'ভারতের আমদানি নিষেধাজ্ঞায় হতবাক রপ্তানিকারকরা'

'Exporters caught off guard by India's import curbs' দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার শিরোনামের অর্থ 'ভারতের আমদানি নিষেধাজ্ঞায় হতবাক রপ্তানিকারকরা'।
এ সংবাদে বলা হয়েছে, গতকাল বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি স্থলবন্দরে ভারতগামী পণ্যবাহী শত শত ট্রাক হয় আটকা পড়ে, নয়তো পণ্য খালাস না করেই চলে যেতে বাধ্য হয়।
দুইটি সমুদ্রবন্দর বাদে বাকি সব গুরুত্বপূর্ণ পণ্য বিশেষ করে পোশাক আমদানি আকস্মিকভাবে সীমিত করার একদিন পর এটি ঘটেছে।
ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তরের ঘোষিত এই পদক্ষেপের ফলে আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশে স্থলপথে বাংলাদেশি পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক পণ্য এবং আরও অনেক কিছুর প্রবেশ সীমিত করা হয়েছে।
বেনাপোল, বুড়িমারি এবং বাংলাবান্ধার মতো বন্দরে তাদের চালান পড়ে থাকায় রফতানিকারকরা এখন বিশাল ক্ষতি এবং বিশৃঙ্খলার মুখোমুখি হচ্ছেন।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হক বলেন, "এই আকস্মিক সিদ্ধান্ত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করতে পারে।"

'৮৫ হাজার কোটি টাকা গায়েব' কালের কণ্ঠ পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
এ সংবাদে পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতন, ফোর্সড সেলে বিনিয়োগকারীরা কিভাবে নিঃস্ব হয়ে গেছেন তা তুলে ধরা হয়েছে।
বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
অন্যদিকে আবুল খায়ের হিরুর মতো মাস্টারমাইন্ডরা এখনো বহাল তবিয়তে কারসাজি করে যাচ্ছেন বলে সংবাদটিতে বলা হয়েছে।
পুঁজিবাজারের দরবেশ খ্যাত সালমান এফ রহমানের কারসাজির অন্যতম হোতা আবুল খায়ের হিরু। তার কালো ছায়া থেকে বের হতে পারছে না পুঁজিবাজার।
পুঁজিবাজারের ৯০ শতাংশ বিনিয়োগকারী পুঁজি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমআইএ)।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ দায়িত্ব নেওয়ার পর বাজার মূলধন হারিয়েছে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা।
স্বৈরাচারী শাসনামলে দেশের শেয়ারবাজার থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটে পরস্পরের সঙ্গী ছিলেন সালমান এফ রহমান, লোটাস কামাল, শিবলী রুবাইয়াত ও আবুল খায়ের হিরু।
এ সংবাদে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে ২০১০ সালের পুঁজিবাজার কারসাজি সিএমসি কামালের শেয়ার কারসাজিতে জড়িত ছিলেন লোটাস কামাল।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরের শাসনকালে যখনই শেয়ার কারসাজি ও জাল-জালিয়াতির কথা উঠেছে তখনই ঘুরেফিরে সামনে চলে এসেছে এসব নাম।
তারা বাজার কারসাজিতে সহায়তা করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ পদগুলোতে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়েছেন।
এ চক্র একসঙ্গে মিলেমিশে শেয়ারবাজার থেকে লুণ্ঠন করে নিয়ে গেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার কোটি টাকা।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুসন্ধান ও তদন্ত কমিটির সদস্য ইয়াওয়ার সাঈদ বলেন, "১৯৯৬ ও ২০১০ সালের শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির তদন্তে অনেক কিছুই বেরিয়ে এসেছিল। কিন্তু তার আলোকে কিছুই করা হয়নি। কাউকে শাস্তি দেওয়া হয়নি; বরং সেই 'দরবেশ, পীররা' দাড়ি কামানোর আগ পর্যন্ত পুঁজিবাজার চালিয়েছেন। এখন পুঁজিবাজারে সেই দরবেশ-পীররা নেই। কিন্তু তাঁদের মুরিদরা রয়ে গেছেন।"
End of বিবিসি বাংলার অন্যান্য খবর

জুলাই আন্দোলন নিয়ে মানব জমিন পত্রিকার শিরোনাম 'সরকারি নথিতেই হাজার রাউন্ড গুলির তথ্য'।
জুলাই - অগাস্টে রাজধানীতে চলা ছাত্র - জনতার আন্দোলনে নির্বিচারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রাণঘাতী গুলি চালিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে এ সংবাদে।
এই খবরে বলা হয়েছে, আন্দোলনের শুরু থেকেই প্রাণঘাতী বুলেটের ব্যবহার হয়েছে বলে সরকারি তথ্যে উঠে এসেছে।
ঢাকার কয়েকটি স্থানে সাতজন ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে অন্তত ১২৪০ টি প্রাণঘাতী গুলির তথ্য মিলেছে সরকারি নথিতে।
ছাত্র - জনতার আন্দোলন দমাতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে গত পহেলা জুলাই থেকে পাঁচই অগাস্ট পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৯৫ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন।
এসব ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা ছাত্র - জনতার ওপর ব্যাপকহারে দমন পীড়ন চালায়।
পত্রিকাটির কাছে থাকা নথির তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, রামপুরা, যাত্রাবাড়ী ও মোহাম্মদপুর এলাকায় অন্তত সাত জন ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি নির্দেশে ছাত্র - জনতার ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে সাত দশমিক ৬২ ক্যালিবার চায়না রাইফেল দিয়ে ১২৪০ রাউন্ড গুলি ছোঁড়েন বিজিবি ও আনসার সদস্যরা।
ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ের বিচার শাখা থেকে ট্রাইব্যুনালে পাঠানো একটি গোপন প্রতিবেদনে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলে তুলে ধরা হয়েছে এ সংবাদে।

'সাত মাসে ২২০ জেলেকে অপহরণ আরাকান আর্মির' সমকাল পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম।
বাংলাদেশ - মিয়ানমার সীমান্তের নাফ নদসহ সংলগ্ন এলাকা থেকে গত সাত মাসে অন্তত ২২০ জেলেকে অপহরণ করেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
এর মধ্যে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ধরে নিয়ে যায় ১৫১ জনকে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সহায়তায় কয়েক দফায় তাদের ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে এ খবরে বলা হয়েছে, অপহৃত কয়েক জেলের খোঁজ এখনো পাচ্ছে না পরিবার।
সর্বশেষ ১২ই মে নাফ নদে আরাকান আর্মির হামলায় দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হন।
এ সময় তিন জেলে অপহরণের শিকার হন। আটই এপ্রিল চারটি ট্রলারসহ ২৩ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।
আরাকান আর্মির জিম্মিদশা থেকে ফেরত এসেছেন এমন চারজনের সঙ্গে কথা এ সংবাদে তুলে ধরা হয়েছে।
তাদের মধ্যে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা মো. আইয়ুব জানান, ছয়ই এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে সেন্টমার্টিনের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমা হয়ে টেকনাফের জেটিঘাটে ফিরছিল তাদের ইঞ্জিনচালিত ট্রলার।
দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মাছ ছিল ট্রলারে।
হঠাৎ সাত ব্যক্তি এসে অস্ত্রের মুখে ট্রলার আটকায়। আইয়ুব যে ট্রলার ছিলেন, সেখানে মাঝিসহ নয় বাংলাদেশি জেলে ছিলেন।
ট্রলারে উঠে অস্ত্রধারীরা সবার হাত ও চোখ বেঁধে ফেলে। রাত আটটার দিকে মিয়ানমারের মংডুতে নিয়ে হাত ও চোখ খুলে দেয়।
পরে তাদের আরেকটি দলের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং হাজতখানার মতো জায়গায় রাখা হয়।

'কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষতি, নিহত ১' নয়া দিগন্ত পত্রিকার শিরোনাম।
দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালিয়েছে কালবৈশাখী ঝড়। এতে গাইবান্ধায় মারা গেছেন এক গৃহবধূ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু ঘরবাড়ি, ফসল ও গাছপালা।
এছাড়া ফরিদপুরে বজ্রপাতে আগুন লেগে একটি তুলার গুদাম পুড়ে গেছে। সদর উপজেলার কানাইপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটেছে।
পত্রিকাটির জামালপুর প্রতিনিধির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ইসলামপুর উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ছয় শতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
শনিবার রাত দশটায় বয়ে যাওয়া এ ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপজেলার সাপধরি ইউনিয়নে।
এ ইউনিয়নের কাশারীডোবা, প্রজাপতি, চরশিশুয়া, দক্ষিণ শিশুয়া, মণ্ডলপাড়াসহ বেশি গ্রামের ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে।
পাশাপাশি গাছপালা, বোরো ধান, সবজি, ভুট্টা, আম ও কলারও ক্ষতি হয়েছে। উড়ে গেছে ঘরের চাল।

'আন্দোলনের শহর ঢাকা' দৈনিক ইত্তেফাকের প্রথম পাতার শিরোনাম।
গতকাল রোববার রাজধানী জুড়ে একাধিক দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিল বিভিন্ন পক্ষ বা সংগঠন। এমন খবরগুলো নিয়ে এই শিরোনাম।
চাকরি ফিরে পেতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিক্ষোভ করেন সশস্ত্র বাহিনী থেকে চাকুরিচ্যুত ব্যক্তিরা।
দুপুরে তাদের সাথে কথা বলতে প্রেস ক্লাবে যান সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আন্দোলনকারীরা তাদের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়লে তারা সেখান থেকে বের হতে পারেননি।
পরে সন্ধ্যায় আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাসে প্রেস ক্লাব ছাড়েন বিক্ষোভকারী ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা।
এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচারের দাবিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে শিক্ষার্থীরা।
প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে ছাত্রদল শাহবাগের সড়ক অবরোধ করে।
পরে রাতে এ মামলার তদন্ত ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নগর ভবনের সামনে টানা চতুর্থ দিনের মতো বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন ইশরাকের সমর্থকেরা।
মেয়রের দায়িত্ব ইশরাক হোসেনকে বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে রোববার সকালে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে নগর ভবনের সামনে জড়ো হন বিক্ষোভকারীরা।
ফলে সিটি করপোরেশনের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

'বাণিজ্য ঘিরে পাল্টাপাল্টি অবস্থানে বাংলাদেশ - ভারত' বণিক বার্তা পত্রিকার শিরোনাম।
বন্দর ব্যবহার করে অন্য দেশে পণ্য রফতানির জন্য বাংলাদেশকে ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা দিয়েছিল ভারত।
আকস্মিকভাবে গত আটই এপ্রিল তা বাতিল করে দেওয়া হয়।
এর এক সপ্তাহ পরই অর্থাৎ ১৫ই এপ্রিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সুতা আমদানি বন্ধ ঘোষণা করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
সর্বশেষ গত শনিবার স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ আরো বেশকিছু পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ভারত সরকার, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়।
এর ফলে বন্দরে বন্দরে আটকা পড়ে বাংলাদেশী পণ্যের ট্রাক।
বিশ্লেষকরা বলছেন, গত পাঁচ দশকের সম্পর্কে প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে এভাবে আর কখনই একের পর এক পাল্টাপাল্টি বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দিতে দেখা যায়নি।
বাংলাদেশ ও ভারতের অখণ্ড ভূখণ্ড। তাই পারস্পরিক নির্ভরশীলতাও অনেক বেশি, যার বাস্তবায়ন ঘটে বাণিজ্যের মাধ্যমে।
তবে প্রবল আন্দোলনের মুখে গত অগাস্টে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী দেশ দুটির সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে।
কয়েক মাস ধরে চলা বাগযুদ্ধের পর বাংলাদেশ - ভারত একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপড়েন এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে ব্যবসা - বাণিজ্যে, বিশেষ করে পোশাক শিল্পে।
যার মূল্য গুনতে হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে।

প্রথম আলো পত্রিকার প্রথম পাতার শিরোনাম 'রপ্তানির সহজ পথ বন্ধ, বাজার হাতছাড়ার শঙ্কা'।
ভারতে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সহজ পথ হলো স্থলপথ। এই পথে দ্রুত পণ্য পাঠানো যায়।
থরচও কম হয়। এ কারণে বাংলাদেশ ভারতে যতটা তৈরি পোশাক রপ্তানি করে, তার ৭৬ শতাংশই যায় স্থলপথে।
তবে গত শনিবার দেশটি স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি নিষিদ্ধ করে। এতে সহজ পথটি বন্ধ হয়ে গেছে।
পোশাক রপ্তানিতে অবশ্য সমুদ্রপথে দুটি পথ খোলা রেখেছে - দেশটির পশ্চিমে মুম্বাইয়ের নভো সেবা ও পূর্বভারতে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা বন্দর।
চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি নভোসেবায় কনটেইনার জাহাজ চলাচল করে না। চট্টত্রাম থেকে শ্রীলঙ্কার বন্দরের মাধ্যমে ঘুরপথে নভোসেবায় পণ্য পরিবহন হয়।
চট্টগ্রাম - কলকাতায় ছোট দুটি কনটেইনার জাহাজ চলাচল করলেও বেশিরভাগ সময় অনিয়মিত থাকে।

'Tertiary-level edn yet to return to normalcy' নিউ এইজ পত্রিকার প্রথম পাতার এ শিরোনামের অর্থ 'উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনও স্বাভাবিক অবস্থা ফেরেনি।'
এ সংবাদে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রায় এগার মাস পার হলেও দেশের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসেনি।
ছাত্র আন্দোলনের আগেই শিক্ষকদের ক্লাস বর্জনের কারণে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হয়।
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পদে ব্যাপক রদবদল হলেও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরেনি।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন পলিটেকনিক ও নার্সিং ইন্সটিটিউটের শিক্ষার্থীরা এখনও দাবি আদায়ে বিক্ষোভ করছে।
ঘন ঘন বিক্ষোভ করে রাস্তা, মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ করা এবং সচিবালয়, বিভিন্ন থানা ঘেরাও করার ফলে দুর্ভোগে পড়ছে সাধারণ মানুষ।
এই বিক্ষোভ ও দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সেশন জটের শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক এএফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, "জুলাই - অগাস্টের আন্দোলনের পর যেসব ঘটনা ঘটেছিল তা খুবই অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ছিল।"









