পত্রিকা: 'হামিদ-সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত সংস্থায় পাঠানো হবে'

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

মানবজমিনের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— হামিদ-সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত সংস্থায় পাঠানো হবে

খবরটিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা ও অন্যান্য অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক দুই রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা পড়া অভিযোগ তদন্ত সংস্থায় পাঠানো হবে।

তদন্ত সংস্থা সেগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার এস এম মইনুল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে, গতকাল হাইকোর্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনজীবী শিশির মনির দাবি করেন, হাইকোর্টে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ এবং এস আলম গ্রুপের স্বার্থ রক্ষায় মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকার অভিযোগ উঠে এসেছে।

মানবজমিন

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম— টাকায় মেলে বিচারকের স্বাক্ষর। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার আদালতপাড়ায় টাকা খরচ করলেই মেলে বিচারকের জাল স্বাক্ষর, সিল।

টাকা দিলেই তৈরি হচ্ছে আদালতের আদলে নথি।

গ্রেফতারি পরোয়ানা, সমন, নোটারি হলফনামা, কাবিননামা, এমনকি মামলার সার্টিফায়েড কপি বা নকলের কপিতেও বসানো হচ্ছে বিচারকের জাল স্বাক্ষর ও সিল।

এসব নথি ব্যবহার করে চলছে প্রতারণা, হয়রানি এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত করার কারসাজি।

ঢাকার অধস্তন আদালতকেন্দ্রিক এমন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান দৈনিকটি পেয়েছে বলে এ খবরে উল্লখ করা হয়।

আদালতের নথি, এজাহার, তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আদালত প্রাঙ্গণের কিছু ফটোকপির দোকান, দালাল, অসাধু আইনজীবী এবং কিছু অসৎ কর্মচারীর যোগসাজশে তৈরি হয়েছে এই নেটওয়ার্ক।

বিচারসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আদালতের নথি জালিয়াতি ঠেকাতে দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।

প্রতিটি সমন, পরোয়ানা ও আদালতের আদেশে কিউআর কোড যুক্ত করা, অনলাইন ভেরিফিকেশন ব্যবস্থা চালু করা এবং আদালত প্রাঙ্গণের ফটোকপির দোকানগুলো নজরদারির আওতায় আনার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

যুগান্তর
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

প্রথম আলোর প্রধান সংবাদ— শিল্পে গ্যাস-সংযোগ আপাতত বন্ধ

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৪ই জুলাই বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যানকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন কমছে। অন্যদিকে, দুটি এফএসআরইউভিত্তিক এলএনজি আমদানি সীমাবদ্ধ থাকায় এ মুহূর্তে শিল্পে নতুন করে গ্যাস- সংযোগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে না।

এফএসআরইউ হলো ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট। আমদানি করা এলএনজি মজুত করে রূপান্তরের মাধ্যমে গ্যাসের পাইপলাইনে সরবরাহ করে এটি।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান এমন দুটি টার্মিনাল আছে। এ দুটি মিলে গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ১১০ কোটি ঘনফুট। সর্বোচ্চ সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট।

একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকায় এখন সরবরাহ হচ্ছে ৫০ কোটি ঘনফুটের কম। এতে এক সপ্তাহ ধরে দেশের সব খাতেই গ্যাসের সংকট বেড়ে গেছে।

মূলত, দেশে প্রতিবছর গ্যাসের গড় উৎপাদন দিনে ১৫ কোটি ঘনফুটের বেশি কমছে। এলএনজি আমদানি করেও ঘাটতি পূরণ হচ্ছে না। কোনও কারণে আমদানি ব্যাহত হলেই গ্যাসের সংকট বেড়ে যাচ্ছে। গ্যাসের অভাবে নিয়মিত ভুগছে বিদ্যুৎ ও শিল্প উৎপাদন। এর মধ্যেই বাড়ছে গ্যাসের চাহিদা। তাই শিল্পে নতুন সংযোগ আপাতত দেবে না সরকার।

প্রথম আলো

আজকের পত্রিকার প্রধান খবর - রাতের ভোটের ৩২ ডিসি বাধ্যতামূলক অবসরে। এ খবরে বলা হয়েছে, ৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

তারা সবাই ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে ছিলেন।

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিতর্কিত ওই নির্বাচন 'রাতের ভোট' হিসেবে পরিচিত।

বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো এই ৩২ জন সর্বশেষ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) ছিলেন।

তাদের চাকরিকাল ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়ে গতকাল সোমবার রাতে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

তারা সবাই বিসিএস ২০ তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা।

আজকের পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— এক ছাতার নিচে সব ভর্তি আনার উদ্যোগ

এতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি লাঘবে এক ছাতার নিচে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি প্রক্রিয়া আনতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একই সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের যাতে সময় নষ্ট না হয়, সে জন্য ভর্তি প্রক্রিয়াকে একটি ক্যালেন্ডারের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তবে এখনও গুচ্ছে আসার ব্যাপারে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনীহা রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বারবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা সফল হয়নি। এমনকি গুচ্ছে থাকা পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বেরিয়ে গেছে।

আর আগে থেকে ১৯৭৩ সালের আইনে পরিচালিত চার বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষ আইনে পরিচালিত এক বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে যুক্তই হয়নি।

গত বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) বৈঠক হয়। সেখানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠক সূত্র জানায়, ১৯৭৩ সালের আইনে পরিচালিত যেসব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছে আসতে অনীহা দেখাবে, তাদের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

আর বড় পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভর্তিতে এলে বেরিয়ে যাওয়া অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও চলে আসবে, এমনটা মনে করা হচ্ছে।

কালের কণ্ঠ

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Gor's visit: Open agenda signals bilateral, global engagement

খবরটিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর তিন দিনের সফরে বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন।

তার এ সফরের মূল লক্ষ্য দ্রুত পরিবর্তনশীল আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে ওয়াশিংটনের বোঝাপড়া আরও গভীর করা।

সার্জিও গোর শুক্রবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক এবং শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেন।

এছাড়া, এ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান মানবিক ও নিরাপত্তা সংকট সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পেতে তিনি কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও যাবেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের ঠিক এক মাস পর ভূ-রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল সময়ে সার্জিও গোরের এই সফর হচ্ছে।

চীন সফরকালে ঢাকা এবং বেইজিং কয়েকটি কৌশলগত খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করেছে। নিজেদের সম্পর্ক এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে বলেও বর্ণনা করে বাংলাদেশ ও চীন।

মার্কিন এই বিশেষ দূতের সফরের সময়কাল এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত কোনো এজেন্ডা না থাকায় কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার আলোচনা কোনও একক বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ব্যাপক ও কৌশলগত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

টাইমস অব বাংলাদেশ

নয়া দিগন্তের প্রধান সংবাদ— হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত শেষে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জন 'হেভিওয়েট' আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ জন পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন এবং কারাবন্দী ১০ আসামিকে আগামী ১৬ই অগাস্ট আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আদেশ দেন।

পরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই ঘটনাকে পরিকল্পিত গণহত্যা বলে উল্লেখ করেন।

প্রসিকিউশনের তদন্তে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে তিনি জানান, তারা মোট ৬১ জন নিহতের তালিকা পেয়েছে। এর মধ্যে তদন্ত সংস্থা ৫৮ জনের নাম-ঠিকানা শনাক্ত করেছে। চার স্থানে নিহত ৫৮ জনের মধ্যে ঢাকায় ৩২, নারায়ণগঞ্জে ২০, চট্টগ্রামে পাঁচ এবং কুমিল্লায় একজন।

সোমবার মূলত দু'টি নির্দিষ্ট ঘটনার ওপর চার্জ দাখিল করা হয়েছে, একটি ৫ মে মধ্যরাতে শাপলা চত্বরে ৩২ জন এবং অন্যটি ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জন হত্যার ঘটনা। এই দু'টি অভিযোগে ৪১ জন আসামির বিরুদ্ধে চার্জ আনা হয়েছে।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে গত কয়েক দশকে নয়টি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হলেও কোনোটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন হয়নি।

সর্বশেষ ২০১৬ সালে ২৫ বছর মেয়াদি একটি বিশদ মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করে ঢাকা ওয়াসা। এক দশক পেরিয়ে গেলেও এর প্রথম পর্ব বাস্তবায়ন হয়নি; দ্বিতীয় পর্বেও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ডুবে যাচ্ছে, আর দুর্বল ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়েই ক্রমান্বয়ে বিস্তৃত হচ্ছে নগরীর পরিধি।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ঢাকার নাগরিক সেবা, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা নতুন কোনো সমস্যা নয়। স্বাধীনতার পরও বৃষ্টি হলেই নগরীর বিভিন্ন অলিগলি পানিতে তলিয়ে যেত। সে সময় ঢাকার আয়তন ও জনসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকায় জলাবদ্ধতার পরিসরও ছিল সীমিত। তবে সমস্যাটি তখনো বিদ্যমান ছিল।

এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাকিস্তান আমলেই ঢাকার জন্য প্রথম পানি নিষ্কাশন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।

সমকাল

তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় মার্কিন প্রতিষ্ঠানের আগ্রহ— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের বিষয়ে বলা হয়েছে এই খবরে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সিকিউরিপোর্ট বাংলাদেশের শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনায় যুক্ত হতে চায়। চলতি সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ একজন কর্মকর্তার বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে।

ঢাকায় একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয়েছে।

মার্কিন এই প্রতিষ্ঠান এ ব্যাপারে আলোচনা শুরু করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। তখন তারা একটি ধারণাপত্রও উপস্থাপন করে।

এদিকে, বর্তমান সরকার আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু করতে চায়।

এখনও টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। তবে জাপানের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

দেশ রূপান্তর

লোকসানের পাহাড়ে টেলিটক— দেশ রূপান্তরের প্রধান খবর এটি। খবরটিতে বলা হয়েছে, দুই দশকের বেশি সময় ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে রাষ্ট্রীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ।

কোম্পানিটির এ যাবতকালের নিট পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬৭৪ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার ১৯৫ টাকায়। অর্থাৎ তাদের মোট সম্পদের তুলনায় দায়ের পরিমাণ বেড়েছে ৭০৩ কোটি ৩৪ লাখ ২৭ হাজার ৮৮৩ টাকা।

হিসাব অনুযায়ী, সম্পদ ও দায়ের অনুপাত ১০০:১৫৮। ব্যবসার ক্ষেত্রে এ ধরনের দায় উচ্চমাত্রার আর্থিক ঝুঁকি বহন করে।

অডিট প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সরকারের কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাংকে ১১৩ কোটি টাকার অপরিশোধিত ঋণ রয়েছে টেলিটকের।

রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে স্বার্থবিরোধী নীতিমালা করে বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়া, বিলুপ্ত বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ অ্যান্ড টেলিফোন বোর্ডের অদক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একাংশের টেলিটকে পুনর্বাসন, ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগ্য-দক্ষ জনবলের অভাব এবং যথাসময়ে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারায় প্রতিযোগিতার সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি রাষ্ট্রীয় এ কোম্পানির।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ বেতন, গ্র্যাচুইটি সুবিধা, আউটসোর্সে জনবল নিয়োগে অত্যধিক ব্যয়, এন্টারটেইনমেন্ট, পরিবহনসহ অন্য অনেক খাতে অস্বাভাবিক ব্যয় বছর শেষে টেলিটকের লোকসানের খাতা ভারী করছে।