পত্রিকা: 'মার্কিন শুল্ক, আলোচনা চলছে অগ্রগতি নেই এখনো'

আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা
ছবির ক্যাপশান, আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বর্ধিত শুল্ক নিয়ে দ্বিতীয় দফার আলোচনা ওয়াশিংটনে শুরু হয়েছে।

৯ই জুলাই থেকে তিন দিনের এই আলোচনা চললেও এখনো কোনো বড় অগ্রগতি হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ৩৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক কমানোর সম্ভাবনা স্পষ্ট নয়।

বাংলাদেশ আলোচনা শুরু করেছে কিছুটা দেরিতে, যদিও প্রথম দফা আলোচনা জুনেই হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের কিছু পণ্যের শুল্ক কমাতে প্রস্তুত, তবে তারা কিছু শর্ত দিয়েছে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞায় থাকা দেশের পণ্য না নেওয়ার বিষয়টি।

এতে বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্যে সীমাবদ্ধতা আসতে পারে।

বাংলাদেশ নতুন কোনো প্রস্তাব না দিলেও আলোচনার প্রথম দিন যুক্তরাষ্ট্র মনোযোগ দিয়ে শুনেছে বলে জানায় বাংলাদেশ দূতাবাস। তবে তারা কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।

এই আলোচনায় কৃষি, জ্বালানি, মেধাস্বত্বসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে আলোচনার শেষ দিনে।

এদিকে একই সময়ে ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করে চুক্তি করেছে এবং চীনা পণ্যের ট্রান্সশিপ ঠেকাতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ এখনো পিছিয়ে রয়েছে।

ভিয়েতনামের মতো আগ্রহ দেখাতে না পারলে বাংলাদেশকে আগস্ট থেকে বাড়তি শুল্ক দিতে হতে পারে, যা রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ কম।

মূলত ইংরেজি ও গণিতে অধিকাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সার্বিক ফল খারাপ হয়েছে। এবার পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৯ লাখ শিক্ষার্থী, পাস করে ১৩ লাখ, ফেল করে ছয় লাখ।

জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ ৩৯ হাজার, যা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৪৩ হাজার কম। বরিশাল বোর্ডে সবচেয়ে খারাপ ফল দেখা গেছে, যেখানে গণিতে প্রায় ৩৫ শতাংশ ও ইংরেজিতে ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে।

একজন কৃষকের কন্যা সানজিদা ভালো ফল করলেও গণিতে ফেল করেছে, কারণ হিসেবে উঠে এসেছে শিক্ষকের দুর্বলতা ও মানহীন প্রাইভেট ক্লাস।

শিক্ষা বোর্ড জানায়, এবার খাতা মূল্যায়ন ও পরীক্ষার হলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় প্রকৃত চিত্র উঠে এসেছে। শিক্ষকদের দক্ষতার অভাব রয়েছে, বিশেষ করে ইংরেজি ও গণিতে।

ব্যানবেইসের তথ্যে দেখা যায়, ইংরেজি ও গণিত শিক্ষকদের অধিকাংশেরই নিজ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেই। গ্রামের স্কুলগুলোয় শিক্ষক সংকট বেশি, বেতন কম হওয়ায় ভালো শিক্ষক সেখানে যেতে চান না।

এ বছর ছাত্রীরা পাসের হার ও জিপিএ ৫-এ ছেলেদের চেয়ে এগিয়ে। পাসের হার সর্বোচ্চ রাজশাহীতে, সর্বনিম্ন বরিশালে।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, ফলাফল কমার পেছনে রাজনৈতিক চাপ না থাকা ও বাস্তব মূল্যায়নের প্রভাব রয়েছে।

পত্রিকা

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'পাসের হারে ভাটা, কমেছে জিপিএ ৫'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ ৫-এর হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

গড় পাসের হার এবার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ, যা গত বছর ছিল ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন, যা গত বছরের চেয়ে ৪৩ হাজার কম।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর দাবি, এবার কোনো গ্রেস মার্কস বা অতিরিক্ত নম্বর না দিয়ে পরীক্ষার খাতার যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রকৃত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ফলে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিখনের চিত্র ফুটে উঠেছে।

ঢাকা, বরিশাল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, যশোর, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহসহ সব বোর্ডেই পাসের হার কমেছে। বরিশাল ও ময়মনসিংহে সবচেয়ে কম পাসের হার দেখা গেছে।

কুমিল্লা, দিনাজপুর ও রংপুর বোর্ডেও পাস ও জিপিএ ৫-এর হার অনেক কমে গেছে।

মেয়েরা এবারও ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে আছে, পাসের হার ও জিপিএ ৫ দুটোতেই। দেশের ৯৮৪টি স্কুল শতভাগ পাস করলেও ১৩৪টি স্কুল থেকে একজনও পাস করতে পারেনি।

মাদ্রাসা ও ভোকেশনাল বোর্ডেও একই ধারা দেখা গেছে, পাসের হার কমেছে, যদিও ভোকেশনালে জিপিএ ৫ কিছুটা বেড়েছে।

শিক্ষা কর্তৃপক্ষ মনে করছে, আগের বছরের চাপমুক্ত এই ফলাফলই বাস্তব চিত্র।

পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় 'রাজসাক্ষী' সাবেক আইজিপি'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্বীকার করেছেন যে, তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন।

তিনি নিজেকে রাজসাক্ষী (অ্যাপ্রুভার) হিসেবে আদালতে পেশ করেছেন এবং সমস্ত সত্য তথ্য দিতে রাজি হয়েছেন।

ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন গ্রহণ করেছে এবং মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে।

মামলায় প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং মামুন। হাসিনা ও কামাল পলাতক।

মামলায় পাঁচটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক ভাষণ, ড্রোন ও অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ, গণহত্যা, নিরীহ মানুষের ওপর গুলি, ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যা।

মামুন দোষ স্বীকার করায় তিনি এখন জেলে থাকলেও, আদালত চাইলে তাকে দয়া বা শাস্তি দিতে পারে। নিরাপত্তা হুমকির কারণে তাঁর আইনজীবী সুরক্ষার আবেদন করেছেন।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন এবং তাকে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

এ ছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে আরও তিনটি মামলা চলছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তাঁকে ছয় মাসের জেলও দেওয়া হয়েছে।

মামলার অন্যান্য আসামিদের বিরুদ্ধে আত্মসমর্পণের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'ভোটের ট্রেনে ওঠার তোড়জোড়'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত সবার মধ্যে আলোচনা চলছে।

প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনি প্রস্তুতি শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পর বিএনপি, জামায়াত, বাম দলসহ অনেকেই তা ইতিবাচকভাবে নিয়েছে।

বিএনপি বলছে, তারা লিবারেল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী এবং মনে করে নির্বাচন নিয়ে আর জটিলতা হবে না। জামায়াত জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় সংস্কার ও বিচার নিশ্চিত হলে তাদের অংশগ্রহণে আপত্তি নেই।

নতুন দল এনসিপি এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-সহ বিভিন্ন দল নির্বাচনি প্রচার ও প্রার্থী চূড়ান্ত করার কাজে ব্যস্ত।

এদিকে নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা হালনাগাদ, আসন পুনর্নির্ধারণ, নতুন দলের নিবন্ধন, পোস্টাল ব্যালট, ইভিএম বাতিলসহ নানা প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কমিশন প্রবাসীদের জন্য ভোটাধিকার কার্যকর করতে যাচ্ছে এবং নির্বাচনি অনিয়মে আসন বাতিলের ক্ষমতা ফিরিয়ে আনছে।

পাশাপাশি প্রার্থীদের হলফনামায় আরো তথ্য যুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ধর্মান্তরিতদের এনআইডি সংশোধনের সমস্যাও সহজ করা হবে।

সব মিলিয়ে, ফেব্রুয়ারি বা এপ্রিলের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে, এই সম্ভাবনায় রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছে।

কেউ সংস্কার ছাড়া নির্বাচন মানবে না বলছে, কেউ আবার দ্রুত নির্বাচিত সরকার গঠনের কথা বলছে।

পত্রিকা

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম, 'How tender rules and a lone bidder stall a $2.5b power plant' অর্থাৎ, 'টেন্ডারের নিয়মের কারণে কীভাবে একজন দরদাতা ২.৫ বিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎ কেন্দ্র আটকে দিতে পারে'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের দুই দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের পটুয়াখালী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত থাকলেও এখনো চালু হয়নি। এর প্রধান কারণ হলো দীর্ঘমেয়াদি কয়লা সরবরাহকারী খুঁজে না পাওয়া।

এখন পর্যন্ত তিনবার টেন্ডার ডাকলেও প্রতিবারই সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি মাত্র কোম্পানি ইয়ংতাই এনার্জি অংশ নিয়েছে এবং তারা অত্যধিক দাম চেয়েছে। এতে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

অনেক কোম্পানি টেন্ডার কিনলেও বেশিরভাগই অংশ নেয়নি, কারণ টেন্ডারের শর্ত এত কঠিন ছিল যে বেশিরভাগ যোগ্য কোম্পানিই বাদ পড়ে যায়।

বিশেষভাবে কয়লাখনির মালিকের সরাসরি অনুমতিপত্র চাওয়া হয়েছে, যা টেন্ডারের প্রথম ধাপে পাওয়া কঠিন।

এসব শর্ত এমনভাবে বানানো হয়েছে যেন শুধু ইয়ংতাইই উপযুক্ত হয়। এমনকি মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতিও হঠাৎ বদলে দেওয়া হয়, যা অন্য কোম্পানিগুলোর জন্য অপ্রস্তুতির কারণ হয়।

অনেকে সন্দেহ করছে পুরো প্রক্রিয়াটিই পরিকল্পিতভাবে একটি কোম্পানির জন্য তৈরি করা হয়েছে।

ফলে এখন কয়লা না থাকায় ১,৩২০ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র বসে আছে, আর এতে যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং দেশের বিদ্যুৎ খরচও বেড়ে যাচ্ছে।

এখন আলোচনায় এসেছে, পাঁচ বছরের বদলে এক বছরের জন্য স্বল্পমেয়াদি কয়লা সরবরাহের চুক্তি করার কথা।

বিদ্যুৎ বোর্ড জানিয়েছে, টেন্ডারের শর্ত শিথিল করে আবার নতুন করে ডাকা হবে যাতে প্রকল্প চালু করা যায়।

পত্রিকা

সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'জনসমক্ষে অবর্ণনীয় নৃশংসতা'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত বুধবার পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে জনসমক্ষে ভয়াবহ ও নির্মমভাবে হত্যা করা হয় ভাঙাড়ি ব্যবসায়ী সোহাগকে।

কয়েকজন যুবক তাকে মারধর করে, ইট-পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করে এবং পরে মৃতদেহের ওপরও বর্বরতা চালায়।

আশপাশে বহু মানুষ থাকলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। আনসার সদস্যরাও নিষ্ক্রিয় ছিল। সিসিটিভির ফুটেজ প্রকাশের পর ঘটনাটি সামনে আসে এবং তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

পুলিশ জানিয়েছে, ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। সোহাগের পুরোনো বন্ধু মহিন ও রবিনসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মহিন ব্যবসার ভাগ চাইলেও সোহাগ তা মানেননি। আগের দিন তার গুদামে গুলি চালানো হয় এবং পরদিন মীমাংসার কথা বলে ডেকে নিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।

সোহাগ একসময় যুবদলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বহু কষ্টে ব্যবসা দাঁড় করান। পরিবারে স্ত্রী, একটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে।

পুলিশের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকায় খুনের সংখ্যা ১৩৬, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

সমাজে অস্থিরতা ও সহিংসতার মাত্রা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন।

পত্রিকা

ইত্তেফাকের প্রথম পাতার খবর, 'বাধ্যতামূলক অবসরে ১৮ বিচারক'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সরকার অধস্তন আদালতের ১৮ জন বিচারককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি এবং বিচারিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিরোধী দল ও মত দমনপীড়নে সহায়তা করেছেন।

আইন মন্ত্রণালয় জানায়, সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং তারা নিয়ম অনুযায়ী অবসর-সংক্রান্ত সুবিধা পাবেন।

এই বিচারকদের মধ্যে বেশিরভাগই জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা সরকারের ইচ্ছামতো জামিন না দিয়ে, মিথ্যা মামলায় রিমান্ড মঞ্জুর করে এবং রাত পর্যন্ত কোর্ট চালিয়ে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের সাজা দিয়েছেন।

বিশেষ করে নির্বাচনপূর্ব সময়ে বিএনপিসহ বিরোধী দলের বিরুদ্ধে সাজানো মামলায় তারা ভূমিকা রেখেছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আইনজীবীরা এসব বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

আইন মন্ত্রণালয় অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে প্রস্তাব পাঠায়। সুপ্রিম কোর্ট অনুমোদন দেওয়ার পর তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

বলা হয়েছে, এসব বিচারকের কর্মকাণ্ডে জনগণের কাছে বিচার বিভাগের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং এখন সেই আস্থা ফিরিয়ে আনা জরুরি।

পত্রিকা

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম, 'Covid vaccine uptake slows down' অর্থাৎ, 'কোভিড টিকা গ্রহণের গতি কমেছে'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত চার বছর ধরে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ের পর বাংলাদেশে এখন সংক্রমণ অনেকটাই কমে গেছে।

মৃত্যুর খবর নেই, হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডগুলো খালি পড়ে আছে, নতুন রোগীও খুব কম। বেশিরভাগ এলাকা করোনা-মুক্ত হলেও ঢাকায় কিছু সংক্রমণ রয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শান্ত অবস্থা আসলে অনেকটা বিভ্রান্তিকর। টিকা নেওয়ার হার, বিশেষ করে বুস্টার ডোজ, দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।

এখন অনেক দিন এমন যাচ্ছে যে, দৈনিক এক হাজারেরও কম মানুষ টিকা নিচ্ছে। এর পেছনে টিকার ঘাটতির চেয়ে বেশি কাজ করছে মানুষজনের গা-ছাড়া ভাব, ভ্রান্ত ধারণা এবং টিকা নিয়ে আগ্রহ কমে যাওয়া।

দেশে ১৫ কোটির বেশি প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ এবং প্রায় সাত কোটির মতো বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু টিকা না নিলে ভবিষ্যতে ঝুঁকি বাড়বে।

কারণ নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস বিশ্বে এখনও ছড়াচ্ছে। প্রবীণরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে, যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমছে।

৬১ থেকে ৭০ বছর বয়সীদের মধ্যেই ৩১ শতাংশ সংক্রমণ দেখা গেছে।

ঢাকায় এখনও সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ। বিদেশফেরত মানুষের সংখ্যা প্রায় এক কোটির কাছাকাছি, কিন্তু আগতদের টেস্ট ও নজরদারি কমেছে।

ফলে নতুন ভ্যারিয়েন্ট চুপিসারে দেশে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, করোনা পুরোপুরি শেষ হয়নি।

টিকা ও সচেতনতা জারি রাখতে হবে, নইলে আবার ভয়াবহ ঢেউ ফিরে আসতে পারে।

পত্রিকা