'আওয়ামী লীগে বিভক্তি চ্যালেঞ্জের মুখে হাসিনা'

আওয়ামী লীগে বিভক্তি চ্যালেঞ্জের মুখে হাসিনা' এটি মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম। যদিও এর মূল প্রতিবেদন মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা'র।
এ খবরে বলা হয়েছে, ৭৫ বছর বয়সী রাজনৈতিক দল, জুলাই-অগাস্ট মাসে অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাঝে ভাঙ্গন ধরেছে।
এদিকে, সারাদেশের আ'লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে দলকে পরিত্যাগ করারও প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলে উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
এখানে খুলনায় আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের স্থানীয় সিনিয়র একজন নেতার বরাতে বলা হয়েছে- "যখন টেলিভিশনে নাটকীয় ওই পলায়নের দৃশ্য সম্প্রচার হচ্ছিল, তখনো কিছু নেতাকর্মীকে নিয়ে আমি খুলনার রাজপথে অবস্থান করছিলাম।
আমি আমাদের একজন সিনিয়র নেতা, স্থানীয় এমপিকে ফোন করার চেষ্টা করলাম। কিন্তু তার ফোন ছিল বন্ধ।"
তিনি বলেন, "ঠিক ওই মুহূর্তে আমার মনে হলো আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে।"
বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭৫ সালে সপরিবারে হত্যা করার পর দলকে পুনর্গঠন করে ক্ষমতায় আসতে আওয়ামী লীগের সময় লেগেছে ২১ বছর।
কিন্তু এবারের পরিস্থিতি সেবারের চাইতে ভিন্ন।
কারণ ছাত্রদের নেতৃত্বে রক্তাক্ত গণ-অভ্যুত্থানে মারাত্মক ইমেজ ও নেতৃত্ব সংকটের মুখে পড়েছে আওয়ামী লীগ। কারণ এবারের আন্দোলনে নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনার ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
সাত কলেজের জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা— প্রথম আলো পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। এই খবরটি আজ দেশের অন্যান্য পত্রিকারও প্রধান শিরোনাম হিসাবে এসেছে।
এখানে মূল বিষয়বস্তু হলো, এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা হচ্ছে ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজ এবং সেই কলেজগুলোর জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় করারও পরিকল্পনা করছে সরকার।
এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে একটি কমিটি কাজ করছে। এ বিষয়ে ইউজিসি ইতোমধ্যে এই সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকও করেছে।
সাতটি সরকারি কলেজ হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ। এসব কলেজে শিক্ষার্থী প্রায় দুই লাখ।
এসব কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ছিল।
নিয়মিত ক্লাস নিয়ে পরীক্ষা নেওয়া, সময়মতো ফল প্রকাশ, সেশনজট কমানোসহ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রায় আট বছর আগে এসব কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন আনা হয়েছিল।
কিন্তু আট বছরেও সব সমস্যার সমাধান হয়নি। শিক্ষাবিষয়ক সমস্যাগুলোর পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কিছু অবহেলার অভিযোগও সামনে এসেছে।

রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া বাহিনীর সংস্কার কঠিন— সমকালের প্রধান শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলের সাড়ে ১৫ বছর নিরাপত্তা বাহিনীগুলো যেভাবে রাজনীতিতে জড়িয়েছে, সেখান থেকে তাদের বের করে সংস্কার করা কঠিন হবে বলে মনে করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
গত পাঁচই অগাস্ট-পরবর্তী বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংস্কার নিয়ে 'আফটার দ্য মনসুন রেভুলেশন: এ রোডম্যাপ টু লাস্টিং সিকিউরিটি সেক্টর রিফর্ম ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক প্রতিবেদনে এমন সুপারিশ তুলে ধরেছে সংস্থাটি।
প্রতিবেদনটি আজ মঙ্গলবার প্রকাশ করতে যাচ্ছে এইচআরডব্লিউ।
প্রতিবেদনে গণঅভ্যুত্থানের আগে-পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং ভবিষ্যৎ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা প্রতিরোধে সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর...

Rail communications suspended nationwide— দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার এই খবরে বলা হয়েছে, ট্রেন চালক ও তাদের সহায়ক কর্মীরা আজ মঙ্গলবার ভোর থেকে বিশেষ ভাতা ও অন্যান্য দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছেন।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও চালক সমিতির নেতাদের মধ্যে গতরাতে একটি বৈঠক হলেও তা ব্যর্থ হয়।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে বৈঠকে নেতৃত্বদানকারী অতিরিক্ত মহাপরিচালক আহমেদ মাহবুব চৌধুরী বলেন যে সমিতির নেতারা তাদের কর্মসূচি নিয়ে "অনড়" এবং তারা বৈঠক মাঝপথে ছেড়ে চলে গেছেন।
তবে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ অ্যান্ড শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুর রহমান আজ রাত ১২টা দুই মিনিটে বলেন, "কর্তৃপক্ষের সাথে কোনও ফলপ্রসূ আলোচনা না হওয়ায় আমাদের দেশব্যাপী অনির্দিষ্টকালীন কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।
পণ্যবাহী ও তেলের ট্যাঙ্কারের মতো সব ধরনের ট্রেন এই কর্মবিরতির আওতায় থাকবে।"
জনবল সংকটের কারণে ট্রেন চালক এবং তাদের সহকারী (লোকোমাস্টার, সহকারী লোকোমাস্টার), গার্ড এবং টিকিট চেকাররা বহু আগে থেকেই মর্ধারিত সময়ের বাইরেও কাজ করেছেন এবং এর জন্য অতিরিক্ত পারিশ্রমিক পেয়েছেন।
কিন্তু সেসব সুবিধা ২০২১ সালে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বন্ধ করে দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। এরপর থেকেই আর্থিক সুবিধা বহালের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন করছেন রেলের রানিং স্টাফরা।।

স্বাস্থ্যের জাহিদ মালেক বিমা খাতেও খলনায়ক— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের নিজের বিমা কোম্পানি সানলাইফ ইনস্যুরেন্সে গণহারে বিনিয়োগ করেছিলেন এলাকার মানুষ।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষের বিমা দাবি পরিশোধ না করে ২০২৩ সালে গ্রিন ডেলটা ইনস্যুরেন্স ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কাছে তিনি ও তার পরিবার সানলাইফ ইনস্যুরেন্সের সব শেয়ার বিক্রি করে দেন।
কিন্তু বিক্রির আগে থেকেই সানলাইফ কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত দিতে নানা টালবাহানা শুরু করে।
এদিকে মালিকানা হাতবদল হওয়ার পর গ্রিন ডেলটা কর্তৃপক্ষ সানলাইফের নামেই ওই বিমা কার্যক্রম পরিচালনা করলেও গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত দিচ্ছে না।

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি নেমেছে ১ দশমিক ৪১ শতাংশে— বণিক বার্তা পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, কয়েক বছর ধরেই দেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেশ মন্থর। গত ছয় মাসে তা আরো মন্থর হয়ে এসেছে।
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই থেকে নভেম্বর) দেশের বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বেড়েছে মাত্র এক দশমিক ৪১ শতাংশ। এর আগে গত অর্থবছরের একই সময়ে এ প্রবৃদ্ধির হার ছিল তিন দশমিক ৪৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের জুন শেষে বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের স্থিতি ছিল প্রায় ১৬ লাখ ৪১ হাজার ২২৯ কোটি টাকা।
নভেম্বর শেষে ঋণের এ স্থিতি বেড়ে ১৬ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। সে হিসাবে পাঁচ মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ স্থিতি বেড়েছে মাত্র ২৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা। আর ঋণ প্রবৃদ্ধির হার প্রায় এক দশমিক ৪১ শতাংশ।
ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ এর আগে এতটা মন্থর হয়ে আসতে দেখা যায়নি।
নভেম্বরের পরও এ চিত্রে তেমন কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং, এখন ঋণের যে প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে এরও বড় অংশ এসেছে অনাদায়ী সুদ ও সুদহার বৃদ্ধির প্রভাবে।

রাশিয়ায় যুদ্ধে আট বাংলাদেশি!— কালের কণ্ঠ পত্রিকার এই প্রধান শিরোনামে বলা হয়েছে, বিভিন্ন কারখানা ও ক্যান্টনমেন্টে মালি বা বাবুর্চির কাজ দেওয়ার কথা বলে 'ড্রিম হোম ট্রাভেল' নামক একটি এজেন্সি থেকে বাংলাদেশি তরুণদেরকে রাশিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।
এই এজেন্সির মধ্যস্থতায় পাঠানো ১০ তরুণের মধ্যে আটজন সেখানে গিয়ে যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে অনেকের কোনো খোঁজ মিলছে না।
অভিযোগ প্রসঙ্গে কথা হয় ড্রিম হোম ট্রাভেলসের চেয়ারম্যান এম এম আবুল হাসান দাবি করেন, মালি বা বাবুর্চির ভিসাতেই ১০ জনকে রাশিয়া পাঠিয়েছিলেন তিনি।
তবে তাদের যুদ্ধের মাঠে ঠেলে দেওয়া হবে—এ বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না।
যুদ্ধের প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, "যেহেতু সেনা ক্যাম্পে চাকরি, তাই আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে তাদের যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিলো। এখানে আমাদের কোনো দায় নেই। এখন আমরা তাদের ফেরত আনতে চেষ্টা করছি।"

সরকার উৎখাতে চক্রান্ত!— যুগান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি। এতে বলা হয়েছে, কারাগারে থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাতের চক্রান্ত করছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ বিভিন্ন মন্ত্রী।
আদালতে এসে সরকারের বিরুদ্ধে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্তানুসারে সবাইকে 'প্রস্তুত' থাকতে নির্দেশনা দেন সালমান এফ রহমান। অন্যদিকে কারাগার থেকে টিস্যু পেপারে লিখে আইনজীবীর মাধ্যমে 'গোপন বার্তা' দেন পলক।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকেন্দ্রিক হত্যা ও হত্যাচেষ্টার বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখাতে সোমবার সকালে সালমান এফ রহমান, জুনাইদ আহমেদ পলকসহ ১০ জনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।
এই সুযোগে সালমান এফ রহমান তার আইনজীবী গোলাম মোনতাজাকে কাছে ডেকে বলেন, "শ্রমিকদের কী খবর? এরা কী করতেছে? সরকার ৪০ হাজার শ্রমিকের চাকরি খেয়েছে। ১০ হাজার শ্রমিক মাঠে নামলেই তো হয়। আমি চাইছিলাম কোম্পানিটা চালানো হোক।"
এদিকে সেদিন শুনানি শুরু হওয়ার আগে জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছে ছুটে যান তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি ও তরিকুল ইসলাম। কুশল বিনিময়ের সময় কৌশলে আইনজীবী তরিকুল ইসলামের হাতে লেখা একটি টিস্যু পেপার গুঁজে দেন।
এ সময় বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশ সদস্যরা বলেন, টিস্যু পেপার বা কাগজে কোনো বার্তা দেওয়া নিষেধ। তখন এই আইনজীবী টিস্যু পেপারটি লুকিয়ে ফেলেন।

ইসলামি দলগুলোর কদর বাড়ছে বিএনপি জামায়াতে— দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রথম পাতার একটি শিরোনাম।
এতে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইসলামি দলগুলোকে কাছে টানার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
এর অংশ হিসেবে গত ২২শে জানুয়ারি ঢাকায় খেলাফত মজলিসের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপি নেতারা।
একইদিন বরিশালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি রেজাউল করীমের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিএনপি নেতারা বলছেন, ন্যূনতম সংস্কার শেষে নির্বাচনের দাবিতে ঐকমত্য সৃষ্টিতে ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করছেন তারা।
অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বলছেন, তারা চাইছেন অন্য ইসলামি দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করতে।

বোরো মৌসুমে ৬ গুণ ঘাটতি ডিএপির— নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।
এখানে বলা হয়েছে, দেশে সবচেয়ে বেশি চাল উৎপাদন হয় চলমান বোরো মৌসুমে।
চলতি জানুয়ারি মাস থেকে যা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
তবে সার সংকট দিয়ে এ মৌসুমের শুরু হয়।
দেশের বিভিন্ন জায়গায় কৃষককে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে সার।
কৃষি মন্ত্রণালয় ও বিএডিসির তথ্য বলছে, এই চলমান বোরো মৌসুমে ইউরিয়া সার ও এমওপির কোনও ঘাটতি নেই।
তবে ঘাটতি রয়েছে ডিএপি ও টিএসপি সারের।









