পত্রিকা: 'নির্বাচনের জন্য 'যোগ্য' এসপি বাছাই করছে পুলিশ'

সমকাল পত্রিকার আজকের খবর- নির্বাচনের জন্য 'যোগ্য' এসপি বাছাই করছে পুলিশ। এ খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে 'যোগ্য' পুলিশ সুপার বা এসপি নির্বাচনের কাজ শুরু করেছে পুলিশ সদর দপ্তর।
এজন্য দেশের ৬৪ জেলার বর্তমান এসপিদের কাজের মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা রেঞ্জ ডিআইজিদের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত একই পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেও যোগ্যদের তালিকা তৈরি হচ্ছে।
এসব কর্মকর্তাকে নিয়ে আলাদা পুল গঠন করা হবে, যেখান থেকে নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ে এসপি নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
তবে এই বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে পুলিশের ভেতরেই অনেকের মধ্যে প্রশ্ন আছে। কেউ কেউ মনে করছেন, এতে প্রকৃত যোগ্য কর্মকর্তাদের নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ থেকে যেতে পারে।
ইতোমধ্যে গত দুই দিনে ২৯ জেলার জেলা প্রশাসক বদলি হয়েছেন, আর শিগগিরই এসপি পদে বড় রদবদল আসছে বলে জানা গেছে।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়তে পারেন:

বণিক বার্তা পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর - শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড হলেও জুলাই সনদে গুরুত্ব পায়নি। খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বে যে দেশগুলো দ্রুত উন্নতি করেছে, তাদের মূল ভিত্তি ছিল শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ। কিন্তু বাংলাদেশে ছবিটা উল্টো।
স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষার মান ক্রমে নিচে নেমেছে, আর শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায়। নতুন ভবন ও প্রকল্প বাড়লেও শিক্ষার গুণগত মানে কোনো উন্নতি হয়নি।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও অনেকের প্রত্যাশা ছিল, শিক্ষা সংস্কার হবে অগ্রাধিকারমূলক খাত। কিন্তু বাস্তবে সে রকম উদ্যোগ দেখা যায়নি।
গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য ১১টি কমিশন গঠিত হলেও শিক্ষা খাতের জন্য কোনো কমিশন হয়নি।
শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, প্রশ্নফাঁস, রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতি এখনো বিদ্যমান। প্রাথমিক স্তরে শিখনসামগ্রী ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক স্বল্পতা, বিশ্ববিদ্যালয়ে অদক্ষ গ্র্যাজুয়েট উৎপাদন—সব মিলিয়ে শিক্ষাব্যবস্থা এক গভীর সংকটে রয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
মানবজমিন পত্রিকার আজকের খবর- দেশ জুড়ে আতঙ্ক, নাশকতা ঠেকাতে থানায় থানায় কড়া বার্তা। এ সংবাদটিতে বলা হয়েছে, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার তারিখ ঘিরে দেশজুড়ে উত্তেজনা ও নাশকতার আশঙ্কা বেড়েছে।
১৩ নভেম্বর রায় ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রায় প্রতিহত করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা সূত্র।
দলটির পক্ষ থেকে ওইদিন সারা দেশে লকডাউনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ের নেতাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং থানা পর্যায়ে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের লকডাউনের আহ্বান আসার পর থেকে থানাভিত্তিক নেতাকর্মীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে এবং তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ চলছে।
নিরাপত্তা বাহিনী ১০ নভেম্বর থেকে বিশেষ সতর্ক অবস্থানে থাকবে বলে জানা গেছে।
এরই মধ্যে ঢাকার মোহাম্মদপুরের সেন্ট যোসেফ স্কুল ও রমনার সেন্ট মেরি'স ক্যাথেড্রাল গির্জায় ককটেল বিস্ফোরণের দুটি ঘটনা ঘটেছে।
যদিও এসব ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি, তবে পুলিশ বলছে, এটি পরিকল্পিত নাশকতার ইঙ্গিত হতে পারে। ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

প্রথম আলো পত্রিকার আজকের খবর - কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৫ বছরে ২৭৫ বন্দীর মৃত্যু।
দেশের ৭৪টি কারাগারে বন্দীর সংখ্যা প্রায় ৮২ হাজার। কিন্তু তাঁদের জন্য স্থায়ী চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র দুজন।
অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসকের অভাবসহ নানা সংকট ও অব্যবস্থাপনায় যথাযথ চিকিৎসা পান না অসুস্থ বন্দীরা।
কারা অধিদপ্তরের বিগত প্রায় পাঁচ বছরের হিসাবে, কারাগারে বছরে গড়ে ১৯৬ জন বন্দীর মৃত্যু হয়। ৪ বছর ৯ মাসে মারা গেছেন ৯৩৩ জন।
এর মধ্যে কারাগার অথবা কারা হাসপাতাল থেকে বাইরের হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথে মৃত্যু হয় বছরে গড়ে ৫৮ জনের।
চার বছর ৯ মাসে কারাগার থেকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মোট মারা গেছেন ২৭৫ জন বন্দী।
কারা কর্মকর্তারা বলেছেন, 'প্রেষণে' ও 'সংযুক্ত' হিসেবে কারা হাসপাতালে চিকিৎসকদের পাঠানো হয়। তবে তাঁরা সেখানে থাকতে চান না।
কারণ, পদোন্নতির সুযোগ নেই, কাজের চাপ বেশি এবং বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা হয়েও দায়িত্ব পালন করতে হয় নন-ক্যাডার কর্মকর্তার অধীনে।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার আজকের শীর্ষ খবর- দুই মেরুতে বিএনপি ও জামায়াত। খবরে বলা হচ্ছে, দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অনেকেই বিএনপির দিকে তাকালেও সাম্প্রতিক সময়ে দলটির সঙ্গে জামায়াতের দূরত্ব বেড়েছে।
বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে দুই দলের বিপরীতমুখী অবস্থান জনমনে বিভ্রান্তি ও অস্বস্তি তৈরি করেছে।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ অন্য দলগুলোও অবস্থান বদলে কখনো একদিকে, কখনো অন্যদিকে ঝুঁকছে, যা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বর্তমান অস্থিরতায় ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলোর সক্রিয় হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোট ইস্যুতে দলগুলোর মধ্যে যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে, তা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বিএনপি অভিযোগ করেছে, তাদের আপত্তি বা 'নোট অব ডিসেন্ট' চূড়ান্ত সনদে যুক্ত করা হয়নি। দলটির দাবি, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টি সনদে থাকা উচিত ছিল না, অথচ পরে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নিউ এইজ পত্রিকার আজকের খবর- Cabinet likely to take up issue in next meeting অর্থাৎ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন পদ্ধতি: পরবর্তী বৈঠকে বিষয়টি তুলবে মন্ত্রিসভা
অন্তর্বর্তী সরকার আগামী বৃহস্পতিবারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং প্রস্তাবিত গণভোটের সময় নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনায় তুলতে যাচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের কয়েকজন উপদেষ্টা ও কর্মকর্তা।
সরকার যে সাত দিনের সময়সীমা দিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য, তা রবিবার কোনো ফল ছাড়াই শেষ হয়।
এর আগে ২ নভেম্বর জরুরি বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রাজনৈতিক দলগুলোকে জুলাই সনদের মূল দিক ও গণভোটের সময়সূচি নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন।
কিন্তু সপ্তাহব্যাপী আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় রাজনৈতিক বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
জামায়াতে ইসলামী ছাড়া বেশিরভাগ দল সরকারের এই নির্দেশনাকে 'রাজনৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য ও প্রক্রিয়াগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ' বলে সমালোচনা করেছে। জামায়াত সমঝোতার চেষ্টা করলেও তা বাস্তবে তেমন কোনো ফল দেয়নি।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম- সিদ্ধান্তের ভার সরকারের হাতে। এ খবরে বলা হয়েছে, গণভোট নিয়ে আলোচনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন নয়, তবে জুলাই ২০২৫-এ এসে বিষয়টি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে।
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও জাতীয় নির্বাচনের সময় ঠিক করার জন্য সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে যে সাত দিনের সময় দিয়েছিল, তা আজ শেষ হচ্ছে।
কিন্তু এখনো বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি বা অন্য কোনো দল আলোচনায় বসেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, এতে বোঝা যাচ্ছে দেশের রাজনৈতিক বিরোধ আরও গভীর হচ্ছে।
এতে সরকার হয়তো বাধ্য হবে গণভোট ও নির্বাচনের সময় একতরফা ঘোষণা দিতে। তবে সেই সিদ্ধান্তে সবাই রাজি হবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
সব মিলিয়ে সামনে আসছে সপ্তাহটি দেশের রাজনীতির জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল সময় হতে পারে।

যুগান্তর পত্রিকার আজকের খবর - কেন্দ্রে উত্তাপ, তৃণমূলে নির্বাচনি হাওয়া।
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও গণভোটের দিনক্ষণ নিয়ে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে মতবিরোধ রাজনীতিতে উত্তাপ সৃষ্টি করেছে।
তবে মাঠপর্যায়ে প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে তৎপর, দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন, পোস্টার-ফেস্টুন বিতরণ করছেন এবং গণসংযোগ চালাচ্ছেন।
কোথাও সংঘাত বা সহিংসতার খবর থাকলেও মোট পরিস্থিতি নির্বাচনি আবহেই রয়ে গেছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো শিগগিরই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠবে এবং সব প্রার্থী ভোটের মাঠে সক্রিয় হবে।
বিএনপি ইতোমধ্যে ২৩৭টি আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং নেতাকর্মীরা জনগণের কাছে গিয়ে ভোট চাইছেন ও রাষ্ট্র কাঠামোর ৩১ দফা তুলে ধরছেন।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- 67% of polling stations 'risky', অর্থাৎ ৬৭% ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হচ্ছে।
আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য দেশের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভোটকেন্দ্রকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে যেখানে মাত্র ২৫ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, এবার সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
গত ২০ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ প্রস্তুতিমূলক বৈঠকে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা, সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়ার সম্ভাবনা এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পুনঃবিন্যাস নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য গতকাল প্রকাশ করা হয়েছে।
বর্তমানে সেনাবাহিনী ৬২ জেলায় প্রশাসনকে সহায়তা করছে এবং তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাও রয়েছে।
বৈঠকে সেনাপ্রধানের প্রতিনিধি বলেন, যদি সেনাবাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়, তবে তারা নির্বাচনে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।
পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ বৈঠকে জানায়, মোট ৪২,৭৬১টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৮,৬৬৩টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে, যা মোট কেন্দ্রের প্রায় ৬৭ শতাংশ।
এর মধ্যে ৮,২২৬টি 'অতি ঝুঁকিপূর্ণ' এবং ২০,৪৩৭টি 'ঝুঁকিপূর্ণ' হিসেবে চিহ্নিত।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার আজকের শিরোনাম বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের সাক্ষাৎকার, যেখানে তিনি বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর নিয়োগের উদ্যোগ মূলত বন্দরকে দুর্নীতিমুক্ত ও আরও কার্যকর করার জন্য নেওয়া হচ্ছে।
সরকারের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রমকে সহজতর করা সম্ভব হবে বলে কর্মকর্তারা আশা করছেন।
মূল লক্ষ্য হলো একটি দুর্নীতিমুক্ত ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লজিস্টিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
আন্তর্জাতিক অপারেটররা স্বচ্ছতা, আধুনিক প্রযুক্তি, পেশাদার ব্যবস্থাপনা এবং বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ নিয়ে আসবে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন।
আন্তর্জাতিকভাবে সুনামধারী অপারেটর যুক্ত করলে এটি দুর্নীতি নির্মূলে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে, কারণ বৈশ্বিক অপারেটরদের জন্য সুনাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সেখানে অনিয়ম বা অসাধু কার্যকলাপের সম্ভাবনা খুবই কম।









