাতে সহজ শর্তে সুলভ ঋণের প্রবাহ বাড়ানোর ওপর জোর দেয়া হচ্ছিল বেশি।

যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বোরো মৌসুমের আগে দেশের কৃষি খাতে ঋণের প্রবাহ হ্রাস পেয়েছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) দেশের কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ কমেছে ১৪ শতাংশের বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর পর্যন্ত ঋণ বিতরণ করতে পেরেছে ১৩ হাজার ৮১ কোটি টাকা।

যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে কৃষি খাতে মোট ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ২৮০ কোটি ১২ লাখ টাকা।

এ অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ কমেছে ১৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

বণিক বার্তা
ছবির ক্যাপশান, বণিক বার্তা

'ফিরবে পাচারের অর্থ' যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম।

এ খবরে দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ ফেরতে তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হচ্ছে বলে তুলে ধরা হয়েছে।

গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ আমলে পাচার করা অর্থ ফিরিয়ে আনতে সরকার এবার তিনটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও সুইজারল্যান্ডের পৃথক এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিগগির এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় অফিশিয়াল প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে। এ সংক্রান্ত নথি বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।

চুক্তি সম্পন্ন হলে উদ্ধারকৃত অর্থের ১০ ভাগ কমিশন হিসেবে পাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক সফলতার নজির রয়েছে।

বিশ্বজুড়ে রয়েছে তাদের শাখা অফিসের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।

অর্থনীতি বিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে এক হাজার ৬০০ কোটি ডলার করে পাচার হয়েছে।

এ হিসেবে দেশ থেকে ১৫ বছরে পাচার হয়েছে ২৮ লাখ কোটি টাকা।

যেসব প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সি নিয়োগ দেয়া হচ্ছে তাদের পাচার করা অর্থ উদ্ধারে তথ্যের অনুসন্ধান, অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া, সংশ্লিষ্ট দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা এবং প্রয়োজনে আইনি লড়াই করার মতো সব ধরনের সামর্থ্য রয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুগান্তর
ছবির ক্যাপশান, যুগান্তর

'Compensation caught up in red tape' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার এ শিরোনামের অর্থ লাল ফিতায় আটকে গেছে গণ-অভ্যুত্থানের আহতদের ক্ষতিপূরণ।

পঙ্গু ও অন্ধ হয়ে যাওয়া জুলাইয়ের অনেক বিক্ষোভকারীকে এখনও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই শহীদদের পরিবারের জন্য পাঁচ লাখ টাকা এবং আহতদের জন্য এক লাখ টাকা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।

যা এখন সম্পূর্ণ আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে আটকে আছে।

আবেদনপত্রে বিসিএস ডাক্তার বা হাসপাতাল পরিচালকের কাছ থেকে নথিপত্রে সিল নেয়ার মাধ্যমে অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

এই ফর্মের সাথে হাসপাতালের টিকেট বা এমবিবিএস ডাক্তারের সিল সংবলিত ডিসচার্জ সার্টিফিকেট থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় অভ্যুত্থানের সময় তার চিকিৎসা করা হয়েছিল।

অর্থ দেয়ার জন্য রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে সংযুক্ত একটি বিকাশ নম্বর প্রয়োজন।

যদি তা না পাওয়া যায়, তবে বাবা-মায়ের বিকাশ নম্বরই যথেষ্ট, তবে সেটি সংশ্লিষ্ট ডাক্তারকে যাচাই করে দিতে হবে। আবেদনপত্রে আঘাত বা আহত স্থানের ছবিও থাকতে হবে।

দ্য ডেইলি স্টার
ছবির ক্যাপশান, দ্য ডেইলি স্টার

'Younus seeks Canada's help to recover laundered money' ঢাকা ট্রিবিউনের এ শিরোনামে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে কানাডার সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার একনায়কতন্ত্রের সাথে যুক্ত অভিজাত, বন্ধু এবং রাজনীতিবিদরা বাংলাদেশ থেকে শত শত বিলিয়ন ডলার চুরি করেছে এবং এর একটি অংশ উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডায় পাচার করা হয়েছে।

পাচারকৃত অর্থ দিয়েই টরন্টোর কুখ্যাত 'বেগম পাড়া' য় সম্পদ কেনা হয়েছে।

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কানাডিয়ান হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সাথে সাক্ষাতের সময় প্রধান উপদেষ্টা সম্পদ সনাক্তকরণ, জব্দকরণ এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা চেয়েছেন।

"তারা আমাদের জনগণের টাকা চুরি করেছে এবং বেগম পাড়ায় সম্পদ কিনেছে। সম্পদ পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের আপনার সাহায্যের প্রয়োজন। এটি আমাদের জনগণের টাকা" বলেন অধ্যাপক ইউনূস।

এ সময় কানাডার রাষ্ট্রদূত চুরি যাওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার জন্য অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

ঢাকা ট্রিবিউন
ছবির ক্যাপশান, ঢাকা ট্রিবিউন