আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
‘মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগে তোলপাড় সর্বত্র’
‘মার্কিন ভিসা নীতি প্রয়োগে তোলপাড় সর্বত্র' – এটি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম। এ খবরে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।
এ খবরে বলা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ শুরু করায় তোলপাড় শুরু হয়েছে সর্বত্র। অভিজ্ঞ মহলের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ভিসা নীতির আলোচনা ছিল।আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, ভিসা নীতির ফলে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, তারা নির্বাচন প্রতিহত করার লক্ষ্যে সহিংসতা চালালে ভিসা নিষেধাজ্ঞায় পড়বেন। অপরদিকে, বিএনপি নেতারা মনে করেন, ভিসা নীতির কারণে ক্ষমতাসীনরা চাপে পড়বে।
দৈনিক সমকালে এ সম্পর্কিত খবরের শিরোনাম হলো-‘প্রশ্ন অনেক, উত্তর খুঁজছে সবাই’, খবরে বলা হচ্ছে, নিষেধাজ্ঞার খবর প্রকাশের পর বিভিন্ন পর্যায়ে নানা ধরণের বিশ্লেষণ চলছে। কারা কারা এ তালিকায় আছেন কিংবা কোন সুনির্দিষ্ট কারণ আছে কি-না বা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরতদের পরিবারের সদস্যদের কী হবে বা আরও নিষেধাজ্ঞা আসবে কি-না এ নিয়েই চলছে আলোচনা।
ভিসা নীতি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান উইলসন সেন্টারের দক্ষিণ এশিয়া ইন্সটিটিউটের পরিচালক মাইকেল কুগেলম্যানের একটি প্রতিক্রিয়া নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে দৈনিক কালের কণ্ঠ। মি. কুগেলম্যান সামাজিক মাধ্যম এক্স -এ প্রতিক্রিয়াটি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন ভিসা বিধি-নিষেধ বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারবে কি-না তা নিয়ে তার সন্দেহ আছে।
“বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিজাতদের মধ্যে অনেকের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে আছে। তবে ক্ষমতাসীন দল শেষ পর্যন্ত যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় থাকতে চায়, সেক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি জোরালো প্রতিবন্ধকতা হবে কি-না আমি নিশ্চিত নই,” বলেছেন তিনি।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
ভিসা নীতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
ভিসা নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিক্রিয়াও সব পত্রিকায় গুরুত্ব পেয়েছে। ইত্তেফাক এসম্পর্কিত খবরের শিরোনাম করেছে ‘ বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র হলে বাংলাদেশের জনগণও স্যাংশন দেবে’। খবর অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে একথা বলেছেন।
মানবজমিন এ বিষয়ক খবরের শিরোনাম করেছে ‘শুধু আওয়ামী লীগকে টার্গেট করলে বলার কিছু নেই’।
এতে বলা হয় যে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ‘কে স্যাংশন দিলো, কাকে দিলো তাতে কিছু যায় আসে না। নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দিবে সেই ক্ষমতায় আসবে। বাংলাদেশের জনগণ এখন ভোটের অধিকার সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। ভিসা নিষেধাজ্ঞায় ভয় পাওয়া বা ঘাবড়ানোর কিছু নেই’।
মানবজমিনসহ বিভিন্ন পত্রিকার খবর অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আত্মীয়-স্বজন থাকলেও কী করবে। ঠিক আছে, আমার ছেলে তো এখানেই (আমেরিকা) আছে। সেতো এখানে পড়াশোনাও করেছে, ব্যবসা-বাণিজ্যও করছে। বিয়ে করেছে। তার মেয়ে আছে। সবই আছে তার। সম্পত্তি, বাড়িঘর সবই তার আছে। যদি বাতিল করে করবে। তাতে কিছু আসে যায় না। আমাদেরতো বাংলাদেশ আছে'।
রাশিয়ার বন্ধু তালিকায় বাংলাদেশ
এছাড়া বাংলাদেশ রাশিয়ার একটি বন্ধু তালিকায় জায়গা পেয়েছে- এমন একটি খবরও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
দৈনিক নয়াদিগন্তে এ সম্পর্কিত খবরের শিরোনাম হলো ‘রাশিয়ার বন্ধু দেশের তালিকায় বাংলাদেশ’।
এতে বলা হয়েছে ৩০টিরও বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ ও নিরপেক্ষ দেশ, ব্যাংক এবং ব্রোকারের একটি তালিকা অনুমোদন করেছে রাশিয়া সরকার। তালিকায় থাকা দেশগুলোকে রাশিয়ান মুদ্রা বাজার এবং ডেরিভেটিভস বাজারে বাণিজ্য করার অনুমতি দেবে মস্কো। এ তালিকায় নাম রয়েছে বাংলাদেশের।
ঢাকায় রাশিয়ান দূতাবাস সামাজিক মাধ্যমে এ সম্পর্কে একটি বিবৃতি দিয়েছে।
মূলত তার সূত্র ধরেই সবগুলো পত্রিকাটি এ খবরটি প্রকাশ করেছে।
কর্ণফুলী দখল, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা
এর বাইরে প্রথম আলোর আরেকটি খবরের শিরোনাম হলো ‘কর্ণফুলী দখল করে তৈরি হচ্ছে ‘ড্রাই ডক’। এতে মূলত চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদী দখল করে কীভাবে ড্রাই ডক করা হচ্ছে সে সম্পর্কিত তথ্য দেয়া হয়েছে।
খবরটিতে বলা হয়েছে কর্ণফুলী নদী দখল করে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় তৈরি হচ্ছে ব্যক্তিমালিকানাধীন ‘ড্রাই ডক’। এতে নদী সংকুচিত হচ্ছে। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন বলছে, নদীসংক্রান্ত আইন ও হাইকোর্টের রায় লঙ্ঘন করে এই স্থাপনা তৈরি হচ্ছে। এখনই সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ করা দরকার।
ড্রাই ডক হচ্ছে বড় বড় জাহাজ বা নৌযান তৈরি, সংস্কার বা রং করার জন্য শুকনা কোনও স্থান। কর্ণফুলী ড্রাই ডক লিমিটেডের মালিক আবদুর রশিদ। ইঞ্জিনিয়ার রশিদ নামে ব্যবসায়ী মহলে তিনি পরিচিত। কর্ণফুলী নদীর বাম তীরে আনোয়ারা উপজেলার বদলপুরা মৌজায়, সাগরের মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার উজানে এই ড্রাই ডক তৈরি হচ্ছে।
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিয়ে আজ প্রথম পাতায় বড় করে সংবাদ প্রকাশ করেছে দ্যা ডেইলি স্টার। Chattogram city condemned to waterlogging শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদে শহরের জলাবদ্ধতার কারণগুলো বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। এ খবর অনুযায়ী পাহাড় কাটা, খালগুলো উধাও হয়ে যাওয়া, জলাধার ভরাট করাসহ নানা কারণে শহরটিতে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
পুরো ঋন শোধ করলো শ্রীলংকা
বাংলাদেশ থেকে নেয়া ঋণ পুরোটাই শোধ করল শ্রীলংকা- এমন শিরোনামে খবর প্রকাশ করেছে বণিক বার্তাসহ প্রায় সব পত্রিকায়।
বাংলাদেশ থেকে নেয়া ঋণ পুরোটাই শোধ করল শ্রীলংকা- শিরোনামে বণিক বার্তার খবরে বলা হয়েছে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ধার করা পুরো ঋণই শোধ করে দিয়েছে শ্রীলংকা।
দুই বছর আগে মুদ্রা বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কাছ থেকে নেয়া ২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণের পুরোটাই পরিশোধ করল দেশটি। গত বৃহস্পতিবার রাতেই তারা ঋণের শেষ কিস্তি শোধ করেছে। একই সঙ্গে ঋণের সমুদয় সুদও পরিশোধ করেছে।
শ্রীলংকা শেষ কিস্তির ৫০ মিলিয়ন বা ৫ কোটি ডলার ও ঋণের সুদ বাবদ ৪৫ লাখ ডলার বৃহস্পতিবার রাতে পরিশোধ করেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
নতুন ধরণের সাইবার অপরাধ বেড়েছে ২৮১ শতাংশ- এমন একটি শিরোনাম করেছে দৈনিক সংবাদ। এতে বলা হয় দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সাইবার অপরাধের ঘটনা।
সাম্প্রতিক সময়ে নতুন ধরনের সাইবার অপরাধ বেড়েছে শতকরা ২৮১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ অবস্থায় তরুণ ও শিশুদের টার্গেট করে আগামী অক্টোবর মাসকে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা মাস পালন করার কথা জানিয়েছে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস (সিসিএ) ফাউন্ডেশন।
সার সংকট ও পুলিশ প্রসঙ্গ
বোরো মৌসুমে সার সংকটের বিষয় নিয়ে দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা একটি খবর করেছে যার শিরোনাম Govt pressed to reopen urea factories as boro season looms amid gas, cash crunch।
এতে বলা হয় আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু যাওয়া বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সারের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি সার কারখানায় বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ আছে, অন্যদিকে ডলার সংকটের কারণে আমদানির মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণ নিয়েও আছে অনিশ্চয়তা। এই অবস্থায়, দরপত্রের মাধ্যমে ২ লাখ টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিআইসি। কিন্তু, চলমান ডলার সংকটের মধ্যে এ পরিমাণ আমদানি করা আদৌ সম্ভব কিনা তা নিয়েও সন্দেহ দেখা দিচ্ছে।
দেশ রূপান্তরের একটি খবরের শিরোনাম ‘নজরদারিতে আড়াইশ পুলিশ কর্মকর্তা’। এতে বলা হয়েছে সরকারের হাইকমান্ড থেকে পুলিশ সদর দপ্তরে তথ্য এসেছে, ঘাপটি মেরে থাকা পুলিশের কিছু কর্মকর্তা ও সদস্য সরকারবিরোধীদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছে। পুলিশের একটি প্রতিবেদনেও তথ্য এসেছে সারা দেশে অন্তত আড়াইশো কর্মকর্তা আছেন তারা সরকারবিরোধী হিসেবে পরিচিত। তাদের পুরো কর্মকাণ্ড খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদিকে, চলতি মাস ও আগামী মাসের মধ্যে পুলিশে আরও বড় ধরনের রদবদল করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে তালিকাও করা হয়েছে।