আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'ইসির পর্যবেক্ষক সংস্থার ঠিকানায় মিলল জঙ্গল, দোকান, বাড়ি'
সমকালের আজকের প্রধান খবর- ইসির পর্যবেক্ষক সংস্থার ঠিকানায় মিলল জঙ্গল, দোকান, বাড়ি।
খবরে বলা হচ্ছে, শনিবার দেশের ৭৩টি বেসরকারি সংস্থাকে পর্যবেক্ষক সংস্থা হিসেবে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধনযোগ্য বলে চিহ্নিত করে ইসি।
এসব সংস্থার মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা জেলায় রয়েছে ২৭টি সংস্থার প্রধান কার্যালয়।
এর মধ্যে গতকাল দৈবচয়ন ভিত্তিতে ১৩টিতে সরেজমিন গিয়ে তিনটি সংস্থার অস্তিত্ব পাননি সমকালের প্রতিবেদকরা।
এ ছাড়া ঢাকার বাইরের ৩৫টির কার্যালয়ের খোঁজ নিয়েছেন সমকালের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে কয়েকটি সংস্থার কার্যালয় কাগজপত্রে উল্লিখিত ঠিকানায় পাওয়া যায়নি। একটির ঠিকানায় গিয়ে চা ও মুদি দোকান দেখা গেছে। তালাবদ্ধ পাওয়া গেছে বেশ কয়েকটি সংস্থা।
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার যশোর-রাজগঞ্জ সড়ক এলাকার দিঘিরপাড় বাজার। পাশেই জঙ্গলে ঘেরা একটি পরিত্যক্ত ভবন। ভাঙাচোরা ভবনের কক্ষগুলোর কোনো দরজা-জানালা টিকে নেই। ভেতরে কাদাপানি মাখা চেয়ার-টেবিল ঘুণ ধরে ভেঙে পড়েছে।
মেঝেতে জমে থাকা পানিতে দেখা যাচ্ছে কীটপতঙ্গ। স্যাঁতসেঁতে দেওয়ালের এক প্রান্তে অস্পষ্টভাবে লেখা 'ম্যানেজারের কক্ষ'। ঝোপঝাড়ের মাঝে জীর্ণদশায় উঁকি দেওয়া ভবনটি জানান দেয়, সেখানে মানুষের যাতায়াত নেই বহু দিন।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া ঠিকানামতে, এটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য নিবন্ধনযোগ্য একটি বেসরকারি সংস্থার প্রধান কার্যালয়।
সংস্থাটির নাম সার্ভিসেস ফর ইকুয়িটি অ্যান্ড ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (সীড)। রোববার কাগজপত্রে উল্লিখিত ঠিকানায় গিয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়।
সংবাদ পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- সমুদ্রের নিচে গ্যাস আছে নিশ্চিত, আশপাশের দেশ নিয়ে যাচ্ছে, আমরা আঙুল চুষছি: ইউনূস।
এই খবরে বলা হচ্ছে, বঙ্গোপসাগরের তলদেশে গ্যাসের মজুত বাংলাদেশ এখনও পুরোপুরি কাজে লাগাতে না পারায় হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি বলেছেন, 'বিরাট বঙ্গোপসাগর আমাদের। আপনারা শুনেছেন কোনোদিন, সমুদ্র থেকে গ্যাস পেয়েছি? কিন্তু আশপাশের দেশগুলো সমুদ্র থেকে গ্যাস নিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছে, আমাদের গ্যাসও তারা নিয়ে যাচ্ছে। ওখানে কোনো সীমারেখা, কোনো বর্ডার আছে নাকি? পাইপ দিয়ে তারা নিয়ে যাচ্ছে। আমরা নিজেদের আঙুল চুষছি বসে বসে।'
গতকাল শনিবার নিউইয়র্কে 'এনআরবি কানেক্ট ডে: এমপাওয়ারিং গ্লোবাল বাংলাদেশি' শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, 'সমুদ্রের নিচে গ্যাস আছে এটা নিশ্চিত, এটাতে কোনো সন্দেহ নাই। আমরা যদি এগুলোও খেতে না পারি, এর থেকে দুঃখ করার মতো আর কী থাকতে পারে!'
নিউ এইজ পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- RAPE OF MARMA GIRL, Three Marma men killed in Khagrachari clashes
রবিবার খাগড়াছড়িতে ১২ বছর বয়সী মারমা শিশুকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ চলাকালে আরও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
এতে মার্মা সম্প্রদায়ের অন্তত তিনজন মানুষ নিহত হয়েছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ কয়েক ডজন আহত হয়েছেন।
এছাড়া গুইমারা উপজেলার রামেসু বাজার এলাকায় অন্তত ১০০টি দোকান, বাড়িঘর ও যানবাহনে আগুন দেওয়া হয়, যার বেশিরভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন।
রবিবার সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ সাবের নিউ এজ'কে জানিয়েছেন, গুইমারা থেকে সন্ধ্যা প্রায় ৫:৩০টায় তিনজনকে মৃত অবস্থায় খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।
এদিকে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। বলা হয়েছে, গুইমারায় সংঘটিত সহিংসতায় 'দুর্বৃত্তদের' হামলায় তিনজন পাহাড়ি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১৩ জন সেনা কর্মকর্তা, যার মধ্যে একজন মেজর, এবং তিনজন পুলিশ কর্মকর্তা সহ অনেকে আহত হয়েছেন।
মন্ত্রণালয় আশ্বস্ত করেছে, খুব শীঘ্রই তদন্তের পর সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার খবর- NRB's remmitance saves Bnagldesh economy after july uprising: YUNUS।
এই খবরে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস দশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানকে বড় করে দেখছেন।
তিনি বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আগে বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল তলানিতে, আপনাদের রেমিট্যান্স এটাকে বাঁচিয়েছে। রেমিট্যান্সের কারণেই বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হচ্ছে"।
নিউ ইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।
আরও বলেন, নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশিদের দেশের পুনর্গঠনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে অধ্যাপক ইউনুস বলেন, বাস্তবে মাঠপর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণই তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আনতে সবচেয়ে জরুরি।
তিনি রেমিট্যান্স প্রবাহে ২১ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রশংসা করেছেন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরেছেন।
যুগান্তর পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে দিনে মারা যান ২০ রোগী, ৮০ ভাগ রোগীর চিকিৎসা এক হাসপাতালেই।
এই খবরে বলা হচ্ছে, সারা দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ভোগান্তির শেষ নেই। জেলাগুলোর বেশির ভাগ সরকারি হাসপাতালে আক্রান্তের জন্য কোনো প্রয়োজনীয় সেবা নেই।
ঢাকার বাইরের রোগীরা সঠিক সময়ে ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা না পাওয়ায় বিপদে পড়ছেন। ফলে রোগীদের সব চাপ ঢাকায়।
আবার ঢাকায় সরকারিভাবে একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ৮০ ভাগ রোগীর চাপ।
এই চাপ সামলাতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গত চার বছরে এই হাসপাতালে ভর্তি রোগী বেড়েছে ৮২ শতাংশ। সেই সঙ্গে বেড়েছে মৃত্যুও। সর্বশেষ চলতি বছরের ৮ মাসে মারা গেছেন ৪ হাজার ৮৪১ জন।
দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার প্রথম পাতার খবর- World heart day: Drug shortage risks hypertension control effort - খবরে বলা হচ্ছে, দেশে ওষুধ সংকটে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ঝুঁকিতে রয়েছে।
সরকারের বাংলাদেশ হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, যা দেশে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি এনেছে, একটি বড় বাধার মুখোমুখি।
তহবিল সংকটের কারণে রোগীদের ওষুধ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এই প্রোগ্রামের আওতায় নিবন্ধিত উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং নির্বাচিত জেলা হাসপাতালগুলোতে বিনামূল্যে চেক-আপ ও ওষুধ পান।
অক্টোবর ২০১৮ থেকে জুন ২০২৪ পর্যন্ত ৫.১৭ লাখ চিকিৎসিত রোগীর মধ্যে ৫৬ শতাংশ রোগী বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম আলো পত্রিকার আজকের প্রধান খবর- দেশে প্রতিদিন ৫৬২ জন মারা যান হৃদ্রোগে।
এই খবরে বলা হচ্ছে, দেশে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হৃদ্রোগ। প্রতিদিন ৫৬২ জন মানুষ মারা যান হৃদ্রোগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হৃদ্রোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে।
দেশে প্রতিবছর কত মানুষ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন, হৃদ্রোগে ভোগা মানুষের সংখ্যা কত, কত শিশু হৃৎপিণ্ডের ত্রুটি নিয়ে জন্মাচ্ছে, প্রতিবছর কত মানুষ হৃদ্রোগে মারা যাচ্ছেন, তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
কিছু নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান পাওয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যাট্রিক্স অ্যান্ড ইভালুয়েশন বেশ কিছু রোগের বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে গবেষণা করছে।
বাংলাদেশসহ প্রায় ২০০টি দেশ নিয়ে তারা গবেষণা করছে। বিভিন্ন ধরনের হৃদ্রোগ-সংশ্লিষ্ট পরিসংখ্যান তাদের গবেষণা থেকে পাওয়া যাচ্ছে।
রোগের তালিকায় বিভিন্ন ধরনের হৃদ্রোগও আছে।
তাদের হিসাবে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি মানুষ হৃদ্রোগে মারা যান। অর্থাৎ দৈনিক ৫৬২ জনের মৃত্যু হচ্ছে হৃদ্রোগে।
মানবজমিন পত্রিকার খবর- এবারও এশিয়া কাপ ভারতের। গত রাতে এশিয়া কাপ টি-টােয়েন্টির ফাইনালে ভারতের শিরােপা জয়ের খবর দিচ্ছে এ শিরােনাম।
এশিয়া কাপের ফাইনালে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারায় ভারত।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করে ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে পাঁচ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় সূর্যকুমার যাদবের দল।
৫৩ বলে ৬৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ফাইনালের সেরা ভারতের তিলক ভার্মা।
চলতি আসরে পাকিস্তানের বিপক্ষে এটা ভারতের হ্যাটট্রিক জয়।
আজকের পত্রিকায় আজকের প্রধান খবর- ৪৩ বিমা কোম্পানি- গ্রাহকের টাকায় বেহিসাবি ব্যয় ৮৩৩ কোটি টাকা।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বিমা কোম্পানিগুলো সময়মতো গ্রাহকের বিমা দাবি শোধ করতে না পারলেও খরচের বেলায় কার্পণ্য করে না। তাই খরচে লাগাম টানতে বিমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা ব্যয় নির্ধারণ করে দেয় বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ); কিন্তু তা-ও মানছে তারা।
২০২৪ সালে ৪২ বিমা কোম্পানি অনুমোদিত সীমার অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করেছে, যার পরিমাণ ৮৩৩ কোটি টাকা। এই অতিরিক্ত ব্যয়ের বড় অংশই লোপাট হয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।
আইডিআরএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ব্যবস্থাপনা ব্যয় বাবদ ২০ জীবনবিমা কোম্পানি ১৫৯ কোটি এবং ২২টি সাধারণ বিমা কোম্পানি ৬৭৪ কোটি টাকা অতিরিক্ত খরচ করেছে।
কমিশন প্রদান, উন্নয়ন সভা, বাড়িভাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, বিজ্ঞাপন খরচ, কর্মকর্তাদের দেশ-বিদেশে ভ্রমণ, গাড়ি কেনা ও মেরামত, জ্বালানি, আপ্যায়ন, ড্রাইভার খরচসহ বিভিন্ন খাতে এ ব্যয় দেখানো হয়েছে।
নয়াদিগন্ত পত্রিকার আজকের প্রথম পাতার খবর- দেড় শ' আসনে প্রার্থিতায় পরিবর্তন আনতে পারে বিএনপি, এক পরিবার থেকে একাধিক মনোনয়ন নয়।
এই খবরে বলা হচ্ছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেড় শতাধিক আসনে প্রার্থিতায় পরিবর্তন আনার চিন্তা করছে বিএনপি।
এসব আসনে ইতঃপূর্বে দলের যারা নির্বাচন করেছেন, তাদের জায়গায় মনোনয়ন দেয়া হতে পারে অপেক্ষাকৃত তরুণ, জনবান্ধব ও ইমেজধারীদের।
জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির হাইকমান্ডকে এ ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
পরামর্শকরা বলেছেন, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হতে দলীয় মার্কা-ই যথেষ্ট নয়, ব্যক্তির ইমেজও খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এ ক্ষেত্রে যদি পুরনো পথে বিএনপি হাটে তাহলে দল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। জানা গেছে, আগামী নির্বাচনে একই পরিবার থেকে একাধিক মনোনয়ন না দেয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
আগামী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এমন অবস্থায় নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বিএনপিও নানামুখী তৎপরতা শুরু করেছে।
অভ্যন্তরীণ একাধিক জরিপসহ নানা প্রক্রিয়ায় প্রার্থী চূড়ান্তে কাজ করছেন দলের হাইকমান্ড।