'এক-এগারোর সময় মার্কিন নীতিতে বড় ভুল ছিল'

'থানায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের তালিকা' আজকের পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ খবরটিতে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সারা দেশের নেতা-কর্মীদের খোঁজখবর রাখতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশে প্রতিটি থানায় ছাত্রলীগ নেতাদের তালিকা করা হচ্ছে।
সংগঠনটির নেতা-কর্মীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, সামাজিক কার্যক্রম এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বুঝতে এই উদ্যোগ বলে জানা গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তর, বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপার ও থানা পর্যায়ের একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এই উদ্যোগের বিষয়টি জানা গেছে।
পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো ধরনের হয়রানি, মামলা করতে নয়, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের তথ্য – উপাত্ত যাচাই করা হচ্ছে।
সংবাদটিতে পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা চালাতে পারেন। এজন্য তারা সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।
সেই আশঙ্কা থেকে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জেলা পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর:

'ক্ষোভে ফুঁসছে দেশ, মধ্যরাতে উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়' সমকাল পত্রিকার শিরোনাম।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
নির্যাতন, ধর্ষণসহ নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতার প্রতিবাদে সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন।
গতকাল শনিবার সারাদেশে কর্মসূচির মাধ্যমে নিপীড়কদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সোচ্চার হওয়ার দাবি তুলেছে নানা শ্রেণি-পেশার ক্ষুব্ধ মানুষ।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য 'অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন, নারী ও কন্যার উন্নয়ন'।
দিবসটি উপলক্ষে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে 'অদম্য নারী, শক্তিতে অজেয়' শীর্ষক সমাবেশ করে ছাত্রদল।
এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, "নারী ও শিশু নির্যাতন উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এগুলো রোধ করা না গেলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে অনুরোধ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করুন। এসব নির্যাতনের ঘটনায় পতিত ফ্যাসিস্টদের চক্রান্ত আছে কিনা, তা বের করুন। বাংলাদেশকে কোনোভাবে অস্থিতিশীল করা যাবে না।"
এ পত্রিকার আরেকটি শিরোনাম 'নির্বাচন ঘিরে সন্দেহ শঙ্কায় বিএনপি'।
এতে বলা হয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রলম্বিত করার চেষ্টা চলছে বলে সন্দেহ করছে বিএনপি।
গণপরিষদ নির্বাচন, সেকেন্ড রিপাবলিক, জুলাই ঘোষণাপত্র, নতুন সংবিধান ঘিরে সময়ক্ষেপণের
আয়োজন করা হচ্ছে বলে মনে করে দলটি।
সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে দলটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান যে লক্ষ্যএকটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এভাবে চলতে থাকলে সেটি ধীরে ধীরে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে তারা 'নির্বাচন প্রলম্বিত করার' আয়োজন হিসেবে দেখছেন।
পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকার যদি অনির্দিষ্ট মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করে তবে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতাও তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মাঠের রাজনীতিতে থাকা বৃহৎ এই দলটি।

'বাঁচা-মরার লড়াইয়ে সেই শিশুটি' মানবজমিন পত্রিকার শিরোনাম।
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হওয়াতে মাগুরায় পাশবিকতার শিকার আট বছর বয়সী শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ)-এ স্থানান্তর করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে তাকে কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্সে করে সিএমএইচে পাঠানো হয়। এ সময় তার সঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ছিলেন।
দুপুরে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে যান সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদ।
উপদেষ্টার নির্দেশ ও শিশুটির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশে শিশুটিকে সিএমএইচে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।
এ ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন শিশুটির মা। মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
তবে শিশুটির বাঁচা-মরার বিষয়ে শঙ্কা রয়েছে। কারণ এখনো সে অচেতন।
নিজ থেকে নিঃশ্বাসও নিতে পারছে না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরাও তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে পারেননি। বরং অনিশ্চয়তার কথা বলেছেন।

সংবাদের প্রথম পাতার শিরোনাম 'নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পতিত স্বৈরাচার 'বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে': প্রধান উপদেষ্টা'।
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে 'বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে' বলে অভিযোগ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
এই পরিস্থিতিতে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, "পতিত স্বৈরাচার দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। আমাদের এখন ততটাই সতর্ক থাকতে হবে যেমনটা আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ সজাগ থাকুন। নিপীড়নের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্য গড়ে তুলুন। একে অন্যের পাশে দাঁড়ান। একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়তে সরকারকে সহযোগিতা করুন।"

'সাশ্রয় নেই জনপ্রশাসনে খরচ বেড়েই চলেছে' বণিক বার্তা পত্রিকার শিরোনাম।
এ সংবাদে বলা হয়েছে, প্রতি বছরের বাজেটে জনপ্রশাসনের কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় মেটাতে বড় অংকের অর্থ বরাদ্দ থাকে। এ বাবদ সরকারের প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণও বেশ বড়।
প্রতি বছরই এ খাতে সরকারের ব্যয় বাড়ছে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) এর আগের বছরের তুলনায় জনপ্রশাসনের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে সরকারের ব্যয় বেড়েছে হাজার কোটি টাকারও বেশি।
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ সামনে সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতা দেয়া হলে এর প্রভাবে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের ব্যয় আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে জনপ্রশাসনের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ ৩১ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা ব্যয় করেছে সরকার।
এর আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ খাতে ব্যয় হয়েছিল ৩০ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা।
সে অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ খাতে ব্যয় বেড়েছে এক হাজার ৩৮ কোটি টাকা।
চলতি অর্থবছরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে বাজেটে মোট ৮১ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম 'এক-এগারোর সময় মার্কিন নীতিতে বড় ভুল ছিল'।
বাংলাদেশে ২০০৭-০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জনগণের প্রত্যাশার চেয়ে জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তাদের ভাবনাকে যুক্তরাষ্ট্র বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল।
এর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্ব ছিল নির্বাচনের সময়সীমার ওপর।
ওই সময়ে বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন এই নীতি বড় ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপ-রাষ্ট্রদূত জন ড্যানিলোভিচ।
গতকাল শনিবার রাজধানীতে এক আলোচনায় বাংলাদেশে ২০০৭-০৮ সালের রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণে নিজের দেশের ভূমিকা নিয়ে এমন মন্তব্য করেন সাবেক এই মার্কিন কূটনীতিক।
২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা নিয়েছিল।
ওই ঘটনা ওয়ান ইলেভেন বা এক-এগারো নামে পরিচিত। জন ড্যানিলোভিচ ওই সরকারের আমলে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন।

'দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিত 'মব' সৃষ্টি' নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে 'মব' তৈরি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছুটা নমনীয়তার সুযোগ নিয়ে আওয়ামী লীগের দোসরদের প্ররোচনায় একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে কাজটি করছে বলে ধারণা করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা।
এমনকি কয়েকটি গোয়েন্দা রিপোর্টেও এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে এ সংবাদে বলা হয়েছে।
পুলিশ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, চোর-ডাকাত-ছিনতাইকারী এমনকি সাধারণ মানুষও মব জাস্টিসের শিকার হচ্ছেন। বাদ যাচ্ছেন না বিদেশী নাগরিকেরাও।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর রিপোর্টেও বলা হচ্ছে, পাঁচ অগাস্টের পর দেশে মব ভায়োলেন্সের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ ধরনের অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় একের পর এক বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছে দুষ্কৃতকারী ছাড়াও নিরপরাধ মানুষ।
এর আগে এমন ঘটনা ঘটলেও তার সংখ্যা ছিল তুলনামূলক কম।

'Rohingya entry goes on' নিউ এইজ পত্রিকার এই শিরোনামের অর্থ মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।
এ খবরে বলা হয়েছে, সীমান্তের দুই পাশে নৌকার মাঝি এবং দালালদের টাকা দিয়ে মিয়ানমারের সংঘাত কবলিত রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গারা এখনও অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।
কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দা এবং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীরা কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তবর্তী স্থল ও নদীপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।
শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে আশ্রয় শিবিরে প্রবেশের জন্য ৫৩ হাজার ৯৪৮ জন রোহিঙ্গা জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারের কাছ থেকে অস্থায়ী নিবন্ধন পেয়েছেন।
তাদের বেশিরভাগই গত বছরের অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বর মাসে নিবন্ধন নিয়েছিলেন।

'Tk 2.21 cr extorted daily from city transport' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার এ শিরোনামের অর্থ, নগর পরিবহন থেকে প্রতিদিন দুই কোটি ২১ লাখ টাকা চাঁদাবাজি।
ঢাকা শহরের ৫৩টি পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন দুই কোটি ২১ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়।
যা প্রতি মাসে ৬৬ দশমিক তিন কোটি টাকা এবং কখনও কখনও ৮০ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছায় বলে একটি সরকারি তদন্তে জানা গেছে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে আরও দেখা গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা, বিশেষ করে বিএনপির সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা, চাঁদাবাজির সাথে জড়িত বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।
১১ই ফেব্রুয়ারি ওই প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগের শাসনামলে, দলটির নেতা-কর্মীরা চাঁদাবাজির একটি সিস্টেম চালু করেছিলেন, যেটি স্পষ্টতই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।
কারণ তারা একটি কাগজের "টোকেন" ব্যবহার করতো ফলে প্রমাণ থেকে যেত।
তবে, আওয়ামী লীগ শাসনের পতনের পর, স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা, বিশেষ করে বিএনপি এবং এর অঙ্গ সংগঠনের নেতারা এই সিস্টেম দখল করে নেয় বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।









