পত্রিকা: 'দেশব্যাপী অপরাধ বাড়ছেই'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

' দেশব্যাপী অপরাধ বাড়ছেই ' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম। এ খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীসহ দেশজুড়ে হত্যা, ডাকাতি, অপহরণ ও ছিনতাই, ধর্ষণ, মব সৃষ্টি করে নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে।

যৌথ বাহিনী, পুলিশ ও র‌্যাবের সাঁড়াশি অভিযানেও থামানো যাচ্ছে না এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড।

ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না শিশুকন্যা থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত। আবার লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্স থামিয়ে ডাকাতির মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনাও ঘটছে।

অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, সব ধরনের অপরাধ বাড়ার পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে, দেশে পটপরিবর্তনের পর আইন - শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যে অবনতি হয়েছিল, আইন - শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা তা এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি।

ফলে অপরাধ কর্মকাণ্ড থামছে না। প্রায়ই চাঞ্চল্যকর অপরাধের ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হচ্ছে।

এসব চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে দেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ায় দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে এ খবরে বলা হয়েছে, দিন দিন হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, ডাকাতি, দস্যুতা ও চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত পাঁচ মাসে দেশে এক হাজার ১৩৯টি ডাকাতি ও দস্যুতার মামলা হয়েছে। যা গড়ে প্রতি মাসে ২২৮টি।

' নানামুখী চাপে আটকে আছে জেলা প্রশাসক পদায়ন ' সমকাল পত্রিকার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, সাড়ে পাঁচ মাস আগে শুরু হলেও জেলা প্রশাসক বা ডিসি নিয়োগের বাছাই প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি।

পছন্দের কর্মকর্তা খুঁজতে ও ত্রিমুখী রাজনৈতিক চাপ সমন্বয় করতে গিয়ে ডিসি পদায়নে দেরি হচ্ছে বলে জনপ্রশাসন সূত্রের বরাত দিয়ে খবরটি প্রকাশিত হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাত দিয়ে এতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ গত বছরের আটই সেপ্টেম্বর ডিসি নিয়োগের তালিকা তৈরি করা হয়।

এ তালিকায় বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ২৪, ২৫ ও ২৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন ১০৬ জন।

এর মধ্যে ৬৪ জনকে ডিসি করার পর বাকি ৪২ কর্মকর্তা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকলেও তাদের নানা কারণে এখন গ্রহণযোগ্য মনে করছে না মন্ত্রণালয়।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এসব কর্মকর্তাকে ডিসি পদে পদায়ন না করার সিদ্ধান্ত হয়।

ফলে চার মাস পর গত ১১ই জানুয়ারি নতুন তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়। এখনও সেই সাক্ষাৎকার চলছে।

এ অবস্থায় ২১ জন ডিসি তিন মাস আগে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি পেলেও তাদের জেলা থেকে প্রত্যাহার করা হয়নি।

আবার সম্প্রতি শরীয়তপুরের ডিসিকে নারীবিষয়ক ঘটনায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ওএসডি করা হলেও সেখানে নতুন ডিসি পদায়ন করা হয়নি।

' তিন বছরের জন্য জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় হচ্ছে ঢাকায় ' মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনারের ঢাকা মিশন তিন বছরের জন্য চালু করতে খসড়া সমঝোতায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

গতকাল রোববার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

তিনি বলেন, "জুলাই গণ - অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং রিপোর্ট জমা দিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশন। ওনাদের সঙ্গে সরকারের অনেকদিন ধরে আলোচনা চলছিল। সংস্থাটি বাংলাদেশে একটি অফিস খুলতে চাচ্ছে। এই আলোচনায় একটা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি খসড়া সমঝোতা উপদেষ্টা পরিষদের সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদন হয়েছে। "

"এটা আমরা কয়েকজন উপদেষ্টা মিলে পরীক্ষা করবো। ফাইনাল খসড়া করে মানবাধিকার কমিশনার কার্যালয়ের প্রধান ভলকার তুর্কের কাছে পাঠাবো।"

আসিফ নজরুল বলেন, "এটা করার পর আশা করি, আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমঝোতা সই করতে পারবো। এর ভিত্তিতে বাংলাদেশে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক অফিস হবে। এই অফিস হবে প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য।"

' হার্ডলাইনে মিলল সমাধান ' যুগান্তর পত্রিকার শিরোনাম। এ খবরে বলা হয়েছে, অবশেষে ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতায় 'শাটডাউন' ও 'মার্চ টু এনবিআর' কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে আন্দোলনরত এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ।

সরকার হার্ডলাইনে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তারা পিছু হটতে বাধ্য হলেন।

রোববার সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে এ ঘোষণা দেন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সভাপতি হাসান মুহাম্মদ তারেক রিকাবদার।

এর আগে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এনবিআরের আওতাধীন সব শ্রেণির চাকরিকে অত্যাবশ্যকীয় সার্ভিস ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

যা অত্যাবশ্যক পরিষেবা আইন ২০২৩, এর অধীনে কার্যকর হবে।

এই আইনের বিধান অনুযায়ী, সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে চাকরিরত কোনো ব্যক্তি ধর্মঘট শুরু করতে বা চলমান রাখতে পারবেন না। এটি অমান্য করলে দায়ী ব্যক্তি ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

' সংস্কার প্রশ্নে দলগুলোর ঐকমত্য নিয়ে সংশয় ' প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম।

সাংবিধানিক পদগুলোতে নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তিন দফা আলোচনা করেও কোনো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

এছাড়া বেশির ভাগ মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব নিয়েও এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলমান এই আলোচনার অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ।

গতকাল রোববার বৈঠকের শুরুতে তিনি বলেন, " আমরা স্বপ্ন দেখেছিলাম আবু সাঈদের শাহাদাতবার্ষিকীতে (১৬ জুলাই) সবাই মিলে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব। কিন্তু বাস্তবে সেটা কতটা সম্ভব হবে, তা নির্ভর করছে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর। এ বিষয়ে আমাদের এখন খানিকটা শঙ্কাও রয়েছে।"

সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্বিতীয় পর্বে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা করছে ঐকমত্য কমিশন।

' তিন ইস্যু নিয়ে ভোটে সংশয় ' আজকের পত্রিকার শিরোনাম। লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের পর ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে, এমন ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল যৌথ বিবৃতিতে।

সেক্ষেত্রে ওই সময়ের মধ্যেই সংস্কার এবং জুলাই হত্যাযজ্ঞের বিচারের বিষয়ে পর্যাপ্ত অগ্রগতি অর্জন করা প্রয়োজন হবে।

এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলসহ অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

তবে এখন পর্যন্ত মৌলিক কিছু বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠায় হিমশিম খাচ্ছে কমিশন। মোটাদাগে তিন বিষয়ে ঝুলে আছে আলোচনা।

বিষয়গুলো সমাধান না হলে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে সংশয় কাটছে না।

কখনো নেপথ্যে , কখনো আনুষ্ঠানিক সংলাপের যেটুকু প্রকাশ্যে আনা হয়েছে , তাতে এটা পরিষ্কার যে কী কী জোগাড়যন্ত্র করে, কীভাবে এবং ঠিক কখন জাতীয় নির্বাচন করা যাবে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বেশ দূরত্ব রয়ে গেছে।

এ দূরত্ব থাকার বিষয়টি স্বীকারও করেছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের সপ্তম দিন গতকাল রোববার তিনি বলেন, " বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি হলেও সত্যি কথা হচ্ছে , আশাব্যঞ্জক অগ্রগতির ক্ষেত্রে আমরা খানিকটা পিছিয়ে আছি।"

বিএনপি ও সমমনা দলগুলো, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ( এনসিপি ) মাঠে সক্রিয় দলগুলোর সাম্প্রতিক বক্তব্যে এটা পরিষ্কার যে আইনসভার গঠন প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে দলগুলো কমপক্ষে দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে।

' রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আয়ের প্রায় ৬৪ শতাংশই ক্যাপাসিটি চার্জ ' বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।

বাগেরহাটের রামপালে নির্মিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গত ২০২৩ - ২৪ অর্থবছরে মোট তিন দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। বিপরীতে কেন্দ্রটি আয় করে পাঁচ হাজার ১৪০ কোটি টাকা।

এর মধ্যে এনার্জি চার্জ (জ্বালানি ও আনুষঙ্গিক) হিসেবে পায় দুই হাজার ১৪২ কোটি টাকা, আর ক্যাপাসিটি চার্জ থেকে আসে তিন হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

সে হিসাবে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ওই অর্থবছরে যে আয় করেছে তার প্রায় ৬৪ শতাংশই এসেছে ক্যাপাসিটি চার্জ থেকে।

বাংলাদেশ - ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল) পরিচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি স্বাভাবিক উৎপাদনে থাকলে ক্যাপাসিটি চার্জ কোনোভাবেই এত বেশি হওয়ার কথা নয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

তাই কেন্দ্রটির প্রকৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যাচাইসহ আর্থিক নানা অসংগতি খতিয়ে দেখার আহ্বান তাদের। কেননা ক্যাপাসিটি চার্জ এখন বিদ্যুৎ খাতের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

' বিএনপিকে চাপে রাখতে 'প্রেশার গ্রুপ' সৃষ্টির চেষ্টা ' দেশ রূপান্তর পত্রিকার শিরোনাম।

এ খবরে বলা হয়েছে, বিএনপিকে চাপে রাখতে প্রেশার গ্রুপ তৈরির চেষ্টা চলছে। এ চেষ্টায় জামায়াতকে আড়ালে রাখা হয়েছে।

নির্বাচন শেষে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা, নির্দিষ্ট আসনে ছাড় পাওয়াসহ একাধিক এজেন্ডা সামনে রেখে প্রেশার গ্রুপ তৈরির কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সবার আগে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্র করে প্রেশার গ্রুপ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের একাধিক নেতা ও সরকারের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবরটিতে বলা হয়েছে, গত শনিবার ঢাকায় ইসলামী আন্দোলনের মহাসমাবেশ প্রেশার গ্রুপ তৈরির এ আভাস দেওয়া হয়েছে। সমাবেশ সফল করতে জামায়াতসহ অন্য রাজনৈতিক দলগুলো জনবল সরবরাহ করেছে।

এ খবরে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলগুলোর মতবিরোধ ও দূরত্ব রয়েছে। তা সত্ত্বেও কয়েকটি লক্ষ্য স্থির করে প্রেশার গ্রুপ তৈরি করে মতবিরোধ ও দূরত্ব কমাতে চান ধর্মভিত্তিক দলের সামনের সারির নেতারা।

ইসলামী আন্দোলনের ঢাকার মহাসমাবেশে ধর্মভিত্তিক বিভিন্ন দলের অংশগ্রহণ দেখা গেছে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেলও উপস্থিত ছিলেন ওই মহাসমাবেশে।

' Poor progress may delay July Charter ' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার এ শিরোনামের অর্থ 'ঐকমত্য আলোচনায় দুর্বল অগ্রগতিতে জুলাই সনদ দেরি হতে পারে'।

এ খবরে বলা হয়েছে, ঐকমত্য আলোচনার টানা পঞ্চম দিনেও রাজনৈতিক দলগুলো কোনও সংস্কার প্রস্তাবের বিষয়ে একমত হতে ব্যর্থ হয়েছে।

এর ফলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রত্যাশা অনুযায়ী আগামী মাসের শেষের দিকে জুলাই সনদ প্রকাশ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

গতকাল রোবববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ৩০টি রাজনৈতিক দলের সাথে ঐকমত্য কমিশন আলোচনা করেছে। সংস্কার নিয়ে দ্বিতীয় দফার আলোচনার সপ্তম দিন ছিল।

নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে একজন সদস্য বলেন, কমিশন প্রথমে ১৬ই জুলাইয়ের মধ্যে সনদ চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা করলেও পরে মাসের শেষের দিকে করার কথা নির্ধারণ করেছিল।

দোসরা জুন আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নয়টি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং দলগুলো মাত্র দুটি বিষয়ে একমত হয়েছে।

আগামী দিনগুলোতে আরও এক ডজনেরও বেশি বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পরিকল্পনা করছে জাতীয়ঐকমত্য কমিশন।

কমিশনের একজন সদস্য বলেন, মূলত দলগুলো যেসব ইস্যু ও শর্ত তুলে ধরেছে সেগুলোর কারণেই এই বিলম্ব হচ্ছে।

' Record $30b remittance lifts reserves to $26b ' অর্থাৎ 'রেকর্ড ৩০ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্সে রিজার্ভ দাঁড়ালো ২৬ বিলিয়ন ডলার ' দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার শিরোনাম।

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩০ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। এ বছর শেষ হওয়ার আর মাত্র একদিন বাকি থাকতেই নতুন এক বার্ষিক রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

উন্নয়ন সহযোগী ঋণদাতাদের সাম্প্রতিক অর্থ ছাড়ের ফলে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলারে।

যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম৬) অনুযায়ী হিসাব করা হয়েছে।

এর আগে, ২৪ জুন একই হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২২ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভ বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইএমএফ, এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণ সহায়তার কারণে রিজার্ভ বেড়েছে।