আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
'ভারতের ভিসার ক্ষেত্রে বাড়তে পারে কড়াকড়ি'
ভারতে এমপি আনার হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, ‘ভারতের ভিসার ক্ষেত্রে বাড়তে পারে কড়াকড়ি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশের ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশিদের দেশটিতে ভ্রমণে কিংবা ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও বাড়তি সতর্কতা যোগ করতে পারে।
এ ঘটনায় কূটনৈতিক পাসপোর্টধারী বা লাল পাসপোর্টধারী ও ভিআইপিদের ক্ষেত্রে ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স নজরদারি বাড়াবে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষক ও আইন বিশ্লেষকরা।
আনারের এই ঘটনার পর এখন দেশের কোনো এমপি ভারতে প্রবেশের পর কোথায় যান, কোথায় থাকেন এ বিষয়গুলো নজরদারির মধ্যে পড়বে।
তবে এতে বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকদের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে খুব জটিলতার আশঙ্কা নেই বলেও তারা মনে করেন।
কেননা বাংলাদেশের নাগরিকদের ভারত যাওয়ার সঙ্গে তাদের অর্থনীতিও যুক্ত। তাই বাংলাদেশিদের হয়রানি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
বরং ভিসাপ্রক্রিয়া সহজ করতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের আলোচনা চলায় কয়েক মাস ধরে চিকিৎসা ভিসা দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে। ভ্রমণ ভিসা পাওয়াও আগের তুলনায় সহজ হয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশিদের জন্য পোর্ট এন্ট্রি ভিসা চালু নিয়েও দুই দেশের প্রতিনিধিরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন।
এদিকে এমপি হত্যার তদন্ত প্রসঙ্গে প্রথম আলোর প্রথম পাতার খবর, ‘খুনিরা জানুয়ারি থেকে পিছু নিয়ে তিনবার কলকাতা যান’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত তিনবার কলকাতায় গিয়েছিলেন সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম।
প্রতিবারই কাছাকাছি সময়ে অথবা একই তারিখে খুনিরাও কলকাতায় আসা-যাওয়া করেন। খুনিরা এমপিকে দীর্ঘ সময় ধরে অনুসরণ করছিলেন বলে ধারণা করা হয়।
দুবার ব্যর্থ হয়ে তৃতীয়বার দীর্ঘ পরিকল্পনা করে আনোয়ারুলকে খুন করতে সক্ষম হন খুনিরা।
তদন্ত–সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রথম আলো জানায়, আনোয়ারুল আজীমের বন্ধু আক্তারুজ্জামান দেশে ফেরার আগে হত্যার সব আয়োজন সম্পন্ন করেন।
এ খুনের ঘটনায় নাম আসা মুস্তাফিজুর রহমান ফকির নামের আরেকজনকে কলকাতার ওই ফ্ল্যাটে তিনি রেখে আসেন।
এর আগে মুস্তাফিজুর রহমান এবং ফয়সাল আলী সাজী ২রা এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় যান। আনোয়ারুলকে খুনের পর ১৯শে মে দেশে ফিরে আসেন।
২০শে মে আক্তারুজ্জামান ঢাকা থেকে ভিস্তারা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে দিল্লি হয়ে কাঠমান্ডু চলে যান। এরপর কাঠমান্ডু থেকে ফ্লাই দুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে তিনি দুবাই যান। বর্তমানে তাঁর অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রে বলে পুলিশ ধারণা করছে।
এদিকে খুনের ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি লাশ। গত বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতার পুলিশ লাশের খণ্ডিতাংশের সন্ধানে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার ভাঙড়ের জিরানগাছা বাগজোলা খালসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে।
ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডব নিয়ে সমকালের প্রধান শিরোনাম, ‘দীর্ঘ তাণ্ডবে বড় বিপর্যয়: কেড়ে নিয়েছে ১৬ প্রাণ, পানিবন্দি লাখো মানুষ’
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, রিমালের ঘূর্ণি এবং প্রবল ঝড় বৃষ্টির কারণে ঘরবাড়ি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে দিগ্ভ্রান্ত হয়েছে উপকূলের সাধারণ মানুষ।
সরকারি হিসাবে দেশের অন্তত ১৯ জেলা ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়েছে। নয় জেলায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) প্রাথমিক হিসাবে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে দেশের ১০টি জেলার ৮৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সাত লাখের বেশি শিশু এবং প্রায় ৪৩ লাখ নারী রয়েছেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, ঘূর্ণিঝড়ে দেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রায় সাত শতাংশ ফসল ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি হয়েছে মাছের ঘেরেরও।
বিধ্বস্ত হয়েছে হাজার হাজার ঘরবাড়ি, গাছপালা। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। দুই দিন ধরে আশ্রয়কেন্দ্রে শুকনো খাবার খেয়ে টিকে আছে মানুষ। সব মিলিয়ে উপকূলে নেমে এসেছে মানবিক বিপর্যয়।
‘বিপদের ঢাল’ সুন্দরবনও আঘাত থেকে বাঁচেনি।
এদিকে দিনভর বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ায় অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরী। ভারী বৃষ্টিতে বহু এলাকা তলিয়ে গিয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে বনের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত। ভেসে গেছে মিষ্টিপানির অধিকাংশ পুকুর।
এ ছাড়া বনের কাঠের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বন্যপ্রাণী ভেসে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করছে নগরজীবন। খুলে দেওয়া হয়েছে বিমানবন্দর, চালু হয়েছে সমুদ্রবন্দরও।
ঘূর্ণিঝড় রিমালে বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর, ‘তিন জেলার ৬১ কিমি বাঁধের ক্ষতি’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতে উপকূলের তিন জেলায় ৬১ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কিছু এলাকায় পুরোপুরি এবং কিছু এলাকায় আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁধ। এতে বাঁধসংলগ্ন নিচু এলাকা উপচে লোকালয়ে নোনা পানি প্রবেশ করেছে।
এর মধ্যে সাতটি স্থানে নদীর বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
শত শত গ্রামে চিংড়ির ঘেরসহ ফসলি জমিতে নোনা পানি প্রবেশ করেছে। অসংখ্য ঘেরের চিংড়ি ও পুকুরের মাছ ভেসে গেছে।
তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের ঢাকি নদীর অন্তত ২০ মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে।
একই উপজেলার পশুর নদের ভাঙনে সেখানকার পানখালী-খলসি এলাকার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাইকগাছার বেড়িবাঁধ নিচু হওয়ায় জোয়ারের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টি ইউনিয়নের ২১টি স্থানে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে উপজেলায় প্রায় দেড় লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর ভাঙনে বাঁধ ভেঙেছে। বাগেরহাট সদরের দড়াটানা নদীর ভাঙনে বাঁধ ভেঙেছে।
এ ছাড়া খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার শাখবাড়ী নদীর ভাঙনে অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পাইকগাছা উপজেলার দেলুটি ইউনিয়নের ভদ্রা নদীর ভাঙনে বাঁধ ভেঙেছে।
রিমালের কারণে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিয়ে সংবাদের প্রথম পাতার খবর, ‘পৌনে ৩ কোটি গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের বেশকিছু জেলার প্রায় পৌনে তিন কোটি গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
এর মধ্যে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) গ্রাহক দুই কোটি ৬৬ লাখের বেশি।
ঝড়ের কারণে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) আওতাধীন অনেক এলাকা বিদ্যুৎহীন রয়েছে। এই কোম্পানিটিরও সাড়ে চার লাখের বেশি গ্রাহক বিদ্যুৎহীন।
কোথাও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায়, কোথাও বিতরণ লাইনের তার ছিঁড়ে যাওয়ায় আবার কোথায় সঞ্চালন লাইনের ওপর গাছপালা ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে অনেক এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের পর আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার কথা রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামতে এর মধ্যে অনেক এলাকায় কাজ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবারের মধ্যে সব জায়গায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
দুর্নীতি ইস্যুতে যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর, ‘স্বামীর অবৈধ আয়ে ফাঁসছে স্ত্রী-সন্তান’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চাকরি বা ব্যবসা কিছু নেই, পেশায় গৃহিণী। আয়-রোজগার না থাকলেও খোদ ঢাকায়ই তিনি ১০টি প্লটের মালিক। এছাড়া আছে ফ্ল্যাট, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগসহ নগদ কোটি কোটি টাকার সম্পদ।
অসাধু উপায়ে অর্জিত ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ লুকাতে স্ত্রীকে মালিক বানানো হয়। এভাবে আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখার অপরাধে সেই স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
একইভাবে আলোচিত বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির হোতা শেখ আব্দুল হাই বাচ্চুর অপরাধলব্ধ আয় ভোগ করতে গিয়ে মানি লন্ডারিং মামলার আসামি হয়েছেন তার স্ত্রী ও ছেলে।
তদন্ত শেষে বাচ্চুর সঙ্গে তাদেরও অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। শুধু বাচ্চু কিংবা গোল্ডেন মনির নয়, ‘দুর্নীতিবাজ’ ব্যক্তিরা তাদের অবৈধ আয় বৈধ করতে স্ত্রী-সন্তানদের নামে সম্পদ গড়েন।
গত বছর দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শেষে দুদক যেসব মামলা করেছে তাতে দেখা গেছে, শতকরা ৮০ জনই নিজের চেয়ে স্ত্রী-সন্তানের নামে বেশি সম্পদ কিনেছেন।
অনেক স্ত্রী-সন্তান এখন অভিভাবকের অবৈধ আয় দিয়ে নিজেদের নামে সম্পদ গড়তে অনীহা দেখাচ্ছে।
যেসব স্ত্রী স্বামীর অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন কিন্তু এখনো নাম প্রকাশ হয়নি, তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সামাজিকভাবে অপমানিত হওয়ার শঙ্কা ভর করছে সন্তানসহ স্বজনদের মাঝে।
সরকারের ঋণ নেয়া প্রসঙ্গে নয়া দিগন্তের প্রথম পাতার খবর, ‘ব্যাংক থেকে চড়া সুদে ঋণ নিচ্ছে সরকার’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যাংক থেকে চড়া সুদে ঋণ নিচ্ছে সরকার। দীর্ঘ মেয়াদের চেয়ে স্বল্প মেয়াদে সরকারি ঋণের সুদহার বেড়েছে বেশি।
১০ মাসের ব্যবধানে স্থানীয় ব্যাংক থেকে সরকারের সুদব্যয় ৫০ শতাংশ থেকে ৬৬ শতাংশ বেড়েছে। সুদহার বেড়ে যাওয়ার ফলে সরকারের ঋণের সামগ্রিক সুদব্যয় বেড়ে গেছে।
আর এ বাড়তি সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে উন্নয়ন খাতে কাঙ্ক্ষিত হারে ব্যয় করতে পারছে না সরকার। যার বিরূপ প্রভাব পড়ছে অর্থনীতিতে।
ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, ব্যাংকগুলোতে টাকার সঙ্কট প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিনই কিছু ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ধার করে তাদের দৈনন্দিন ব্যয় মেটাচ্ছে।
এক দিকে ব্যাংকগুলোর টাকার সঙ্কটের কারণে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারছে না, অপর দিকে সরকারের বাজেট ঘাটতি মেটাতে অর্থায়ন করতে হচ্ছে। এতে সামগ্রিকভাবে ঋণের সুদ বেড়ে যাচ্ছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্কোচনমূলক মুদ্রানীতির কারণে এ সুদব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক টাকার প্রবাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। আর এজন্য নীতি সুদহার (রেপো) বাড়িয়ে দিয়েছে।
নীতি সুদহার বেড়ে যাওয়ার কারণে ব্যাংকগুলো তার সঙ্কট মেটাতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যে নগদ টাকা ধার নিচ্ছে তাতে ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।
একই সাথে বেড়েছে আমানতের সুদহার। আর আমানতের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় ঋণের সুদহারও বেড়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহারের ওপর।
বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন প্রসঙ্গে বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, ‘এনবিআরের দাবি পঁচানব্বই থেকে ৬৫ শতাংশ এখন দেশেই উৎপাদন হয়’।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, একসময় মোটরসাইকেলের মতো যানবাহন ও ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্ষেত্রে শতভাগ আমদানিনির্ভর ছিল বাংলাদেশ।
পরে এনবিআরের পক্ষ থেকে দেয়া এক উপস্থাপনায় দাবি করা হয়, মোটরসাইকেল, রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজার, এয়ারকন্ডিশনার ও মোবাইল ফোনের মতো উৎপাদনমুখী শিল্পে নীতিগত ধারাবাহিক সহায়তা নিশ্চিত করার ফলে এসব পণ্যের বাজার এখন দেশিয় উৎপাদনকারীদের দখলে।
স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনকারী দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের দখলে মোটরসাইকেল বাজারের ৯৫ শতাংশ। ফ্রিজের বাজারে এ হার ৯০ শতাংশ। এছাড়া এসি ও মোবাইল ফোনের বাজারের যথাক্রমে ৮৫ ও ৬৫ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদনকারীদের দখলে।
বলা হচ্ছে, দেশে এ ধরনের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের পথ তৈরি করে ভোক্তা শ্রেণি হিসেবে মধ্যবিত্তের উত্থান।
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে ইলেকট্রনিকস ও মোটরসাইকেলের বাজার সম্প্রসারণে উৎসাহী হয়ে ওঠে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন কোম্পানি।
বিষয়টিকে আরো ত্বরান্বিত করে তোলে সরকারের নীতিসহায়তা ও প্রণোদনা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক দাবি অনুযায়ী, সরকারের নীতিসহায়তা ও অনুকূল শুল্ক কাঠামোকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের বাজারে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, এসি ও মোবাইল ফোনের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যের বেশির ভাগ সরবরাহ করা যাচ্ছে।
ইসরায়েলের নৃশংস হামলা নিয়ে ঢাকা ট্রিবিউনের প্রথম পাতার খবর, ‘Israeli attack on Rafah tent camp kills 45’, অর্থাৎ, ‘রাফাহ ক্যাম্পের তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪৫’।
প্রতিবেদনে মূলত রয়টার্সের খবর তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, গাজার রাফাহ শহরে একটি ক্যাম্পে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার গভীর রাতের ওই হামলায় শেল্টারে আগুন লেগে যায়।
ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা হামাসের কমান্ডারদের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে। তবে বেঁচে যাওয়া মানুষদের দাবি হামলার আগ মুহূর্তে পরিবারগুলো ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
রয়টার্সের প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে অন্ধকারে আগুন জ্বলছে এবং লোকজন আতঙ্কে চিৎকার করছে। স্থানীয় যুবকরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।
মৃতদের অর্ধেকেরও বেশি নারী, শিশু এবং বয়স্ক মানুষ, হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, আরও মানুষ গুরুতর দগ্ধ হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এতে ক্ষোভ জানিয়েছে বিশ্ব নেতারা। যারা হামলা বন্ধ করার জন্য বিশ্ব আদালতের আদেশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলের আক্রমণে ৩৬,০০০ এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।