আপনি এই ওয়েবসাইটের একটি টেক্সট(লিখিত) সংস্করণ দেখছেন, যা কম ডেটা ব্যবহার করছে। ছবি ও ভিডিওসহ মূল সংস্করণ দেখতে এখানে ক্লিক করুন
পত্রিকা: 'সালমান-এস আলমের নিলাম সম্পদের ক্রেতা নেই'
বণিক বার্তার প্রধান খবর— সালমান-এস আলমের নিলাম সম্পদের ক্রেতা নেই।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এস আলম গ্রুপের কাছ থেকে খেলাপি ঋণের টাকা আদায়ে এখন পর্যন্ত ৩৫টি নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ইসলামী ব্যাংক।
এসব নিলামের সঙ্গে সম্পৃক্ত ঋণের পরিমাণ প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা।
এর মধ্যে কেবল একটি নিলামে একজন ক্রেতা অংশ নিয়েছেন। বাকি ৩৪টি নিলামে কোনো ক্রেতা অংশ নেননি।
রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক-ও এস আলম গ্রুপের খেলাপি হয়ে যাওয়া ঋণ আদায়ে নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। কিন্তু কোনো সম্পত্তির ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।
অর্থাৎ জামানতের সম্পত্তি বিক্রি করে এস আলম গ্রুপের কাছ থেকে টাকা আদায়ের পথ রুদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।
এদিকে, বেনামি বিভিন্ন কোম্পানির নামে আইএফআইসি ব্যাংক থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
খেলাপি হয়ে যাওয়া এ ঋণ আদায়ে এরই মধ্যে ১৯টি নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ব্যাংকটি।
কিন্তু কোনো নিলামেই জামানতের সম্পত্তি কেনার মতো ক্রেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো গ্রুপ এবং সাইফুল আলম মাসুদের এস আলম গ্রুপের ঋণ রয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।
এর মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণ ৭০ হাজার কোটি টাকার মতো। বাকি ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে এস আলম গ্রুপ।
নির্বাচন বানচালে হঠাৎ আক্রমণ আসতে পারে— আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের জন্য অনেক শক্তি কাজ করবে, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বুধবার প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন প্রস্তুতি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের প্রথম সমন্বয় সভায় তিনি এ সতর্কবার্তা দেন।
এই সভায় উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যের পাশাপাশি জ্যেষ্ঠ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।
প্রায় দুই ঘণ্টার সভায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, 'নির্বাচন বানচালের জন্য ভেতর থেকে বাহির থেকে অনেক শক্তি কাজ করবে। ছোটখাটো না, বড় শক্তি নিয়েই বানচালের চেষ্টা করবে। হঠাৎ করে আক্রমণ চলে আসতে পারে। এই নির্বাচন চ্যালেঞ্জিং হবে।'
যত ঝড় যা-ই থাকুক, আসুক না কেন, সেটা অতিক্রম করতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত চারটি বিষয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতেও তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
যার মধ্যে রয়েছে, অপপ্রচার, ভুল তথ্য দ্রুততার সঙ্গে মোকাবেলা করা; নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য মাঠ প্রশাসনে যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের পদায়ন; নির্বাচনী কর্মকর্তা ও আনসার সদস্যদের কার্যকর প্রশিক্ষণ দেয়া এবং ভোটের আগে-পরের ৭২ ঘণ্টাসহ সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও বাহিনীর মোতায়েন।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দেড় কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়ছে— প্রথম আলোর শেষ পাতার সংবাদ এটি।
এতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দুর্যোগপ্রবণ জেলাগুলোর ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ বড় ধরনের খাদ্যসংকটে পড়তে যাচ্ছে।
আর চরম অপুষ্টির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে ১৬ লাখ শিশু।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ দেশের ৩৬ জেলার ৯ কোটি ৬৬ লাখের বেশি মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি অবস্থা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য প্রকাশ করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট (এফপিএমইউ) এবং জাতিসংঘের তিন সংস্থা এফএও, ইউনিসেফ ও ডব্লিউএফপি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বছরের প্রথম চার মাসের তুলনায় বছরের শেষ আট মাসে খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তবে সার্বিকভাবে গত বছরের তুলনায় এ বছর খাদ্যসংকটে থাকা মানুষের সংখ্যা কমেছে।
জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি খাদ্যসংকটে পড়তে যাচ্ছে কক্সবাজারের মানুষ, বিশেষ করে উখিয়া ও টেকনাফের জনসাধারণ। এই জেলার ৩০ শতাংশ মানুষ খাদ্যসংকটের সম্মুখীন।
বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙনসহ দুর্যোগের কারণে ওই সব জেলায় খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা দেখা দেয় বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে।
এদিকে, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গত বছর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ২৪ শতাংশ খাদ্যসংকট ও ২ শতাংশ জরুরি অবস্থা ছিল।
ক্ষমা চাইতে নারাজ, সমর্থকদের ভোট বর্জনের হুঁশিয়ারি হাসিনার— সংবাদের প্রথম পাতার খবর এটি।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া সাক্ষাৎকারের বিষয়ে সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে অংশ নিতে না দিলে দলটির 'লাখ লাখ সমর্থক' ভোট বর্জন করবে, এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা।
তবে তিনি আশা করছেন, শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশ নেয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।
এদিকে, জুলাই অভ্যুত্থানে হতাহতের ঘটনায় নেতৃত্বের দায় স্বীকার করলেও 'ক্ষমা চাইতে নারাজ' শেখ হাসিনা।
তার দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীকে জনতার ওপর গুলি চালাতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার এবং তার সঙ্গীদের চলমান বিচারকার্যকে তিনি 'রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক প্রহসনের বিচার' আখ্যা দিয়েছেন।
ট্রাইব্যুনাল যদি মৃত্যুদণ্ড দেয়, তাতে 'বিস্মিত বা ভীত' হবেন না বলেও মন্তব্য করেছেন শেখ হাসিনা।
তিনি দাবি করেছেন, তার পরিবারের নেতৃত্ব ছাড়াও আওয়ামী লীগ এগিয়ে যেতে সক্ষম। দেশের ভবিষ্যৎ 'ভূমিকা পালনে' সরকারে হোক বা বিরোধী দলে, আওয়ামী লীগ ফিরবে।
দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ক্ষমতাচ্যুত এ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যখন বৈধ সরকার থাকবে, সংবিধান কার্যকর এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু থাকবে, তিনি অবশ্যই দেশে ফিরবেন।
ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের প্রধান শিরোনাম— Without MPs, who now lives in NAM flats? অর্থাৎ সংসদ সদস্যরা নাই, কারা থাকছেন ন্যাম ভবনে।
এই প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ এখন অকার্যকর, তবে সন্ধ্যা হলেই রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে সংসদ সদস্যদের সরকারি বাসভবন ন্যাম ভবনের কয়েকটি ফ্ল্যাটে নিয়মিতই আলো জ্বলতে দেখা যাচ্ছে।
তাই কৌতুহলী অনেকেরই প্রশ্ন জাগছে, এমপিদের এসব ভবনে থাকছেন কারা?
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতনের পর ন্যাম ভবন কমপ্লেক্স পরিচালনার দায়িত্বভার সংসদ সচিবালয়ের কাছ থেকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় পায়।
আর নির্বাচিত আইনপ্রণেতা না থাকায় অস্থায়ী ভিত্তিতে সেখানে বসবাসের সুযোগ পেয়েছে বিভিন্ন গোষ্ঠী।
ন্যাম ভবনের এক, দুই ও তিন নম্বর ভবনে এখন অবস্থান করছেন যথাক্রমে পুলিশ, আনসার ও সেনা সদস্য, যারা কি না নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করার জন্য সেখানে অবস্থান করছেন।
চার ও পাঁচ নম্বর ভবন খালি রয়েছে। চব্বিশের পাঁচ অগাস্ট সেখানে আন্দোলনকারীরা ভাঙচুর চালানোর কারণে ভবন দুইটির দরজা, জানালা, আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এগুলো মেরামতে সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে।
ছয় নম্বর ভবনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কয়েকজন প্রসিকিউটর বসবাস করছেন।
সুপারিশে কলম চালাতে পারেন প্রধান উপদেষ্টা— দেশ রূপান্তরের প্রধান শিরোনাম এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সরকারের হাতে সুপারিশ তুলে দেয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর যে বিরোধিতা, সেটি অন্তর্বর্তী সরকার তথা জাতীয় ঐকমত্য কমিশনকে চাপে ফেলে দিয়েছে।
সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের নিরসন করতে শিগগিরই দলগুলোকে ডাকা হবে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবনে। সেখানে সবার সঙ্গে আরেক দফায় আলোচনায় বসবেন তিনি।
বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্দেশনার বাইরে রাজনৈতিক দলগুলো যাবে না মনে করছে সরকার।
ওই বৈঠকে আলোচনার মধ্য দিয়ে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশে প্রধান উপদেষ্টা কলম চালাবেন।
জানা গেছে, সব দলকে মানামানির এ কৌশলে প্রধান উপদেষ্টা সব দলের অল্পকিছু দাবি সুপারিশে নতুন করে যোগ-বিয়োগ করবেন।
বিশেষ করে গণভোট, নোট অব ডিসেন্ট, ২৭০ দিন পর সয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে জায়গা করে নেবে এই ইস্যুগুলোয় মুহাম্মদ ইউনূস কাটাছেঁড়া করে সব দলকে ঐক্যবদ্ধ করবেন।
একটি রাজনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, বিএনপিকে সামলাতে নির্বাচন জটিলতার মুখে পড়বে জানিয়ে সনদ বাস্তবায়নবিরোধী অবস্থান থেকে দলটিকে সরিয়ে আনার কৌশল নেবে সরকার।
আর গণভোট ইস্যুতে সরকার প্রধানের সিদ্ধান্তের বাইরে জামায়াত যাবে না বলে মনে করে সরকার ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো।
মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম— ঐকমত্য কেরামতি।
এই খবরে বলা হয়েছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কমিশনের জমা দেওয়া সুপারিশে বিএনপিসহ অনেক দল ক্ষুব্ধ। তারা বলছে, আলোচনায় ঐকমত্য হওয়া বিষয়ে কমিশন নিজের মতো সুপারিশ দিয়েছে।
সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সংবিধান সংক্রান্ত ৪৮টি বিষয়ে গণভোট দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর মধ্যে অনেকগুলো বিষয়ে বিএনপিসহ কয়েকটি দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছিল।
যার মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গঠন, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা, প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি ও প্রধানমন্ত্রী একাধিক পদে না থাকাসহ এমন বেশকিছু ইস্যুতে আপত্তি রয়েছে বেশি।
দলগুলোর সঙ্গে শেষ মুহূর্তের আলোচনায় কমিশন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এই নোট অব ডিসেন্টসহ সনদ চূড়ান্ত হবে। কিন্তু সুপারিশে কমিশন এই নোট অব ডিসেন্ট এর বিষয় উল্লেখ করেনি।
এতে নোট দেওয়া দলগুলো চরম ক্ষুব্ধ। তারা বলছে, কমিশন তাদের সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে।
এতে সরকার ও কমিশনের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তোলার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কমিশনের দেয়া সুপারিশ সংশোধন না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করে দলগুলো।
এদিকে, গতকাল এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আমাদের আপসহীন অবস্থানের কারণে ঐকমত্য কমিশন সরকারের কাছে এ বিষয়ে সুপারিশ করেছে
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:
থানায় তদন্ত ও জনশৃঙ্খলায় আলাদা শাখা হচ্ছে— সমকালের প্রথম পাতার খবর এটি।
এতে বলা হয়েছে, থানায় পুলিশের ব্যবস্থাপনাকে আলাদা দুইটি ভাগে বিভক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
যা বাস্তবায়ন হলে মামলার তদন্তের জন্য থাকবে পৃথক শাখা, আর জনশৃঙ্খলা ও আভিযানিক কর্মকাণ্ডে থাকবে আলাদা দল।
এর মধ্যে একটি শাখার কর্মকর্তারা অন্য শাখার কার্যক্রমে যুক্ত হবেন না।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পুলিশ মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম বলেছেন, এখন সব থানায় একজন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) থাকলেও তার আওতায় বিশেষ কোনো জনবল নেই। টিম আলাদা করা হলে ১০ থেকে ১২ জন সদস্য একজন পরিদর্শকের (তদন্ত) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন।
পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, বাহিনীতে ঢোকার জন্য প্রশিক্ষণ শেষে একজন পুলিশ পরিদর্শকের (এসআই) থানায় পদায়নের প্রথম এক বছর থাকে শিক্ষানবিশ কাল। পদায়ন হওয়া সব সদস্য প্রথম তিন বছর জনশৃঙ্খলা ও অপারেশন ইউনিটে কাজ করবেন।
এ সময় কোনো এসআই মামলা তদন্ত করতে পারবেন না।
তিন বছর পর তাকে একটি পরীক্ষায় বসতে হবে। এতে উত্তীর্ণ হলে তদন্ত বিভাগে কাজের উপযুক্ত হবেন তিনি। এরপর চাইলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর তদন্ত ইউনিটে কাজ করতে পারবেন।
থানায় কেউ পাঁচ বছর সফলতার সঙ্গে তদন্ত ইউনিটে কাজ করলে তাকে সিআইডি, পিবিআই ও ডিবিতে পাঠানো হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।
বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— S Alam files arbitration claim over 'hundreds of millions' lost: Financial Times।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের বরাতে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, 'শত শত কোটি টাকা' ক্ষতি হয়েছে দাবি করে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছে আলোচিত শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলম।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এর হাতে পাওয়া নথি অনুযায়ী, এস আলম এবং তার পরিবারের পক্ষের আইনজীবীরা গত সোমবার ওয়াশিংটনভিত্তিক বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্র (আইসিএসআইডি)-এ এই সালিশি আবেদন জমা দেন।
সালিশি আবেদনে সাইফুল আলমের পরিবার অভিযোগ করেছে, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে তারা 'নির্বিচারে সম্পদ জব্দ, বাজেয়াপ্ত ও মূল্য ধ্বংসের লক্ষ্যভিত্তিক অভিযানের' শিকার হয়েছে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এই মামলাটিকে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য একটি সম্ভাব্য বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।