পত্রিকা: 'জামায়াতে আগ্রহ বিদেশিদের'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

আজকের পত্রিকার প্রধান খবর— জামায়াতে আগ্রহ বিদেশিদের

এতে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠা জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে ধারবাহিকভাবে বৈঠক করছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি।

গত দুই মাসের মধ্যে এমন অন্তত ৩০টি বৈঠক হয়েছে।

এসব বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী সংসদ নির্বাচন, মানবাধিকার ইস্যু এবং নির্বাচনের পরে দলটির ভূমিকা কী হবে, সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এসব বৈঠকের মধ্য দিয়ে জামায়াত সম্পর্কে বিদেশিদের নেতিবাচক ধারণা ভেঙে যাচ্ছে বলে দাবি দলটির।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, নির্বাচনের পর সরকার বা বিরোধী দল— যে অবস্থানেই জামায়াত থাকুক না কেন, দেশকে তারা কোন দিকে নিতে চায়, তা বোঝার চেষ্টা করছেন বিদেশিরা।

শুধু জামায়াত নয় , বিদেশি কূটনীতিকেরা দেশের আরেক বড় দল বিএনপি এবং তরুণদের নতুন দল এনসিপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন।

তবে গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনীতির মাঠে লক্ষণীয়ভাবে সক্রিয় জামায়াত নেতাদের সঙ্গে তাদের বৈঠকগুলো রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিদেশিরা জামায়াত নেতাদের কাছে কী জানতে চেয়েছে, এ বিষয়ে দলটির নেতারা জানান, বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশ বাংলাদেশের রাজনৈতিক চালচিত্রের সম্ভাব্য পরিবর্তন এবং ইসলামপন্থি রাজনীতির ভবিষ্যৎ চিত্র জানতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।

লক্ষণ বদলে যাওয়ায় দেরিতে শনাক্ত হচ্ছে ডেঙ্গু— বণিক বার্তার প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার আচরণ। বদলে যাচ্ছে ডেঙ্গুর লক্ষণও।

এতে আগে যেসব লক্ষণ দেখে ডেঙ্গু অনুমান করা হতো এখন সেগুলো আর মিলছে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) সূত্রে জানা গেছে, ডেঙ্গুর চারটি ধরনের মধ্যে গত তিন বছর মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়েছে ধরন-২-এ (ভ্যারিয়েন্ট)।

চলতি বছর এর সঙ্গে ধরন-৩-এ আক্রান্তও বেড়েছে, যা বেশি হচ্ছে রাজধানীতে।

নতুন এ ধরনের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় রোগীর ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্যবিদরা।

ঢাকার বারিধারার মাদানী হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. ইব্রাহিম মাসুম বিল্লাহ জানালেন, প্রতিদিনই তারা অনেক রোগী পাচ্ছেন যাদের জ্বর-ঠান্ডা ছাড়া অন্য কোনও লক্ষণ নেই। কিন্তু পরীক্ষা করলে ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে।

তাছাড়া, ডেঙ্গু নেগেটিভ হওয়ার পরও প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে এমন রোগীও পাচ্ছে।

Warrants issued for arrest of Hasina, 29 others in 2 enforced disappearance cases; অর্থাৎ গুমের দুই মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা। ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর এটি।

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো গুমের মামলায় বিচারের মুখোমুখি হওয়ার এই সংবাদ ঢাকার সব পত্রিকা প্রকাশ করেছে।

ঢাকা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালে টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) ও জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) গুমের অভিযোগে দুইটি মামলায় শেখ হাসিনা ও তার প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং আরও ২৮ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা করেছে।

দুই মামলাতেই শেখ হাসিনা ও তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। সে হিসেবে দুই মামলা মিলে অভিযুক্ত ব্যক্তির সংখ্যা ২৮ জন।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আামলে নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ গতকাল বুধবার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

দুটি মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি পৃথক অভিযোগ আনা হয়েছে।

25 former, serving military officers charged at ICT; অর্থাৎ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক ও বর্তমান ২৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন। দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর এটি।

এই খবরেও গুমের দুই মামলায় শেখ হাসিনাসহ ২৮ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ অভিযোগ গঠনের কথা বলা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৩ জন উচ্চ-মধ্যম পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা।

এছাড়া, চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় ২৮ জনকে হত্যা করে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার অভিযোগে বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও বাহিনীটির আরেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত বিন আলম মুন এবং পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

তাতে ট্রাইব্যুনালে ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হলো।

Parties fail to reach consensus; অর্থাৎ, একমত হয়নি দলগুলো। নিউ এজের দ্বিতীয় প্রধান খবর এটি।

এতে বলা হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনার ইতি টানলেও দলগুলো একমত হতে পারেনি।

বিশেষ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট প্রসঙ্গে দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছালেও এর সময় ও পদ্ধতি নিয়ে বিভক্তি রয়েই গেলো।

গতকাল বুধবার সর্বশেষ বৈঠকেও ঐকমত্যে না আসায় বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারকে একটি প্যাকেজ প্রস্তাব করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।

এদিকে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট চাওয়ার বিষয়ে বিএনপিসহ কিছু দল তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।

অন্যদিকে, জামায়াত, এনসিপিসহ কিছু দলের অবস্থান এর বিপরীত।

আলোচনায় সেফ এক্সিট, বিব্রত উপদেষ্টারা— কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের 'সেফ এক্সিট' নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের মন্তব্য বেশ আলোচনায় আসার পর গতকাল বুধবার প্রথমবারের মতো কোনও উপদেষ্টা এ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বললেন।

পরিবেশ এবং পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, 'উপদেষ্টারা সেফ এক্সিট খুঁজছে, নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য তাকেই প্রমাণ করতে হবে।'

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কালের কণ্ঠের প্রতিবেদক অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা এ বিষয়ে নাম প্রকাশ করে কথা বলতে রাজি হননি।

তবে, বিষয়টি নিয়ে তারা বিব্রত ও ক্ষুব্ধ— সেটা জানিয়েছেন।

তাদের কেউ কেউ বলেছেন, 'এ নিয়ে কথা বলার সময় শেষ হয়ে যায়নি, অপেক্ষা করুন।'

সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, 'উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছেন, তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের (নিরাপদ প্রস্থান) কথা ভাবতেছেন।'

নাহিদ ইসলামের মন্তব্যের পরে উপদেষ্টাদের 'এক্সিট' নিয়ে এনসিপির আরও নেতাকে মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

প্রথম আলোর শেষ পৃষ্ঠার একটি সংবাদের শিরোনাম— খুলনা-বরিশালের কৃষিজমিতে বেশি লাভ

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের কৃষিজমির মধ্যে খুলনা বিভাগের কৃষিজমি সবচেয়ে বেশি লাভজনক। এরপরই রয়েছে বরিশাল ও রংপুর বিভাগ; আর সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে সিলেট বিভাগ।

জাতীয় পর্যায়ে ৪৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ কৃষিজমি লাভজনক। এর মধ্যে খুলনা বিভাগে ৫৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ কৃষিজমিতে হওয়া চাষাবাদ টানা তিন বছর লাভজনক ছিল।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) 'উৎপাদনশীল ও টেকসই কৃষি জরিপ ২০২৫'-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে।

কৃষিবিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেসব এলাকার কৃষক দ্রুত নতুন প্রযুক্তি ও চাষাবাদের পদ্ধতি রপ্ত করতে পারেন, সেসব এলাকার কৃষিজমিতে ফলন ভালো হয়। এতে শেষ পর্যন্ত জমি লাভজনক হয়ে ওঠে।

লবণাক্ত এলাকা হয়েও কেন খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কৃষিজমি বেশি লাভজনক? প্রশ্নের জবাবে বিবিএসের উপ-পরিচালক ও জরিপ প্রকল্পের পরিচালক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেছেন, জরিপে যেসব জমিতে মিশ্র উপায়ে মাছের পাশাপাশি সবজি চাষ করা হয়, তার তথ্য উঠে এসেছে। খুলনা এলাকায় এমন মিশ্র চাষ বেশি, তাই সেখানে আয়ও বেশি। আর উত্তরাঞ্চলে কৃষি শস্য চাষ হলেও মিশ্র চাষাবাদ কম।

জরিপের তথ্য অনুযায়ী, বিভাগীয় পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি টেকসই কৃষিজমি রাজশাহী বিভাগে।

এদিকে, কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে জমিতে সার ও কীটনাশকের ব্যবহারও বাড়ছে।

কৃষিকাজে ব্যবহৃত এসব জমির প্রায় অর্ধেকে টেকসইভাবে কীটনাশক ও সারের ব্যবহার করা হচ্ছে না।

জরিপে আরও বলা হয়েছে, কৃষিতে মজুরির দিক থেকে ময়মনসিংহের ৭৫ শতাংশ কৃষক টেকসই মাত্রায় বা জাতীয় কৃষি মজুরি হারের সমান বা বেশি মজুরি পেয়ে থাকেন।

ডিএমপির 'মাথাব্যথা' ভাসমান অপরাধী— যুগান্তরের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম এটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকায় ফ্লোটিং ক্রিমিনাল বা ভাসমান অপরাধীরা চুরি, ছিনতাই, খুন, মাদক বিক্রি, ধর্ষণ থেকে শুরু করে সব অপরাধে জড়িয়েছে।

টাকার বিনিময়ে ভাড়ায়ও খাটছে তারা। অংশ নিচ্ছে টার্গেট কিলিংয়েও।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ভাসমান অপরাধীদের ব্যাপকতা উত্তরা এবং টঙ্গী পূর্ব ও পশ্চিম থানা এলাকায়।

এদিকে, ভাসমান অপরাধীদের শিকার ভুক্তভোগীরা মামলা করেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো সুরাহা পাচ্ছেন না।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভাসমান অপরাধীদের বেশিরভাগের নেই কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র। ফলে তাদের শনাক্ত করাও কঠিন।

অপরাধ করে একবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখের আড়ালে গেলে তাদের খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অপরাধ ও অপস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাদেরকে দমনে ভাড়াটিয়াদের তথ্য কালেকশন প্রোগ্রামে জোর দেয়া হবে।

আকস্মিক জিয়াউর রহমানের সমাধিতে খালেদা জিয়া— মানবজমিনের প্রথম পাতার খবর এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার তার স্বামী সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন।

তার আগে, ২০১৮ সালে কারাগারে যাওয়ার কিছুদিন আগে নেতাকর্মীদের নিয়ে জিয়াউর রহমানের কবরে সর্বশেষ পুস্পস্তবক অর্পন করেছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে হুট করে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে পৌঁছান খালেদা জিয়া। এরপর গাড়িতে বসেই তিনি মোনাজাতে অংশ নেন।

শহিদুল আলমদের ধরে নিয়ে গেল ইসরায়েলি সেনারা— সমকালের প্রথম পাতার খবর এটি। অন্যান্য পত্রিকাও এ সংক্রান্ত খবর ছেপেছে।

এতে বলা হয়েছে, গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনিদের সহায়তার জন্য গাজাগামী বহর ফ্রিডম ফ্লোটিলার সব নৌযান আটক করেছে ইসরায়েল।

ওই বহরের সবচেয়ে বড় জাহাজ 'কনসায়েন্সে' ছিলেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও অধিকারকর্মী শহিদুল আলম।

জাহাজে বিশ্বের খ্যাতিমান ৯৩ জন সাংবাদিক, চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী ছিলেন।

তাদের আটকের খবরে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে।

গতকাল বুধবার গাজা থেকে ১২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভূমধ্যসাগরে ইসরায়েলের নৌবাহিনী শহিদুল আলমকে বহনকারী জাহাজসহ বহরটি আটক করে।

সব মিলিয়ে ৯টি নৌযান আটক করা হয়।

তেল আবিব জানিয়েছে, নৌযানগুলো ও যাত্রীদের ইসরায়েলের একটি বন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে। সব যাত্রী নিরাপদ ও সুস্থ আছেন। যাত্রীদের দ্রুত ফেরত পাঠানো হবে।