পত্রিকা: 'রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র ভবন ও অভিজাত এলাকা এখন মবকারীদের টার্গেট'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের হিসাবে গত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি-জুলাই) ঢাকায় সংঘটিত 'দাঙ্গা'র ঘটনাগুলোর প্রায় তিন-চতুর্থাংশই হয়েছে মতিঝিল, গুলশান ও তেজগাঁওয়ের মতো ঢাকার বাণিজ্যিক ও অভিজাত এলাকাগুলোয়।

অপরাধ হিসেবে 'মব সহিংসতা'কে 'দাঙ্গা' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

এর মধ্যে মতিঝিল থানার ভেতরে প্রবেশ করে মবের ঘটনাও ঘটেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ছয় মাসে রাজধানীতে ৩৮টি দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩টি ঘটেছে মতিঝিল এলাকায়। এরপর সর্বোচ্চ গুলশানে আটটি এবং তেজগাঁও এলাকায় সাতটি।

এছাড়া, এ সময় রাজধানীতে ২৩১টি দস্যুতার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি তেজগাঁওয়ে ৫০টি দস্যুতার ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া, মতিঝিলে ৪৬টি এবং গুলশানে ১৫টি দস্যুতার ঘটনা পুলিশের নথিভুক্ত হয়েছে।

জখমের ঘটনাও এসব অভিজাত ও বাণিজ্যিক এলাকায় বেশি ঘটেছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রাজধানীর বাণিজ্যিক ও অভিজাত আবাসিক এলাকায় বিভিন্ন সময় মবের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরনের আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে।

বণিক বার্তা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— ভোটের অঙ্কে নতুন ভাবনা

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের

ফলাফল রাজনীতির গতিপথে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এবারের নির্বাচনের ফলাফলে বড় চমক দেখিয়েছে জামায়াতের সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট।

তাদের ভূমিধস জয় রাজনীতিতে রীতিমতো চমক নিয়ে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নতুন উত্থান অন্য রকম এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদেরও।

তাদের উত্থানে পেছনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ এবং ক্ষমতায় যেতে মরিয়া বিএনপির ভূমিকাকেও দায়ী করছেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমানের মতে, এই নির্বাচনের ফলের মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে জামায়াত একটা সুবিধাজনক অবস্থায় চলে গেছে । এর মধ্য দিয়ে জামায়াত নির্বাচনি প্রচারে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

বিএনপি যে সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল , ডাকসু নির্বাচনের ফলাফলের মধ্য দিয়ে জাতির সামনে তা প্রকাশ পেলো বলে মনে করেন তিনি।

তবে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ফল জাতীয় রাজনীতিতে অতটা প্রভাব ফেলতে পারবে না বলে মনে করছেন বিএনপি, এনসিপির নেতারা।

এনসিপি সমর্থিত প্যানেলেরও নাজুক অবস্থা ফুটে উঠেছে ডাকসু নির্বাচনে।

এনসিপির যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার তুষারের মতে, যারা জিতেছে, তাদের সাংগঠনিক মনোবল চাঙা হবে, এটা আমার কাছে মনে হয়েছে। এখন যারা জিতেছে , তাদের ক্ষমতাসীন ধরে নিয়ে ক্যাম্পাসে বিরোধী রাজনীতি চাঙা হবে।

এদিকে ডাকসু নির্বাচনের ফলকে 'ইতিবাচক' এবং আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন সংস্কৃতির উন্মেষ বলে মনে করছে জামায়াতে ইসলামী।

আজকের পত্রিকা

শিবিরের জয়ের কারণ দীর্ঘ প্রস্তুতি— আজ প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি ও জিএস পদে কোন দুজন প্রার্থী হচ্ছেন, তা তফসিল ঘোষণার আগে ইসলামী ছাত্রশিবির ছাড়া কোনও ছাত্রসংগঠনই ঠিক করতে পারেনি।

ভোটের ছয় মাস আগেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে স্পষ্ট হয়ে যায় ডাকসু নির্বাচন হলে শিবিরের প্যানেলে ভিপি ও জিএস পদে কারা লড়বেন।

নির্বাচন ঘিরে শিবিরের ছিল দীর্ঘ প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা। প্যানেল তৈরি ও প্রচারের ক্ষেত্রে সেই পরিকল্পনার ছাপ দেখা গেছে।

ইসলামপন্থী ছাত্রসংগঠন হলেও শিবির তাদের প্যানেল 'অন্তর্ভুক্তিমূলক' করার চেষ্টা করেছে।

নিজেদের প্যানেলে চারজন ছাত্রী ও চাকমা সম্প্রদায়ের একজন শিক্ষার্থীকে রেখেছে তারা।

শিবিরের প্যানেলের বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনে হিজাব পরা এবং হিজাব না পরা— দুই ধরনের প্রার্থীই দেখা যেত।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে যখন শিক্ষার্থীরা অবস্থা নেন, তখনও হলে হলে কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখে শিবির।

রাজনৈতিক পরিচয় সামনে না এনে হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নানা কার্যক্রমে যুক্ত থেকেছে তারা। যা নির্বাচনি প্রস্তুতির ক্ষেত্রও তৈরি করে দেয়।

ছাত্রদলসহ অন্য সংগঠনগুলোর সে অর্থে তেমন কোনো প্রস্তুতি ছিল না।

এছাড়া, সাদিক কায়েমকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের নেপথ্যের নায়ক হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা নানাভাবে করে গেছে শিবির।

অভুত্থানের পরে জানা যায়, আওয়ামী লীগ শাসনামলে ক্যাম্পাসে শিবিরের প্রকাশ্য রাজনীতির সুযোগ না থাকলেও গোপনে তারা কার্যক্রম চালিয়েছে।

ক্যাম্পাসে আলোচনা আছে, শিবিরের বিরুদ্ধে 'ট্যাগিংয়ের' পুরোনো রাজনীতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের অনেকে পছন্দ করেননি।

হল ও ক্যাম্পাসকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচার চালায় শিবির, যা তাদেরকে সহায়তা করেছে।

প্রথম আলো

স্বাস্থ্য খাতে এক বছরে ব্যয় বরাদ্দের মাত্র ১১ শতাংশ— সমকালের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর অবকাঠামো খাতের চেয়েও শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জোর দিয়ে বলা হয়।

বাস্তবে ঘোষিত অগ্রাধিকারে কোনও প্রতিফলন নেই কোথাও। স্বাস্থ্যের প্রকল্প বাস্তবায়ন পরিস্থিতি সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় পড়েছে। সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পেছনে পড়েছে এই খাত।

২০২৪-২৫ অর্থবছর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ১৯ প্রকল্পের ব্যয় সংশোধিত বরাদ্দের (আরএডিপি) ২১ শতাংশ, অর্থাৎ ৭৯ শতাংশই অব্যয়িত। খরচ করতে না পারা অর্থের পরিমাণ চার হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। আর মূল এডিপি বিবেচনায় নিলে ব্যয় মাত্র ১১ শতাংশ। সে ক্ষেত্রে অব্যয়িত অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ হাজার ৯২০ কোটি টাকা।

পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সমকালকে বলেছেন, স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প ব্যয় কম হওয়ার কারণ হচ্ছে, বড় ক্রয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারা।

নতুন করে পাঁচ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। ফলে আগামীতে এ খাতের এডিপি বাস্তবায়নের দুর্বলতা অনেকটাই কেটে যাবে।

স্বাস্থ্য খাতের প্রকল্প বাস্তবায়নের অনিয়মের আরও কিছু তথ্য উঠে এসেছে সম্প্রতি প্রকাশিত আইএমইডির অধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির (বিপিপিএ) পর্যালোচনা প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতের কেনাকাটায় নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে। নিম্নমানের সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। পণ্য বুঝে না পেয়েও ঠিকাদারের অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে।

সমকাল

ফ্রান্সে অবরোধের ডাক, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ— ইত্তেফাকের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, নিজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সেবাস্তিয়ান লেকর্নরকে ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্র।

এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে অশান্ত হয়ে উঠেছে ফ্রান্স। রাস্তায় নেমেছেন হাজার হাজার বিক্ষোভকারী।

প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরে অবরোধের পাশাপাশি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

বাসে আগুন ধরানো থেকে শুরু করে ট্রেনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ার মতো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে ফ্রান্সজুড়ে।

বিক্ষোভ দমনে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয়েছে। অন্তত ৩০০ বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

'সব অবরোধ করো' এই দাবি তুলে গতকাল বুধবার পথে বিক্ষোভ শুরু হয়। অনলাইনেই এই প্রতিবাদের ডাক দেয়া হয়েছিল। তবে এই আন্দোলনের কোনো নেতৃত্ব প্রকাশ্যে আসেননি ।

মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক মাস আগে এই আন্দোলনের উত্থান। পরে এটি গতি পায়, যখন আন্দোলনকারীরা ফ্রাঁসোয়া বাইরুর প্রস্তাবিত ৪৪ বিলিয়ন ইউরো বাজেট কাটছাঁটের বিরুদ্ধে মানুষকে বিক্ষোভে নামতে উৎসাহিত করে।

তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে সরকারি খাতে বেশি বিনিয়োগ, উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর কর আরোপ, ভাড়া স্থির রাখা এবং ম্যাক্রর পদত্যাগ।

ইত্তেফাক

মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— চাপা আতঙ্ক, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পথে নেপাল

এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পরও নেপালে এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজমান।

গতকাল বুধবার বড় কোনও সহিংসতা না হলেও বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

দেশটিতে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে নেপালের সেনাবাহিনী। নতুন সরকার গঠনের আগ পর্যন্ত দেশের শাসনভার নিজেদের কাছে রাখার কথা জানিয়েছেন নেপালি সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ।

ইতোমধ্যে নতুন সরকার গঠনের আলোচনাও শুরু হয়েছে। চলছে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের চেষ্টা।

এক্ষেত্রে তরুণরা অন্তর্বর্তী নেতা হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশিলা কারকির নাম প্রস্তাব করেছে। তার পাশাপাশি কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন্দ্র শাহের নামও আলোচনায়।

কেপি ওলি হেলিকপ্টরে চড়ে নেপাল ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন ওঠলেও স্থানীয় সাংবাদিক প্রজ্জল অলি জানিয়েছেন, নেপালেই অবস্থান করছেন কেপি ওলি। সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় তাকে ব্যারাকে রাখা হয়েছে। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এই মুহূর্তে অনেক মন্ত্রী, ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মকর্তারা আশ্রয় নিয়েছেন।

এদিকে, নেপালে আটকা পড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ বিমানে জামালদের দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে বন্ধ রয়েছে সকল দোকানপাট ও বিপণিবিতান। অফিস-আদালতও চালু হয়নি।

গতকাল বুধবার সকালেও কাঠমান্ডুর বিভিন্ন থানায় আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এসব থানা এখন পুলিশশূন্য।

মানবজমিন

আতঙ্কের আরেক নাম ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কার— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ স্কুল গড়ে তুলেছে ড্রাইভিং লাইসেন্স দালালচক্র। এরমধ্যে বেশিরভাগ স্কুলের অনুমোদনও নেই।

অনুমোদন না থাকলেও বিআরটিএ ও পুলিশকে ম্যানেজ করেই চলছে এসব ড্রাইভিং স্কুল। এসব স্কুল ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে হওয়ায় দুর্ঘটনাও ঘটছে অহরহ।

নানা ধরনের প্রতিশ্রুতির ফাঁদে ফেলে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে তারা প্রতারণাও করছে।

কালের কণ্ঠ

জাপানি শর্তে অস্বস্তিতে বেবিচক— দেশ রূপান্তরের শেষ পৃষ্ঠার পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৩ নিয়ে আবারও সংকটে পড়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।

যখনই টার্মিনাল চালুর বিষয়টি সামনে আসছে তখনই নানা সমস্যায় পড়ছে তারা।

ইতোমধ্যে টার্মিনালের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৯৯ ভাগ। কিন্তু কে টার্মিনাল পরিচালনা করবে, তা নিয়েই বিপত্তি।

মূলত, জাপানের ছয়টি প্রতিষ্ঠান কঠিন শর্ত জুড়ে দেয়ায় অস্বস্তিতে বেবিচক।

শর্তগুলো হচ্ছে থার্ড টার্মিনালের দোকানপাট ও লাউঞ্জ নিয়ন্ত্রণ, পার্কিং চার্জ, বিলবোর্ড, বিভিন্ন অফিসের ভাড়া, বিমানের ল্যান্ডিং চার্জ, যাত্রী ভ্রমণ চার্জ, নিরাপত্তা চার্জসহ নানা ধরনের চার্জ বাড়ানোসহ আরও কিছু বিষয়।

এ নিয়ে গত মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বিশেষ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলোর শর্ত নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে; তাদের শর্তগুলোর বিকল্প বের করার জন্য বেবিচককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে অন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করার পাশাপাশি নিজস্বভাবে টার্মিনাল পরিচালনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়া, আরও কিছু সমস্যায় পড়েছে বেবিচক। দক্ষিণ কোরিয়ার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং কোম্পানি থার্ড টার্মিনালে অতিরিক্ত ৬০৫টি কাজ করেছে। তারা ৩০০০ কোটি টাকা দাবি করেছে সংস্থাটির কাছে। যা দিতে পারছে না বেবিচক।

দেশ রূপান্তর

যুগান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— ৩৩ বছর পর জাকসু নির্বাচন আজ

এতে বলা হয়েছে, ৩৩ বছর পর আজ ১১ সেপ্টেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এতে ছাত্রদল, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস), ইসলামী ছাত্রশিবির, বামপন্থি সংগঠন, স্বতন্ত্রসহ আট প্যানেলে ভাগ হয়ে শিক্ষার্থীরা ভোট করছেন।

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ।

জাকসু নির্বাচনে এবার মোট ভোটার ১১৮৯৭ জন।

কেন্দ্রীয় ও হল সংসদে প্রায় ৫৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়া, হল সংসদ নির্বাচনে বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ১০২ জন। ফলে মোট প্রার্থীর সংখ্যা কমেছে। এ নিয়ে যুগান্তরের প্রথম পাতার আরেকটি সংবাদের শিরোনাম জাবির হল সংসদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ১০২

এদিকে, ডাকসু নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত 'ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট' এর নিরঙ্কুশ জয়ের প্রভাব জাকসুতে পড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেক শিক্ষার্থী।

যুগান্তর