‘সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যাংকে নগদ লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ’

Published

‘সীমান্তবর্তী এলাকার ব্যাংকে নগদ লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ’ বণিক বার্তা পত্রিকার প্রথম পাতার এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের সীমান্তবর্তী ২১ জেলায় বড় অংকের নগদ অর্থ লেনদেন বাড়ছেই।

আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে জামালপুর ছাড়া দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলায় নগদ অর্থের লেনদেন বেড়েছে। বিশেষ করে কুমিল্লা, যশোর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি।

এ তালিকায় সীমান্তবর্তী অন্যান্য জেলার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, ফেনী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, হবিগঞ্জ, শেরপুর, নওগাঁ, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা।

২০২২-২৩ অর্থবছরে এসব জেলার ব্যাংকগুলোয় ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭ কোটি টাকা নগদ লেনদেন হয়েছে। অথচ, এর আগের অর্থবছরে এ জেলাগুলোয় নগদ লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ২৩ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এই অর্থবছরে এইসব জেলাগুলোয় নগদ লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

‘সব নেতা–কর্মীকে মুক্ত করাই এখন বিএনপির লক্ষ্য’, এটি প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার একটি খবর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে যেসব বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, আসন্ন রমজানের আগে তাদেরকে কারামুক্ত করাই দলের মূল লক্ষ্য এখন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবর মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ৭ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সারা দেশে ২৪ থেকে ২৫ হাজার নেতা-কর্মী ও সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়।

যদিও গ্রেপ্তারের এই সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি নয় বলে বিভিন্ন সময় দাবি করেছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা। তবে ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ কর্মসূচি ঘিরে গ্রেপ্তার অভিযান শুরু হয়, যা চলে নির্বাচন পর্যন্ত।

ভোটের মাসখানেক পর থেকে কারাবন্দি নেতা-কর্মীরা মুক্তি পেতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, মির্জা আব্বাসসহ অনেক নেতা জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। তবে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের তথ্য, এখনও প্রায় চার হাজার নেতা-কর্মী কারাবন্দি আছেন।

‘চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ১০ গুণ করার প্রস্তাব ইসির’, এটি দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর। এতে বলা হয়েছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর জামানত যথাক্রমে ১০ ও ১৫ গুণ করার প্রস্তাব দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের জামানত এক লাখ টাকা এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিশন। বর্তমান বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর ১০ হাজার ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর পাঁচ হাজার টাকা জামানত রাখতে হয়।

এছাড়া, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ভোটারের সমর্থনযুক্ত তালিকা বিলুপ্ত করাসহ আইনের আরও বেশ কিছু সংশোধনের প্রস্তাব করেছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। ২০ই ফেব্রুয়ারি ২৮তম কমিশন সভায় সংস্থাটি এসব প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম।

তবে ইসি সচিব বলেন, “এগুলো এখনই কার্যকর হচ্ছে না। কমিশন সভায় অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে ভেটিংয়ের জন্য। মন্ত্রণালয় যাচাই-বাছাই করে তা আবার ইসির কাছে ফেরত পাঠাবে। তারপর ইসি পর্যালোচনা করে আবার আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠালে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।”

‘সাড়ে ৪ লাখের বেশি রোহিঙ্গা টেকনাফে প্রবেশের অপেক্ষায়’, নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার এই খবরে বলা হয়েছে যে মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের মাঝে দেশটির রাখাইন রাজ্যের মংডু এলাকার প্রায় সাড়ে চার লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চাইছে।

মংডুতে থাকা রোহিঙ্গা কলিম উল্লাহ’র বরাত দিয়ে এতে আরও বলা হয়, মংডুর মুসলিম নেতাদের সাথে বৈঠক করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। বৈঠকে দেশটির সামরিক সরকারের সাথে কাজ করলে মুসলিমদের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

বর্তমানে মংডুর ঠিক উত্তরের দিকে মিয়ানমারে তুমুল যুদ্ধ চলছে। শাহপরীর দ্বীপ থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা না গেলেও টেকনাফে মঙ্গলবার সকালেও গোলাগুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা।

‘গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম আবার বেড়েছে’, সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার প্রধান শিরোনাম এটি। এই খবর অনুযায়ী, ২০১০ সালের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১২ বার বিদ্যুতের দাম বেড়েছে। এর মাঝে গতবছরও তিন দফায় বিদ্যুতের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। সেই ধারাবাহিকতায়, চলতি বছরেও বিদ্যুতের দাম গ্রাহক পর্যায়ে পাঁচ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এই খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋণের শর্ত হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে ভর্তুকিমুক্ত করার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (এইএমএফ) চাপ রয়েছে বলে সরকার আগামী তিন বছরের মাঝে বিদ্যুতের ভর্তুকি থেকে পুরোপুরি বেরিয়ে আসতে চাইছে। তাই, দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি’র পর্যালোচনা অনুযায়ী পুরো টাকা একবারে ভর্তুকি দিলে বিদ্যুতের দাম ৭৮ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই, ধাপে ধাপে দাম বাড়ানো হচ্ছে, যাতে তা জনগণের জন্য সহনীয় হয়। অর্থাৎ, এই প্রক্রিয়ায় দাম বাড়ানো হলে এবছর আরও কয়েক ধাপে বিদ্যুতের দাম বাড়তে পারে।

‘Language efficiency level keeps falling’ অর্থাৎ, ভাষাগত দক্ষতার মাত্রা কমছে। এটি নিউ এজ পত্রিকার সংবাদ। এখানে বলা হয়েছে, প্রথম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হলেও বাংলা এবং ইংলিশ, এই দুই ভাষাতেই শিক্ষার্থীদের দক্ষতা কমছে।

সেই কারণে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে চাকরির বাজারেও পিছিয়ে পড়ছে।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবলমাত্র যোগ্য শিক্ষকের অভাবই নয়, জাতীয় পাঠ্যক্রমের ঘন ঘন পরিবর্তন, বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা এবং পরিকল্পনার যথেষ্ট অভাবও এর জন্য দায়ী।

‘উচ্চশিক্ষায় উপেক্ষিত মায়ের ভাষা’, এটি আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। এতে বলা হয়েছে, চিকিৎসা, প্রকৌশল, বিজ্ঞান, ব্যবসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা এখনও ইংরেজি ভাষায় রচিত বইয়ের ওপর নির্ভরশীল। ফলে, দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষায় বাংলা ব্যবহার শুধু কথার মাঝেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলায় রচিত ও অনূদিত বইয়ের সংখ্যাও খুবই কম। বাংলা বইয়ের সংখ্যা বাড়লে উচ্চশিক্ষায় বাংলার ব্যবহারও বাড়বে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদেরা।

‘Languages we may lose soon’ অর্থাৎ যেসব ভাষা আমরা শীঘ্রই হারাতে পারি। এটি দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট ৪১টি ভাষা রয়েছে এবং সেগুলোর দুই তৃতীয়াংশের কোনও বর্ণ নেই। সেইসাথে, ১৪টি ভাষা বিলুপ্তির পথে।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলো হলো- রেংমিচা, খারিয়া, কোন্দো, কোডা, সৌরা, মুন্ডারি, কোলে, মাল্টো, খুমি, পাংখুয়া, চাক, খিয়াং, লুসাই এবং লালেং (পাত্রো)।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কারণে এই ভাষাগুলো বিলুপ্তির পথে।

‘পেটের দায়ে বাড়িছাড়া মানুষের সংখ্যা বাড়ছে’, এটি কালের কণ্ঠ পত্রিকার শেষ পাতার খবর। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজ এলাকায় বা কাছাকাছি এলাকায় নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ না থাকায় দেশে প্রতি এক হাজার জনসংখ্যার বিপরীতে বাড়ি ছাড়ছে ৬১ জনের বেশি মানুষ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২২ জরিপের তথ্য অনুযায়ী এতে আরও বলা হয়েছে, দেশের ভেতরে প্রতি এক হাজার জনের বিপরীতে ৩০ দশমিক ৮ জন মানুষ নিজ বাড়ি ও পরিবার ছেড়ে অন্য জেলায় চলে গিয়েছে। আর, দেশের বাইরে অভিবাসী হয়েছে হাজারে ৩০ দশমিক ২ জন মানুষ।

বাংলাদেশে আগেও জীবন-জীবিকার তাগিদে মানুষ ঘর ছেড়ে গিয়েছে। কিন্তু এ বছরের মতো এত বিপুল সংখ্যক মানুষ কখনও যায়নি। গত পাঁচ বছরের সাথে তুলনা করলে এবছর এটি সবচেয়ে বেশি।