আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'আলোচনায় সরকারের মেয়াদ'
আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'আলোচনায় সরকারের মেয়াদ'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
এনসিপি ও কিছু সংগঠনের ফেসবুকে পাঁচ বছর মেয়াদে সরকারের থাকার পক্ষে প্রচার দেখা যাচ্ছে।
কেউ কেউ বলছে, ২০২৯ সালে নির্বাচন করা যেতে পারে। এই প্রচারে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো আশঙ্কা করছে যে, এটি নির্বাচনের সময় বিলম্ব করার ষড়যন্ত্র।
তারা দ্রুত রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছে এবং এ বিষয়ে ১৬ই এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবে।
বিএনপির নেতারা মনে করছেন, এই প্রচারের পেছনে এনসিপি জড়িত এবং তারা পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন দেরি করতে চাচ্ছে।
যদিও এনসিপি বলছে, এটি কিছু ব্যক্তির মতামত, দলের অবস্থান নয়। এনসিপির দাবি, তারা নির্বাচন বিলম্ব চায় না, বরং সুষ্ঠু সংস্কার ও বিচার নিশ্চিত করেই নির্বাচন করতে চায়।
এনসিপি মনে করে, সংস্কারের সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। এদিকে অন্যান্য দল ও ব্যক্তিরাও ভিন্নমত প্রকাশ করছে।
কেউ পাঁচ বছরের মেয়াদ চায়, কেউ চায় ডিসেম্বর বা জুনের মধ্যে নির্বাচন হোক।
তবে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল দ্রুত নির্বাচন চায় এবং সরকারের এই মেয়াদ বাড়ানোর প্রচারে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, '33% hike in gas tariff for new industries' অর্থাৎ, 'নতুন শিল্পের জন্য গ্যাসের দাম ৩৩% বৃদ্ধি'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকার নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গ্যাসের দাম ৩৩ শতাংশ বাড়িয়েছে।
এই নতুন মূল্যহার অনুযায়ী, নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের জন্য ৪০ টাকা দিতে হবে, যা আগে ছিল ৩০ টাকা।
যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদিত ব্যবহারের চেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহার করবে, তাদের অতিরিক্ত অংশের জন্যও এই বাড়তি দাম দিতে হবে।
যেসব প্রতিষ্ঠান সংযোগের প্রাথমিক অনুমোদন পেয়েছে কিন্তু এখনও চালু হয়নি, তারা অর্ধেক গ্যাস পুরনো দামে ও বাকি অর্ধেক নতুন দামে কিনবে।
ব্যবসায়ী সংগঠন ও ভোক্তা অধিকার সংস্থাগুলো এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে।
তাদের মতে, গ্যাসের দাম বাড়লে নতুন বিনিয়োগ কমে যাবে, রপ্তানি কমবে, কর্মসংস্থান হুমকিতে পড়বে এবং পুরো অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত থাকলেও সরকার নতুন কূপ খননের উদ্যোগ নিচ্ছে না বরং এলএনজি আমদানির উপর নির্ভর করছে।
এভাবে একটি শ্রেণি লাভবান হলেও দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
ঢাকা চেম্বার বলেছে, দাম বাড়লে ব্যবসা পরিচালনার খরচ বাড়বে এবং বিদেশি বিনিয়োগ কমে যেতে পারে।
২০২৫ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বিদেশি বিনিয়োগ ৭১ শতাংশ কমে গেছে, যা গত ছয় বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।
ভোক্তা অধিকার সংস্থা- ক্যাব বলেছে, নতুন-পুরনো গ্রাহকের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন- বিইআরসি সংবিধান লঙ্ঘন করেছে।
প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'বাঙালির প্রাণের উৎসব আজ'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, সোমবার বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদ্যাপিত হচ্ছে।
সারা দেশের মানুষ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আনন্দ-উৎসবে মেতে উঠেছে।
এবারের বর্ষবরণের মূল প্রতিপাদ্য হলো "নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান"। ঢাকার রমনার বটমূলে ছায়ানট আয়োজন করেছে তাদের ঐতিহ্যবাহী প্রভাতি অনুষ্ঠান, যা শুরু হয়েছে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ আয়োজন করেছে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা, যেখানে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হচ্ছে।
বর্ষবরণ উৎসবের ইতিহাস রয়েছে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সাথে জড়িত। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও সামরিক শাসনের সময় থেকে এই উৎসব হয়ে উঠেছে জাতিসত্তার প্রকাশের মাধ্যম।
এবারও দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, গান, নাচ, আবৃত্তি, লোক ও কারুশিল্প মেলা, ব্যান্ড শো, এমনকি ড্রোন শোও আয়োজন করা হয়েছে।
তবে বাস্তব জীবনে বাংলা সনের ব্যবহার সীমিত হলেও কৃষিকাজ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে এর গুরুত্ব রয়েছে। বাংলা নববর্ষ শুধু আনন্দ নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রবাসীরাও এ দিনটিকে বিভিন্ন আয়োজনে উদ্যাপন করছেন। নববর্ষের এই উৎসব দিন দিন আরও বিস্তৃত ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।
বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'দূষণে কমে আসছে ইলিশের উৎপাদন'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে বিশ্বের ৮৬ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হলেও সাম্প্রতিক সময়ে নদী দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন ও ডুবোচরের কারণে ইলিশের উৎপাদন কমে যাচ্ছে।
ইলিশ সাধারণত ডিম ছাড়ার জন্য নদীর মিঠা পানিতে আসে, যেখানে প্রয়োজন হয় পরিষ্কার পানি, স্রোত ও উচ্চমাত্রার অক্সিজেন।
কিন্তু বর্তমানে নদ-নদীতে দখল, দূষণ ও শিল্পবর্জ্যের কারণে এসব পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ফলে মা-ইলিশ ডিম ছাড়তে না পেরে ফিরে যাচ্ছে সাগরে বা ডিম নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
২০০৮-০৯ সালে দেশে ইলিশ উৎপাদন ছিল প্রায় তিন লাখ টন, যা ২০১৭-১৮ সালে বেড়ে পাঁচ লাখ ১৭ হাজার টন হয়।
কিন্তু এরপর থেকে উৎপাদন কমতে শুরু করে। ২০২২-২৩ সালে পাঁচ লাখ ৭১ হাজার টন উৎপাদনের পর গত অর্থবছরে তা কমে পাঁচ লাখ ২৯ হাজার টনে নেমেছে।
মেঘনা, পদ্মাসহ বিভিন্ন নদীতে চর পড়া, ডুবোচর সৃষ্টি, পলি জমা এবং নদীর নাব্য হারানোর কারণে ইলিশের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
পাশাপাশি অবৈধভাবে মা-ইলিশ ও জাটকা ধরা ইলিশের প্রজনন ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
গবেষকরা বলছেন, শিল্পবর্জ্য ও ভারী ধাতু পানির মান নষ্ট করছে, যা ইলিশের জন্য হুমকি। নদীর পরিবেশ ঠিক না করা হলে ভবিষ্যতে মিঠা পানিতে ইলিশ পাওয়া কঠিন হয়ে যাবে।
সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা কমানো, গণভোটের পক্ষে জামায়াত'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জামায়াতে ইসলামি অন্তর্বর্তী সরকার ও সংবিধান সংস্কার বিষয়ে কিছু ভিন্নমত দিয়েছে। তারা চায় প্রধানমন্ত্রী যেন একচ্ছত্র ক্ষমতা না পান।
এজন্য নির্বাচন কমিশনসহ গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগের ক্ষেত্রে 'জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল' বা এনসিসি গঠন করতে তারা একমত, তবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির সদস্যপদে আপত্তি জানিয়েছে।
দলটি চায় কেউ যেন দুইবারের বেশি প্রধানমন্ত্রী না হতে পারেন, তবে সরকারের মেয়াদ পাঁচ বছরই থাকুক।
তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পক্ষেও মত দিয়েছে। নির্বাচনকালে চার মাস মেয়াদি সরকার চাইছে, যা প্রয়োজনে দুই মাস বাড়ানো যাবে।
গণভোটের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নেও রাজি জামায়াত, যেখানে বিএনপি এই পদ্ধতির বিরোধিতা করছে।
সংসদে দুই কক্ষ এবং উভয় কক্ষে আনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় জামায়াত। নারীদের জন্য নির্দিষ্ট ১০০ আসনের প্রস্তাব তারা মানেনি, বরং ৫০টি নারী আসন দল অনুযায়ী বণ্টনের পক্ষে।
তারা চায় না প্রধান বিচারপতি বা রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে দায়িত্ব পালন করুন।
একইসঙ্গে জামায়াত বলেছে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে "আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস" পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।
দলটি রাজনৈতিক দলের তথ্য প্রকাশ ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাতিলেরও পক্ষে।
নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, '১০ অর্থনৈতিক অঞ্চল বাতিলের সিদ্ধান্ত সরকারের'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, অর্থনৈতিক দিক থেকে সঠিক সুফল না পাওয়ায় অন্তর্বর্তী সরকার ১০টি সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বিডার (বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) এক সভায়।
বাতিল হওয়া অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার, বাগেরহাট, মুন্সীগঞ্জ, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা।
একই সভায় নেপালের জন্য একটি আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরিরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিডার চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিনিয়োগ সম্পর্কিত ওয়ান স্টপ সার্ভিসকে ডিজিটাল করতে এক মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এতে প্রশাসনিক দুর্নীতি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩১০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে।
এতে দেশি-বিদেশি প্রায় ৪৫০ বিনিয়োগকারী অংশ নিয়েছেন। দুইটি প্রকল্পে সরাসরি বিনিয়োগ ঘোষণা হয়েছে এবং ছয়টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
বিডা জানিয়েছে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিদেশিদের কাছে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে আরও একাধিক বিনিয়োগ সম্মেলনের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের খরচ হয়েছে মাত্র এক কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যা পূর্বাভাসের তুলনায় ৪২ শতাংশ কম।
মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম, 'জ্বালানি নিয়ে দুশ্চিন্তা লোডশেডিংয়ের শঙ্কা'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়ছে, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা।
এখনো লোডশেডিং তেমন তীব্র না হলেও গ্রামাঞ্চলে বেশি দেখা যাচ্ছে। সরকার চেষ্টা করছে গ্রীষ্মে লোডশেডিং কমাতে, তবে জ্বালানি ঘাটতির কারণে তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হতে পারে।
বর্তমানে দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে গড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট, ফলে প্রতিদিন প্রায় চার হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত কয়লা, তেল, গ্যাস ও এলএনজি আমদানি করতে প্রয়োজন ৭০ হাজার কোটি টাকা, যা ডলারে পরিশোধ করতে হবে।
কিন্তু সরকারের হাতে পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা না থাকায় জ্বালানি আমদানি বিঘ্নিত হচ্ছে। ভারতের আদানি গ্রুপের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকেও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে।
এ অবস্থায় তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র চালিয়ে ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ জানায়, গ্রীষ্মে চাহিদা বাড়তে থাকলে লোডশেডিং তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যেতে পারে।
বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিশাল পরিমাণ গ্যাস, তেল ও কয়লার প্রয়োজন হলেও বর্তমানে গ্যাস সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। ফলে গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সংকট আরো তীব্র হতে পারে।
কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, 'মডেল মেঘনার আটকাদেশ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মডেল ও মিস আর্থ বাংলাদেশ ২০২০ বিজয়ী মেঘনা আলমকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে ৩০ দিনের আটকাদেশ দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে, কেন এই আটকাদেশ অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং কেন তাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না।
এ নিয়ে হাইকোর্ট একটি রুল জারি করেছে এবং স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলেছে।
মেঘনাকে আটক করার বিষয়ে গত ১০ই এপ্রিল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দেন, যেখানে বলা হয় যে তিনি জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার জন্য হুমকি হতে পারেন।
এ জন্য তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের আওতায় আটক রাখা হয়েছে এবং কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তবে সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, মেঘনাকে যেভাবে রাতে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই প্রক্রিয়াটি ঠিক ছিল না।
যদিও তিনি বলেন, এতে ধরে নেওয়া যাবে না যে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবে এবং উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে।
এখন আদালত বিষয়টি খতিয়ে দেখছে, এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে জানা যাবে।
ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর, 'Govt orders reinstatement of 'except Israel' clause in Bangladeshi passports' অর্থাৎ, 'বাংলাদেশি পাসপোর্টে 'ইসরায়েল ব্যতীত' শর্ত পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছে সরকার'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশি পাসপোর্টে 'ইসরায়েল ব্যতীত' বাক্যাংশটি পুনঃস্থাপন করার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব নিলিমা আফরোজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে: "উপরোক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে, অতীতে প্রচলিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বাংলাদেশি পাসপোর্টে 'ইসরায়েল ব্যতীত' বাক্যাংশটি পুনঃস্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।"
"এই পাসপোর্ট বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ, ইসরায়েল ব্যতীত"—এই বাক্যটি আগে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ছাপা হতো।
তবে আন্তর্জাতিক পাসপোর্ট ফরম্যাটের সঙ্গে সামঞ্জস্যের কথা বলে ২০২১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় 'ইসরায়েল ব্যতীত' অংশটি বাদ দেওয়া হয়।