'প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করতে চায় পুলিশ'

পত্রিকা
Published
পড়ার সময়: ৮ মিনিট

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম, 'Police seek to restrict use of lethal arms' অর্থাৎ, 'প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার সীমিত করতে চায় পুলিশ'

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষ কমিটি জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণে আনতে নতুন সুপারিশ দিয়েছে।

কমিটি দীর্ঘপাল্লার অস্ত্রের বদলে অর্ধেক ছোটপাল্লার অস্ত্র ব্যবহারের প্রস্তাব করেছে, কারণ এগুলোতে দুর্ঘটনাজনিত হতাহতের আশঙ্কা কম।

এছাড়া, রিভলভার, সাত দশমিক ৬২ মিমি বুলেট, এবং শটগানের লেড প্যালেট ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। জুলাইয়ের আন্দোলনের সময় এমন দীর্ঘপাল্লার রাইফেল এবং লেড প্যালেট ব্যবহারের কারণে বিপুলসংখ্যক হতাহতের ঘটনা ঘটেছিল।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় ৮২৬ জন নিহত এবং ১১ হাজার ৩০৬ জন আহত হয়েছিলেন। নতুন প্রস্তাবে সাত দশমিক ৬২ মিমি পিস্তলের বদলে নয় মিমি পিস্তল ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়েছে, যেগুলোর পাল্লা কম।

এছাড়া, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রধানত জলকামান, টিয়ার গ্যাস, এবং স্টান গ্রেনেড ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

পত্রিকা

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম, 'তদন্তের জন্য পুলিশের বাইরে সংস্থার প্রস্তাব'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন মনে করে, ফৌজদারি অপরাধের সঠিক তদন্তের জন্য একটি স্বাধীন সংস্থা গঠন করা প্রয়োজন।

বর্তমানে এসব তদন্ত পুলিশ ও এর বিভিন্ন শাখা, যেমন সিআইডি ও পিবিআই, পরিচালনা করে।

তবে এগুলো পুলিশের অধীন এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নয়। কমিশন প্রস্তাব করেছে, নতুন সংস্থা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

এর জনবল, বাজেট, অবকাঠামো সবই পুলিশের থেকে আলাদা থাকবে। তারা মামলা দায়ের পর তদন্ত শুরু করবে এবং প্রসিকিউটরের তত্ত্বাবধানে কাজ করবে।

এছাড়া, কমিশন একটি স্থায়ী অ্যাটর্নি সার্ভিস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছে।

বর্তমানে আইন কর্মকর্তারা বেশিরভাগ সময় অস্থায়ীভাবে ও রাজনৈতিক বিবেচনায় নিযুক্ত হন। এই ব্যবস্থায় দক্ষতার ঘাটতি ও জবাবদিহিতার অভাব থাকে।

পত্রিকা
স্কিপ করুন বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পড়ুন
আপনার হোয়াটসঅ্যাপে বিবিসি বাংলা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।

ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন

বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল

সমকালের প্রধান শিরোনাম, 'ক্যাডার কর্মকর্তাদের পাল্টাপাল্টি অবস্থান বাড়ছে বিভক্তি'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা নিয়ে বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে বিভক্তি ক্রমশ বাড়ছে। প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা নিজেদের প্রভাব দেখাতে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেছেন।

এর পাল্টা হিসেবে অন্যান্য ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারাও জমায়েত করেছেন। তারা অভিযোগ তুলেছেন, প্রশাসন ক্যাডার শাসকের ভূমিকায় থেকে তাদের বঞ্চিত করছে এবং বাড়তি সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে।

সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে, ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা দাবি আদায়ে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। আলোচনা সভার নামে একটি বড় জমায়েত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তারা প্রশাসনিক বৈষম্য দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি তোলেন।

তারা বলেন, মেধার ভিত্তিতে পদোন্নতি হওয়া উচিত এবং কোটা ব্যবস্থা বাতিল করা উচিত। এছাড়া, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডারকে বিলুপ্ত করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন নেতারা।

সরকারের অনুরোধে আন্দোলন আপাতত শিথিল করা হলেও ভবিষ্যতে কর্মসূচি ঘোষণার প্রস্তুতি রয়েছে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে একটি সুপারিশ জমা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

পত্রিকা

দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'ঐক্য রেখে নির্বাচনে জোর বিএনপির'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বিএনপি বর্তমানে রাজনৈতিক ঐক্য বজায় রাখা, সংস্কার এবং নির্বাচনের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছে।

দলটি অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছে এবং এ বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছে।

বিএনপির নেতারা বলছেন, বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য ধরে রাখার ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা থাকলেও আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা চলছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলীয় কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। এ জন্য বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সংস্কার ও নির্বাচনী প্রস্তুতির কাজ চলছে।

বিরোধী দলের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে নির্ধারিত নেতারা নিয়মিত বৈঠক করছেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্বীকার করেছেন যে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলায় কিছু ব্যর্থতা আছে।

তবে বিএনপি সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় থাকায় ঐক্য ধরে রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এছাড়া, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রস্তাবিত জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের বিষয়ে বিএনপি সতর্ক অবস্থান নেয়। অরাজকতা এড়াতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে এই উদ্যোগ থেকে সরে আসার ব্যবস্থা করে।

পত্রিকা

নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম, 'ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় দেড় দশকের নখদন্তহীন দুদক'। এ খবরে বলা হচ্ছে, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একসময় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন করার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছিল।

দেড় দশকের স্বৈরশাসনে কমিশন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয় এবং বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে মামলায় মনোযোগ দেয়।

এ কারণে এটি "নখদন্তহীন বাঘ" হিসেবে পরিচিতি পায়। তবে গত আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুদকে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে।

এখন দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান, তদন্ত এবং মামলা করার প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছে। দুদক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে।

পাশাপাশি বিগত সরকারের মন্ত্রী, এমপি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন পেশার প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। এর মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতির মামলা নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকার বদলের পর নতুন কমিশন গঠন করে দুদকের কার্যক্রম পুনর্গঠিত হয়েছে। বিদায়ী বছরের শেষের দিকে দুদক প্রায় দুই শতাধিক আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। অনেকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থপাচার ও সম্পদ লুটের অভিযোগ আনা হয়েছে।

নতুন নেতৃত্বে দুদক আরও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কমিশনের নতুন চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বড় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন এবং কোনো রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াই কাজ করবেন।

পত্রিকা

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম, 'বিদ্যুৎ খাতের সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ হতো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের বিদ্যুৎ খাতের নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘদিন ধরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব শেখ হাসিনা নিজের কাছে রেখেছিলেন।

বড় প্রকল্পের চুক্তি ও সিদ্ধান্তগুলো তার সরাসরি অনুমোদনের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। জনগণের জানার সুযোগ না দিয়েই এসব চুক্তি করা হয়েছে, যেখানে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতের বড় প্রকল্পগুলোতে বিপুল অর্থের লেনদেন এবং কমিশন বাণিজ্য হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেকনিক্যাল দিকগুলোতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের মতামত উপেক্ষা করে সরকারের পছন্দ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে একদিকে দেশের আর্থিক দায়-দেনা বেড়েছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ দেওয়া হয়েছে।

বিএনপি বিদ্যুৎ খাতে আওয়ামী লীগের সময় করা চুক্তি পর্যালোচনা করার এবং দুর্নীতির বিষয়গুলো জনসমক্ষে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব প্রয়োজন।

পত্রিকা

যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম, 'বহুমুখী চ্যালেঞ্জে পাতাল রেল'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, দেশের প্রথম পাতাল রেল প্রকল্প এমআরটি-১ বাস্তবায়নে নানান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

বিমানবন্দর থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত পরিষেবা স্থানান্তরের কাজ চলছে, যা যানজট বাড়িয়ে দিয়েছে।

স্টেশন নির্মাণ শুরু হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। টানেল খননের সময় সড়ক দেবে যাওয়া বা ভবন হেলে পড়ার শঙ্কাও রয়েছে। এই কাজ সময়মতো শেষ না হলে ব্যয় ও সময় অনেক বেড়ে যাবে।

অপরিকল্পিত কাজের ফলে নতুন বাজার থেকে কুড়িল পর্যন্ত যানজটে জনদুর্ভোগ চরমে। মানুষের ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে, ব্যবসাও ক্ষতিগ্রস্ত।

সংযোগ স্থানান্তরের কাজে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঠিক সমন্বয় না থাকায় সমস্যার সমাধান দেরিতে হচ্ছে।

এই প্রকল্পে ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে এবং ২০২৬ সালে শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হবে না। প্রকল্পটি চালু হলে প্রতিদিন আট লাখ যাত্রী চলাচল করতে পারবে।

তবে এত খরচের পরও এটি টেকসই উন্নয়ন বলা যাবে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার দুর্বল ভবন নির্মাণ ও অবকাঠামোর কারণে টানেল খনন ঝুঁকিপূর্ণ।

মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত কাজ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও সাময়িক দুর্ভোগ কমাতে এখনো কার্যকর পরিকল্পনা নেওয়া যায়নি।

পত্রিকা

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম, 'সবখানে ভাড়া বাড়ানোর দৌড়'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ঢাকায় বাড়িভাড়া বাড়ানোর প্রবণতা ক্রমাগত বেড়ে চলছে। যারা অফিস বা বাসা ভাড়া নিয়েছেন, তাঁদের জন্য প্রতিবছর বাড়িঘরের মালিকেরা ভাড়া বাড়ানোর চিঠি দেয়।

বিশেষ করে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীরা বাড়ি ভাড়ার চাপের কারণে সমস্যায় পড়ছেন।

ঢাকার বেশির ভাগ বাসিন্দারই নিজেদের বাড়ি নেই এবং তাঁরা ভাড়াটিয়া হিসেবে বাস করছেন। এসব ভাড়াটেদের অধিকাংশই বাড়ির মালিকদের একক সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল।

ঢাকার অভিজাত এলাকা যেমন ধানমন্ডি, গুলশান এবং বনানীতে বাসাভাড়া আকাশচুম্বী। এক্ষেত্রে বাড়ির অবস্থান, আকার বা সুবিধা প্রায়ই ভাড়ার অঙ্কের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

এছাড়া, নারীদের জন্য বাসা ভাড়া নেওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক বাড়িওয়ালা নারী ভাড়াটিয়াদের অযৌক্তিক শর্তে ভাড়া দিতে চায়, যেমন পুরুষ অভিভাবকের উপস্থিতি।

সরকারের পক্ষ থেকে এখনও বাসাভাড়া নির্ধারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

শহরের বাসাবাড়ি এবং অফিসের দাম বৃদ্ধির কারণে, কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় সরকারকে আরো কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

পত্রিকা

নিউ এইজের প্রধান শিরোনাম, 'Education sector in Bangladesh remains neglected' অর্থাৎ 'বাংলাদেশের শিক্ষা খাত এখনও অবহেলিত'।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের শিক্ষা খাত দীর্ঘদিন অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। ২০২৪ সালে ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করলেও শিক্ষা খাতে কোনো কমিশন গঠন করেনি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতি সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন না করে ধারাবাহিক ও ইতিবাচক সংস্কার আনা প্রয়োজন।

২০২৪ সালে নতুন পাঠ্যক্রমে ক্লাস নবম ও দশম শ্রেণির গ্রুপ বিভাজন তুলে দেওয়া হলেও পরে আবার ২০১২ সালের পাঠ্যক্রম ফিরিয়ে আনা হয়।

এ বছর ঠান্ডা ও তাপপ্রবাহ, বন্যা এবং ছাত্র আন্দোলনের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বহুবার বন্ধ ছিল, যার ফলে শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলন, পাঠ্যক্রম পরিবর্তন, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল এবং নতুন সিদ্ধান্তগুলো শিক্ষাখাতকে আরও অস্থিতিশীল করে তোলে।

২০২৪ সালে শিক্ষায় বাজেটের বরাদ্দ জিডিপির মাত্র এক দশমিক ৬৯ শতাংশে নেমে আসে।

পত্রিকা

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম, 'প্লাস্টিক পলিথিনে মুমূর্ষু নদী'। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের নদী ও জলাশয়গুলো প্লাস্টিক দূষণে ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। টঙ্গী খালের পানিতে প্রতি ঘনমিটারে ৬০ হাজারেরও বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

ঢাকার তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, বালু নদী ও ধানমণ্ডি লেকেও বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক দূষণ ধরা পড়েছে। শহরের জলাশয়গুলোতে গড়ে প্রতি ঘনমিটারে ৩৬ হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া যায়।

প্লাস্টিক দূষণ গ্রামীণ নদীগুলোর তুলনায় শহরের নদীগুলোতে শতগুণ বেশি। শহরের কাছে থাকা আত্রাই ও করতোয়া নদীতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ ৩০০ থেকে ৪০০, যেখানে গ্রামীণ এলাকায় এই মাত্রা ১০০ থেকে ১৫০। প্লাস্টিক দূষণের কারণে বাংলাদেশের পরিবেশগত সূচকে অবস্থান ১৭৭তম।

বাংলাদেশে প্রতি বছর ১০ মিলিয়ন টন প্লাস্টিক ব্যবহার হয়, কিন্তু এর মাত্র ৩৭% পুনর্ব্যবহারযোগ্য। ঢাকায় একজন ব্যক্তি বছরে গড়ে ২৪ কেজি প্লাস্টিক ব্যবহার করে এবং প্রতিদিন দেড় কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহৃত হয়।

দেশজুড়ে দেড় হাজারেরও বেশি অবৈধ পলিথিন কারখানা পরিবেশ দূষণে ভূমিকা রাখছে। এই প্লাস্টিক ব্যবহারে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে, নদী-সাগর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, এবং মানুষের স্বাস্থ্যে নানা রোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

সরকার নিষিদ্ধ পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে অভিযান চালানোর পাশাপাশি পাটপণ্য ও বায়োডিগ্রেডেবল প্লাস্টিক এবং পাটজাত পণ্যের ব্যবহারের ওপর জোর দিলেও কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় পলিথিনের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।