আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'সতর্ক করলেন সেনাপ্রধান'
দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম: 'সতর্ক করলেন সেনাপ্রধান'।
খবরের বিস্তারিত অংশে বলা হয়েছে যে, নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি, মারামারি, কাটাকাটি করলে দেশ ও জাতিহর স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে বলে সবাইকে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
তিনি বলেছেন, নিজেরা হানাহানিতে পরস্পরের বিরুদ্ধে বিষোদগারে ব্যস্ত থাকার সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। তাই এগুলো বন্ধ করে তিনি সবাইকে একসঙ্গে থাকার জন্য কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার 'জাতীয় শহিদ সেনা দিবস' উপলক্ষ্যে ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেছেন।
সেনাপ্রধানের বক্তব্য তুলে ধরে খবরে বলা হয়েছে, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, 'আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি, পরে বলবেন যে-আমি সতর্ক করিনি। আপনারা যদি নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ না করতে পারেন, নিজেরা যদি কাদা ছোড়াছুড়ি করেন, মারামারি-কাটাকাটি করেন, এই দেশ এবং জাতির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। আমি আজকে বলে দিলাম। নইলে আপনারা বলবেন যে আমি আপনাদের সতর্ক করিনি। আমি সতর্ক করে দিচ্ছি আপনাদের।'
সেনাপ্রধানের বক্তব্য নিয়ে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান শিরোনাম: 'এনাফ'।
বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আসছে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। মারামারি-কাটাকাটি আর কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে সব পক্ষের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন, তা না হলে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে।
সেনাপ্রধান বলেছেন, 'আমার অন্য কোনো আকাঙ্ক্ষা নাই, একটাই আকাঙ্ক্ষা। দেশ এবং জাতিটাকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে ছুটিতে যাওয়া। আই হ্যাড এনাফ, লাস্ট সেভেন-এইট মান্থস আই হ্যাড এনাফ। আমি চাই দেশ এবং জাতিকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে আমরা সেনানিবাসে ফেরত আসবো।'
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, 'ওই বর্বরতা বিডিআর সদস্যরাই সংঘটিত করেছে। ফুল স্টপ। এখানে কোনো ইফ বা বাট নাই। কোনো বাহিনীকে অবমূল্যায়ন না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, আক্রমণ করবেন না। উপদেশ দেন, তা আমরা গ্রহণ করবো।'
সেনাপ্রধানের বক্তব্যের একই বিষয়ে প্রধান শিরোনাম ছাপা হয়েছে ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারে।
পত্রিকাটির প্রথমপাতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবরের শিরোনাম : 'Govt procurement under monopolistic control.' অর্থাৎ 'একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের কবলে সরকারি ক্রয়'।
খবরের ভেতরের অংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সরকারি টেন্ডারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের গবেষণায় দেখা গেছে যে, গত ১২ বছরে সরকারের সব ধরনের টেন্ডারিংয়ের প্রায় ১৭ শতাংশ ক্ষেত্রে একজন মাত্র দরপত্রদাতা অংশ নিয়েছেন।
এর মানে হচ্ছে, কোনো ধরনের প্রতিযোগিতার সুযোগ না রেখেই হাতেগোনা কয়েকজন দরপত্রদাতাকে কাজ দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি নীতি পরিপন্থী।
দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম 'শেষ সময়েও নতুন দলের নেতৃত্বে টানাপোড়েন'।
খবরের বিস্তারিত অংশে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের নেতাদের রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদ ছেড়েছেন নাহিদ ইসলাম। আগামী শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া দলটির আহ্বায়ক পদে তার দায়িত্ব নেওয়া নিশ্চিতঅ
তবে অন্য শীর্ষস্থানীয় পদ ও কমিটিতে কারা থাকছেন, তা নিয়ে শেষ সময়েও চলছে টানাপোড়েন। সব পক্ষকে সন্তুষ্ট করতে কমিটির আকার বড় হতে পারে।
খবরে আরও বলা হয়েছে, আপাতত দলটির কমিটির আকার হতে পারে ১৫০ সদস্যের, যা পরে তা বাড়িয়ে ৩০০ করা হতে পারে।
কমিটিতে সদস্য সচিব পদে আখতার হোসেনের দায়িত্ব পাওয়া প্রায় নিশ্চিত। তবে মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র পদে হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন, এমন কথা ক'দিন ধরে শোনা গেলেও তা এখনও শতভাগ নিশ্চিত নয়।
জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদকে শীর্ষ চার পদের যে কোনো একটিতে চাইছেন তাদের অনুসারীরা।
তথ্য উপদেষ্টার পদত্যাগ নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম: 'নতুন দলের দায়িত্ব নিতে সরকার ছাড়লেন নাহিদ'।
বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করলেন মো. নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে নতুন দলের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ হতে যাচ্ছে।
খবরে আরও বলা হয়েছে যে, জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যৌথ উদ্যোগে গঠিত হতে যাওয়া নতুন দলে নাহিদের সঙ্গে সদস্যসচিব হিসেবে থাকছেন আখতার হোসেন। তিনি জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক।
এই দু'জন একসময় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদের ছাত্রসংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তি নামে নতুন ছাত্রসংগঠন তৈরি করে আখতার এটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও নাহিদ সদস্যসচিব হন বলেও খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
একই বিষয়ে প্রধান শিরোনাম ছাপা হয়েছে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায়।
'নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ' শীর্ষক ওই খবর ছাড়াও প্রথমপাতার আরেকটি খবরের শিরোনাম: 'কৃষকের পাশে কেউ দাঁড়ানোর নেই'।
খবরে বলা হয়েছে, দেশের সব শ্রেণির মানুষের খাদ্যের জোগানদাতা কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম না পেয়ে দিন দিন নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। ধান-পাট-গম-সবজিসহ নানা ধরনের ফল, ফসলের চাষ করে অধিকাংশ সময় উৎপাদন খরচই তুলতে পারছেন না।
এ অবস্থায় বাড়ছে কোল্ডস্টোরেজের ভাড়া। বস্তাপ্রতি ২৫০ টাকা ভাড়া বেড়ে ৩০০ টাকা হচ্ছে। ফলে কৃষক প্রান্তিক থেকে আরও প্রান্তিক হয়ে পড়ছেন। দেহের মতোই জীর্ণ হয়ে পড়ছে তার বসতবাড়ি।
খবরটিতে এটাও বলা হয়েছে যে, দাদাল ফড়িয়া, পাইকার, সিন্ডিকেট এবং করপোরেট চক্রে পড়ে দিশেহারা কৃষক। মোটাতাজা হচ্ছে এসব মধ্যস্বত্বভোগী চক্র।
দেশে কৃষিপণ্যের বাণিজ্যিকীকরণ ঘটছে। কিন্তু কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটেনি। ফসল চাষ করে দাদন ও মহাজনী ঋণের বোঝায় খোয়াচ্ছেন জমি-জিরাত।
উচ্চমূল্যে জমি চাষ, শ্রমিকের মজুরি, বীজ, সার, কীটনাশক কিনতে গিয়ে ঋণের জালে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে যাচ্ছে অসহায় কৃষক। এসব করে অনেকেই পথে বসেছেন।
ছাত্রদের নতুন দল নিয়ে দৈনিক নিউএজ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম: 'Manifesto, programmes not finalized yet.' অর্থাৎ 'ইশতেহার, কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি'।
খবরে বলা হয়েছে, আগামী ২৮শে ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দলের ইশতেহার ও কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
এর মধ্যেই নতুন দলে নেতৃত্ব দিতে সরকারের উপদেষ্টা পদে ইস্তফা দিয়ে নাহিদ ইসলাম। তবে দল ঘোষণা হওয়ার পর পর্যায়ক্রমে ইশতেহার ও কর্মসূচি ঘোষিত হবে বলে জানানো হয়েছে।
খবরে আরও বলা হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে নতুন দলটি ১৫১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করতে যাচ্ছে। সেখানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির বাইরেও অনেকে পদ পেতে যাচ্ছেন।
আরেক ইংরেজিড দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার প্রথমপাতার একটি খবরের শিরোনাম: 'Who benefits from delayed national polls? Asks Tariuque'.
অর্থ্যাৎ নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধাপ্রাপ্ত হবে, প্রশ্ন তারেকের।
খবরটিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন দেওয়ার জন্য অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যার তারেক রহমান।
মঙ্গলবার কুমিল্লায় দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে এই মুহূর্তে নির্বাচন বিলম্বিত হলে কারা সুবিধাপ্রাপ্ত হবে, এটাও দেখার বিষয়।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি বিশ্বাস করে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের চর্চা যত অব্যাহত রাখা যায়, তত বেশি বাংলাদেশের মানুষ ষড়যন্ত্রের হাত থেকে নিরাপদে থাকবে।
দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান শিরোনাম: 'নিয়ন্ত্রিত ভোটে অনিয়ন্ত্রিত খরচ'।
বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে যে, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে যে তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সেখানে প্রায় বিনাভোটেই সংসদ সদস্য হয়েছেন দলটির নেতারা।
একতরফা এসব নির্বাচনের নামে প্রায় তিন হাজার ৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছে তৎকালীন সরকার।
খবরে আরও বলা হয়েছে, বিষয় নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
যাদের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে, তাদের তালিকা গুছিয়ে আনা হয়েছে। ২০১৮ সালে যেসব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এতে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে ৩৩ জন ডিসিকে ওএসডি এবং পুলিশের চারজন ডিআইজি ও দুজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে বা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
দৈনিক বণিকবার্তার প্রধান শিরোনাম: 'শিল্পে বছরের পর বছর কালো টাকা সাদা করার সুযোগেও সাড়া মেলেনি'।
খবরে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত পাঁচ বছর দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাই-টেক পার্কে অর্থায়নের উৎস ও পণ্য উৎপাদন বিষয়ে বিনা প্রশ্নে মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ দিয়েছিল সরকার। তবে তাতে খুব একটা সাড়া মেলেনি।
একইভাবে নতুন শিল্প-কারখানা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও মাত্র ১০ শতাংশ করের বিনিময়ে আয়ের উৎস নিয়ে বিনা প্রশ্নে বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল। ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল রাখা হয়। এক্ষেত্রেও তেমন সাড়া মেলেনি।
এখন পর্যন্ত দেশে সরকারের দেয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে মূলত জমি, ফ্ল্যাট, এফডিআর, পুঁজিবাজার, সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি পর্যায়ের বিনিয়োগের মাধ্যমে বল খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।
'পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে দেশ দায়বদ্ধ'-দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরটির বিস্তারিত অংশে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে দেশ দায়বদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
মঙ্গলবার এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পিলখানায় বীর সেনা সদস্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর অনেকগুলো বছর ধরে জাতি হিসেবে আমাদের নানা বিভ্রান্তিতে রাখা হয়েছে। রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ এই নির্মমতার সুবিচার নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।