পত্রিকা: 'উপদেষ্টাদের কারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত?'

মানবজমিনের শিরোনাম, 'উপদেষ্টাদের কারা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত?' খবরে বলা হচ্ছে, সরকারের উপদেষ্টাদের কেউ কেউ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের কেউ কেউ সেফ এক্সিটের কথা ভাবছেন। তাদের কার্যক্রমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছে অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া দলগুলো।
বিশেষ করে জামায়াত এবং এনসিপি'র পক্ষ থেকে এই অভিযোগ উঠায় তোলপাড় চলছে। কিছু কিছু উপদেষ্টা সেফ এক্সিটের কথা ভাবছেন, এনসিপি'র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য দেয়ার পর থেকে নানা আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।
নাহিদ নিজেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। নাহিদ বলেছেন, উপদেষ্টাদের কারা সেফ এক্সিট খুঁজছেন তাদের নামও প্রয়োজনে প্রকাশ করে দেবেন। তার এই বক্তব্য প্রচারের পর সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
সর্বশেষ জামায়াত নেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের উপদেষ্টাদের নিয়ে বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়েছেন। গতকাল তিনি বলেছেন, সরকারের কোনো কোনো উপদেষ্টা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, তারা নীলনকশার নির্বাচনের চেষ্টা করছে, তাদের নাম আছে, তাদের কণ্ঠ রেকর্ড আছে। তারা মিটিংয়ে কী আলোচনা করেন তার খবরও আমাদের কাছে আছে।
তিনি বলেন, আমরা সময় দিচ্ছি সংশোধন হওয়ার। সংশোধন না হলে তাদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ করে দিবো।
ওদিকে বিএনপি'র সর্বশেষ স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও কয়েকজন উপদেষ্টার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

'আগুনে নিভল ১৬ তাজা প্রাণ', এটি দেশ রূপান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে,পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টার মতো আবারও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে ঢাকায়। এবার মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে একটি পোশাক কারখানা ও কেমিক্যাল গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লেগেছে। অগ্নিকাণ্ডে ১৬ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
ভবনটির দ্বিতীয় ও তৃতীয়তলা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। সবকটি লাশই অঙ্গার হয়ে গেছে। লাশের ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে অঙ্গার হওয়া লাশের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে ফায়ার সার্ভিস।
ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করার জন্য কাজ করছে সিআইডির ক্রাইম সিন ও কেমিক্যাল ল্যাব বিশেষজ্ঞরা। নাশকতা বা অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ১৬ শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। অগ্নিকাণ্ডে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

'মিত্রদের প্রার্থী তালিকা নিয়ে হিসাব কষছে বিএনপি' এটি প্রথম আলোর শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, ভোটে জয়ী হলে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে 'জাতীয় সরকার' গঠন করার ঘোষণা আগেই দিয়েছিল বিএনপি।
এখন সে লক্ষ্য সামনে রেখে দলটি আগামী জাতীয় নির্বাচনে মিত্রদের প্রার্থী মনোনয়নের দিকে নজর দিচ্ছে। ইতিমধ্যে বিএনপি যুগপৎ আন্দোলনের দুটি শরিক জোট ও পাঁচটি দলের কাছ থেকে ১০৬ জন প্রার্থীর তালিকা হাতে পেয়েছে।
বাকি আছে বাম ঘরানার ছয়দলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চ। যদিও ইতিমধ্যে তারা ১৩৮টি আসনে জোটের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে।
গণতন্ত্র মঞ্চ ঘোষিত ওই ১৩৮ জন প্রার্থীর নাম এ হিসাবে যুক্ত করলে বিএনপির কাছে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের চাওয়া আসন সংখ্যা হয় ২৪৪। এর বাইরেও কয়েকটি দল রয়ে গেছে, যেগুলোর সঙ্গে বিএনপির নির্বাচনী বোঝাপড়া চলছে, যা এ হিসাবে নেই।
বিএনপি ও গণতন্ত্র মঞ্চের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, শিগগির গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক হবে। সেখানে নির্বাচনের পূর্বাপর নানাবিধ বিষয়সহ আসন সমঝোতা নিয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
'রাসায়নিকে অসহায় ফায়ার সার্ভিস', আজকের পত্রিকার খবর। এতে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৈধ - অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য রাসায়নিকের দোকান ও গুদাম । মাঝেমধ্যে এসব স্থানে আগুন লাগে , ঘটে প্রাণহানি ।
ফায়ার ফাইটাররা সাধারণ আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলেও রাসায়নিকের আগুন নেভাতে গিয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হয় তাঁদের । ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানিয়েছেন , অগ্নিদুর্ঘটনাস্থলে কোন ধরনের রাসায়নিক আছে , তার প্রকৃত তথ্য না পাওয়ায় আগুন নেভাতে গিয়ে অনেক সময় বিপদে পড়েন তাঁরা।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে , গত পাঁচ বছরে দুটি বড় রাসায়নিক দুর্ঘটনায় তাদের ১৬ জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন । ২০২২ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মোট ৫১ জন নিহত হন , যার মধ্যে ১৩ জনই ফায়ার সার্ভিসের কর্মী । আর চলতি বছরে গাজীপুরে নিহত হন ফায়ার সার্ভিসের আরও ৩ জন কর্মী ।
ফায়ার সার্ভিসের সাবেক পরিচালক ( অপারেশনস ) মেজর ( অব . ) এ কে এম শাকিল নেওয়াজ আজকের পত্রিকাকে বলেন , উন্নত দেশগুলোতে রাসায়নিক গুদাম বা কেমিক্যালের আগুন নির্বাপণের জন্য আলাদা ফায়ার সার্ভিসের কর্মী থাকলেও আমাদের দেশে তা নেই । ফলে কোন ধরনের রাসায়নিকের আগুন কীভাবে নির্বাপণ করতে হবে , সেই প্রশিক্ষণ অনেকের নেই । এর মধ্যেও ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা । ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের যথাযথ সরঞ্জাম ও সুরক্ষা দিয়ে অগ্নিনির্বাপণের কাজে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন , ফায়ার অ্যাক্ট , প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণে দ্রুত সংস্কার না আনলে এমন ঘটনা বারবার ঘটবে ।

'Final version of July Charter sent to all parties'. ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, জুলাই সনদের চূড়ান্ত সংস্করণ রাজনৈতিক দলগুলির কাছে পাঠিয়েছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। সনদ প্রণয়নে অংশগ্রহণকারী সব দলের হাতে গতকাল মঙ্গলবার রাতে এটি তুলে দিয়েছে ঐকমত্য কমিশন। যার ভিত্তিতে ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে পাঠানো পৃথক চিঠিতে দলগুলোকে সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে। সনদে বলা হয়েছে যে,পক্ষগুলি আদালতে এর বৈধতা বা প্রয়োজনীয়তাকে চ্যালেঞ্জ করবে না এবং এর বাস্তবায়নের প্রতিটি পর্যায়ে তারা আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা বজায় রাখবে।
সনদে কোনও বাস্তবায়ন রোডম্যাপ অন্তর্ভুক্ত ছিল না। কমিশন সূত্র গতকাল জানিয়েছে, ১৭ অক্টোবর স্বাক্ষরের পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে কমিশন তাদের সুপারিশ জমা দেবে।
কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'জুলাই মাসের জাতীয় সনদ সকল পক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। [চূড়ান্ত খসড়া থেকে] এতে কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই।'
ঐকমত্য কমিশনকে সংবিধান, বিচার বিভাগ, নির্বাচন ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জনপ্রশাসন সহ ছয়টি প্রধান সংস্কার সংস্থার প্রস্তাব পর্যালোচনা এবং গ্রহণ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দুই দফা আলোচনার পর, ঐকমত্য কমিশন ৮৪টি প্রস্তাবের খসড়া তৈরি করে, যার অর্ধেকটি সাংবিধানিক সংস্কারের সাথে সম্পর্কিত। বিএনপি এবং এর সমমনা দলগুলি কমপক্ষে নয়টি বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট জারি করেছিল।

'৩৬ বছর পর চাকসুতে ভোটযুদ্ধ আজ', এটি যুগান্তরের শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু), হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন আজ। দীর্ঘ ৩৬ বছর অপেক্ষার পর শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষায় সচল হতে যাচ্ছে চাকসু।
নির্বাচনে ১৩টি পূর্ণাঙ্গ, ২টি আংশিক প্যানেলে ৯০৮ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। টানা উনিশ দিন পর সোমবার রাতে আনুষ্ঠানিক প্রচার শেষ হয়।
তবে মঙ্গলবারও ক্যাম্পাসে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রার্থীরা অনলাইনে প্রচারণায় মেতেছিলেন। শিক্ষার্থীরা তাদের প্রতিনিধি বেছে নিতে উন্মুখ হয়ে আছেন। নির্বাচন ঘিরে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা। এর আগে ১৯৯০ সালে হয়েছিল চাকসু নির্বাচন।
এরপর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক জটিলতায় দীর্ঘ প্রায় ৩৬ বছর বন্ধ ছিল। এদিকে নির্বাচনের সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন।
সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ হাজার ৫১৬ শিক্ষার্থী ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। যেখানে ১৬ হাজার ১৮৯ ছাত্র ও ১১ হাজার ৩২৯ ছাত্রী ভোটার।

'নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগ পৃথক্করণ: নির্বাহী বিভাগের কাছে যাবে ব্যয় অনুমোদনের ক্ষমতা', এটি বণিক বার্তার শিরোনাম। খবরে বলা হচ্ছে, বর্তমানে সরকারি ব্যয়ের বিল পাস ও ছাড় করাতে অনুমোদন নিতে হয় হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের (সিজিএ)। তবে জনপ্রশাসন সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সিজিএ কার্যালয়কে পুরোপুরিভাবে অর্থ বিভাগের অধীনে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ফলে সরকারি অর্থ ব্যয় ও বিল পাসের ক্ষমতা নির্বাহী বিভাগের কাছে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ার শঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, নির্বাহী বিভাগ যাতে হিসাব বিভাগের কার্যক্রমে অযাচিত হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য আইনি সুরক্ষার পাশাপাশি সমীচীন হবে সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শে এ সংস্কার বাস্তবায়ন করা।
অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়কে (সিএজি) শক্তিশালী করতে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়েছে।পাশাপাশি নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরীক্ষা করা ও প্রতি বছর নির্দিষ্ট মাসে নিরীক্ষা ও নিরীক্ষিত হিসাব প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণের বিষয়েও সুপারিশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে সিএজির কার্যালয় থেকে সিজিএকে আলাদা করার জন্য সংশোধন করতে হবে সংবিধান। এ কারণে সরকারের নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগ পৃথক্করণ কার্যক্রমের বিষয়টি জুলাই সনদের খসড়ায় যুক্ত করা হয়েছে।
সনদের জনপ্রশাসন অংশে হিসাব বিভাগ থেকে নিরীক্ষা বিভাগ আলাদাকরণ সংক্রান্ত প্রস্তাবে বলা হয়েছে—নিরীক্ষার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, হিসাব বিভাগ থেকে অডিটের পৃথক্করণ এবং অডিটের গুণগতমান উন্নতির জন্য নিরীক্ষা আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। প্রজাতন্ত্রের বিদ্যমান হিসাব ও নিরীক্ষা বিভাগকে পৃথকের সুপারিশ আগেও বিভিন্ন কমিশন করেছে।









