‘সাদিক এগ্রোতে বেনজীরের বড় বিনিয়োগ’

Published

‘সাদিক এগ্রোতে বেনজীরের বড় বিনিয়োগ’ – কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।

এতে বলা হয়েছে, খামারিদের স্বার্থ সুরক্ষার পাশাপাশি মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য দেশের বাইরে থেকে পশু আমদানি নিরুৎসাহিত করা হলেও সেটার তোয়াক্কা না করেই অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে গরু আনেন ইমরান।

আর এই কাজ করতে তিনি একটি সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। এতে তার সহযোগী হিসেবে আছে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা।

বিপুল সম্পদ অর্জনের কারণে বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনায় থাকা পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদেরও বড় অষ্কের বিনিয়োগ রয়েছে ইমরানের ফার্ম সাদিক এগ্রোতে।

খবরে আরও বলা হয়েছে, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের গোপালগঞ্জের গরুর খামার প্রস্তুত করে দেন ইমরান।

অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে আনা বেশ কিছু গরু বেনজীরের খামারেও পাঠান তিনি।

এছাড়া সাদিক এগ্রোতে বেনজীরের নিয়মিত আসা-যাওয়া ছিল। এমনকি ফার্মটিতে তার বড় অঙ্কের আর্থিক বিনিয়োগও রয়েছে।

‘What is causing the liquidity crisis in banks?’ অর্থাৎ ব্যাংকে তারল্য সংকটের কারণ কী?- এটি ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম।

প্রতিবেদনে কুরবানির ঈদের আগে থেকেই ব্যাংকগুলোতে চলমান নগদ অর্থ ঘাটতির কারণ খতিয়ে দেখা হয়েছে।

ঈদের আগে টাকার উচ্চ চাহিদা, ব্যাংক একীভূত হওয়ায় গ্রাহকদের বড় অংকের টাকা তুলে নেয়া, ব্যাংকগুলোর ডলার ক্রয় ও শরীয়াহ ব্যাংকগুলোর ওপর গ্রাহকদের আস্থার সংকটের মতো বিষয় উঠে এসেছে।

ব্যাংকের বরাত দিয়ে খবরটিতে বলা হয়েছে, টাকার উচ্চ চাহিদা এবং তীব্র তারল্য সংকটের সম্মুখীন হয়েছে ব্যাংকগুলো, যা ঈদের আগে আরও বেশি ছিল।

তবে গত দুই বছর ধরেই এই তারল্য সংকট চলছে। বিশেষ করে কিছু ইসলামী ব্যাংক এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের জোরপূর্বক একীভূত করার ঘোষণার পর আতঙ্কিত গ্রাহকদের অনেকেই ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে নেয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।

তার ওপর ডলারের উচ্চমূল্য ব্যাংকগুলোর আর্থিক খাতে আরও চাপ সৃষ্টি করেছে।

‘মতিউর আসলে কোথায়?’- সংবাদের প্রধান শিরোনাম।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী ছাগলকাণ্ডে অভিযুক্ত এনবির কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিদেশ যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া না গেলেও পাসপোর্টে জালিয়াতি করে তিনি পালাতে পারেন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, তাকে আটকানোর জন্য আন্তর্জাতিক রেলপথ, নৌপথ, সড়কপথ ও আকাশপথসহ ২৯টি চেকপোস্টে তার পাসপোর্ট নম্বর ও ছবি পাঠানো হয়েছে।

তবে জালিয়াতি করে করা অন্য কোনো পাসপোর্টে পালাতে পারে বলে ইমিগ্রেশন ও গোয়েন্দা সংস্থার আশঙ্কা করছেন।

এরপরও তার বিষয় নিশ্চিত করতে দুর্নীতি দমন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য তৎপর রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, জাতীয় রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে দূরত্ব থাকলেও মতিউর সিন্ডিকেট সব আমলে অনিয়ম করছে। তার অনিয়মে শীর্ষ প্রতারকও হার মানবে।

এনবিআর সূত্র বলছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরের একজন কর্মকর্তা স্বাভাবিক নিয়মে একস্থানে দুই বছর চাকরি করতে পারে, খুব বেশি হলে তিন বছর পর্যন্ত থাকতে পারে।

কিন্তু মতিউর সিন্ডিকেটের সদস্যরা একই স্থানে পাঁচ বছর ধরে কর্মরত আছে। শুল্ক ও ভ্যাট শাখার মতিউর রহমানের আর্শীবাদ পুষ্ট কর্মকর্তারা রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে আছেন।

খবরে বলা হয়েছে, ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ড ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফলে বিচার নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়!

কলকাতা সিআইডি এখনো তার ডিএনএ টেস্টের আবেদনই করেনি। আবার এমপি আনার হত্যার মূল মামলা কলকাতায়, বাংলাদেশে করা হয়েছে অপহরণ হামলা।

ফলে হত্যা মামলা সম্পর্কে বাংলাদেশের ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।

তবে দুই দেশের সরকার চাইলে বাংলাদেশে বিচার করা সম্ভব। নিহত ব্যক্তি এবং খুনিরা সবাই যদি বাংলাদেশী নাগরিক হয় তাহলে সম্ভব হবে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ শুরুতে বলেছেন, স্বর্ণ চোরাচালানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এই হত্যাকান্ড ঘটার সম্ভাবনার কথা বললে রাজনৈতিক বিরোধে এই হত্যাকান্ড ঘটতে পারে।

অর্থাৎ দুই ধরনের বক্তব্য। একেক সময় একেক কারণ বের হচ্ছে। এ নিয়ে এমপি আনারের নির্বাচনী এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত এমপি আনার হত্যাকাণ্ড হয়েছে স্বর্ণ চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। কারো কারো রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে।

তবে স্বর্ণ চোরাচালানকে তারা হত্যার মূল কারণ হিসেবে দেখছেন এখনো।

‘আবারো রোহিঙ্গা ঢল!’- নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডুতে নতুন করে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যকার যুদ্ধের তীব্রতা বেড়েছে।

মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার বিকেল পর্যন্ত মংডুর সংঘর্ষে কেঁপে ওঠে কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত।

এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ বাঁচাতে মংডুর রোহিঙ্গারা আবার বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করছে। নৌকায় করে নাফ নদী পেরিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের একাধিক চেষ্টা চালিয়েছেন তারা।

শতাধিক রোহিঙ্গা নারী, পুরুষ ও শিশুকে নিজ দেশে ফিরিয়ে দিয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।

গত বুধবার রাত ও গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে নাফ নদী দিয়ে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালান বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় কয়েকটি সূত্র।

তবে এ বিষয়ে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খবরে আরও বলা হয়েছে, বিদ্রোহীদের হটাতে জান্তা বাহিনী আকাশ পথে হামলা জোরদার করেছে। ফলে মংডু শহরের বেশ কিছু গ্রামের বাসিন্দারা গ্রাম ছেড়ে পালাচ্ছেন। তাদের অনেকে বাংলাদেশ সীমান্তে জড়ো হয়েছেন।

ফলে টেকনাফে রোহিঙ্গার পাশাপাশি মিয়ানমার বিজিপি সদস্যদের আবারো অনুপ্রবেশের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘বিএনপির ঘরে অবিশ্বাস আর দোষারোপের বিষ’- সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।

এতে বলা হয়েছে, নিষ্ফল সরকারবিরোধী আন্দোলনের পর বিশ্বাস-অবিশ্বাস, অভিযোগ-অনুযোগ, রেষারেষি আর দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদেই বেশি সময় খরচ করছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

বিশেষ করে সংসদ নির্বাচনের পর কারামুক্ত হওয়া কোনো কোনো নেতাকে ‘সন্দেহ’ করছেন গ্রেপ্তার না হওয়া নেতারা।

কারাগারে যাওয়া সেসব নেতার বিষয়ে দল ও শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলছে ওই পক্ষটি।

বিপরীতে সারাদেশে গণগ্রেপ্তার অভিযানের মধ্যেও জেলে না যাওয়া কোনো কোনো শীর্ষস্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন কারাভোগকারী নেতারা।

দলের একাধিক কেন্দ্রীয় ও নীতিনির্ধারক নেতার সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ পটভূমিতে দলের প্রভাবশালী দু’পক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে দলটির হাইকমান্ড।

তবে কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে আনা গুরুতর অভিযোগের ‘অকাট্য’ প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

দলটির দায়িত্বশীল কোনো কোনো নেতার দাবি, দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতাদের সংসদ নির্বাচনের আগে এক দফা আন্দোলনে ভূমিকা, ব্যক্তিগত গতিবিধি ও বক্তব্য-বিবৃতিকে ‘মূল্যায়ন’ করছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আর সে মূল্যায়নের ভিত্তিতেই দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় নেতাদের পদোন্নতি ও পদাবনতি দেওয়া হচ্ছে।

এতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে শুরু করে চাকরির পরীক্ষা পর্যন্ত প্রায় সবখানেই ইংরেজি ও গণিতের ওপরই সবচেয়ে বেশি জোর দেয়া হলেও দক্ষতা অর্জনের দিক থেকে এ দুটি বিষয়েই সবচেয়ে পিছিয়ে দেশের শিক্ষার্থীরা।

এজন্য শিক্ষাবিদরা দায়ী করছেন দক্ষ শিক্ষকের অভাবকে। শিক্ষকদের সিংহভাগ শিক্ষাগত পর্যায়ে যথাযথ পারদর্শিতা অর্জন ছাড়াই শিক্ষার্থীদের এ দুই বিষয়ে পড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ তাদের।

দেশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো থেকে বাংলাদেশ শিক্ষা-তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০২৩ সালে সংগৃহীত তথ্যেও উঠে এসেছে, এসব বিদ্যালয়ের ইংরেজি ও গণিত শিক্ষকদের প্রায় ৮৫ শতাংশেরই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেই।

খবরে আরও বলা হয়েছে, দেশের শিক্ষার্থীরা ইংরেজি ও গণিত পড়ছেন শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই।

এর পরও দেখা যায় উচ্চ মাধ্যমিক শেষেও তাদের বড় একটি অংশ ইংরেজিতে সঠিকভাবে একটি বাক্য গঠন বা অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না। গণিতের দুর্বলতাও দেখা যায় ব্যাপক মাত্রায়।

সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন অনুসন্ধান-গবেষণায়ও বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, দেশের স্কুলগুলোয় বিশেষ করে মফস্বল শহরে এসব বিষয়ের শিক্ষকদের বড় একটি অংশের প্রয়োজনীয় মাত্রায় একাডেমিক দক্ষতা নেই। তা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিতের মতো বিষয় শেখানোর ভার পড়ছে তাদের ওপর।

‘চক্র এবার ভাগাভাগিতে’- আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম।

খবরে বলা হয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ নিজেদের মধ্যে রাখতে এবার ভিন্ন কৌশল নিয়েছে অসাধু মুদ্রণকারীদের চক্র।

তাঁরা আগেভাগেই নিজেদের মধ্যে ‘সমঝোতা’ করে দরপত্রে অংশ নিচ্ছেন। এ পর্যন্ত যেসব লটের দরপত্র হয়েছে, সেগুলোর কোনোটিতে একটি, কোনোটিতে দুটি, কোনোটিতে তিনটি দরপত্র জমা পড়েছে। যে লটে তিনটি দরপত্র পড়েছে, সেগুলোও একই মালিকের তিন প্রতিষ্ঠানের।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এই সমঝোতার কারণে প্রতিযোগিতাহীন দরপত্রে নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানই কাজ পাবে।

কম দরপত্র জমা পড়ায় বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর দায়িত্বে থাকা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডও (এনসিটিবি) বাছাই করার সুযোগ পাচ্ছে না।

এনসিটিবির সূত্র ও দরপত্রে অংশ নেওয়া কয়েকটি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানের সূত্রের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছর সরকারি দরের চেয়ে অনেক কম দর দিয়ে কাজ বাগিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

তবে এবার দর দেওয়া হয়েছে প্রাক্কলিত দরের সামান্য কম। ফলে আগেরবারের চেয়ে দর বেশি দেওয়ায় এবার বই ছাপাতে সরকারের খরচ বাড়বে। এরপরও গত কয়েক বছরের মতো এবারও যে বইয়ের নিম্নমানের অভিযোগ উঠবে না, সেই নিশ্চয়তা এখনো নেই।

‘মূল্যস্ফীতির ফাঁদে ভোক্তা’- যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম।

এতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক সংকটের দোহাই দিয়ে দুই বছর ধরে বাজারে নিত্যপণ্য ও সেবার দাম বেড়েছে হুহু করে।

একই সময়ে ডলার সংকটের কারণে এর দাম বেড়েছে, কমেছে টাকার মান।

রাজস্ব আয় কম হওয়ায় এবং খরচ বাড়ায় ওই সময়ে সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ছাপানো টাকায় ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়েছে।

এতে মূল্যস্ফীতি বাড়লেও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ভোক্তার আয় বাড়েনি সমহারে।

ভোক্তার আয়ের চেয়ে মূল্যস্ফীতি বেশি বেড়েছে। ফলে ভোক্তার আয় বৃদ্ধির পুরোটাই চলে গেছে মূল্যস্ফীতির পেটে।

ভোক্তার আয় যে হারে বাড়ছে, এর চেয়ে বেশি বাড়ছে ভোক্তার খরচ। ফলে ভোক্তাকে সংসার চালাতে টাকার সংকটে ভুগতে হচ্ছে।

এতে জীবিকার অত্যাবশ্যকীয় কিছু উপকরণ থেকে যেমন খরচ কমাতে হয়েছে, তেমনই কমাতে হয়েছে জীবনযাত্রার মান।

দুই বছরে ভোক্তাদের একটি অংশকে ধারদেনা করে জীবিকানির্বাহ করতে হয়েছে।

টানা দুই বছর এই প্রবণতা চলায় ভোক্তাদের ঋণগ্রস্ততা যেমন বেড়েছে, তেমনই ঋণ গ্রহণের সক্ষমতাও হারিয়েছে।

সব মিলে আয় ও ব্যয়ের ঘাটতি বাড়ায় সংসারের খরচ চালাতে ভোক্তা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে বলে খবরটিতে বলা হয়েছে।

‘জুনে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ আরও বেড়েছে’- মানবজমিন পত্রিকার প্রথম পাতার খবর।

এতে বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকার নিট (প্রকৃত) ঋণ করেছে ৬৬ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা।

এ সময়ে ব্যাংক থেকে অর্থ ধারের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪০ শতাংশ নেয় সরকার।

তবে কিছুদিনের ব্যবধানেই বদলে যায় পরিস্থিতি।

চলতি জুনের প্রথম ১৩ দিনেই ব্যাংকগুলো থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা ধার করে সরকার। আগের ১১ মাসে নেয়া ধারের চেয়ে যা অর্ধেকের বেশি।

এর মধ্যে আবার ১৫ হাজার কোটি টাকাই দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এখন সরাসরি সরকারের ট্রেজারি বিল ও বন্ড কিনছে না, ফলে এখানে নতুন করে ডেভলপমেন্ট বাড়ছে না। বরং বাংলাদেশ ব্যাংক অ্যাডভান্স ও ওভারড্রাফটের মাধ্যমে সরকারকে ধার দিচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক নীতিনির্ধারণী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মে মাস শেষের ব্যালেন্স অনুযায়ী সরকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ধার কিছুটা পরিশোধ করেছে।

তবে জুন মাসের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার বাড়তে শুরু করেছে। পরিশোধ করা টাকা তুলে নেয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নতুন ধারও নিচ্ছে সরকার।