আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে উন্মাদনা, পুলিশের চোখে স্প্রে ও কাগজের সঙ্কট- পাঠক শ্রোতার প্রশ্ন
- Author, মানসী বড়ুয়া
- Role, বিবিসি নিউজ বাংলা
- Published
কাতারে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২। আর ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে ফুটবল নিয়ে উন্মাদনা। ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে চলতি সপ্তাহে লিখেছেন বেশ কয়েকজন শ্রোতা।
এ বিষয়ে আজকের প্রথম চিঠি লিখেছেন ছত্রাজিতপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ থেকে সামিরা সুলতানা লিজা:
“এই বিশ্বকাপ খেলার বিশ্লেষণ খেলা শুরুর আগে থেকেই পাচ্ছি। বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে আপডেট সংবাদ, সংবাদ বিশ্লেষণ, মতামত বিবিসি বাংলায় পেতে শুরু করেছি। তবে খুব অল্প পরিমাণে। আশা করছি এই সংবাদ পরিবেশনে বিবিসি বাংলা বেশি বেশি সংবাদ, খেলার উপর বিশ্লেষণ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত প্রকাশ করবে এবং ডিজিটাল প্লাটফর্মের পাশাপাশি নিয়মিত রেডিওতে প্রচার করবে। খেলার উপভোগ্য উন্মাদনা আর বিবিসি বাংলার পরিবেশনা শ্রোতাদের মাতিয়ে রাখবে।”
হয়ত আপনি ইতোমধ্যেই খেয়াল করেছেন বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে আমাদের প্রত্যেকটি প্ল্যাটফর্মেই আমরা নানা ধরনের সংবাদ পরিবেশন করছি। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং রেডিওতে আমরা খেলার তরতাজা খবর, বিশ্লেষণ ও বিশ্বকাপ সংক্রান্ত আগ্রহজনক নানা খবর দিচ্ছি। রেডিওতে দুটি অধিবেশনেই থাকছে বিশ্বকাপের সবশেষ আপডেট। আশা করি শুনছেন এবং পড়ছেনও।
বিশ্বকাপ ফুটবলের বিশ্লেষণ নিয়ে ছোট একটি প্রশ্ন করেছেন মৌকরন পটুয়াখালী থেকে শাহিন তালুকদার:
“চলমান বিশ্বকাপে মিহির বোস, বোরিয়া মজুমদারের মত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে নিয়মিত ও ধারাবাহিক কোন চমৎকার বিশ্লেষণ অতীতের মত শুনতে পাব কি?”
বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো নিয়ে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের নিয়মিত ও ধারাবাহিক বিশ্লেষণ অবশ্যই শুনতে পাবেন। যেমন বুধবারই হয়ত শুনে থাকবেন মিহির বোসের বিশ্লেষণ। তবে এবারে আমরা অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণও আপনাদের কাছে তুলে ধরব। আশা করি তাদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণও আপনার ভাল লাগবে।
ফেসবুক ব্যানারে বিশ্বকাপ
তবে বিবিসি বাংলার এত আয়োজনের মাঝেও ঘাটতি দেখছেন পার্বতীপুর, দিনাজপুরের মেনহাজুল ইসলাম তারেক:
“গত দুটি বড় ক্রীড়া আসর - এশিয়া কাপ ও টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপে বিবিসি বাংলা'র ফেসবুক পেজের কভার ফটোতে দেখেছি, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অধিনায়কদের ছবি। কিন্তু এবার বিশ্বকাপ ফুটবলের মত এত বড় ক্রীড়া আসরেও সেই কভার ফটোতে অধিনায়কদের ছবিগুলো যুক্ত করা হয়নি! এখানে আমার প্রশ্ন- বিবিসি কি তাহলে ফুটবলের চাইতে ক্রিকেটকে বেশি প্রাধান্য দেয় নাকি অন্যকিছু?
“পরিশেষে আমার প্রস্তাব হলো- যদি ৩২ দলের অধিনায়কদের ছবি আপনাদের কাছে থেকে থাকে তাহলে অতি দ্রুত যুক্ত করার অনুরোধ করছি।”
ফেসুবকের ব্যানারে ৩২টি অংশগ্রহণকারী দলের অধিনায়কের ছবি যোগ না করার অর্থ এই নয় যে ফুটবলকে আমরা ক্রিকেটের থেকে কম গুরুত্ব দিচ্ছি। সবচেয়ে বড় কথা হল আমাদের রেডিও এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশ্বকাপ ফুটবলের খবরাখবর প্রচার করার ক্ষেত্রে আপনি কোন ঘাটতি দেখছেন কিনা। আপনাদের কাছে গুরুত্ব সহকারে এই বিশ্বকাপ আয়োজনের যাবতীয় খবর পৌঁছে দেওয়াটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ফেসবুকের ব্যানারে অধিনায়ক বা খেলোয়াড়দের ছবি সংযোজন একটা আনুষঙ্গিক আয়োজন, যেটা এবারে করা হয়নি।
মঙ্গলবার গ্রুপ সি-র প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনার হার কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি পীরগাছা, রংপুরের মোহাম্মদ সুমন আকন্দ:
“গত ২২শে নভেম্বর কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা ও সৌদি আরবের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয় আর সেই খেলায় আর্জেন্টিনা ১-২ গোলে পরাজিত হয়। খেলায় এমনটি হতেই পারে। খেলায় হারজিত থাকবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু বিবিসি বাংলার মতো আন্তর্জাতিক মানের গণমাধ্যমে কিভাবে এমন সংবাদ প্রচারিত হয়- আমি তা চিন্তাও করতে পারি না।
"সৌদি আরবের কাছে পরাজিত হয়েছে মেনে নিলাম। তাই বলে কি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ আসর থেকে ছিটকে পড়লো? অনুরোধ করবো বিবিসি বাংলাকে এমন সংবাদ প্রচার করবেন না- যা শুনলে মন ভেঙে যায়।”
মি. আকন্দ আপনি যে আপনার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হেরে যাওয়ায় দারুণ মনোকষ্ট পেয়েছেন তা পরিষ্কার বুঝতে পারছি। কিন্তু আপনিই যেমনটা লিখেছেন খেলায় হারজিত থাকবে সেটাই স্বাভাবিক – এক দল হারবে আরেক দল জিতবে বা দু দলের মধ্যে খেলা ড্র হবে। কিন্তু কোন একটি দল কারো প্রিয় বলে সেই দলের হেরে যাবার খবর আমরা প্রচার করব না?
কোন না কোন দল কারো না কারো প্রিয় – যেমন আপনি আর্জেন্টিনার ভক্ত, তেমনি কেউ ব্রাজিলের ভক্ত কেউ জার্মানিকে পছন্দ করেন কেউ আবার অস্ট্রেলিয়ার ফ্যান। তাহলে আপনার যুক্তি অনুযায়ী তো কোন খেলার খবরই প্রচার করা যাবে না। তাছাড়া আমরা কিন্তু কখনই বলিনি যে সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনা হেরেছে বলে তারা বিশ্বকাপের আসর থেকে ছিটকে গেছে।
'অঘটন' কেন?
বিশ্বকাপ নিয়ে ছোট আরেকটি প্রশ্ন দিয়ে আজ এই প্রসঙ্গের ইতি টানব। প্রশ্নটি করেছেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গাজী মোমিন উদ্দীন:
“বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে কথার শেষ নেই। যখন জনপ্রিয় কোন দল হেরে যায়, বলা হয় ‘অঘটন’। কেন?”
আমরা সবাই জানি অঘটনের আভিধানিক অর্থ হল – অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটা – অর্থাৎ যেটা ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছিল না, অথচ ঘটে গেল -সেটাই অঘটন। ফুটবলে কোন কোন দল জনপ্রিয়তার মাপকাঠিতে বলব না- বলব পারফরমেন্সের নিরীখে এতটাই সুদক্ষ ও তুখোড় যে একটা প্রত্যাশা থাকে ম্যাচে তারাই জিতবে। সেখানে তুলনামূলকভাবে কম পটু দলের কাছে তারা যখন হেরে যায়, সেটা যে কারণেই হোক – তখন সেটা অপ্রত্যাশিত বলেই অঘটন বলা হয়ে থাকে।
কপ সম্মেলন- হতাশা আর অপ্রাপ্তির বার্তা?
মিশরের শারম-আল-শেখে ২৭তম জলবায়ু সম্মেলন শেষ হয়েছে গত রবিবার। যদিও কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখতে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদন ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, কিন্তু এ ব্যাপারে কোন সমঝোতা ছাড়াই সম্মেলন শেষ হয়েছে। এ প্রসঙ্গে লিখেছেন আযম খান কর্মাস কলেজ, খুলনা থেকে তন্ময় কুমার পাল:
“গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা আলোচনায় কোন দেশই তাপমাত্রা এবং জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার হ্রাস নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। তবে আশার কথা হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত উন্নয়শীল দেশগুলোর জন্য লস এন্ড ড্যামেজ ফান্ড গঠন করতে ১৯৮টি দেশ সম্মত হয়েছে, কিন্তু কখন কীভাবে ফান্ডের জন্য অর্থায়ন হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো কীভাবে সহায়তা পাবে সে ব্যাপারে কোন কিছু নিশ্চিত হয়নি।
“২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি, গত বছর গ্লাসগো কপ-২৬ সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তের বেশিরভাগই বাস্তবতার মুখ দেখেনি। আমার প্রশ্ন, বর্তমান বিশ্বনেতাদের কি কোন দায়বদ্ধতা নেই ভবিষ্যৎ পৃর্থিবীর প্রতি? বর্তমান পৃর্থিবীকে সুন্দর এবং বাসযোগ্যভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে দেওয়া কি আমাদের দায়িত্ব নয়? নাকি প্রতিটি কপ সন্মেলন আগামী দিনের হতাশা আর অপ্রাপ্তির বার্তা দিয়ে শেষ হবে?”
আপনি ঠিকই বলেছেন মি. পাল। প্রতিটি জলবায়ু সম্মেলন অনেক আশা নিয়ে শুরু হয়, কিন্তু সম্মেলন শেষে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন হয় না। পরিবেশবিদরা সবসময়ই অভিযোগ করেন ধনী দেশগুলো তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর ব্যাপারে আন্তরিক নয়, ফলে কথা অনেক হয়, কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায় না। উন্নত দেশগুলো পর্যাপ্ত ছাড় দিতে রাজি হয় না আর সে কারণেই প্রত্যেক কপ সম্মেলনের পর হতাশার একটা সুর আমরা শুনি। তবে এবারে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে সহায়তার জন্য তহবিল গঠনের ব্যাপারে যে মতৈক্য হয়েছে সেটার বাস্তবায়ন যদি হয়, সেটাও ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।
আর বর্তমান পৃথিবীকে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য রাখা রাজনীতিকদের তো বটেই একইসঙ্গে আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্ব। তবে এই সম্মেলনগুলোর সুবাদে জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাবের বিষয়টা যে অন্তত সামনে আসছে এবং মতৈক্য না হলেও বিষয়টা নিয়ে যে আলোচনা বিতর্ক হচ্ছে তার থেকে ভবিষ্যতে যদি কিছুটা সুফল আসে সেটুকুই আশা।
পুলিশের চোখে স্প্রে
রবিবার ঢাকার একটি আদালত চত্বরে পুলিশের চোখে স্প্রে করে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন আসামীর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা নিয়ে আলোড়ন চলছে। এ নিয়ে দাকোপ খুলনা থেকে লিখেছেন মুকুল সরদার:
“পুলিশ হেফাজত থেকে আসামিদের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম- তেমনটা নয়। বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, গত এক বছরে পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে গেছে পনেরো জন আসামি। এসব ঘটনা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়। পুলিশ হেফাজত থেকে বারবার আসামি পালিয়ে যাবার পরও কেন পুলিশ বাহিনী সতর্ক হচ্ছে না? তাহলে কি এটি ধরে নেওয়া যেতে পারে, পুলিশের পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্ব বোধের ঘাটতি রয়েছে, নাকি আসামীরা পুলিশের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে অথবা পুলিশকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে এভাবে পালিয়ে যাচ্ছে?”
লেখক অভিজিৎ রায় ও প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা পালানোর পর ইতোমধ্যে পুলিশের ৫জন সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পুলিশের একজন মুখপাত্র দায়িত্বরত পুলিশের চরম গাফিলতি এবং পেশাদারিত্বের অভাবের কথা বলেছেন এবং এধরনের আসামীকে আদালতে নেয়ার সময় যে ধরনের নিরাপত্তা সতর্কতা নেয়ার কথা তা নেওয়া হয়নি বলেও জানিয়েছেন। অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ গাফিলতির কথা স্বীকার করছেন, কিন্তু বিষয়টি কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হচ্ছে এবং প্রতিকারের জন্য কী উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে সেটাই মূল কথা।
একই বিষয় নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন পীরগাছা, কান্দী-নিজপাড়া রংপুর থেকে মোহাম্মদ মিলন খন্দকার খালেক:
“দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও কিছু নেতিবাচক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যেমন, এটা কি আইনশৃংখলা বাহিনীর অবনতি, নাকি গাফিলতি? নাকি এটাও তাদের ভাষায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা?”
গাফিলতি যে কোথাও ছিল সে বিষয়ে তো কোন সন্দেহ নেই। এখন বিষয়টা হচ্ছে সেই গাফিলতিটা কার এবং কীভাবে তা হল সেটা খতিয়ে দেখে ভবিষ্যতে যাতে এধরনের ঘটনা আবার না ঘটে সেটা নিশ্চিত করাই হবে কর্তৃপক্ষের মূল কাজ।
কাগজ সঙ্কট- আসল দায় কার?
একের পর এক সঙ্কটে উদ্বিগ্ন ছোট জামবাড়িয়া ভোলাহাট চাঁপাইনবাবগঞ্জের মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা:
“সংকট সংকট সংকট। যেদিকে তাকাই সেদিকেই সংকট আর সংকট। যেমন- ডলার সংকট, জ্বালানি সংকট, গ্যাস সংকট, বিদ্যুৎ সংকটসহ আরও নানাবিধ সংকটের সাথে এবার যুক্ত হলো কাগজের সংকট। গত আগস্ট মাস থেকেই বাজারে কাগজের সংকট শুরু হয়েছে। এখন শোনা যাচ্ছে এ সংকট গুরুতর অবস্থায় গিয়ে পৌঁছেছে।
“এমতাবস্থায় বর্তমানে প্রকাশনা শিল্প গুরুতর একটা সংকটে পড়েছে। প্রতি বছর জানুয়ারির ১ তারিখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে 'বই উৎসব' নামে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। আগামী বছর বই উৎসবে শতভাগ শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ করা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আমাদের দেশে এত সব সংকটের মূলে আসল দায় কার?”
বাংলাদেশে ডলার সংকটের প্রভাব অন্য অনেক খাতের মত মুদ্রণ শিল্পের ওপরেও পড়েছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাগজ কারখানাগুলোয় যে কাঁচামাল ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ কাগজের পাল্প তা আমদানির ক্ষেত্রে সঙ্কট দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে গত দুবছর করোনাভাইরাসের কারণে স্কুলকলেজ বন্ধ থাকায় দেশীয় উৎস থেকে রিসাইকেল করার মত যথেষ্ট কাগজও পাওয়া যাচ্ছে না বলে প্রকাশকরা বলছেন। ফলে চাহিদা অনুযায়ী কাগজ তৈরি হচ্ছে না।
কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুত সঙ্কটও উৎপাদনের ওপর প্রভাব ফেলছে। প্রকাশকরা বলছেন দ্রুত কাগজ উৎপাদন বা আমদানি করা না গেলে একটা ভয়াবহ সঙ্কটে পড়তে হবে এবং আপনি যেমনটা বললেন হয়ত পাঠ্যপুস্তক প্রকাশেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।
আপনাদের মতামত ও প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।