'কর বাড়ানোর চাপ আইএমএফের, নইলে ঋণ ছাড়ে বিলম্বের ঝুঁকি'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম 'IMF presses for raising Tk57,000cr more in taxes or face loan delay' অর্থাৎ, '৫৭,০০০ কোটি টাকা কর বাড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছে আইএমএফ, নইলে ঋণ ছাড়ে বিলম্বের মুখে পড়তে হবে'।

খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আরো ৫৭ হাজার কোটি টাকা কর সংগ্রহের চাপ দিচ্ছে, যার মধ্যে কর ছাড় কমিয়ে এবং আরও কর বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যদি এই লক্ষ্য পূরণ না হয়, তবে চলমান ঋণের চতুর্থ কিস্তি ও পঞ্চম কিস্তির পরিশোধ বিলম্বিত হতে পারে।

জানুয়ারিতে কর বৃদ্ধির পরও, রাজস্ব সংগ্রহ কাঙ্খিত মাত্রায় পৌঁছায়নি, এবং কর ছাড় কমানোর মাধ্যমে অতিরিক্ত আয় অর্জন করা বেশ কঠিন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন কঠোর শর্তসমূহ বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এবং দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে।

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম 'ঈদের মাঠে ভোটের হাওয়া'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঈদের সময় নির্বাচনী রাজনীতি আরও জমে উঠেছে।

বিএনপি, জামায়াত, এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্ভাব্য প্রার্থীরা ঈদের অনুষ্ঠান এবং মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

তারা ঈদের আনন্দ উদযাপন করতে গিয়ে নিজের নির্বাচনি এলাকার জনগণের কাছে ভোট চাচ্ছেন এবং সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে ঈদে ভোটের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

যদিও জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হবে তা সরকার স্পষ্ট করেনি, প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।

তারা ঈদ শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

প্রার্থীরা ঈদ উপলক্ষে সামাজিক অনুষ্ঠান, ইফতার পার্টি এবং শোব চক্রে অংশ নিচ্ছেন, পাশাপাশি প্রচারণাও চালাচ্ছেন।

বিএনপির নেতারা নির্যাতিত নেতাকর্মীর পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এবং জামায়াত ও এনসিপির নেতারাও নিজ নির্বাচনি এলাকায় গণসংযোগ করছেন।

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম 'ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল ব্যাংককে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে আগামীকাল প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ব্যাংককে বৈঠক হতে যাচ্ছে।

গত বছরের অগাস্টে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এটিই হতে যাচ্ছে তাদের প্রথম সাক্ষাৎ। এই বৈঠকের বিষয়টি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন প্রথম আলোর প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন।

সম্মেলনটি ব্যাংককের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে এবং এরপরই দুই নেতার বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে। বৈঠকের পরে ইউনূস ঢাকায় এবং মোদি কলম্বোতে যাবেন।

ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক বর্তমানে কিছু টানাপোড়েনে রয়েছে, তবে বাংলাদেশ পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক চায়।

বিমসটেক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা পরবর্তী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, এবং সম্মেলন শেষে তিনি বিমসটেক সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেবেন।

এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টা সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় 'সেভেন সিস্টার্স' নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, যা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়েছে।

খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের উদ্দেশ্য হলো অঞ্চলের কানেকটিভিটি বাড়ানো এবং সব দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা।

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম 'সরগরম তৃণমূল রাজনীতি'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, এবারের ঈদুল ফিতর ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন এক আবহে উদ্‌যাপিত হয়েছে।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো ঈদ উদ্‌যাপন ও জনসংযোগে তৎপর ছিল।

বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা নিজেদের এলাকার ঈদ জামাতে অংশ নিয়েছেন এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন।

তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং ত্রাণ, উপহার বিতরণসহ নানা সামাজিক কাজেও অংশ নিয়েছেন।

নির্বাচন ঘিরে দলগুলো ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে এবং প্রার্থীরা মাঠে নেমে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এছাড়া, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবার পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন এবং দলের নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন এবং দলের শীর্ষ নেতারা নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতারা ঈদ উদ্‌যাপন করেছেন এবং তাদের এলাকা সফর করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন।

সমকালের প্রধান শিরোনাম 'ঈদেও নিষ্ক্রিয় সেই সব 'কিংস পার্টি'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে 'কিংস পার্টি' হিসেবে পরিচিত রাজনৈতিক দলগুলো এখন নিষ্ক্রিয়।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে এসব দলের কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না।

কিছু দল বক্তৃতা এবং সীমিত কর্মসূচি দিয়ে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই 'কিংস পার্টি'গুলোর মধ্যে তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) অন্যতম।

এসব দল ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে নিবন্ধন পেয়েছিল এবং নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে আসন সমঝোতার চেষ্টা করেছিল। তবে আওয়ামী লীগ কোনো আসন ছাড় দেয়নি।

পরবর্তীতে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই দলগুলোর নেতারা সমালোচনার মুখে পড়েছেন, যদিও তারা কখনোই আওয়ামী লীগের 'সহযোগী' হিসেবে কাজ করেননি বলে দাবি করেছেন।

এছাড়া, তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম ও বিএসপির নেতারা তাদের দলীয় কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিষ্ক্রিয়।

তারা জানান, পরিস্থিতি বুঝে দলকে পুনরায় সক্রিয় করার পদক্ষেপ নেবেন এবং নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম 'Next budget aims for 6% GDP growth' অর্থাৎ, 'আগামী বাজেটে ৬% জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটের লক্ষ্য ৬% জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা। পরবর্তী বাজেটের আকার প্রায় আট লাখ কোটি টাকা হতে পারে, যা বর্তমান বছরের সংশোধিত বাজেটের চেয়ে সাত দশমিক পাঁচ শতাংশ বেশি।

উন্নয়ন বাজেট প্রায় দুই লাখ ৩০ হাজার থেকে দুই লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে হতে পারে।

বাজেটের চূড়ান্ত সংখ্যা ৬ই এপ্রিল ঢাকায় আসা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মিশনের সঙ্গে আলোচনার পর নির্ধারিত হবে।

বাজেটের আয় লক্ষ্য পাঁচ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা ধরা হয়েছে, যা সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি।

এ আয়ের লক্ষ্য পূরণের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে পাঁচ লাখ ২১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

আগামী বছরের ছয় শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে।

তবে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগে ধীরগতি বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পরেও বেসরকারি খাতে বিনিয়োগে কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। যদিও আইএমএফের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী বছরে মূল্যস্ফীতি পাঁচ শতাংশ কমবে।

সংবাদের প্রধান শিরোনাম 'চারদিনে সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ, আহত শতাধিক'। খবরে বলা হচ্ছে, ঈদের ছুটিতে গত চার দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৬০ জন নিহত হয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

এ সময় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে, যার মধ্যে ১৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ঈদের দিন সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে, যেখানে ২৬ জন নিহত হন।

সড়ক দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নাটোরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বিশেষ করে, বেপরোয়া গতির যানবাহন, অযান্ত্রিক যান এবং চালক-যাত্রীদের অবহেলার কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

ময়মনসিংহে একটি দুর্ঘটনায় দুই বোনসহ চারজন নিহত হয়েছেন, একই দিনে গাজীপুরে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন মারা যান।

এছাড়া, ঈদের দিন চট্টগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। সড়ক দুর্ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা হয়েছে।

ঈদের তৃতীয় দিনও চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় দুর্ঘটনায় ১০ জন নিহত হন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়।

দুর্ঘটনাগুলোর কারণে আহতের সংখ্যা দুই শতাধিক ছাড়িয়েছে।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম 'চিকিৎসায় বিদেশে যাচ্ছে বিপুল অর্থ'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষ বিদেশে চিকিৎসা নিতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা।

তবে, গত কিছু সময় ধরে ভারত ভিসা সীমিত করায় দেশে চিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতা কিছুটা বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সুযোগে দেশীয় চিকিৎসাসেবা উন্নত করা গেলে রোগীদের

বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে। বর্তমানে অনেক রোগী বিদেশে যাওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহে নানা উপায় অবলম্বন করছেন, যেমন মানি এক্সচেঞ্জার এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার।

বাংলাদেশের অনেক রোগী ভারতের পাশাপাশি থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যেও চিকিৎসা নিতে যায়।

তবে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগী সন্তুষ্টি কম এবং চিকিৎসা খরচ বিদেশের তুলনায় বেশি হওয়ায়, বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা বেশি।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশে স্বাস্থ্য খাতে আরও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা চালু হলে বিদেশমুখিতা কমানো সম্ভব হবে।

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম 'Medical waste poses serious health risks' অর্থাৎ, 'চিকিৎসা বর্জ্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করে'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চিকিৎসা বর্জ্য মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক। অনেক হাসপাতাল অযত্নে বর্জ্য পানি খোলা জলাশয়ে ফেলছে এবং কঠিন বর্জ্য নিকটবর্তী ডাস্টবিনে ফেলে দেয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসা বর্জ্য অন্যান্য বর্জ্যের তুলনায় বেশি ক্ষতিকর, কারণ এতে সংক্রামক উপাদান, ক্ষতিকারক মাইক্রোঅরগানিজম এবং বিষাক্ত পদার্থ থাকে।

বিশেষত, সংক্রমিত রোগীদের রক্ত, সিরাম এবং মল অত্যন্ত বিপজ্জনক।

ঢাকার ১৯৫টি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে ইটিপি থাকা বাধ্যতামূলক, তবে কোনো সরকারি হাসপাতালেই এই ব্যবস্থা নেই এবং বেসরকারি হাসপাতালের ৪৪ শতাংশের এটি নেই।

এর ফলে, বর্জ্য পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে জলাশয়ে মিশে যাচ্ছে, যা পরিবেশ এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

চিকিৎসা বর্জ্য এভাবে ছড়িয়ে পড়লে তা জলাধারে দূষণ সৃষ্টি করতে পারে এবং রোগ ছড়াতে পারে।