পত্রিকা: 'শেখ হাসিনার দুটি লকারে মিলল ৮৩২ ভরি সোনার গয়না'

Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

'শেখ হাসিনার দুটি লকারে মিলল ৮৩২ ভরি সোনার গয়না' - এটি আজকের পত্রিকার একটি শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অগ্রণী ব্যাংকে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুটি লকার ভেঙে ৮৩২ ভরি স্বর্ণ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর দিলকুশায় অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় থাকা লকার দুটি ভাঙা হয়।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) লকার দুটি জব্দ করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আদালতের অনুমতি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতিনিধি, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সিআইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তার উপস্থিতিতে লকার দুটি ভাঙা হয়।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুটি লকারে মোট ৮৩২ ভরি স্বর্ণ মিলেছে। তবে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস থাকতে পারে। বুধবার দুদক বিস্তারিত জানাতে পারে।

সিআইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মঙ্গলবার রাতে আজকের পত্রিকাকে বলেন, শেখ হাসিনার নামে অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল ব্রাঞ্চে থাকা ৭৫১ এবং ৭৫৩ নম্বর লকার বাংলাদেশ ব্যাংকের রেগুলেশন অনুযায়ী ভাঙা হয়।

লকার দুটি থেকে মোট ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকারের সন্ধান পাওয়া যায়। তিনি বলেন, আর কী ধরনের জিনিস রয়েছে, তা জব্দ তালিকা চূড়ান্ত করার পরে বলা সম্ভব হবে।

নিউ এইজের শিরোনাম 'Karail fire renders hundreds homeless' অর্থাৎ কড়াইল বস্তিতে আগুনে শত শত মানুষ গৃহহীন। খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ঢাকার কড়াইল বস্তিতে আগুন লেগেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। এতে শত শত মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বিকেল ৫ টা ২০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য পাঠানো হয়।

রাত ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ২০টি ইউনিট কাজ করছে। যানজটের কারণে প্রথমে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি হয়। ফলে আগুন নেভানোর কাজ দেরিতে শুরু হয়।

তাজুল ইসলাম বলেন, সরু গলিপথ ও ঘনবসতিপূর্ণ আবাসনের কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে সমস্যার সম্মুখীন হন। সরু গলির কারণে তারা ইঞ্জিনগুলো দূরে রেখে লম্বা পাইপ টেনে আগুন নেভাতে বাধ্য হন। এছাড়া উৎসুক জনতার কারণে ফায়ার সার্ভিসরে কর্মীদের কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল।

অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুনে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।

বস্তিতে এর আগে বেশ কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সর্বশেষ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল ২২ ফেব্রুয়ারি, যেখানে বস্তির কমপক্ষে ৬০টি ঘর পুড়ে যায়।

সমকালের শিরোনাম ' ভোটের আগে পুলিশে চার স্তরে রদবদল, ওসি পদাওয়নও লটারিতে।' খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশের মাঠ প্রশাসনে রদবদল শুরু হয়েছে।

পুলিশের চারটি স্তরে আসবে নতুন মুখ। রেঞ্জ ডিআইজি, মহানগর কমিশনার, পুলিশ সুপার (এসপি), অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পরিবর্তন করা হবে।

নির্বাচন সামনে রেখে এসপি পদায়নের জন্য এরই মধ্যে লটারি করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো থানার ওসি পদায়নও হবে লটারির মাধ্যমে। 'যোগ্য' ওসি বাছাই কাজ শুরু করেছে পুলিশ সদরদপ্তর।

এ জন্য 'সৎ', 'নিরপেক্ষ' পরিদর্শকের তালিকা ইউনিটপ্রধানদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

গত সোমবার রাতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় লটারি করে নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনের জন্য ৬৪ জেলার এসপি চূড়ান্ত করা হয়। দু-এক দিনের মধ্যে তার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। এরপর তাদের পদায়ন করা হবে।

লটারির মাধ্যমে এসপি হিসেবে যারা চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন, তাদের এক-চতুর্থাংশ নতুন মুখ। বাকিরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে লটারির মাধ্যমে তাদের জেলা পরিবর্তন হয়েছে।

মানবজমিনের শিরোনাম ‌'‌'জোট ও একক নির্বাচন: দুই পথেই জোর প্রস্তুতি এনসিপি'র''। খবরে বলা হচ্ছে, নির্বাচন সামনে রেখে এখনো দ্বিধা-দ্বন্দ্বে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপি।

দলটি এককভাবে নির্বাচন করবে নাকি কোনো জোটে যুক্ত হবে এ নিয়ে এখনো অবস্থান পরিষ্কার হয়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সামনে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।

দলটির নেতারা এককভাবে নির্বাচন করার কথা বললেও সম্ভাব্য রাজনৈতিক সুবিধা বিবেচনায় কয়েকটি রাজনৈতিক দল নিয়ে জোটবদ্ধ হওয়ার পরিকল্পনাও আছে নেতাদের। এনিয়ে বিভিন্ন সময়ে বৈঠকও করেছে তারা।

দলগুলোর মধ্যে রয়েছে- আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি), রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশসহ আরও বেশ কয়েকটি দল।

জোট গঠনের আলোচনায় এরই মধ্যে এবি পার্টি, এনসিপি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ জোট গঠনের তৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

একইসঙ্গে যেসব দল এই জোট গঠনের বিষয়ে ইতিবাচক, সেই দলগুলোও এসব আলোচনা ও কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে। গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, এবি পার্টি, গণতন্ত্র মঞ্চে থাকা দলগুলোর সঙ্গেও অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হচ্ছে।

'সুষ্ঠু নির্বাচনে তিন বাধা' যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সরগরম দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন।

প্রায় ১৬ বছর পর দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন।

রাজনৈতিক দলগুলোও পুরোপুরি নির্বাচনমুখী। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশনও।

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে হতে পারে তফশিল। কিন্তু এতসব আয়োজনের মধ্যে শঙ্কার জায়গাও রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অন্তত তিনটি বড় বাধা দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

এর মধ্যে রয়েছে-অবৈধ অস্ত্র, নাশকতা ও দলীয় কোন্দল। এসব দূর করতে না পারলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

'ব্যাংকে ব্যাংকে দৌড়ঝাঁপ শুরু ঋণখেলাপিদের' নয়াদিগন্তের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, আর্থিক খাতে অনিয়ম ও ঝুঁঁকি কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি ঋণশৃঙ্খলা জোরদার এবং খেলাপি ঋণের তালিকা হালনাগাদে কড়াকড়ি আরোপের আরোপের নির্দেশনা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকের শাখায় দেখা যাচ্ছে অস্বাভাবিক ভিড় বাড়ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের। শুধু সাধারণ গ্রাহক নয়, ঋণখেলাপিরাও এখন দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন 'খেলাপি' পরিচয় থেকে মুক্ত থাকতে।

ব্যাংকিং সূত্র বলছে, নতুন নিয়মে কঠোর তদারকি, তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) রিপোর্ট আরও কঠোরভাবে যাচাইয়ের কারণে ঋণখেলাপিদের চাপ বেড়েছে।

নিয়ম কঠোর হওয়ায় বাড়ছে চাপ : সম্প্রতি জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ঋণগ্রহীতা একটি ব্যাংকে খেলাপি থাকলে অন্যান্য ব্যাংক থেকেও নতুন ঋণ পাওয়া কঠিন হবে।

একই সাথে খেলাপি ঋণের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিআইবি রিপোর্টে যুক্ত হয়ে যাবে, যা নিয়মিতভাবে সব ব্যাংক ব্যবহার করে। এর ফলে পূর্বে যেসব খেলাপি বিভিন্ন ব্যাংকে ঘুরে নতুন ঋণ নিতেন, এখন সেই সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

কালের কণ্ঠের শিরোনাম ‌'গণভোটের ব্যালট রঙিন থাকবে পোস্টাল ভোটও'। খবরে বলা হচ্ছে, কেন্দ্রে গণভোট স্থগিত থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ কেন্দ্রের ফলাফলের ভিত্তিতেই ফল ঘোষণা করতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)—এমন বিধান রেখে 'গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫' খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে এ অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ হয়েছে। গতকালই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এটি অনুমোদিত হয়।

পরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আইন উপদেষ্টা জানান, সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের মতামত জানতেই গণভোট আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রবাসীসহ চার ধরনের ভোটারের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

জুলাই জাতীয় সনদে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ ৩০ দফায় যে ঐকমত্য হয়েছে, তা বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে বলেও জানান তিনি।

'বাপেক্সের গ্যাস সরবরাহ গত দেড় বছরে কমেছে ৩৩ শতাংশের বেশি' বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) গত বছর আগস্টের শুরুতে গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করেছিল ১২১ মিলিয়ন ঘনফুট। গতকাল তা ৮১ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসে।

এ হিসাব বিবেচনায় নিলে ১৬ মাসের ব্যবধানে গ্রিডে সংস্থাটির গ্যাস সরবরাহ কমেছে ৩৩ শতাংশের বেশি।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর স্থানীয় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধিতে বাপেক্সকে সর্বাত্মক ব্যবহারসহ অর্থায়ন, কূপ খননে যন্ত্রাংশ ক্রয়ের মতো বিভিন্ন সুবিধা দেয়ার কথা বলা হলেও গ্রিডে সংস্থাটির গ্যাসের সরবরাহ ক্রমবর্ধমান হারে কমছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে বাপেক্সকে বসিয়ে রাখার অভিযোগ ছিল।

অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাপেক্সকে আধুনিকায়ন, গ্যাস উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সুবিধা ও বিনিয়োগসহ সংস্থাটির বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ছিল।

কিন্তু তা কূপ খনন, গতানুগতিক বিনিয়োগ ও রিগ আধুনিকায়ন ও ক্রয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে।

'দেশে দরিদ্র ৩ কোটি ৬০ লাখ' প্রথম আলোর সংবাদ। খবরে বলা হয়েছেে, দারিদ্র্য কমানোর ক্ষেত্রে উল্টো পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশে চার বছর ধরে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে।

সংস্থাটির অনুমিত হিসাব, ২০২৫ সালে দারিদ্র্যের হার হতে পারে ২১ শতাংশের কিছু বেশি। দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ।

দেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ দারিদ্র্যসীমার কিছুটা ওপরে থাকে। তারা উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো বিভিন্ন আঘাতের কারণে দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ২০২২ সালে সংখ্যাটি ছিল ৬ কোটি ২০ লাখ।

দেশে দারিদ্র্যের হার হিসাব করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। সংস্থাটির খানা আয়-ব্যয় জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।

সর্বশেষ খানা আয়-ব্যয় জরিপ করা হয়েছিল ২০২২ সালে। তখন সার্বিক দারিদ্র্য হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবটি মূলত প্রাক্কলন, যা করা হয়েছে 'মাইক্রো-সিমুলেশন মডেল' নামের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে।

শ্রমবাজারের গতিশীলতা, প্রবাসী আয় এবং সরকারের ভর্তুকি ব্যয়কে ভিত্তি ধরে মাইক্রো-সিমুলেশন মডেলে দারিদ্র্যের হার পর্যালোচনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম '17 highly harmful pesticides widely used across country' অর্থাৎ, দেশজুড়ে ১৭টি ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ।

খবরে বলা হচ্ছে, একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত অনিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত কমপক্ষে ১৭টি সক্রিয় কীটনাশক উপাদান বাংলাদেশে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা জনস্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রাসায়নিকগুলিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক কীটনাশক হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করেছে।

কারণ এগুলো মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশের জন্য "বিশেষ করে উচ্চ মাত্রার তীব্র বা দীর্ঘস্থায়ী বিপদ" তৈরি করে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায়, বাংলাদেশে নিবন্ধিত ২৫টি অত্যন্ত বিপজ্জনক কীটনাশক হিসেবেে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, কীটনাশক বিক্রেতা এবং কর্মকর্তারা উদ্ভিদ সুরক্ষা শাখায় নিবন্ধিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৭টির বাজার উপস্থিতি এবং ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন।

'জাল কাগজে ভিসা নাকচ' দেশ রূপান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জাল কাগজপত্র দিয়ে ও প্রতারণার মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার চেষ্টার পাশাপাশি ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত অবস্থানের মাধ্যমে অভিবাসনের সুবিধা নেওয়ার বিরুদ্ধে সতর্ক করছে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাজ্য, জার্মানিসহ বিভিন্ন দেশ।

ঢাকায় এসব দেশের দূতাবাস বলছে, প্রতারণার মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে।

এ বিষয়ে সর্বশেষ সতর্কবার্তা এসেছে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের কাছ থেকে।

তিনি বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করা হলে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হাইকমিশনারের এ বক্তব্য তুলে ধরে বলেছে, ভিসা জালিয়াতি ও অবৈধ অভিবাসন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে।

যথাযথ যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি ও অতিরিক্ত অর্থের বিনিময়ে ভিসার নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে।

'নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ বড় চ্যালেঞ্জ' ইত্তেফাকের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ এখন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের সময় সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্রের প্রবেশ বন্ধ করা, অতীতে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করা এবং অপরাধী চক্রকে দমন করার ওপর জোর দিচ্ছে।

পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণই আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য এটা হুমকিও।

"তবে এখন আর ঘোষণা দিয়ে নয়, আমরা সব ইউনিটকে বলে দিয়েছি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। ভেতরে ভেতরে সেই অভিযান চলবে। কারণ অস্ত্রের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি। কেউ অস্ত্রধারীকে ধরিয়ে দেয়নি।"

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা নির্বাচনি পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে।

অবৈধ অস্ত্রের একটি বড় অংশ সীমান্তপথ দিয়ে দেশে প্রবেশ করে, যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

পাশাপাশি পুলিশ ও থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অপরাধীদের হাতে রয়েছে, যা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এখন বড় চ্যালেঞ্জ।