‘ভারত থেকে একটি পেঁয়াজও আমদানি করা সম্ভব হয়নি’

প্রতিবেশী দেশ থেকে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আমদানি না হওয়া নিয়ে দৈনিক নয়া দিগন্তের শিরোনাম ‘ভারত থেকে একটি পেঁয়াজও আমদানি করা সম্ভব হয়নি’
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রীর একাধিকবার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও ভারত থেকে একটি পেঁয়াজও আমদানি হয়নি। এর আগে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এমনকি অর্থমন্ত্রীও বলেছিলেন, রোজার আগেই ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে। কিন্তু বাস্তবে তার কোনো কিছুই ঘটেনি।
এখন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলছেন, বর্তমানে ভারত থেকে কত দাম দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করা হবে তার দর কষাকষি চলছে।
এদিকে, রমজান উপলক্ষ্যে দেশে আমদানি করা খেজুরের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এতে অতি সাধারণ মানের খেজুর প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ১৬৫ টাকা, বহুল ব্যবহৃত জাইদি খেজুরের দাম ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গতকাল (মঙ্গলবার) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক চিঠিতে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতি ও বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনকে পাঠানো এক চিঠিতে দাম নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়।

সোমবার বাংলাদেশসহ পাঁচ পোশাক রপ্তানিকারক দেশের শুনানি করে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কমিশন (ইউএসআইটিসি)।
এই শুনানি নিয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠের শিরোনাম- ‘শ্রম অধিকার, মজুরিসহ নানা প্রশ্ন বাংলাদেশকে’
প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, চার ঘণ্টার শুনানিতে শ্রম অধিকার, শ্রম আইন, শ্রমিকদের দক্ষতা, মজুরিসহ নানা বিষয়ে জানতে চান কমিশনাররা।
মার্কিন সরকারের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তরের (ইউএসটিআর) অনুরোধে বাংলাদেশসহ পাঁচটি দেশ নিয়ে অনুসন্ধান করছে ইউএসআইটিসি।
কীভাবে এ দেশগুলো মার্কিন পোশাকশিল্প বাজারের এত বড় অংশ দখল করে রেখেছে, তা খতিয়ে দেখবে কমিশন। দেশগুলোর কেউ অসুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাজার দখল করছে কি না, তা খুঁজে বের করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশ্য। অন্য চারটি দেশ হলো ভারত, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান।
শুনানিতে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ প্রথম লিখিতভাবে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে। পরে কমিশনের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়।
এছাড়া, রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে কালের কণ্ঠও। পত্রিকাটির প্রধান শিরোনাম, ‘মূল্যস্ফীতির চাপে কেনাকাটা কমিয়েছে ভোক্তা’।

সমকালের প্রধান শিরোনাম সোমালিয়ার জলদস্যু দলের কবজায় বাংলাদেশি জাহাজ।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ার জলদস্যু দলের কবলে পড়েছে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ।
মোজাম্মিক থেকে কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাওয়ার পথে জাহাজটিতে হামলা চালায় দস্যুরা। এ সময় জাহাজে থাকা বাংলাদেশি ২৩ নাবিক এবং ক্রুকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা।
ওই জাহাজ থেকে বাংলাদেশি মালিকের কাছে অডিও বার্তা পাঠিয়েছেন জিম্মি নাবিকরা।
মুক্তিপণের জন্য জাহাজটিতে হামলা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে বাংলাদেশি মালিকপক্ষ।

পশ্চিমবঙ্গে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেবো না, যদি জীবন যায় জীবন দেবো’ দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার একটি শিরোনাম।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কথা উদ্বৃত করে এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন জারি করেছে ভারত।
সেই প্রসঙ্গে মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেছেন, “এই আইনে কোনো স্পষ্টতা নেই। পুরোপুরি ভাঁওতা। ২০১৯ সালেও করেছিল আসামে সিএএ-এনআরসি। ১৯ লাখ মানুষের নাম বাদ গিয়েছিল। তার মধ্যে ১৩ লাখ হিন্দু বাঙালি। বহু মানুষ আত্মহত্যা করেছিল। এখন যাদের দরখাস্ত করতে বলা হয়েছে তারা যেই দরখাস্ত করবেন তারা নাগরিক থাকা সত্ত্বেও বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাবেন। তাহলে আপনাদের সম্পত্তির কী হবে, চাকরি-বাকরির কী হবে? সবটাই বেআইনি ডিক্লেয়ার হয়ে যাবে। এটা হলো বিজেপির লুডো খেলার ছক্কা।”
মমতা এদিন আশ্বাস দিয়ে বলেন, ''বহাল তবিয়তে পশ্চিমবঙ্গে থাকুন। কেউ গায়ে হাত দিলে আমরা বুঝে নেবো।''
খোলা মঞ্চে দাঁড়িয়ে মমতার বার্তা- ‘‘আমরা পশ্চিমবঙ্গে থাকতে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেবো না। কোনো এনআরসি করতে দেবো না।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
এই বিষয়ে আজকের পত্রিকায় একটি খবরের শিরোনাম আসাম, পশ্চিমবঙ্গসহ রাজ্যে রাজ্যে বিক্ষোভ। তবে তাদের প্রধান শিরোনাম, বেহাত ফোন আনছে বিপদ।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য, রাজধানীতে প্রতি মাসে গড়ে ১১ হাজারের বেশি মোবাইল ফোন চুরি হয়, ছিনতাই হয় বা হারায়। অর্ধেকের বেশি ভুক্তভোগীই এ নিয়ে থানায় আসেন না। যারা জিডি করেন তাদের মোবাইল উদ্ধারের সংখ্যাও নামমাত্র।
অন্য ব্যস্ততা থাকায় মোবাইল উদ্ধারে পুলিশের সময়ও কম। পুলিশ বলছে, খোয়া যাওয়া দামি মোবাইলের অর্ধেকের বেশি চলে যাচ্ছে বিদেশে। তাই এগুলোর হদিস পাওয়া যায় না। কম দামি মোবাইল আইএমইআই বদলে দেশেই বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হয়।
মোবাইল ফোন খোয়া গেলে বেশির ভাগই পুলিশ পর্যন্ত যান না। ফলে এ ধরনের ঘটনায় মামলা যতটা হয়, প্রকৃত মোবাইল ফোন হারানোর সংখ্যাস তারচেয়ে অনেক বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কিন্তু ফোন হারিয়ে অনেকে বড় ধরনের বিপদে পড়ছেন। অনেকের মোবাইলে থাকে গুরুত্বপূর্ণ নথি। অনেকের ফোনে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও থাকায় তারা ব্ল্যাকমেইলের শিকারও হয়েছেন। সম্প্রতি পুলিশের একটি সম্মেলনে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

'রোজার পণ্যে অগ্নিমূল্য : অসহায় ভোক্তা' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, প্রথম রোজায় ইফতারির আয়োজন এবং পরবর্তী রোজার সেহরির জন্য খাদ্যপণ্য কিনতে বাজারে গিয়ে মুখ মলিন হচ্ছে ক্রেতাদের।
কারণ, বাজারে চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, ময়দা, ছোলা, বেসন, মাছ-মাংসসহ প্রায় সব ধরনের পণ্য বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে।
আর বিভিন্ন ফলেরও অসহনীয় দাম থাকায় চাহিদা মেটাতে দুই-এক পিস ওজন করে কিনতে হচ্ছে।
দৈনিক যুগান্তরের প্রতিবেদনে বাজারদর তুলে ধরা হয়েছে।
যা থেকে জানা যাচ্ছে, মঙ্গলবার ভালোমানের প্রতি কেজি শসা বিক্রি হয়েছে ১০০-১১০ টাকায়, যা সাতদিন আগে ছিল ৬০-৭০ টাকা। মাঝারি মানের প্রতি কেজি শসার দাম ৭০-৮০ টাকা, যা সাত দিন আগে ৪০-৫০ টাকা ছিল।
পাশাপাশি এক সপ্তাহ আগে যে লেবু প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা মঙ্গলবার খুচরা বাজারে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হয় গলা বা বাংলা খেজুর। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়। যা গত বছরের রমজানে ১২০-১৩০ টাকা ছিল। জাহিদি খেজুর প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৫০ টাকা, আগে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এছাড়া ব্রয়লার মুরগির কেজি ২৩০ এবং গরুর মাংস ৭৫০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের অনেকে এখন সাধ ও সাধ্যের মধ্যে মাংস কিনতে পারছেন না।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

বণিক বার্তা’র শিরোনাম ‘২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাজেট বাস্তবায়ন ২৫ শতাংশ’
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকার চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ের যে উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এর ২৫ দশমিক ৫২ শতাংশ ব্যয় হয়েছে।
বরাবরই অর্থবছরের শেষদিকে বেশি অর্থ ব্যয়ের প্রবণতার কারণে প্রথম দিকে বাজেট বাস্তবায়ন কম হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞদের এমন বিশ্লেষণও যুক্ত করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
অন্যদিকে এ সময়ে সরকারের রাজস্ব আহরণ হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার ৩৭ শতাংশ।
রাজস্ব আহরণে শ্লথগতিতে অর্থ সংকট দেখা দেয়ার কারণেও সরকারি ব্যয়ে কিছুটা টান পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রান্তিকভিত্তিক বাজেট বাস্তবায়নের হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে মোট ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৪ কোটি টাকা।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মোট ৫ লাখ ৩ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল সরকার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রাজস্ব এসেছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৮৫ কোটি টাকা, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৩৭ শতাংশ।

ব্যাংকিং খাত নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গতকালকের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে দৈনিক প্রথম আলো’র শিরোনোম- লাল, হলুদ, সবুজ ব্যাংকের তালিকা ‘ধারণাভিত্তিক’
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি সংবাদ সম্মেলনের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি দেশের ব্যাংকগুলোকে নিয়ে লাল, হলুদ ও সবুজের যে তালিকা করেছে, সেটি ধারণাভিত্তিক তালিকা।
এ তালিকার ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ওই প্রতিবেদনের ‘লাল’ তালিকায় কিছু দুর্বল ব্যাংকের নাম উঠে আসে। আর ‘হলুদ’ তালিকায় অপেক্ষাকৃত কিছু দুর্বল ব্যাংকের পাশাপাশি ভালো কিছু ব্যাংকের নামও যুক্ত হয়। আর ‘সবুজ’ তালিকায় দেখানো হয় ভালো ব্যাংকগুলোকে।
এরপর থেকে তালিকায় থাকা ব্যাংক নিয়ে আর্থিক খাত–সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়। ব্যাংকের আমানতকারীদের মধ্যেও এ নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দেয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, এটা ব্যাংকের স্বাস্থ্য দেখার কোনো সঠিক পদ্ধতি নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগ নানা সময়ে ব্যাংকের তালিকা করে থাকে। এসব তালিকায় কোন পরিস্থিতি হলে কী হতে পারে, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়।
রমজানে মাসে স্কুল খোলা রাখার ব্যাপারে সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশনা নিয়ে ডেইলি স্টারের শিরোনাম- 'Schools to stay open in Ramadan'
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পুরো রমজান মাসে সারাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে বলে হাইকোর্ট যে আদেশ দিয়েছিলেন, মঙ্গলবার তা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ।
রমজান মাসের প্রথম ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং প্রথম ১০ দিন প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
হাইকোর্টের আদেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ স্থগিতাদেশ দেন।
রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন এবং রিট আবেদনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ কে এম ফয়েজ।
অপরদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়েরের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৫ দিন সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম চালু থাকবে।

উদ্বৃত্ত এলএনজি রপ্তানি করতে জাপানের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকছেন। এমন প্রতিবেদন করেছে ইংরেজি দৈনিক দ্য নিউ এইজ। শিরোনাম 'Japan chooses Bangladesh, others to get rid of surplus LNG: report'
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উদ্বৃত্ত এলএনজি এ খাতের বড় বড় জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য রীতিমত সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর ফলে তারা বাংলাদেশসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে আগ্রহী।
প্রতিবেদনে আরও প্রকাশ করা হয়েছে যে জাপানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা বিভিন্ন কারণে কমছে।
কিন্তু, দেশটির এলএনজি ক্রেতারা ‘প্রধান এলএনজি প্লেয়ার’ হওয়ার লক্ষ্যে তাদের ক্রয় বাড়িয়েছে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি বাংলাদেশের সর্বশেষ ইন্টিগ্রেটেড এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করে।
এই প্ল্যানে, গ্যাসকে সবচেয়ে ভালো জীবাশ্ম জ্বালানি বলে দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও এটি সবচেয়ে কার্যকর।
বাংলাদেশের জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা অবশ্য ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি মাস্টার প্ল্যানের কঠোর সমালোচনা করেছেন।
এটিকে জাপানের ব্যবসায়িক পরিকল্পনারই সম্প্রসারণ বলে মনে করছেন তারা।











