আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া চার্জশিট: আতিউরসহ অভিযুক্ত ৬৪ জন'
নয়াদিগন্তের শিরোনাম- 'রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া চার্জশিট: আতিউরসহ অভিযুক্ত ৬৪ জন'।
খবরে বলা হচ্ছে, নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির মামলার খসড়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুত করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম এই আর্থিক কেলেঙ্কারির ঘটনায় দেশি-বিদেশি মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজার পৃষ্ঠার এই খসড়া অভিযোগপত্রটি চূড়ান্ত আইনি পরামর্শের জন্য ইতোমধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে বাংলাদেশের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ দেশের ১০ জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি রয়েছেন।
খসড়া চার্জশিটের অন্য আসামিরা হলেন– আনিস এ খান, কে এম আব্দুল ওয়াদুদ, শুভঙ্কর সাহা, রেজাউল করিম, জোবায়ের বিন হুদা, এ এফ এম আসাদুজ্জামান, মেজবাউল হক, আবুল কাসেম ও মো. সুলতান মাসুদ আহম্মেদ।
এ ছাড়া তালিকায় ৩৬ জন বিদেশি নাগরিক এবং ১৮টি বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।
দেশভিত্তিক হিসেবে ফিলিপাইনের ৩৬, উত্তর কোরিয়ার ২, চীনের ৩, শ্রীলঙ্কার ৮, জাপানের ১, ভারতের ৪ এবং বাংলাদেশের ১০টি নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
'অর্থাভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সরবরাহ ৭৮ শতাংশ কমেছে' সমকালের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, সরকারিভাবে বিতরণ করা জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পাঁচ ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণের সরবরাহ প্রায় ৭৮ শতাংশ কমে গেছে।
দেড় বছর ধরে এমন সংকট চলছে। দীর্ঘদিন স্থিতিশীল থাকার পর জন্মহার বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
পরিবার পরিকল্পনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও উন্নয়ন সহযোগীরা বলছেন, অর্থ সংকট, ক্রয় ও সরবরাহ ব্যবস্থায় দীর্ঘসূত্রতা এবং বাজেট বাস্তবায়নের জটিলতার কারণে এই সংকট দেখা দিয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায় থেকে চাহিদা দিলেও অর্থাভাবে ব্যবস্থা নিতে পারেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমে যাওয়া এবং প্রজনন হার বাড়ার ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপরিকল্পিত গর্ভধারণ বেড়ে যাচ্ছে।
ফলে জনসংখ্যা বাড়ার হার, মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি এবং ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভধারণের সংখ্যা বাড়বে। একই সঙ্গে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর তুলনায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়ে অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।
'গরম বাড়লেই গ্রামে বাড়তি লোডশেডিং' প্রথম আলোর শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, গরম বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, কিন্তু উৎপাদন বাড়েনি। উল্টো তিনটি বড় - কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন কমে যাওয়ায় ঘাটতি আরও বেড়েছে।
এর প্রায় পুরো চাপ পড়ছে গ্রামাঞ্চলে। কোনো কোনো এলাকায় দিনে সাত থেকে আট ঘণ্টা, কোথাও আরও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। টিভিতে ফুটবল বিশ্বকাপের খেলা দেখতে না পেরে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন অনেকে।
বিদ্যুৎ খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দফায় -দফায় দাম বাড়লেও গত কয়েক বছর গরমের সময় লোডশেডিং কমছে না। চলতি মাসেও বিদ্যুতের সর্বোচ্চ দাম বাড়ানো হয়েছে।
অথচ গত কয়েক দিনে দেশে দিনে গড়ে সর্বোচ্চ তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিং হয়েছে। গতকাল ২ দিনের বেলায়ও সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল প্রায় ২ হাজার ৬২৯ মেগাওয়াট।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিবি) ও বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎঘাটতি সামাল দিতে মূলত ঢাকার ও বাইরের এলাকায় লোডশেডিং করা হচ্ছে।
'মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আশা জাগাচ্ছে' কালের কণ্ঠের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, আগামী ২১ থেকে ২২শে জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই মালয়েশিয়া সফর ঘিরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু হাজারো বাংলাদেশি শ্রমিক।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, শ্রমবাজার নিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার মধ্য দিয়ে দুই দেশের সংস্কৃতি, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।
অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার। সে দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকরা নির্মাণ, উৎপাদন, সেবা, কৃষি ও প্লান্টেশন খাতে কর্মরত রয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে দেশটির শ্রমবাজারে নতুন কর্মী নিয়োগ কার্যত বন্ধ থাকায় বিদেশে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখা শ্রমিকরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
তবে ঢাকা ও কুয়ালালামপুরের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজার ফের চালুর বিষয়ে সাম্প্রতিক আলোচনা নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
'বিদ্যমান কলেজের সংকট নিরসনের আগেই নতুন মেডিকেল কলেজ অনুমোদন' বণিক বার্তার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র মেডিকেল কলেজ হিসেবে ২০১৪ সালে যাত্রা করে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ। ওই বছরই রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে কলেজটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
এরপর পুরো এক যুগ পার হলেও মেডিকেল কলেজটির জন্য কোনো স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ হয়নি। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে নেই পর্যাপ্ত জনবলও।
কলেজের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেসিক ও ক্লিনিক্যাল বিষয়ে শিক্ষকের ৫৮টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ২৫ জন। অধ্যাপক পদ শূন্য আছে ৭টি।
এছাড়া সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকের ১৩টি করে পদ শূন্য রয়েছে। ৩৩ শূন্য পদে বর্তমানে ১৮ জন শিক্ষক সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন।
শুধু রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ নয়, দেশের আরো ছয়টি সরকারি মেডিকেল কলেজ কার্যক্রম চালাচ্ছে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে। এছাড়া দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রায় সবগুলোতে রয়েছে শিক্ষকসহ জনবল সংকট।
এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান কলেজগুলোর সংকট সমাধানের আগেই নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়েছে সরকার।
'৫,৫০০ কোটির প্রকল্পে ব্যয় বেড়ে ১২,৫০০ কোটি' আজকের পত্রিকার শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, স্থবির হয়ে পড়া বগুড়া - সিরাজগঞ্জ নতুন ডুয়েলগেজ রেললাইন প্রকল্প গতি পেয়েছে। বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় থাকা প্রকল্পটির সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) রেলপথ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
সংশোধিত ডিপিপিতে বাংলাদেশ রেলওয়ের এই প্রকল্পের খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা। ২০১৮ সালে একনেকে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা।
আট বছরের ব্যবধানে প্রকল্প ব্যয় দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধির বিষয়ে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্মাণসামগ্রী ও জমির মূল্যবৃদ্ধি, মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি ও প্রকল্পের পরিধি সম্প্রসারণের কারণে ব্যয় বেড়েছে।
বগুড়া - সিরাজগঞ্জ পথে নতুন এই ৭৬ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ হলে এ পথে দূরত্ব কমবে ১১৪ কিলোমিটার । এতে যাত্রার সময় বাঁচবে প্রায় তিন ঘণ্টা।
'নীরব মহামারি অনলাইন জুয়া : নেপথ্যে দেশি-বিদেশি চক্র' যুগান্তরের শিরোনাম।
খবর বলা হচ্ছে, দেশে নতুন এক নীরব মহামারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে অনলাইন জুয়া বা গ্যাম্বলিং। ইন্টারনেটের সহজলভ্যতাকে কাজে লাগিয়ে মাদকের চেয়েও ভয়ংকর এই নেশায় আসক্ত করা হচ্ছে দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার লোভে পড়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে হাজারো মানুষ।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে উঠে এসেছে, চীন-নাইজেরিয়াসহ বিদেশি বিভিন্ন চক্রের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে এসব জুয়া সাইট। দেশীয় এজেন্টের পাশাপাশি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) কিছু অসাধু কর্মীও এর সঙ্গে জড়িত।
তাদের হাত ধরে প্রতিদিন বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। অভিযান চালিয়ে সাইট বন্ধ ও জড়িতদের গ্রেফতার করা হলেও দুর্বল আইন এবং মূল চক্র দেশের বাইরে থাকায় এই ডিজিটাল থাবা পুরোপুরি নির্মূল করতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
জুয়ার নিয়ন্ত্রক বিদেশি ওইসব নাগরিককে সহায়তা করছে বাংলাদেশি একাধিক চক্র; যারা এজেন্ট নামে পরিচিত। অনলাইন জুয়ার বাংলাদেশি এসব এজেন্ট ১৪ থেকে ২০ ভাগ কমিশন পেয়ে থাকে।
ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম 'Fiscal reforms needed for LDC graduation delay' অর্থাৎ 'স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণে বিলম্বের জন্য আর্থিক সংস্কার প্রয়োজন'।
খবরে বলা হচ্ছে, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়াতে হলে বাংলাদেশকে গভীর কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে হবে। জাতিসংঘের উন্নয়ন নীতি বিষয়ক কমিটি একথা জানিয়েছে।
কমিটির মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলেছে, কমিটি মনে করে, সাধারণ পরিষদ থেকে প্রস্তুতি পর্বের মেয়াদ এই শর্তে বাড়ানো হতে পারে যে, এই সময়ে বাংলাদেশ তার দীর্ঘস্থায়ী কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো মোকাবিলার লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ সংস্কারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পাবে।
চলতি মাসের শুরুতে প্রতিবেদনটি সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে একটি বৈঠক করে।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৯ সালের ২৪শে নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের উত্তরণ বিলম্বিত হলে প্রস্তুতিমূলক সংস্কারের পরিকল্পনা জমা দিতে সব মন্ত্রণালয়কে বলেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সক্ষমতা বৃদ্ধির অগ্রাধিকার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে থাকবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংস্থান তৈরি করা। সেই সঙ্গে কার্যকর বাজার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য বাণিজ্য আলোচনার সক্ষমতা তৈরি করা।
'বজ্রপাত বাড়ছে যে কারণে' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম।
খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বজ্রপাত এখন এক নীরব ঘাতক। বজ্রপাত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। প্রতি বছর বজ্রপাতে ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়, আহত হন অনেকেই।
বিশেষ করে হাওরাঞ্চলে, উন্মুক্ত মাঠে, নদীতীরবর্তী এলাকায় কৃষিকাজে নিয়োজিত মানুষেরা সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতের শিকার হচ্ছেন। জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার কারণে বজ্রপাত বাড়ছে বলে মনে করেন আবহাওয়া ও পরিবেশবিদরা।
গত ১১ জুন একদিনে দেশের ১১ জেলায় বজ্রপাতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ২৭ এপ্রিল একদিনে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত দুই দশকে বাংলাদেশে বজ্রপাতের ঘটনা এবং এর তীব্রতা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এর পেছনে জলবায়ুর পরিবর্তন, বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া, অনিয়মিত আবহাওয়া এবং ভূমি ব্যবহারের পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ডের শিরোনাম 'Manpower exports slump to pre-Covid levels amid Mideast war, Saudi curbs', অর্থাৎ 'মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও সৌদি নিষেধাজ্ঞার কারণে জনশক্তি রপ্তানি কোভিড-পূর্ববর্তী পর্যায়ে নেমে এসেছে'।
খবরে বলা হচ্ছে, গত চার মাসে বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানি ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং সৌদি আরবের কঠোর নথিপত্রের শর্তকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আশঙ্কা করা হচ্ছে, শ্রম অভিবাসনের এই ধীরগতি শেষ পর্যন্ত রেমিটেন্স প্রবাহকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
তবে এ সময়ে প্রবাসীরা দেশে তিন দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন। যা গত বছরের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাস থেকে প্রতি মাসে ৪৪ হাজার থেকে ৬৫ হাজার জনকে বিদেশে চাকরির ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
করোনা মহামারী-পরবর্তী গড় প্রতি মাসে প্রায় এক লাখ কর্মীর তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম। অর্থাৎ, এ সময়ে অভিবাসন কোভিড-পূর্ববর্তী পর্যায়ে নেমে এসেছে।