'রেকর্ড আট বোনাসে পকেট গরম'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'রেকর্ড আট বোনাসে পকেট গরম'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকার নির্ধারিত বেতন-বোনাসের বাইরে ১২ মাসে নিচ্ছেন আটটি বোনাস।

শিক্ষার্থীদের দেওয়া পরীক্ষার উচ্চ ফি থেকে তারা বাড়তি আয় করছেন। ইচ্ছামতো ভাতা ও সম্মানি নেয়ার পরিমাণ অনেক ক্ষেত্রে বেতনের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি।

স্কুল-কলেজের পাবলিক পরীক্ষায় বড় অঙ্কের ফি দিতে হয়। এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সারা বছরই পরীক্ষা লেগে থাকে। এ জন্য শিক্ষার্থীদের বছরে অন্তত দুই থেকে তিনবার পরীক্ষার ফি দিতে হয়।

এই ফি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্যও মওকুফ করা হয় না। আর পরীক্ষার ফির টাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মূল ফান্ডের সঙ্গেও যোগ করা হয় না।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খরচ বাদে বাকি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করা হয়। শিক্ষকরা নিজেরাই নিয়ম করে দীর্ঘদিন ধরে এই বোনাস নিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষা বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুই ঈদে সরকার নির্ধারিত মূল বেতনের সমান দুটি উৎসব ভাতা এবং মূল বেতনের ২০ শতাংশ বৈশাখী ভাতা পেয়ে থাকেন।

কিন্তু দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেরা নিয়ম করে মূল বেতনের সমপরিমাণ আরো পাঁচটি উৎসব ভাতা নিয়ে থাকেন।

বোর্ডগুলোতে প্রায় প্রতিদিন কর্মকর্তাদের একাধিক বৈঠক থাকে। অফিসের নির্ধারিত সময়ে সেসব বৈঠক হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা সম্মানি নিয়ে থাকেন।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'সমর্থন নেই ভারতের'

প্রতিবেদনে মূলত ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য হিন্দুতে প্রকাশিত ইনডিয়া ডাজ নট এনডোর্স হাসিনা'স স্টেটমেন্টস : মিশ্র' শীর্ষক শিরোনামে বিক্রম মিশ্রির বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সমালোচনা করে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন বিবৃতিতে ভারতের সায় নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি।

এটা নিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে একটা অস্বস্তি বিরাজ করছে বলেও জানান তিনি।

বুধবার লোকসভার বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা শশী থারুরের সভাপতিত্বে পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে দেওয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা সফর নিয়ে ওই ব্রিফিংয়ে তিন আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক 'কোনো একক রাজনৈতিক দল' বা একটি সরকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। 'বাংলাদেশের জনগণের' সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেয় ভারত। তারা বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করবে।

ভারত সরকার শেখ হাসিনাকে এমন কোনো প্ল্যাটফর্ম বা সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করেনি, যা দিয়ে তিনি ভারতের মাটিতে বসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে পারেন।

হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্রম মিশ্রির এই বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে ভিডিও বার্তা দিয়ে আসছেন।

পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'মংডু আরাকান আর্মির দখলে, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের শঙ্কা'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ ১১ মাসের লড়াইয়ের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার দাবি করেছে দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)।

মংডু আরাকান আর্মির দখলে চলে যাওয়ায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমারে দুই পারেই রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তাঝুঁকি বেড়েছে।

রাখাইন রাজ্যে পাঁচ লাখের মতো রোহিঙ্গা আছে এখনো। তাদের সঙ্গে আরাকান আর্মির বিরোধ আছে। রাখাইনের রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হতে পারে।

এমন আশঙ্কা থেকে বান্দরবান ও কক্সবাজার সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মংডু দখলে নেওয়ার পরপরই আরাকান আর্মি নাফ নদীতে নৌ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এই নিষেধাজ্ঞার পর বাংলাদেশে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে যাত্রীবাহী ট্রলার ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

পর্যটকেরা সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে যাচ্ছেন কক্সবাজার শহরের নুনিয়াছটার বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট দিয়ে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, পাঁচ দিন ধরে নৌ চলাচল বন্ধ থাকায় সেন্ট মার্টিনে খাদ্যসামগ্রীর মজুত কমে গেছে। টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমার থেকে আমদানি পণ্যবোঝাই জাহাজ বা কার্গো ট্রলার বাংলাদেশে আসতে পারছে না।

পত্রিকা

সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'হতদরিদ্ররা কাপছে ঠান্ডায় শীত ব্যবস্থাপনা ঠনঠন'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পৌষের আগেই শীতের দাপটে হতদরিদ্র কাঁপলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এখনও কিনতে পারেনি ত্রাণের কম্বল। গেল বছরও কম্বল নিয়ে বিপত্তিতে পড়েছিল সরকার।

এবার নভেম্বরে দরপত্র আহ্বান করার পরও কম্বল কিনতে না পেরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নগদ টাকা পৌঁছে দিচ্ছে। সেই টাকায় স্থানীয় বাজার থেকে মানহীন কম্বল শীতার্ত মানুষকে গছানোর অভিযোগ উঠেছে।

প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা কিছু কম্বল বিতরণ করে নিজেদের দায়িত্ব সারতে চাইছেন। এ সময়ে এলাকায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি না থাকায় শীতার্তদের তালিকা তৈরি ও বিতরণেও লেগেছে ভজকট।

অন্যদিকে, বেসরকারি পর্যায়ে শীতবস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার রেওয়াজ থাকলেও এবার সামাজিক, রাজনৈতিক, মানবিক ও ব্যবসায়ী সরকার এবারও কিনতে পারেনি কম্বল। স্থানীয় বাজার থেকে কিনে দেওয়া মানহীন কম্বলে মানছে না শীত।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক উত্তাপে শীতে বিপর্যস্ত মানুষের কষ্ট গণমাধ্যমে উঠে আসছে না। এ ছাড়া গত বন্যায় মানবিক উদ্যোগ নানা বিতর্কের মুখে পড়ে। ফলে এখন আর খুব বেশি মানুষ মানবিক উদ্যোগে যুক্ত হতে চান না।

এদিকে রাজধানী ঢাকায় ছিন্নমূল মানুষকে শীত থেকে বাঁচাতে এবার কোনো উদ্যোগ নেই। দুই সিটির মেয়র ও কমিশনার না থাকায় শীতবস্ত্র বিতরণে কোনো তোড়জোড় দেখা যাচ্ছে না।

পত্রিকা

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ক্যান্সারের চিকিৎসাসেবা নিতে প্রতি বছর প্রতিবেশী ভারতে যান আক্রান্তদের বড় একটি অংশ। সাম্প্রতিক সময়ে ভিসা নিয়ে জটিলতা বাড়ায় তাদের অধিকাংশই এখন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া শুরু করেছেন।

তবে ক্যান্সার চিকিৎসায় দেশের হাসপাতালগুলোয় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও দক্ষ জনবল না থাকায় উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সেই সঙ্গে ব্যয়বহুল এ চিকিৎসার খরচ জোগানো নিয়েও ভুক্তভোগীদের রয়েছে বড় ধরণের দুশ্চিন্তা।

দেশে প্রতি বছর কী পরিমাণ ক্যান্সারের রোগী শনাক্ত হচ্ছে তার সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসা গবেষকরা।

তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের গবেষকদের করা জনসংখ্যাভিত্তিক ক্যান্সার রেজিস্ট্রি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রতি এক লাখে ১১৪ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন।

বিপুলসংখ্যক এ রোগীর দেশে চিকিৎসাসেবা দেয়ার মতো সক্ষমতা নেই সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর। ফলে ক্যান্সার আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ভারত, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের ওপর নির্ভরতা দিনে দিনে বেড়েছে।

এছাড়া ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর মানসিক স্বাস্থ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‍যখন রোগীকে মাঝ পর্যায়ে চিকিৎসক পরিবর্তন করতে হয়, তখন রোগীর মধ্যে মানসিক উদ্বেগ তৈরি হয়, যা চিকিৎসায় বিরূপ প্রভাব ফেলে।

পত্রিকা

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'Rab admits, apologises' অর্থাৎ, 'র‍্যাবের স্বীকারোক্তি এবং দুঃখ প্রকাশ'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গুম, হত্যা এবং অপহরণের শিকার পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন র‍্যাবের মহাপরিচালক একেএম শাহিদুর রহমান।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, " র‍্যাবের বিরুদ্ধে গুম, হত্যা এবং অপহরণের বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। আমি ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।"

সেইসাথে তিনি র‍্যাবের গোপন কারাগারের অস্তিত্বের কথাও স্বীকার করেছেন, যেখানে অপহৃত ব্যক্তিদের রাখা হতো।

তবে এর প্রতিক্রিয়ায়, গুমের শিকারদের পরিবারের প্ল্যাটফর্ম "মায়ের ডাক" জানিয়েছে, শুধুমাত্র ক্ষমা চাওয়া যথেষ্ট নয়। এর পেছনে যারা জড়িত, তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য একটি সঠিক এবং স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া প্রয়োজন।"

গত ৫ই অগাস্ট দায়িত্ব পাওয়া এই র‍্যাব প্রধান ওই ব্রিফিংয়ে আরো বলেছেন, "যতদিন আমি দায়িত্বে আছি…, কোনো আদেশ আসুক না কেন, আমরা গুম বা হত্যার মতো অপরাধে যুক্ত হব না,"

এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুমের মতো অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া শুরু করেছে। র‍্যাবের আশা এই বাহিনীটির বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সঠিক এবং নিরপেক্ষ তদন্ত হবে এবং বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত হবে।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগে র‌্যাবের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। সম্প্রতি বিএনপি র‍্যাব বিলুপ্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে। যদিও তাদের শাসনামলেই র‍্যাব গঠিত হয়েছিল।

এদিকে আন্দোলনের সময় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে র‍্যাব হেলিকপ্টার থেকে অস্ত্র, টিয়ারগ্যাস শেল এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহারের অভিযোগ প্রসঙ্গে শাহিদুর বলেন, তদন্তের মাধ্যমে তথ্য প্রকাশিত হবে।

পত্রিকা

মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, 'চাপে জেরবার জীবন, স্বস্তি আসবে কবে?'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার পতনের পর নিত্যপণ্যের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে- এমনটা আশা করা হলেও কোন স্বস্তি মিলেনি। নিত্যপণ্যের দাম সহসা কমে আসবে- এমন ভরসাও মিলছে না।

সরকারি হিসাবেই এখন উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বলেছেন, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে আসতে আরও বছর খানেক সময় অপেক্ষা করতে হবে।

অথচ নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের অসঙ্গতি মিলাতে পারছেন না তারা।

সর্বশেষ ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে। দাম বাড়ানোর আগের কয়েক দিন আগে থেকে বাজার থেকে উধাও হয়ে যায় বোতলজাত ভোজ্য তেল। খোলা তেল বিক্রি হয় বাড়তি দামে।

নতুন আলু বাজারে আসা শুরু হলেও এখনও বাজারে ৮০ টাকা কেজিতে আলু বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ।

বিগত সরকারের সময়ে বাজারে সিন্ডিকেট গড়ে যে লুটপাট করা হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এমন কিছু থাকবে না বলেও মানুষ মনে করছে। কিন্তু বাস্তবে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছেই এখনো জিম্মি বাজার।

নতুন সরকার কিছু পণ্যের আমদানি শুল্ক কমালেও এসব পণ্যের আমদানি বাড়েনি। কমেনি দামও।

পত্রিকা

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, '৪০০০ কোটির প্রকল্পে জোড়াতালি'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বছরের পর বছর তীব্র যানজটের ভোগান্তি দিয়ে অবশেষে জোড়াতালি দিয়ে চালু হচ্ছে ঢাকা-গাজীপুর বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্প।

তবে ১২ বছর বয়সী প্রকল্পটির কাজ এখনো শেষ হয়নি। এ পথে চলাচলের জন্য নির্ধারিত বিশেষায়িত বাসও কেনা হয়নি। তাই শুরুতে বিআরটিসির বাসই চলবে।

প্রস্তুতিতে নানা ঘাটতি নিয়েই ৬ই ডিসেম্বর শুরু হয়েছে পরীক্ষামূলক চলাচল। ১৬ই ডিসেম্বর এটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে।

চার হাজার ২৬৭ কোটি টাকার বিআরটি প্রকল্পের শেষ দিকে ধরা পড়েছে নির্মাণ ত্রুটিও। দফায় দফায় কাজের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং পরিকল্পনায় বড় ত্রুটির কারণে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাই এটিকে রুগ্‌ণ প্রকল্প আখ্যা দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এত ভোগান্তি, বিপুল অর্থ ও সময় ব্যয়ের পর জোড়াতালি দিয়ে চালু করে বিআরটি প্রকল্পের লক্ষ্য পূরণ হবে না।

অভিযোগ রয়েছে, দরপত্রে অনিয়মের কারণে দুই বছরেও কেনা যায়নি বিশেষায়িত ১৩৭টি বাস। কারসাজির কারণে সাবেক সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও সাবেক সড়ক সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরীর 'পছন্দের' প্রতিষ্ঠান বাদ পড়ায় 'কার্যকর প্রতিযোগিতা' হয়নি—এমন অজুহাতে একটি দরপত্র বাতিল করা হয়।

এ ব্যাপারে অন্তর্বর্তী সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন এই বাস চলাচলের জন্য যে সফটওয়্যার লাগবে, তা এখনো করা হয়নি। তিনি বলেন, এত বড় বিনিয়োগে এখনো মানুষ কিছু পাচ্ছে না।