আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পিটার হাসের সাথে বৈঠক অস্বীকার ফখরুলের, ওবায়দুল কাদের বলছেন লাভ নেই
পিটার হাসের মুরব্বিদের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা শেষ: ওবায়দুল কাদের - বণিক বার্তার শিরোনাম এটি।
তারা লিখেছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ক্ষমতার স্বপ্ন দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। ফখরুল সাহেব দিল্লি বহুদূর। ক্ষমতার পথ আপনারাই বন্ধ করে দিয়েছেন। পিটার হাস কী করবেন—ভিসা নীতি দেবেন, নিষেধাজ্ঞা দেবেন? তার মুরব্বিদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়ে গেছে। আমেরিকার মুরব্বি যারা, তাদের সঙ্গে কথাবার্তা শেষ।’ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে গতকাল তিনি এ কথা বলেন।
পাশাপাশি তাদের আরেকটি শিরোনাম খবর সঠিক নয়, পিটার হাসের সঙ্গে কোনো বৈঠক হয়নি: মির্জা ফখরুল। এখানে বলা হচ্ছে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে কোনো বৈঠক হয়নি বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, ‘পিটার হাসের সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়েছে। কিন্তু এ খবর সঠিক নয়। বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে আমার কোনো বৈঠক হয়নি।’ রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গতকাল ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র ঐক্যে’র উদ্যোগে এক ছাত্র কনভেনশনে বিএনপি মহাসচিব এ কথা বলেন।
প্রথম আলো লিখেছে, পিটার হাসের মুরব্বিদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়ে গেছে: ওবায়দুল কাদের।
খবরে বলা হয় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পিটার হাস (ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত) কী করবেন? ভিসা নীতি দেবেন, নিষেধাজ্ঞা দেবেন? পিটার হাসের মুরব্বিদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়ে গেছে। আমেরিকার মুরব্বি যাঁরা, তাঁদের সঙ্গে কথাবার্তা শেষ। উচ্চপর্যায়েও কথাবার্তা হয়ে গেছে। তলেতলে যখন সব শেষ, তখন আর এই সব করে লাভ নেই। পিটার হাসকে দেখিয়ে নির্বাচন বন্ধ করবেন, ঢাকায় তাণ্ডব করবেন, সেই খেলা খেলতে দেব না।’
অন্যদিকে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য নিয়ে পত্রিকাটির শিরোনাম বিদেশে ঘোরাঘুরি করে আর লাভ হবে না। চলে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে, আর বিদেশে ঘোরাঘুরি করে লাভ হবে না বলে ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে এ মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ওনারা (সরকার) খুব আনন্দে আছেন। আমেরিকায় ১৮ দিন ঘুরে এলেন, এখন ব্রাসেলসে যাবেন। চতুর্দিকে ঘোরাঘুরি শুরু হয়েছে। এই ঘুরে ঘুরে যদি কোনোরকমে সামাল দেওয়া যায়—এই চেষ্টা করছেন।’
বিচারকের জেল, তিন ঘন্টার মধ্যে জামিন ও পরে রায় স্থগিত-দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম।
বিস্তারিত বলা হয়, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধারের মামলার বিচার কার্যক্রমের উপর ছিল হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ। কিন্তু সেটি উপেক্ষা করে দুই আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠণ করে বিচার শুরুর আদেশ দেন কুমিল্লার তৎকালীন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা (বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত)।
এ বিষয়ে তাকে তলব করে ব্যাখ্যা চায় হাইকোর্ট। এ ব্যাখ্যা যথাযথ না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারী করে। রুল জারির পর সশরীরে হাজির হয়ে নি:শর্ত ক্ষমা চান এই বিচারক। কিন্তু ক্ষমার সেই আবেদন গ্রহণ না করে তাকে এক মাসের জেল এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে হাইকোর্ট। বেলা ২টায় আপিল করার শর্তে জামিনের আবেদন করেন ঐ বিচারক। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আপিলের শর্তে তাকে এক মাসের জামিন দেন। জামিন পাওয়ার পরই সাজার রায় স্থগিত চাওয়া হয়।
একই বিষয় নিয়ে মানবজমিনের শিরোনাম, নাটকীয়তা, আদালত অবমাননায় কারাদন্ড, পরে জামিন-সাজা স্থগিত। বলা হচ্ছে আদালত অবমাননার দায়ে কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোহেল রানাকে সকাল সাড়ে ১১টায় এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি এসএম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
আদেশের পর তিন ঘণ্টা যেতে না যেতেই দুপুর আড়াইটায় আপিলের শর্তে একই বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন। এ ঘটনায় আদালত পাড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এই চাঞ্চল্যকর খবরের রেশ শেষ হতে না হতেই অবিশ্বাস্য দ্রুততম সময়ে বিকাল সাড়ে ৫টায় হাইকোর্টের দেয়া সেই কারাদণ্ড স্থগিত করে বিকাল সাড়ে ৫টায় আদেশ দেন আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম।
একইসঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে সোহেল রানার করা আবেদনটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে আগামী ২০শে নভেম্বর শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সোহেল রানা বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদায় সংযুক্ত থাকা বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তা।
খবরটি নিয়ে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার শিরোনাম করেছে Contempt of court, HC jails judge, the grants him bail.
আমি কিন্তু আপনার ঘর পাহারা দিতে পারব না – সিইসির এই বক্তব্য দিয়ে শিরোনাম করেছে দৈনিক ইত্তেফাক। বিস্তারিত বলা হয় বৃহস্পতিবার তৃণমূল বিএনপির একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘যারাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তাদের অবশ্যই পোলিং এজেন্ট দিতে হবে। আমি কিন্তু ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বসে আপনার ঘর পাহারা দিতে পারব না।”
লাখ লাখ ভোট কক্ষ পাহারা ফেরেশতার পক্ষে সম্ভব – সমকালের শিরোনাম। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ভোট কক্ষে প্রার্থীকে অবশ্যই পোলিং এজেন্ট দিতে হবে। প্রার্থীর ঘর (ভোট কক্ষ) পাহারা দিতে তিনি পারবেন না। একজন মানুষের পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। কেবল ফেরেশতার পক্ষে সেটা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন নিবন্ধন পাওয়া রাজনৈতিক দল ‘তৃণমূল বিএনপি’র একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ঐক্যবদ্ধ হতে পারেনি ইসলামী দলগুলো – কালবেলার শিরোনাম। তারা লিখেছে অভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে থাকলেও দেশে সক্রিয় ইসলামী দলগুলোর মধ্যে বিভক্তি দূর হচ্ছে না। আলাদা প্ল্যাটফর্মে থেকেই রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছে তারা।
‘তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি’ হওয়ার লক্ষ্যে সব ইসলামী দল নিয়ে আলাদা জোট গড়ার উদ্যোগ থাকলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়িত হচ্ছে না। এর মধ্যে আবার আগামী নির্বাচনকে ঘিরে লাভ-ক্ষতির হিসাবনিকাশে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন কোনো কোনো দলের নেতারা। এসব সত্ত্বেও বেশিরভাগ ইসলামী দল বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
Govt stance could lead to ‘political crisis’ – ডেইলি স্টারের খবর, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিষয়ে সরকারের অবস্থান রাজনৈতিক সংকট তৈরি করতে পারে বলে বিবৃতি দিয়েছেন ২৩জন বিশিষ্ট নাগরিক।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়তে পারেন:
চলতি অর্থবছরে দেশে আয়ের তুলনায় ব্যয় ও ঋণ বাড়বে, অভিমত আইএমএফের – খবরটি শিরোনাম করেছে দৈনিক সংবাদ।
বিস্তারিত বলা হয় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের তুলনায় খরচ বেশি হবে। এতে সরকারের সার্বিক ঘাটতির পরিমাণ বাড়বে। এ ঘাটতি মেটাতে বাড়তি ঋণ নিতে হবে। সরকারের ঋণ বাড়লেও তা দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকারের তুলনায় স্বাভাবিক রয়েছে বলে মনে করছে আইএমএফ। গত বুধবার রাতে প্রকাশিত আইএমএফ-এর ‘ফিসক্যাল মনিটর, অক্টোবর-২০২৩’ শীর্ষক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
রিজার্ভের শর্তে ছাড় দিতে পারে আইএমএফ – কালের কন্ঠ শিরোনাম করেছে এটি। তারা লিখেছে রিজার্ভ ধারণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।
প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয়, রিজার্ভের যে লক্ষ্য বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তা চেষ্টা করেও পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ। এ জন্য রিজার্ভের শর্তে ছাড় দেওয়ার আভাস দিয়েছে আইএমএফ। রিজার্ভ, বাজারভিত্তিক ডলারে রেট, ঋণখেলাপি, রাজস্ব সংস্কার, তারল্য ব্যবস্থাপনাসহ ৪৭টি শর্তে বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ দিতে রাজি হয় আইএমএফ। সংস্থাটির দেওয়া বেশির ভাগ শর্ত পূরণ করতে পেরেছে বাংলাদেশ। কিন্তু রিজার্ভে উন্নতি, কর জিডিপি অনুপাত এবং বাজারভিত্তিক ডলার রেট নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আইএমএফ প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানা যায়।
আটকে থাকা ডলার দেশে ফেরাতে নির্দেশ – প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম। বলা হচ্ছে দেশে ফেরত আসছে না রপ্তানি আয়ের একটা অংশ। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের ধারণা দুই বছর ধরে বিদেশে আটকে আছে প্রায় ১০০ কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই অর্থ আসলে পাচার হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে এই ডলার দেশে ফেরত আনতে। তবে কেন্দ্রীং ব্যাংকের এই উদ্যোগ কতোটা কার্যকর হবে সে ব্যাপারে সন্দিহান অর্থনীতিবিদেরা।
ভারতকে ভিসামুক্ত চলাচলের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা – নয়া দিগন্তের খবর। বলা হচ্ছে ভারতকে ভিসামুক্ত চলাচলের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রস্তাবটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে ভারত। দেশটি একই সাথে বাংলাদেশীদের ভিসা পেতে দেরি হওয়ার কারণ খতিয়ে দেখছে।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. আব্দুল মোমেন এসব কথা জানান। মোমেন বলেন, সিলেটে কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সংলাপ হয়েছে। সেখানে দুই দেশের মধ্যে ভিসামুক্ত ভ্রমণের জন্য আমি প্রস্তাব দিয়েছি। আমরা দুই দেশের মধ্যে ভিসামুক্ত চলাচল চাই। বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও জানিয়েছি। এটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে বলে জানান জয়শঙ্কর। তবে তিনি ‘না’ বলেননি।
এদিকে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন পরিস্থিতি নিয়ে শিরোনাম করেছে দেশের প্রায় সবগুলো জাতীয় দৈনিক। যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম গাজার হাসপাতাল যেন এক মৃত্যুপুরী।
বলা হয় ইসরাইলের বিমানবাহিনীর বিরতিহীন বোমা হামলা থেকে অসহায় ফিলিস্তিনিরা অবশেষে আশ্রয় নিয়েছেন গাজার হাসপাতালে। কিন্তু সেখানেও তারা নিরাপদ নন। বিদ্যুৎহীন হাসপাতাল যেন পরিণত হয়েছে মৃত্যুপুরীতে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেখানেও পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি ঘটছে। বিদ্যুৎ এবং জ্বালানিবিহীন হাসপাতাল অচিরেই বিশাল কবরস্থানে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন রেডক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির মধ্যপ্রাচ্য মুখপাত্র।
কালের কন্ঠ লিখেছে গাজা এখন মৃত্যু উপত্যকা। বিস্তারিত লেখা হয়েছে যে, ফিলিস্তিনের কট্টরপন্থী সংগঠন হামাসের হামলার জবাবে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় নির্বিচারে বিমান হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল।
এরই মধ্যে অবরুদ্ধ অঞ্চলটির বিদ্যুৎ, পানি, খাবার ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েলি জ্বালানিমন্ত্রী ইসরায়েল কাত্জ কঠোর ভাষায় বলে দিয়েছেন, হামাস জিম্মিদের না ছাড়া পর্যন্ত পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সরবরাহ পুনর্বহাল করা হবে না। এতে অনবরত বোমা ও গোলার ঘায়ে বিপর্যস্ত সাধারণ ফিলিস্তিনিদের জীবন আরো দুর্বিষহ হয়ে উঠছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরো পড়ুন:
অন্যান্য খবর
নীতিমালাই আইন হল সিজারিয়ানে – দৈনিক দেশ রুপান্তরের শিরোনাম। বিস্তারিত হল প্রসবিনীর অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার (সিজার) রোধে করার নীতিমালা চূড়ান্ত করে ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর করতে বলেছে উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে স্বাভাবিক প্রসবে সচেতনতার জন্য ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
মুজিবের বায়োপিক ইতিহাস তুলে ধরবে - যুগান্তরের শিরোনাম। লেখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ‘মুজিব: দ্য মেকিং অফ এ নেশন’ শিরোনামের বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক দেশে জাতি অনেক অজানা তথ্য ও ইতিহাসের নতুন অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবে। বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার শো দেখার আগে তিনি এ কথা বলেন। ছবিটি আজ সারা দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে একযোগে মুক্তি পাবে।
Bangladeshi Students fall behind neighbours – নিউ এজের প্রধান শিরোনাম। এতে বলা হয় উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা।
যার পেছনে কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন উপযুক্ত যোগাযোগের দক্ষতা এবং বাড়ির প্রতি টানই তাদের পিছিয়ে দিচ্ছে। তাদের মতে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা সহ বিশ্বের অনেক দেশই শিক্ষার্থীদের জন্য নানা রকম বৃত্তি দিয়ে থাকে, কিন্তু যথাযথ যোগ্যতার অভাবে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা সে সুযোগ নিতে পারছে না। ইউনেস্কোর হিসেব বলছে প্রতি বছর বাংলাদেশের চেয়ে ভারত, পাকিস্তান ও নেপালের অনেক বেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে পড়তে যায়।
এছাড়া আজ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ম্যাচ নিয়ে শিরোনাম করেছে বেশকিছু পত্রিকা। সংবাদ লিখেছে, জয়ের লক্ষ্যে ফিরতে বাংলাদেশ আজ নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি।